ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো


আমার আপন বোনকে অন্য একজন লোক বাথরুমের


পিছনে নিয়ে যেভাবে কাজ করল আমি হঠাৎ


তাদের দুজনকে একসাথে দেখে ফেলে আমি নিজেও


কাজ করলাম তারপর আমার বোন আমাকে বলল ভাই


আস্তে আস্তে দেও ব্যথা পাচ্ছি হ্যালো


বন্ধুরা আমি তোমাদের নুপুর আপু আজকের


গল্পটি সম্পূর্ণ শুনলে আপনাদের মেশিন


দিয়ে টপটপ করে পানি চলে আসবে তাই হাতের


কাজ করার আগে হাতের কাছে টিস্যু রাখুন রাত


প্রায় তিনটা বাজে আর আমার ঘুম আসছিল না


মনে হচ্ছিল যেন কিছু একটা ঘটতে চলেছে


অস্বস্তি নিয়ে আমি শেষ পর্যন্ত আমার বড়


বোনের রুমে গেলাম ভাবলাম ওর সাথে একটু কথা


বলি মন হালকা হবে। রুমে ঢুকে দেখি একটা


হালকা আলো জ্বলছে কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য


করলাম আমার বড় বোন সেখানে নেই। এত রাতে সে


কোথায় গেল ভাবতে ভাবতে আমি চিন্তায় পড়ে


গেলাম। আমি বাইরে বাথরুমের দিকে গেলাম।


কারণ সেখান থেকে কিছু আওয়াজ আসছিল। কাছে


যেতেই শুনলাম আমার বোন কারো সাথে


মৃদুস্বরে কথা বলছে ওকে বলতে শুনলাম যেন


দ্রুত কাজ শেষ করে নয়তো কেউ টের পেতে


পারে অন্যদিকে আরেকটি কন্ঠ শুনলাম যে বলছে


চিন্তা করো না এখন কেউ আসবে না আমার


ভেতরটা তখন অনেক প্রশ্নে ভরে গেল বুঝতে


পারছিলাম না আসলে কি হচ্ছে আমি ধীরে ধীরে


বাথরুমের কাছে গেলাম ভেতরে উঁকি দিয়ে


দেখি আমার বর বোন কারো সাথে কথা বলছে যেন


তারা কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা


করছে তারা একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল।


যেন কোন দুশ্চিন্তার কারণ নেই। আমি


তাদেরকে দেখে অবাক হয়ে গেলাম। এই পুরো


ঘটনা দেখে আমার মনে নানা প্রশ্ন উঁকি দিতে


লাগল। আমি রেগে গেলাম কিন্তু বুঝতে


পারছিলাম না এই পরিস্থিতিতে কি করা উচিত।


মনের ভেতর ভীষণ অস্থিরতা নিয়ে সেখান থেকে


চলে এলাম। একসময় আমার মাথায় একটি চিন্তা


এল। আমি বাথরুমের দরজার সামনে গিয়ে শান্ত


স্বরে বললাম আপু আমি জানি তুমি ভিতরে আছো


এবং কারো সাথে আছো আমি বুঝতে পারছি তোমরা


কি করছো দয়া করে দরজাটা ধীরে খুলে দাও


যেন বাড়ির অন্য কেউ টের না পায় ভেতর


থেকে আমার বোনের কন্ঠ ভেসে এলো ভাই তুমি


ভুল করছো আমি তো শুধু একাই বাথরুমে এসেছি


অন্য কিছু না আমি শান্তভাবে বললাম আপু আমি


যা দেখেছি তা জানি আর আমি মিথ্যা বলছি না


দরজাটা খুলতে বলছি না হলে মা বাবাকে


ডাকবো। ভেতর থেকে আপু হঠাৎ করে কন্ঠ নরম


করে বলল, ভাই দয়া করে কাউকে ডেকো না। আমি


দরজা খুলছি। কিছুক্ষণ পরে আপু ধীরে ধীরে


দরজা খুলল। সেই মুহূর্তে আমি বুঝতে


পারলাম। ওখানে আরো কেউ ছিল। এলাকার একটি


ছেলে তার সাথে ছিল। আমি করার স্বরে বললাম,


তুমি চলে যাও আর ফিরে এসো না। ওই ছেলেটি


তখন চলে গেল। কিন্তু আমার বোন সেখানে থেকে


গেল। রাগে আমার মনে অস্থিরতা কাজ করছিল


যেন এই ঘটনা বহুদিন ধরে ঘটছে। আমি বোনকে


জিজ্ঞেস করলাম এমনটা কতদিন ধরে চলছে? বোন


তখন ভীষণ বিব্রত ছিল এবং বলল, ভাই আমি


জানি এটা ভুল হয়েছে। আমি আর কখনো এমন


কিছু করবো না। আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমি


কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম, তুমি বড় ভুল


করেছো। কিন্তু এই ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে


দেওয়া যাবে না। আমি থাকতে কেন? তুমি


অন্যের সাথে এমন করছো। তোমাকে তো আমি আগেই


জানিয়েছিলাম তখন তো পাত্তা দেওনি বোন বলল


তুমি আমার ভাই এসব বলছো কেন এবার চলে যাও


এবং তোমার জীবন ঠিক পথে নিয়ে আসার চেষ্টা


করো একটি মুহূর্তে আমার মনে হলো পরিস্থিতি


অনেক জটিল হয়ে গেছে আমি বললাম দয়া করে


এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসো আমাকে এমন


কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলো না আমি বুঝতে


পারছিলাম আমার কথায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে


তারপর আমি বললাম তোমাকে তার সঙ্গে কথা বলা


বন্ধ করতে হবে আমি শুধু শুধু একা তোমার


সঙ্গে কথা বলতে চাই আপু তোমার জন্য আমি সব


করতে রাজি আছি এরপর আমি বললাম তোমার যা


ইচ্ছে তা করো কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্ত নাও


না হলে আমি মা-বাবাকে সবকিছু জানাবো আমার


বর বোন তখন শান্তভাবে বলল নাহিদ আমি তোমার


বর বোন ভুল বুঝছো আমি বললাম তুমি আমাকে


ছোট মনে করতে পারো কিন্তু আমি সব বুঝি


আমাকে নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিও না এই


মুহূর্তে আমি খুব বিরক্ত তবু আমি এখানে


তোমার সাহায্যের জন্য এসেছি আমি ওর হাত


হাত ধরে বললাম, তোমার পরিস্থিতি খুবই কঠিন


কিন্তু আমি তোমার পাশে আছি। তুমি শুধু


আমাকে সময় দেও। আমার কথায় রাজি থাকলে


আমাকে এখনই জানাও। আমার বড় বোন কিছুক্ষণ


চুপ থাকলো। তারপর বলল, এখন বলবো না। কাল


বলব। আমি জোর দিলাম। না এখনই আমাকে বলো।


কাল হতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। সে বলল,


দয়া করে আমাকে একটু সময় দাও। আমি সবকিছু


ঠিকঠাক করব। এই কথাগুলো শুনে আমি চিন্তিত


হয়ে বিছানায় ফিরে গেলাম। সারারাত ঘুমাতে


পারলাম না। আমার বোনের কথাগুলো বারবার মনে


হচ্ছিল। সে কিভাবে এমন কাজ করতে পারে?


এতদিন আমি শুধু সন্দেহ করছিলাম। আজ তা


সত্য হলো। সকালে যখন ঘুম ভাঙলো দেখি আম্মা


নাস্তা তৈরি করে রেখেছেন। আমার কাছে


নাস্তা করতে বসে ভাবতে লাগলাম কিভাবে এই


পরিস্থিতির সমাধান করা যায়। নাস্তার পর


বর বোনের রুমে গিয়ে দেখি ও তার ছোট


ছেলেকে নাস্তা দিচ্ছে। আমাকে দেখে আপু


একটি হাসি দিল। মনে হল সে আমার কথায় রাজি


ছিল। এটা দেখে মনে হল জীবনের কিছু ব্যাপার


সবসময় জটিল থাকে কিন্তু আমরা একে অপরকে


সাহায্য করে তা কাটিয়ে উঠতে পারি। একদিন


দোকানে বসে কাজ করছিলাম। আমার ছোট ভাই


দোকান খুলে বসেছিল। হঠাৎ তাকে বললাম, তুমি


জানো আমাদের গ্রামে একটা মেয়ে আছে তার


নাম প্রিয়া। সে খুব সুন্দর মাঝে মাঝে


আমার দোকানে আসে। কিছু জিনিস কেনার


অজুহাতে আমার কথা শুনে ছোট ভাই হেসে বলল


তোমার প্রিয়ার সাথে একটু কথা বলার


প্রয়োজন আছে নাকি আমি হেসে বললাম আজ


বাসায় ফিরে একটু ভাবতে হবে বাড়িতে পৌঁছে


দেখি ফোনে মেসেজ এসেছে প্রিয়ার থেকে সে


বলল নাহিদ তোমাকে অনেক মিস করছি আমার সাথে


দেখা করার চেষ্টা করো সারাদিন তোমার কথা


ভেবেছি আমি উত্তর দিলাম আমিও তোমাকে মিস


করছি কিন্তু এখানে গ্রামের পরিবেশ সহজে


দেখা করা যায় না প্রিয়া তখন বলল আমার


কাছে একটা ভালো আইডিয়া আছে। আমি আগ্রহ


নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি ধরনের আইডিয়া? সে


বলল তোমার বাড়ির পেছনের আখের জমি রয়েছে।


সেখানে দেখা করতে পারো। আমরা সেখানে


শান্তিতে কথা বলতে পারব। সেখানে শুধু তুমি


আর আমি থাকবো। কেউ আমাদের বিরক্ত করবে না।


এই প্রস্তাবে আমি একটু বিব্রত ছিলাম। কারণ


গ্রামছোট সবাই সবকিছু দেখে ফেলে। কিন্তু


প্রিয়ার সাথে দেখা করার সুযোগটা মিস করতে


চায়নি। প্রিয়া খুব সুন্দরী ছিল। এতটাই


যে গ্রামের অন্য ছেলেরা সবসময় ওর আশেপাশে


ঘুরঘুর করতো। আমি ভেবেছিলাম যদি কিছু


বুঝতে পারে তবে লোকেরা অনেক কথা বলবে। তবে


আমি প্রিয়াকে বললাম আমাদের খুব সাবধানে


চলতে হবে। আমি চাই না আমাদের সম্পর্ক


নিয়ে এখনই কেউ সন্দেহ করুক। প্রিয়া বলল,


নাহিদ আমরা কি অন্য কোন নিরাপদ জায়গায়


দেখা করতে পারি? তোমাকে আমি খুব মিস করছি।


তোমার কাছে যেতে চাই। আমার তোমার সাথে


কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে আর হ্যাঁ


পরিবারের লোকেরা আমার জন্য বিয়ের


প্রস্তাব খুঁজছে তারা চায় আমি শিগগিরই


বিয়ে করি আর আমি তোমার কথাই ভাবছি আমি


জানতাম প্রিয়া আমাকে ভালোবাসে আমিও তাকে


ভালোবাসতাম তবে জীবনে তখনো অনেক কিছু করার


ইচ্ছে ছিল তাই বিয়ের মত বর সিদ্ধান্ত


নিতে চাইছিলাম না আমি বললাম প্রিয়া এখনো


আমাদের জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে আমার


দোকান ছোট আরও তেমন ভালো


সংসার চালানোর জন্য নিজেকে আগে শক্তভাবে


গড়ে তোলা দরকার। তারপর আমি অবশ্যই তোমার


বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবো। প্রিয়া


একটু চুপ করে থেকে বলল, তুমি যখন চাও তখনই


করো। কিন্তু জেনে রাখো আমি তোমাকে ছাড়া


থাকতে পারবো না। আল্লাহর কসম তুমি যেভাবেই


রাখো আমি রাজি আছি। তার কন্ঠে ভর্ষা আর


ভালোবাসা ছিল। আর আমিও তাকে সত্যিই


ভালোবাসতাম। কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভাবছিলাম


জীবনে কতজনই তো বিয়ে করে। তারপর দূরে


কোথাও কাজ করতে চলে যায় আর তাদের


স্ত্রীগুলো একা থেকে যায় অন্য কারো সাথে


গোপনের সম্পর্কে লিপ্ত হয় তাই আমি


প্রিয়াকে বুঝিয়ে বললাম এখনই তাড়াহুড়ো


করো না আমি চাই আমাদের ভবিষ্যৎটা ভালো হোক


একটু সময় দাও আমি যখন নিজের পায়ে


দাঁড়াবো তখন তোমাকে বিয়ে করব ইনশাআল্লাহ


আর তোমাকে আমি আমার সাথে রাখবো সবসময়


প্রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে বলল ঠিক আছে


নাহিদ আমি অপেক্ষা করব তুমি রাতের বেলা


আসবে আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো। আর একটা


কথা তোমার ছোট কোন ছবি থাকলে দিও। আমি তা


বুকের কাছে রাখবো যেন তোমার কথা মনে হয়


সবসময় আমি ভাবতে শুরু করলাম গ্রামের জীবন


ও সম্পর্কগুলো যেন এক অন্যরকম বাস্তবতা।


প্রিয়া বলেছিল নাহিদ আমি তোমার সাথে দেখা


করতে চাই। তুমি আমার জন্য একটা ছোট ছবি


নিয়ে এসো। যেন সবসময় তোমার কথা মনে হয়


আমি বললাম ঠিক আছে এবং ওর জন্য ছোট্ট একটা


পাসপোর্ট সাইজ ছবি নিয়ে দোকানে ফিরলাম।


প্রিয়া তখন বলল এই ছোট ছেলেটিকে মোবাইলটা


নিতে পাঠাও আমি বললাম ঠিক আছে এবং ছোটকে


দোকানে পাঠালাম আমার মনে একটা প্রশ্ন


ঘুরপাক খাচ্ছিল কেন যেন আমার আশেপাশে থাকা


মানুষগুলোকে এত আকর্ষণীয় মনে হয় বিশেষ


যারা আমার দোকানে আসে গ্রামের সবাই আমার


এই রুচি সম্পর্কে জানতো এবং এটা নিয়ে


অনেকেই মজা করতো দুপুরে খাবারের জন্য আমি


বাড়িতে এলাম কিন্তু মা তখনো রান্না শেষ


করেননি মা আমাকে বলল ছোটকে কেন পাঠাসনি


আমি বললাম মা ছোট্ট কাজে ব্যস্ত ছিল তাই


নিজেই আসলাম। এরপর আমি আমার দুই বোনের ঘরে


গেলাম। ছোট বোন সেখানে ছিল না কিন্তু বড়


বোন ছিল। আপু হঠাৎ আমাকে বলল, ভাই আমি


একজনকে পছন্দ করি। আমি বললাম, হ্যাঁ আমি


জানি সেই ছেলেটা তো। কিন্তু সে বলল, না সে


নয় সে অন্য কেউ। আমাদের সম্প্রদায়ের না।


আমি বেশ অবাক হলাম। তাহলে তুমি তার সাথে


কেন দেখা করো? প্রিয়া কিছুটা অস্বস্তিতে


বলল ভাই সে আমার কিছু চাহিদা পূরণ করে আর


আমি তাকে অস্বীকার করতে পারিনি কিন্তু


সত্যি বলতে আমি তাকে বিয়ে করতে চাই না


আমি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললাম তাহলে কেন


এমন কিছুতে নিজেকে জড়াও যেটা তুমি চাইছো


না প্রিয়া উত্তরে বলল ভাই আমি আসলে অন্য


একজনকে পছন্দ করি আর আমি তাকে বিয়ে করতে


চাই কিন্তু সমস্যাটা হলো সে আমাদের


সম্প্রদায়ের নয় মা-বাবা এটা মেনে নেবেন


না আমার মনের মধ্যে চিন্তার ঝড় চলতে বলতে


লাগল আপু যে এইভাবে একটা সম্পর্ক নিয়ে এত


সিরিয়াস হয়ে উঠেছে এটা ভাবতেই পারিনি।


সে আমাকে বলল ভাই মা-বাবার সাথে কথা বল।


আমি তাকে বিয়ে করতে চাই। আমি বললাম


প্রিয়া এই ধরনের বড় সিদ্ধান্তে খুব


সাবধানে নিতে হবে। তুমি ভেবে দেখেছো তো


ভবিষ্যতে এটা কি রকম প্রভাব ফেলতে পারে?


আমার মনে প্রশ্ন উঠলো এখন আমরা কিভাবে


ভাবছি যে আমাদের পরিবার থেকে কাউকে অন্য


কারো হাতে তুলে দেব? এটা কখনোই সহজ


সিদ্ধান্ত না। আমি বললাম ঠিক আছে আমি


মা-বাবার সাথে কথা বলব। কিন্তু আমার কথাটা


শুনতে হবে। কিন্তু সে বলল, না ভাই আগে কথা


বলো। তারপর অন্য কিছু চিন্তা করো। আমি


বললাম। দিদি দয়া করে এ বিষয়ে এখনই এত


তাড়াহুডো করো না। সময় লাগবে। তুমি আমাকে


আজকে সময় দেও। সে পাল্টা বলল, না ভাই আজ


রাতেই আমি কথা দিয়েছি। তাই আমার


প্রেমিকের সাথে দেখা করতেই হবে। আমি


কিছুটা হতবাক হয়ে বললাম প্রিয়া তুমি


এমনভাবে কথা বলছো কেন আমি তোমার ছোট ভাই


সে হাসি মুখে বলল হ্যাঁ তুমি আমার ছোট ভাই


আর আজ তুমি আমাকে পরিচালনা করছো দয়া করে


আজ আমাকে একটু সময় দাও পরে আমরা মিলে সব


ঠিক করব সে মেনে নিল এবং বলল ঠিক আছে তবে


একটা শর্ত আছে আমি তাকে প্রতিশ্রুতি দিলাম


যে আমরা মা-বাবার সাথে কথা বলব তবে যাতে


সবাই মেনে নিতে পারে সে আশ্বস্ত হয়ে বলল


ঠিক আছে ভাই আশা করি সবকিছু ঠিকঠাক হবে


আমি জানি এদিকে আমি তাকে বললাম আজকের দিন


একটু শান্ত থাকো যদি দেখা করতেই হয় তাহলে


পরে দেখা করো আমি সারারাত অপেক্ষা করতে


পারব সে বলল ঠিক আছে আমি রাত একটায় আসবো


এবং কিছু সময় তোমার সাথে কাটাবো এই


গল্পের দ্বিতীয় পার্ট চাইলে কমেন্টে


জানাও তাহলে দ্বিতীয় পার্টটি দিব গল্পটা


কেমন লাগলো জানাতে ভুলবে না আরো মজার মজার


রোমান্টিক গল্প শুনতে চাইলে ভিডিওটি লাইক


শেয়ার এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে


এবং বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবে না।


ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো