চাচী কে চুদার সময় ভাবী দেখে ফেলায় ভাবী কে ও চুদতে হলো
আমি ডাক্তারের রূপ নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস
করলাম তোমার কোথায় ব্যথা? আপা বলল আমার
কোমরে মাথায় ব্যথা। আমি আপনাকে বললাম,
আপা তোমার সকল ব্যথা ভালো হয়ে যাবে। যদি
তুমি আমার কথায় রাজি থাকো। আপা বলল, কি
কথা? আমি বললাম, তোমার হাঁটুতে বা কমরে
একটা ওষুধ দিয়ে মালিশ করলে ভালো হয়ে
যাবে। আর সেই মানুষটা আমার কাছে আছে। বাবা
বলল, আমি তো ব্যথামুক্ত হতে চাই। আমি
আপনাকে বললাম, তাহলে তুমি সোজা হয়ে শুয়ে
পড়। তারপর আমি মালিকের নামে আমাকে
সারারাত ধরে যা করেছিলাম তা শুনলে তোমাদের
মাথা গরম হয়ে যাবে। তাহলে আসল ঘটনাটি
বলি। আপনাকে চাকরির জন্য পাশের জেলায়
গিয়েছিলাম। পাশের জেলা বলতে যে আমারই দূর
তা কিন্তু নয়। পাশে এক ঘন্টার রাস্তা।
সেখান থেকে ভ্যানে আর 10 মিনিট। গ্রামটা
আমার পরিচিত। নামিয়াও আগে কখনো যায়নি।
তবে যাওয়ার আগে বাড়ি থেকে শুনে
গিয়েছিলাম। ওই গ্রামে আমাদের এক আতনিয়ার
বাড়ি চাচা বাবার মাস্তত ভাই ঘনিষ্ঠ
কিন্তু দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই ওই চাচাকে
আমি দেখেছি কিন্তু কখনো তাদের বাড়িতে
যাওয়া হয়নি ফেরার পথে বিপত্তি ঘটল
বিপত্তি না বলে সৌভাগ্য বললেই বোধহয় ভালো
হতো দুপুরের প্রচন্ড রোদে ভ্যানে করে
ফিরছিলাম গ্রামের রাস্তা যদিও কাঁচা
রাস্তা ফাঁকা ফাঁকা বাড়ি পড়ছিল কিন্তু
বিধিবাম কিছুদূর আসার পর ভ্যানের চাকা
পাংচার
চোখে সর্ষে ফুল দেখলাম। যদিও রাস্তার বেশি
দূরে নয় কিন্তু হাঁটা তো আমার পক্ষে
সম্ভব নয়। ভ্যানওয়ালা বীর মুখে বলল,
ভাইজান ভাড়া দেওয়া লাগবে না। ক্লান্ত
ঘামে ভেজা মুখটা দেখে মায়া লাগল ভাড়ার
চেয়ে বেশি দিলাম। কিন্তু আমি এখন কি করি?
গ্রামের প্রায় মাঝামাঝি কোন দোকান ও
আশপাশের চোখে পড়ছে না। ব্যান্ডওয়ালা
এখনো দাঁড়িয়ে আছে। তাকে বললাম চলে যেতে।
সে যেতে যেতে বল অপেক্ষা করতে। ভ্যান
অবশ্যই পাওয়া যাবে। আমি অপেক্ষা করতে
লাগলাম ভ্যানের জন্য। কিন্তু কপালে থাকলে
ঠেকায় কে? বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে
বিরক্তি ভরা মন নিয়ে আস্তে আস্তে হাঁটতে
লাগলাম। বেশ অনেকক্ষণ ধরে হেঁটে চলেছি।
টপটপ করে ঘাম ঝরছে গা দিয়ে। গ্রামের
প্রায় শেষ মাথায় এসে গেছে। কোন
ভ্যানওয়ালার দেখা হয়নি এখনো পর্যন্ত।
তেশটায় ছাতি প্রায় ফেটে যাচ্ছে। আরো
খানিকটা আসলাম। আর মাত্র তিনটা বাড়ির
সামনে চৌত্রের দুপুরের প্রচন্ড রোদ মাটি
যে গলছে হাঁটতে পারছি না যা থাকে কপালে
পানি না খেলে টিকা যাবে না ভেবে একটু
দাঁড়িয়ে বাড়ি তিনটার দিকে তাকালাম
প্রথমটা পাচিল দিয়ে ঘেরা পরেরটা কুড়েঘর
মতো তারপরেরটা রাস্তা থেকে বেশ একটু দূরে
নতুন একটা বাড়ি বাসের চটা দিয়ে ঘেরা বর
বাড়িটায় যাওয়া উচিত হবে মনে করে আস্তে
করে গেট ঠেলে ঢুকলাম সবাই আমাকে দেখে
বাড়ির বাচ্চাসহ সবাই চমকে ওঠে আমাকে দেখে
উঠে উঠনে এক পোড়া মাছ করছে। সামনে
রান্নাঘরের বারান্দায় তিন সুন্দরী মহিলা
রান্না করছে বাড়িতে ছোট ছোট বাচ্চা
ভর্তি। গ্রামের পরিবেশের সাথে একটু শহরের
ফ্যাশন। অত্যন্ত সুন্দরী মহিলাগুলো। যদিও
বয়স হয়েছে কিন্তু এখনো লাবণ্যয়। খোকা
কাউকে খুঁজছো প্রশ্নের সমৃদ্ধ ফিরে পেলাম
যে একটু পানি খাও। একজন বড় উঠে আস।
সামনের টিউবয়েল থেকে পানি আনা। ইতিমধ্যে
বাড়ির ছেলেরা বুঝতে পেরেছে বাড়িতে কেউ
এসেছে একটা চেয়ার পেয়ে গেলাম। জীবনটা আবার
পানি পেয়ে সোতেজ হয়ে উঠেছে। মাছ করতে করতে
মহিলা জিজ্ঞাসা করলেন, বাড়ি কোথায়? কিছু
বললাম না। কোন আগ্রহ দেখলাম না এবার উঠতে
হবে ভেবে উঠে দাঁড়ালাম। ও কি খোকা উঠছে
কেন? দুপুরবেলা বাড়িতে মেহমান আসলে না
খেয়ে যেতে নেই। এটাই আসলে বাঙালিদের
প্রধান ঐতিহ্য। বাড়িতে মেহমান আসলে তাকে
সমাদর করা আপ্যায়ন করা না তার দরকার নেই
বললাম বটে কিন্তু কেন জানেন কি তা নয়
মহিলার দেবীর মত চেহারায় আমাকে অনেকটা
আটকা পড়ে গেলাম বাড়ির ছেলেদেরকে তার মা
বললেন আমাকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে যেতে
বাধ্য হয়ে গেলাম বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে
হলো না 10 মিনিটের মধ্যেই ভাব চলে আসবে
এতক্ষণে একা বসে বোর ফিল করছিলাম কিন্তু
যেই তাকে দেখলাম ক্লান্তি আর বর্জেন এক
নিমেশে উধাও হয়ে গেল। খুব সুন্দর
দেখাচ্ছে তাকে। বোধ হয় মুখে কিছু ক্রিম
মেখে এসেছে। অপূর্ব সুন্দর দেখতে শ্রদ্ধা
করার মত চেহারা কিন্তু একটু গভীরভাবে
দেখলে শ্রদ্ধার সাথে সাথে অন্য কিছু করতে
ইচ্ছা করবে। সুন্দরী বাঙালি মায়েদের মতো।
আমি ভাত খাওয়া শুরু করলাম। তোমাদের ওখানে
আমার এক দেওরের বাড়ি আছে। কথা শুনে আবার
তাকালাম। নাম কি? আমার প্রশ্নের উত্তর
দিতে দিতে তরকারি এগিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।
নামটা শুনে চমকে উঠলাম। আমার বাবার নাম
বললেন, আমি কিছুই বললাম না। কিছুই চুপচাপ
শুনতে লাগলাম। চিনি কিনা জিজ্ঞাসা করুন
হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ালাম। পাঠকরা বিরক্ত
হচ্ছেন বোধহয় বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
হঠাৎ করে পাওয়া এই আত্মীয় বাড়ি আরাত
নিজের পরিচয় দেওয়ার কারণ শুধু একটাই।
তার মেয়ের চেহারা অনেক সুন্দর। যাই হোক
কিছুক্ষণ পরে চাচাও বাড়িতে আসলেন।
খাওয়া-দাওয়া শেষে বিশ্রাম। কিন্তু
যেহেতু আমার সময় কম তাই চাচ্ছি আমাকে তার
খাওয়া বন্ধ রেখে এগিয়ে দিতে আসেন। ওই
সামনের বাড়িটা তোমার বর আপনাদের ইতিমধ্যে
জেনে গেছি আমার এই চাচির চার ছেলে আর দুই
মেয়ে বড় মেয়ে তার বাড়িটা। চল দেখা করে
আসি কোন ছোটবেলায় তোমাকে দেখেছে। চাচির
সাথে থাকতে কেমন যেন মা অনুভব করছিলাম।
পৌঁছে গেলাম চাচির অল্প বয়সী ঘরে অপরূপ
সুন্দর এক মেয়ে। কোন ছোটবেলায় তাকে
দেখেছি। আছিস না কেন ভাই আমরা তো পর আগে
চাচা মাঝেমধ্যে আসতো এখন তাও আসে না
রক্তের সম্পর্ক কি ভোলা যায় এক নাগাডে
বলে চলেছে আপা আমাকে পেয়ে যেন তার কথা
ফুরাচ্ছে না তখন দেখতে এসেছে বছর বিষেকের
এক ছেলে বেরিয়ে আসে ঘর থেকে পরিচয় হলো
আপার ছেলে ছোট না সাত বছরের আরো একটা ছেলে
আছে তাকে দেখলাম না শুনলাম স্কুলে গেছে
আরো অনেক কিছু শুনলাম চাচি ইতিমধ্যে চলে
গেছে সেজন্য বোধহয় তাদের প্রতি আমার মা
সবসময় বেশি। আর এমন মেয়ে দেখলেই জীবনের
একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিলাম। আমার একটা
কিছু করতে হবে। আমি তো লোভ সামলাতে পারছি
না। বাস্তব উদাহরণ আমার সামনে। আবার খেতে
ভাত খেতে হলো। পেট ভরা কিন্তু এমন সুন্দর
কেউ বেঁধেছে ভাবতে বেশি করে। ভাত খেলাম
খাবারটা অনেক স্বাদ ছিল। যেমন সুন্দর তেমন
তার হাতে রান্না করা খাবার। অনেকে গল্প
শুনলাম ছোটবেলায় আমি কেমন ছিলাম আমার কাছ
থেকে যেতে চাইতাম না ইত্যাদি ইত্যাদি তবে
সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর যে কথা শুনলাম সেটা
হলো আপনার বয়স যখন 14 তখন তার বিয়ে
হয়েছিল পরের বছর ছেলে তারপর এটা অনেক
আসার পর দুলাভাই বিদেশ গেছে দুই বছর আগে
একবার বাড়ি অদিও এসেছিল কিন্তু এক মাসের
বেশি থাকতে পারেনি বর ছেলেটা বিদেশ ছিল
কিন্তু কি কারণে যেন বাড়িতে চলে এসেছে
তিন মাস পরে
আবার যাবে সমস্যা হচ্ছে তাই নিয়ে আমার
কোন যোগাযোগ আছে কিনা দালালদের সাথে
ইত্যাদি ইত্যাদি কথা যেন শেষ হয় না আবার
কিন্তু আমার মনে তখন বইছে অন্যঝ এত
সুন্দরী মহিলার স্বামী আজ সাত বছর বিদেশে
উনি একা একা কিভাবে সময় পার করে ভাবতে
লাগলাম আপা বলতে লাগলেন তারপরে আবার ছেলে
নিয়ে বিপদে আছে সহজ টার্গেট কিন্তু
কিছুক্ষণ পরেই আমার ভুল ভাঙ্গে মেয়েদের
চোখ জহুরির চোখ আমি তার ছোট ভাই যে আমাকে
ছোটবেলায় অনেক সময়ের সাথে নিয়ে ঘুরেছে
ভালোবাসা আদর স্নেহের অভাব তার কাছে আমার
জন্য নেই চাচার বাড়িতে না থাকতে চাইলেও
বোনের বাড়ি থেকে খুব সহজে বের হতে পারলাম
না বোনের পেতে দেওয়া বিছানায় বিশ্রাম
নিতে হল বোন আমার বাইরের কাজ গুছিয়ে এসে
বসলো আমার মাথার কাছে আমার সাথে ছোটবেলার
গল্প করতে লাগলো আমার মা আমি ও আমার পাশে
এসে এভাবে ভাবে গল্প করত। অনেক অনেকদিন
দেখিনি তাকে। হঠাৎ যেন সেই মামির কথা মনে
পড়ে গেল। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় জানি
কিভাবে মেয়েদেরকে পড়াতে হয় সহজ তরিকা
তাদের চেহারা আর সৌন্দর্যের প্রশংসা করা।
সেটাই করছিলাম। বোন হঠাৎ বাইরে গেল। ছেলের
গলার আওয়াজ পেয়ে ভাগ্নে আমার খুব ভালো।
সে বাইরে যাবে। দুই ভাই বোন একা হয়ে
গেলাম। দেখ ভাই আমাকে প্রশংসা করতে হবে
না। তোর দুলাভাই আজ সাত বছর বিদেশ। অনেকে
আমাকে চেষ্টা করেছে। কিন্তু সুযোগ কেউ
পায়নি। তুই ভাই হয়ে বোনের দিকে। আপা আমি
কিন্তু খারাপভাবে বলেনি। আপনি আসলে
সুন্দর। নারে ভাই এখন আর সুন্দর কই? আগে
তো দেখিনি। দেখলেও তোর মনে নেই। এখন গায়ের
রং পুড়ে গেছে। বুড়ো হয়ে গেছে। বুঝলাম
অনেকে চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হচ্ছি না।
অসৎ কেবল কাজ শুরু করেছে। তবে সময় দিতে
হবে। ধীরে ধীরে আগাতে হবে। তৈরি করলে সব
হারাতে হবে। অনেকক্ষণ থাকলাম। বিভিন্ন কথা
বললাম। শুনলাম। আসার সময় অন্যায় আবদারটা
করে বসলাম। এগিয়ে দিতে এসে তার ছেলের
ব্যবস্থা করার কথা আর বলো না। চিন্তায়
পড়ে গেলাম। আমাকে কি খারাপভাবে কাজের
চাপে দুইদিন মনে ছিল না তার কথা। আসার
সময় মোবাইল নাম্বার নিয়ে এসেছিলাম। হঠাৎ
সন্ধ্যায় রিং বেজে উঠলো। ভাই কেমন আছো?
বোনের কথা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে
যথারীতি বোন বাড়িতে একা। কিন্তু যে অভাব
নেই বুঝলাম তার কথাবার্তায়।
আমাকে বসতে দিল। কিন্তু বারান্দায় এমন
জায়গায় কিছু করা যাবে না। কৌশল খুঁজতে
লাগলাম।
বেশ কিছুক্ষণ কথা হলো বর ছেলে নিয়ে।
তারপরে আসল কৌশল প্রয়োগ করতে গেলাম।
অধিকাংশ মেয়েদের কিছু কমন রোগ থাকে।
মাজায় ব্যথা মাথা ঘোরা চোখে ঝাপসা দেখা
ইত্যাদি ইত্যাদি। ঘরে যাওয়ার সুযোগ
পাচ্ছি না। আমি বারান্দায় চেয়ারে বসা আর
বোন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার সাথে কথা
বলছে। আপনার প্রেসার কেমন আপা? শরীর তো
খারাপ মনে হচ্ছে। আর বলো না ভাই প্রেসার
ঠিক আছে কিন্তু মাঝেমধ্যে মাথা ঘরে
বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না। মাজায়
ব্যথা হয়। আমি এখন চিন্তা করতে শুরু
করলাম। কোথায় ব্যথা দেখান তো এই ব্যথা
কোন সমস্যা নাকি এখন এক ধরনের মালিশ
পাওয়া যায়। ইত্যাদি ইত্যাদি। না থাক
দেখতে হবে না। ডাক্তার দেখাচ্ছি। আরে আপা
আপনি আমার কাছে লজ্জা করছেন। আবারও কিন্তু
পুষে রাখতে নেই। এমনি আপনার অল্প বয়সে
বাচ্চা হয়েছে। এ সমস্ত উপসর্গে পরে
কিন্তু বর রোগ হয়ে যেতে পারে। আরো
দুলাভাই বাড়িতে নেই। এখন যদি আপনার একটা
বড় রোগ হয়ে যায় তাহলে আপনার কি হবে
ভেবে দেখেছেন আপা। ঘরে চলেন দেখি কোথায়
সমস্যা। পুরনো অভিজ্ঞতায় জানি এ সময়
তাড়াহুড়া করতে যেমন নেই তেমনি আয়ত্তের
বাইরে যেতেও দেওয়া যাবে না। তাহলে সব শেষ
হয়ে যাবে। আবার আগে আমি ঘরে প্রবেশ
করলাম। জানালা এখন অবধি বন্ধ বিছানার উপর
মশারি ঝুলছে নিজে আগে যে বসলাম আপাতত আসল
কিন্তু দূরের টেবিলের কাছে দাঁড়াল আপনার
কোথায় ব্যথা হয় আসলে আপা বললেন কোমরে আর
বেশি মাথা ব্যথা হয় আমার মাথায় বেশি
ব্যথা হয় নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় আমার
প্রশ্নে আমি জানি কি উত্তর দেবে কেননা
পরিশ্রম করার পর সবারই নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট
হয় আপা উত্তরও তাই দিল অনেকক্ষণ কাজ করলে
নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় শরীরে ব্যথা হয়
কি পাকা ডাক্তারের মত প্রশ্ন করে যেতে
লাগলাম না হালকা হয় বোধহয় বাম পাশে না
ডান পাশে মাঝে মাঝে হয় বাম পাশে এর আগে
কোন চিকিৎসা নিয়েছেন আপা না আমি এর আগে
কোন চিকিৎসা নেই কারণ বাড়ির নানান কাজে
আমার সারাক্ষণ পরে থাকতে হয় আর তাই সুযোগ
পেলাম কোথায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আপা
তুমি চিন্তা করো না আমি ডাক্তারি পড়ালেখা
করেছি আমি প্রতিদিন একটা প্রাইভেট
ক্লিনিকে রোগী দেখি তারপর বোন বলল তুই এত
বড় ডাক্তার হয়ে গেছিস সেটা তো আমি
জানতাম না আজ জানলাম আমি বোনকে বললাম
তোমার যত সমস্যা আছে আমার কাছে বল আমি
সমাধান করব তোমার কি শুধু মাথা ব্যথা হোম
তুমি তো মিথ্যা কথা বলছেন আমার সাথে আপনার
তো হাঁটুতে ব্যথা হয় না হয় নিঃশ্বাস
নিতেও কষ্ট হয় আসছেন তো বসেন এখানে আমি
তাকে বললাম নিঃশ্বাস নিত জোরে আপা
নিঃশ্বাস নিতে লাগলেন। আমি বললাম আপা
আপনার হাঁটুতে ব্যথা কতদিন ধরে আপু বলল
অনেকদিন ধরে হাঁটুতে ব্যথা আমি বললাম আপা
আমি আপনাকে একটা মালিশ দিব সেই মালিশ যদি
হাতিতে ব্যবহার করেন তাহলে ব্যথা দ্রুত
ভালো হয়ে যাবে আপা বলল দেখ ভাই আমি কোন
কাজ কাজ ঠিকমতো করতে পারি না একটু বাড়ির
কাজ করলে আমার হাঁটুতে ব্যথা শুরু হয়ে
যায় আবার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় আমি
আপনাকে বললাম আপনি চাইলে এই রোগ থেকে
মুক্তি পেতে পারেন আমি বললাম কিভাবে ভাই
আপনি শুধু আমি যা বলব তাই করবেন তাহলে হলে
আপনার শরীর থেকে সমস্ত ব্যথা সরে যাবে।
আপনি আগের মত ভালো করে ঘরের সমস্ত কাজ
করতে পারবেন। আর আপনার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট
হবে না। আমি ভাইয়ের কথা শুনে অনেকটা সাহস
পেলাম। আমার পাশে এত বড় ডাক্তার থাকতে
আমি তাকে কি হাতছাড়া করতে পারি? আমি
বললাম ভাই আমার এখন কি করতে হবে সেটা বল।
আমি বললাম আপনার হাঁটুর জয়েন্টে যে ব্যথা
সেটা সরাতে গেলে আমি একটা ওষুধ দিপ সেটা
দিয়ে প্রতিদিন ভালো করে মালিশ করতে হবে।
তাহলে ব্যথা সরে যাবে। আমি বললাম তাহলে
ভাই দাও সেই সেই ওষুধ আমি মালিশ করে নেব।
ভাই বলল তুমি নিজে নিজে তা পারবে না। আমি
একদিন দেখিয়ে দেব। তারপর অন্য কাউকে
দিয়ে মালিশ করলে ব্যথা কমে যাবে। ঠিক আছে
ভাই তাহলে তুমিও সেটা দিয়ে মালিশ করে
দেখিয়ে দাও। আমি পরে বুঝে নেব। আমি মনে
মনে ভাবলাম আপা এইমাত্র লাইনে আসছে। আসলে
আপনার সত্যি সত্যি হাঁটুতে ব্যথা ছিল। আমি
বললাম আপু আজ তোমার বাড়িতে রাতে কে কে
থাকবে আপা বল কে আর থাকবে আমি আমার ছেলে
আর কেউ তো নাই আমি বললাম তাহলে আপনা আপনি
আজ একটা রুমে ঘুমাবেন বাবা বল কেন আমি
বললাম আপনার জন্য আমি মালিশ নিয়ে আসুক
তাই ও তাই ঠিক আছে আমি তোমার জন্য অপেক্ষা
করছি আমি আপনাকে বললাম আপা আমি ফার্মেসি
থেকে আপনার জন্য বালিশটা কিনে নিয়ে আসছি
আপা বলল তুমি আমার জন্য এত কিছু করছো আমি
বললাম ভাই তার বোনের জন্য এটুকু করতে
পারবে না। আমি মনে মনে চিন্তা করতে
লাগলাম। এতদিনের স্বপ্ন আজ আমার পূরণ হতে
চলেছে। আমি বাজার থেকে আপনার বাসায়
আসলাম। বাবা বলল, তোমার জন্য আজ ভালো কিছু
রান্না করেছি। আসো খেয়ে নাও। তারপর রাতের
খাবার খেয়ে আমি বললাম, আপা তুমি এবার
রুমে যাও আমি আসছি। আপাতত রুমে গেল। আমি
তার রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলাম।
তারপর আপনাকে বললাম আপা আমি এবার তোমার
তোমার চিকিৎসা শুরু করতে পারি। আপা বলল না
আমি তোমার লক্ষণ বুঝতে পেরেছি। আমি
এইমাত্র চাচা আমার কাছে ফোন দিচ্ছিল। আমি
চাচাকে বললাম তোমার ছেলে নাকি ডাক্তার
হয়ে গেছে। চাচা বলল, আরে কি বলতো
ম্যাট্রিক পাশ করেনি? তাহলে ও কি করে
ডাকতে হবে? ওরে সব ভন্ডামি ছাড়া আর কিছুই
নয়। ওর কথা তুমি বিশ্বাস করো না। আমি
বললাম আপা আসলে আমি। চুক্তি আর একটা কথাও
বলবি না। তোর মত মিথ্যাবাদীকে আমি কিছুতেই
পছন্দ করি না। তুই এখন বের হয়ে যা। আমি
তোকে অনেক বিশ্বাস করেছি। আর সেই
বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তুই আমার সাথে।
ভাবতেই পারছি না। চলে যা আমার ঘর থেকে তোর
এই মুখ আর আমি দেখতে চাই না। আমি বাধ্য
হয়ে আবার রুম থেকে বের হয়ে চলে আসলাম।
আমার স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। প্রিয়
বন্ধুরা গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট
করে জানাবেন। আর নিয়মিত এমন আলাদা
স্বাদের গল্প শুনতে ভিডিওটিতে লাইক এবং
চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন।
আর হ্যাঁ নোটিফিকেশন বেলটি অল করে রাখবেন।
যাতে পরবর্তী গল্প সবার প্রথমে আপনাদের
কাছে পৌঁছে যায়। ধন্যবাদ বন্ধুরা।
ধন্যবাদ সবাইকে। আচ্ছা
Comments
Post a Comment