ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি





 আমার ছেলে ও মেয়ে একই বেডরুমে থাকতো


একদিন গভীর রাতে হঠাৎ মেয়ের কান্নার মত


শব্দ শুনে আমি চমকে উঠলাম শব্দটা এত


অস্বাভাবিক ছিল যে আমার মনে অদ্ভুত এক


উদ্বেগ তৈরি হলো আমার মেয়ে ফিসফিস করে


বলছিল ভাই একটু আস্তে মায়ের ঘর একদম পাশে


তার কথাগুলো শুনে আমার মনে সন্দেহ জন্মায়


আমি আস্তে করে তাদের ঘরের জানালা দিয়ে


উকি দিলাম আর যা দেখলাম তা দেখে আমার


শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা হয়


আমার নাম অর্পিতা আমি একজন সাধারণ গৃহবধু।


আমার দুটি সন্তান ছিল একটি ছেলে এবং একটি


মেয়ে। মেয়ে আমার নিজের সন্তান হলেও।


ছেলে আমার দ্বিতীয় বিয়ের পর আমার জীবনে


আসে। তাদের বয়সের ব্যবধান ছিল চার বছর।


আমার মেয়ের নাম ছিল পায়েল এবং ছেলের নাম


ঈশান। আমি ঈশানকে নিজের সন্তানের মতই


ভালোবাসতাম। আমার দ্বিতীয় বিয়ের আগে


পায়েল হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। সে


তার নতুন বাবা এবং ভাইকে খুশি মনে মেনে


নিয়েছিল। তবে সে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে


তার পড়াশোনা হোস্টেলেই শেষ করবে। আমি তার


ইচ্ছার উপর জোর দিইনি। সম্প্রতি পায়েল


তার গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে বাড়ি


ফিরেছে। একই সময়ে ঈশানও তার পড়াশোনা শেষ


করেছে। তারা দীর্ঘদিন পরে একে অপরের সঙ্গে


দেখা করল। কয়েকদিনের মধ্যেই তারা চাকরির


জন্য অন্য একটি শহরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত


নেয়। তাদের চাকরি একই শহরে হলেও ভিন্ন


ভিন্ন কোম্পানিতে ছিল। তারা সিদ্ধান্ত


নেয় একসঙ্গে থাকলে খরচ কম হবে। আমারও


তাদের এই সিদ্ধান্ত ঠিক মনে হয়েছিল। তাই


তাদের একসঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়ে আমি


তাদের কাজের জন্য অন্য শহরে পাঠিয়ে দেই।


কিন্তু সন্তানদের চলে যাওয়ার পর বাড়ি


খুবই ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল। তবুও আমি


জানতাম। তাদের নিজেদের জীবন গড়ার জন্য


এটি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পরিবারের আর্থিক


অবস্থা খুব ভালো ছিল না। আমার স্বামীর


পেনশন ছিল খুবই সামান্য যা দিয়ে পুরো


পরিবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।


সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য


আমরা আমাদের একমাত্র বাড়িটি বিক্রি করতে


বাধ্য হই। বছরখানিক পরে আমাদের সন্তানরা


চাকরি পেয়ে প্রতিমাসে কিছু অর্থ পাঠাতে


শুরু করে। আমি সেই অর্থ কিছুটা বাড়ির


খরচে ব্যয় করতাম আর বাকিটা সঞ্চয় করতাম।


এভাবেই পাঁচ মাস কেটে যায়। তবে এই সময়ের


মধ্যে আমি একবারও সন্তানদের দেখতে যেতে


পারিনি। আমার স্বামী পক্ষাঘাতে আক্রান্ত


ছিলেন এবং তার দেখাশোনার জন্য বাড়িতে আর


কেউ ছিল না। দুই বছর পর দীপাবলির সময়


ঘনিয়ে এল। আমি সন্তানদের বাড়িতে আসার


জন্য বলি কিন্তু তারা কাজে ব্যস্ততার


অজুহাত দিয়ে আসতে রাজি হয়নি। ফোনে তাদের


কাছে আমার আকুতি জানালেও তাতে কোন লাভ


হয়নি। অবশেষে আমি নিজেই তাদের সঙ্গে দেখা


করার সিদ্ধান্ত নিই। একদিন আমি আমার


স্বামীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ডেকে তার


যত্নের দায়িত্ব দিলাম এবং সন্তানদের কাছে


যাওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করলাম ট্রেন


স্টেশন থেকে আমি ভিডিও কল করে তাদের


জানালাম যে আমি আসছি আমার বড় ছেলে ঈশান


এই খবর শুনে বিস্মিত হয় সে আমাকে বলল মা


তোমাকে আসার দরকার নেই আমরা তিনদিনের


মধ্যে বাড়ি ফিরব তার কথায় আমি তাকে


প্রতিশ্রুতি দিলাম এবং বাড়ি ফিরে এলাম


তিনদিন পর খুব সকালে প্রথম ট্রেনে আমার


সন্তানরা বাড়ি ফিরে এল তাদের দেখে আমার


চোখে পানি চলে এলো। আমি তাদের বুকে


জড়িয়ে ধরলাম। আমার মনে হলো এটাই আমার


জীবনের সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত। আমি ঈশান ও


পায়েলকে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে দেখে খুব


খুশি হয়েছিলাম। তবে পায়েলের মধ্যে বেশ


কিছু শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। গত


দুই বছরে তার চেহারায় অনেকটা পরিবর্তন


এসেছে। যেদিন তারা বাড়ি ফিরল। আমি লক্ষ্য


করলাম যে তারা দুজনেই একসঙ্গে একটি ঘরে


ঢুকে গেল। আমি ভেবেছিলাম পায়েল হয়তো তার


ব্যাগ রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু


এক ঘন্টা কেটে যাওয়ার পরও তারা ঘর থেকে


বের হয়নি। তখন আমি চা ও নাস্তা নিয়ে


তাদের ঘরে গেলাম। আমি বললাম তোমরা দুজন কি


এবার থেকে এই এক ঘরেই থাকবে? বাড়ির ছাদে


আরেকটা ঘর আছে। ঈশান তুমি সেখানে চলে যাও।


এই ঘরটা পায়েল থাকুক। তখন ঈশান বলল না মা


আমি পায়েলকে ছেড়ে অন্য ঘরে থাকতে পারবো


না আমরা গত দুই বছর ধরে একই ঘরে থাকার


অভ্যাস করে ফেলেছি এখানেও ঠিক এমনই থাকবো


তার কথা শুনে আমার একটু অস্বস্তি হলো আমি


পায়েলের দিকে তাকিয়ে বললাম পায়েল তুমি


এখন আর ছোট নেই আর তোমার ভাইও বড় হয়ে


গেছে একই ঘরে থাকা কি ঠিক হবে যদি কখনো


তোমার একা থাকার প্রযোজন হয় তখন কিভাবে


ম্যানেজ করবে তখন পায়েল উত্তর দিল মা


আমরা যে শহরে কাজ করতাম সেখানে দু ঘরের


ফ্ল্যাটের ভাড়া অনেক বেশি। তাই আমরা গত


দুই বছর ধরে একই ঘরে থেকেছি। যখন সেখানে


থাকতে পেরেছি তাহলে এখানে কেন পারবো না?


আমার ছেলে ঈশান ও মেয়ে পায়েল একসঙ্গে


একটি ঘরে থাকতে চেয়েছিল। আমি তাদের


সিদ্ধান্তে আপত্তি করিনি। সেদিন আমি


সারাদিন ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। দুপুরে


ঈশানের পছন্দের খাবার তৈরি করলাম এবং রাতে


পায়েলর পছন্দের চাটপাটা পদ রান্না করলাম।


কিন্তু লক্ষ্য করলাম পায়েল খাবার খুব কম


খেল। এটা আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হলো।


তখন আমি পায়েলকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি এত


কম খাচ্ছ কেন? আগে তো তোমার প্লেট পুরো


পরিষ্কার হয়ে যেত। পায়েল বলল, মা এখন


আমার রুচি বদলেছে। মেসের সাধারণ খাবারে


অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তুমি খাওয়া থেকে


গিয়ে সাদা মাটা রান্না করো। তাদের মধ্যে


এই পরিবর্তন দেখে আমার মনে হলো বাইরে


থাকার অভিজ্ঞতা তাদের আরো দায়িত্বশীল এবং


পরিস্থিতি অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার


ক্ষমতা শিখিয়েছে তবে আমি লক্ষ্য করছিলাম


তারা দুজনই একে অপরের থেকে এক মুহূর্তও


দূরে থাকতে পারছিল না যেখানে পায়েল থাকতো


ঈশান ঠিক সেখানেই চলে যেত এক রাতে আমার


স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার পর আমি তাদের ঘরে


গেলাম আমার এবং তাদের ঘর পাশাপাশি ছিল আমি


ভাবলাম একটু তাদের সঙ্গে কথা বলি


ঘরে ঢুকে দেখি ঈশান পায়েলের হাত ধরে বসে


আছে। আমাকে দেখে তারা চমকে উঠলো যেন তারা


কিছু লুকাচ্ছিল। আমি সেই সময় কিছু বলিনি


এবং বিষয়টা এড়িয়ে গেলাম। কিন্তু পরদিন


সকালে এমন একটি ঘটনা ঘটলো যা আমাকে


চিন্তায় ফেলে দিল। সকালের দিকে আমি তাদের


ঘরের দিকে গেলাম। দেখলাম বিছানার চাদরটা


শুকাতে দেওয়া হয়েছে। এত সকালে কে চাদর


ধুতে পারে? কৌতুহলী হয়ে আমি পায়েলকে


জিজ্ঞাসা না করেই ঘরের দিকে এগোলাম। দেখি


ঘরের দরজা বন্ধ। ঠিক তখনই পেছন থেকে


ঈশানের ডাক শুনলাম। মা নাস্তায় কি


বানিয়েছো? দরজার বাইরে এসে ঈশান আমাকে


প্রশ্ন করল। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম


তোমাদের ঘরের চাদর এত সকালে কে ধুয়েছে?


কেন ধুয়েছে? আমার প্রশ্ন শুনে ঈশান একটু


অস্বস্তিতে পড়ল। তার চোখ বারবার পায়েল


দিকে যাচ্ছিল। তখন পায়েল সামনে এসে বলল


মা চাদরটা আমি ধুয়েছি ওটাতে ধুলা জমেছিল


তাই বারবার হাঁচি আসছিল এজন্য সকালে ধুয়ে


নিয়েছি আমি বললাম তোমাদের আসার আগে আমি


সবকিছু পরিষ্কার করেছিলাম চাদরে ধুলা আসবে


কিভাবে আমার প্রশ্ন শুনে পায়েল একটু


বিডম্বনায় পড়ল তার মুখের অভিভক্তি বলে


দিচ্ছিল সে কিছু লুকোচ্ছে তখন ঈশান বলল মা


আমার খুব খিদে পেয়েছে তুমি কি চাদর নিয়ে


কথা বলছো আর আমি খেতে পাচ্ছি না তুমি কি


খাবার দেবে নাকি আমাকে বাইরে গিয়ে খেতে


হবে এ কথা শুনে আমি আলোচনা বন্ধ করে


রান্নাঘরে নাস্তা বানাতে চলে গেলাম পরে


কাজের ব্যস্ততায় বিশ্বাসটি ভুলে গেলাম


কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছিলাম আমার দুই


সন্তানের আচরণে বেশ পরিবর্তন এসেছে পায়েল


যে আগে আমার সঙ্গে অনেক গল্প করত এখন


বেশিরভাগ সময় নিজের ঘরেই থাকে সে আমার


সামনে বেশিক্ষণ থাকতে চায় না সেদিন


সন্ধ্যায় খাবার খাওয়ার সময় পায়েলের


হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে গেল খাওয়া শুরু


করতেই সে থালার দিকে তাকিয়ে রইল এবং


কিছুক্ষণের মধ্যেই বমি ভাব শুরু হলো।


দ্রুত বাথরুমের দিকে ছুটলো আর ঈশানও তার


পেছনে গেল। আমি হতবাক হয়ে গেলাম। বুঝতে


পারছিলাম না হঠাৎ কি হলো। আমিও বাথরুমের


কাছে গেলাম। তখন ঈশান পায়েলকে কাঁধে ভর


দিয়ে বাইরে নিয়ে আসছিল। ঈশানের পায়েলকে


ধরে রাখার ভঙ্গি আমার কাছে কিছুটা


অস্বাভাবিক লাগলো। তার এক হাত ছিল


পায়েলের কাঁধে এবং আরেকটি ছিল তার কোমলে।


এটি দেখে আমার মনে অদ্ভুত অনুভূতি হলো।


তারা এমন আচরণ কেন করছে? আমার মনে বিভিন্ন


প্রশ্নে ভরে যেতে থাকলো। আমার মন তখনো


অস্থির ছিল। তবে কিছু বললাম না। পায়েলকে


আরাম দেওয়ার জন্য আমি নিজেই তার পাশে


গিয়ে তাকে হাত ধরে ঘরে নিয়ে এলাম। তারপর


তাকে এক গ্লাস পানি দিলাম এবং জিজ্ঞাসা


করলাম। তোমার হঠাৎ এমন বমি ভাব হলো কেন?


খাওয়া শুরুর আগেই তো বমি লাগছে আমার


প্রশ্নের উত্তর ঈশান দিল মা পায়েল ঘরে


বসে তেলসলা দেওয়া চিপস খেয়েছে তাই এখন


তার এমন লাগছে পায়েল ও ঈশানের কথা সমর্থন


করে বলল হ্যাঁ মা আমি চিপস খেয়েছি এখন


থেকে আর এমন করবও না আমি জিজ্ঞাসা করলাম


এখন কেমন লাগছে একটু খেয়ে নাও তারপর


বিশ্রাম করো পায়েল বলল মা আমি অনেক চিপস


খেয়ে ফেলেছি এখন আর খেতে ইচ্ছে করছে না


আমি ঘুমাতে যাচ্ছি তোমরা খেয়ে নাও। এটা


বলেই পায়েলো তার ঘরে চলে গেল। তার না খেয়ে


ঘুমাতে যাওয়াটা আমাকে বেশ অস্বস্তিতে


ফেলল। রাতের খাবার শেষে আমি তার জন্য এক


গ্লাস দুধ নিয়ে গেলাম। রাত তখন প্রায়


নয়টা। দেখলাম তারা দুজনেই ঘরের দরজা বন্ধ


করে দিয়েছে। আমি দরজায় টোকা দিতেই ঈশান


দরজা খুলল। ঘরের ভেতরে তাকিয়ে দেখি


পায়েল ঘুমিয়ে আছে এবং ঈশান তখনো জেগে


আছে। পায়েলকে গভীর ঘুমে দেখে আমি তাকে আর


ডাকলাম না। দুধ রেখে আমি ফিরে আসতে


চাইলাম। কিন্তু বেরনোর সময় আমার শাড়ির


আঁচল দরজার খুঁটিতে আটকে গেল। যখন সেটা


খুলতে চেষ্টা করছিলাম তখন ভেতর থেকে


পায়েলোর গলার শব্দ পেলাম। সে ঈশানকে


বলছিল, ভাই মাকি চলে গেল। তার কথায় বোঝা


গেল। সে ঘুমানোর ভান করছিল। এই কথা শুনে


আমি আবার দরজায় নক করলাম ঈশান দরজা খুলে


জিজ্ঞাসা করল মা আবার কি হলো আমি সোজা


জিজ্ঞাসা করলাম তোমাদের মধ্যে কি চলছে


পায়েল কেন ঘুমানোর ভান করছিল পায়েল তখন


উঠলো এবং বলল মা আমি ভেবেছিলাম তুমি কিছু


খাওয়ার জন্য নিয়ে এসেছো আমি তো খেতে


চাইনি তাই ঘুমানোর ভান করছিলাম তাদের এমন


আচরণে আমার সন্দেহ আরো বাড়লো আমি ঈশানকে


বললাম আজ রাত তুমি তোমার বাবার সঙ্গে আমার


ঘরে শুয়ে পড়ো আমি পায়েলোর সঙ্গে থাকবো।


এই কথা শুনে ঈশান বলল, মা আমি এই ঘর ছেড়ে


কোথাও যাবো না। পায়েলো বলল, মা আমি ভাইয়ের


সঙ্গেই থাকবো। ও না থাকলে আমার ঘুম আসে


না। ওরা আমার কথা কিছুতেই শুনতে চাইছিল


না। অবশেষে আমি বললাম, ঠিক আছে। তোমরা একই


ঘরে থাকতে পারো। তবে আজ থেকে দরজা বন্ধ


করবে না। ওরা বাধ্য হয়ে আমার কথা মেনে


নিল। পরের দিন সকালে আমার বড় দিদি বাড়ি


এলেন। তার আগমনে সবাই খুশি হয়ে গেল। দিদি


বললেন, আমি বিশেষ করে তোমাদের সঙ্গে সময়


কাটাতে এসেছি। কথাবার্তার মাঝে দিদি


পায়েলের বিয়ের প্রসঙ্গ তুললেন। তিনি


বললেন, আমাদের পায়েল এখন বিয়ের উপযুক্ত


হয়ে গেছে। আমার বড় দিদি বললেন, পায়েল


এখন বড় হয়েছে। ওর বিয়ের কথা ভাবা উচিত।


কথার মাঝেই তিনি নিজের সঙ্গে আনা কয়েকজন


ছেলের ছবি বের করলেন। দিদি যখন পায়েলকে


ছবিগুলো দিলেন। তখন ঈশান তাড়াতাড়ি


ছবিগুলো নিজের হাতে নিয়ে নিল। ঈশান বলল


মাছি এই ছেলেগুলো পায়েলের জন্য একদম ঠিক


নয় ওর জন্য এমন একজন হতে হবে যিনি আমার


মত স্মার্ট এবং সুন্দর আপনি কেমন করে এমন


বয়স্ক ছেলেগুলোর ছবি আনলেন আমার দিদি


ছিলেন কঠোর স্বভাবের এবং মজা একদম পছন্দ


করতেন না তখন ঈশান মজা করছিল না নাকি


সিরিয়াস ছিল সেটা বোঝা কঠিন ছিল কিন্তু


তার কথা শুনে দিদি রেগে গেলেন তিনি বললেন


তোমার বোঝার দরকার নেই এই ছেলেরা মাত্র


পাঁচ বছরের বড়


স্বামী স্ত্রীর বয়সের এতটুকু পার্থক্য তো


থাকতেই পারে। ঈশান জবাব দিল পাঁচ বছরের


নয় স্বামী স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য তিন


বছরের বেশি হওয়া উচিত নয়। আমি নিজেই এমন


একজন খুঁজে দেব যে পায়েলোর জন্য একদম


উপযুক্ত হবে। ঈশানের এই কথাগুলো আমার


কাছেও অদ্ভুত লাগলো। সেখানে পায়েলোর


বিয়ের কথা হচ্ছিল। আর সে নিজেকে পাত্রের


সঙ্গে তুলনা করছিল। তাই আমি তাকে কিছু না


বলে বললাম, তুমি এখন তোমার ঘরে যাও। ঈশান


রুমে চলে যেতেই পায়েলও তার পেছনে চলে


গেল। যখন ওরা দুজন রুমে চলে গেল তখন আমার


বড় দিদি আমার বোন আমাকে বলল অর্পিতা এই


কথাটি আমি তোমাকে 20 বছর আগেও বলেছিলাম


যখন তুমি বিয়ে করতে চলেছিলে। তোমার


স্বামীর সঙ্গে আমার কোন সমস্যা ছিল না।


কিন্তু তার সৎ ছেলেকে গ্রহণ করা আমার


কখনোই ঠিক মনে হয়নি। তুমি যদি দুই মেয়ের


বাবা এমন একজনের সঙ্গে বিয়ে করতে তবে


সেটাও ঠিক থাকতো। কিন্তু তুমি সৎ ছেলেকেও


গ্রহণ করলে যা আমার কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য


ছিল না। এখন যেভাবে বাড়ির পরিস্থিতি


দেখছি সেটাও ঠিক মনে হচ্ছে না। তার আচরণে


কিছু একটা সমস্যা রয়েছে। আমি আমার বর


বোনকে বললাম দিদি তুমি এসব কি বলছো? দিদি


বলল আমি জানি আমার কথা তোমার খারাপ লাগবে।


কিন্তু আমি সবসময় সত্য বলি। আমি তোমার


ছেলেমেয়েদের উপর একটুও ভরসা করতে পারি না


আর তোমাকেও করতে বলবো না আমি পায়েলকে


জানি কিন্তু তোমার সৎ ছেলেকে তুমি এখনো


পুরোপুরি বুঝতে পারনি তুমি তাদের দুজনকে


একসঙ্গে শহরে পাঠিয়েছো এটা তোমার সবচেয়ে


বড় ভুল এখন তারা বড় হয়ে গেছে তুমি কি


জানো শহরে ভাইবোন বন্ধুর মতো থাকে কিন্তু


সম্পর্ক বন্ধুত্বের চেয়েও এগিয়ে যেতে


পারে তুমি কি কখনো তাদের ফ্ল্যাটে গিয়েছো


না যাওনি আমি শুধু চাই তাই তাদের সম্পর্কে


এমন কিছু না ঘটুক যা আমাদের পরিবারের জন্য


লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দিদির কথা


তিক্ত ছিল। কিন্তু এখন আমিও ঈশান আর


পায়েলর আচরণ নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু


করেছি। কিছুদিন ধরে বাড়িতে একটা অদ্ভুত


পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। ঈশান আর পায়েল একে


অপরের কাছ থেকে এক মুহূর্তের জন্য আলাদা


হতো না। পায়েল যেন আমাকে এড়িয়ে চলছিল।


সেই রাতে আমার দিদি বাড়িতে ছিলেন। তাই


আমি তার সঙ্গে হলঘরে ঘুমিয়েছিলাম। দিদির


কথাগুলো সারারাত আমার মনের শান্তি কেড়ে


নিয়েছিল। রাত প্রায় দুইটা নাগাত যখন


আমার ঘুম ভাঙলো এবং আমি পাশ ফিরলাম তখন


লক্ষ্য করলাম বাচ্চাদের ঘরের লাইট এখনো


জ্বলছে।


বিষয়টি দেখে আমি কৌতুহলী হয়ে তাদের ঘরের


দিকে এগিয়ে গেলাম। ঘরের বাইরে পৌঁছানোর


পর আমি পায়েলর গলা শুনতে পেলাম। সে


বলছিল, দাদা তাড়াতাড়ি লাইট বন্ধ করো। মা


যদি আমাদের ঘরের দিকে তাকায় তাহলে সবকিছু


ফাঁস হয়ে যাবে। এই কথা শুনে আমি দরজায়


ফাঁক দিয়ে উকি দিলাম। দেখলাম


ঈশান পায়েলোর কাঁধে হাত রেখে তাকে


বিছানার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পায়েলোর


হাঁটার ভঙ্গিমাও যেন একটু অস্বাভাবিক


লাগছিল। ঠিক কি ঘটছিল তা বোঝা আমার পক্ষে


তখন সম্ভব ছিল না। আমি সেই রাতে তাদের কোন


প্রশ্ন করতে পারিনি। কারণ বাড়িতে আমার


বড় দিদি ছিলেন এবং তার সামনে আমি কোন


অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইনি।


তবু দরজার কাছ থেকে স্পষ্টভাবে শুনতে


পেলাম তাদের কথোপকথন। পায়েলোর কথামত ঈশান


ঘরের লাইট বন্ধ করল। তবে আলো নিভে গেলেও


তাদের কথোপকথন থামলো না। ঈশান বলছিল,


শহরের ফ্ল্যাটে আমাদের উপর কেউ নজর রাখার


ভয় নেই। আমরা সেখানে নিজেদের মত করে থাকতে


পারতাম। কেউ জানতো না যে আমরা ভাইবোন।


কিন্তু এখানে মায়ের নজর সবসময় আমাদের উপর


থাকে। কোন ব্যক্তিগত জায়গা বা সময় আর


অবশিষ্ট নেই। পায়েল বলল, হ্যাঁ তুমি ঠিকই


বলেছ। আমরা এখানে আর বেশিদিন থাকতে পারবো


না। যদি আমাদের কিছু কথা মায়ের কানে পৌঁছে


যায় তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে। মা বারবার


আমাকে ডেকে কথা বলার চেষ্টা করছে। আমি যদি


তার সামনে বেশি সময় থাকি তবে তিনি হয়তো


সবকিছু বুঝে ফেলবেন। আমাদের যত তাড়াতাড়ি


সম্ভব শহরে ফিরে যেতে হবে। আমি আর মিথ্যে


লুকিয়ে রাখতে পারছি না। এরপর পায়েল বলল,


ঈশান ভাইয়া আমি কখনো ভাবিনি যে আমাদের


সম্পর্ক এই পর্যায়ে পৌঁছাবে। গত কয়েক


মাস ধরে আমি তোমার সঙ্গে ফ্ল্যাটে থাকছি।


আর তুমি সবকিছুতে আমাকে সাহায্য করেছ।


সত্যি বলতে তোমার মত আর কাউকে আমি খুঁজে


পেতাম না। তাদের এই কথোপকথন শুনে আমি


একেবারে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি আবার


ঘরের ভেতরে উকি দিয়ে দেখলাম। তারা দুজন


একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছিল। আমার খুব ইচ্ছা


করছিল ঘরে ঢুকে তাদের থাপ্পড় মারি।


কিন্তু আমি নিজের পরিবারের সম্মান


রাস্তায় ফেলতে চাইনি। তাদের কথা শুনে আমি


গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছিলাম। সেই রাত আমি


এক মুহূর্তের জন্য ঘুমাতে পারিনি। আমি


শুধু ভোর হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। ভোরে


কিছু সময়ের জন্য চোখ লেগে এসেছিল। কিন্তু


তার মধ্যেই আমার বড় দিদি আমাকে জাগিয়ে


তুলল। তিনি বেশ ঘাব্যে গিয়েছিলেন এবং


বললেন, অর্পিতা তোমার বাড়িতে কি হচ্ছে?


পায়েল সকাল সকাল ঘরে চাদর নিয়ে গেল কেন?


আমি তোমার সন্তানদের আচরণে কিছু ভুল


দেখছি। তাড়াতাড়ি করে পায়েলের বিয়ে ঠিক


করো। আমি তোমার সৎ ছেলের উপর একটুও ভরসা


করতে পারছি না। তখন আমি দিদির সামনে


মিথ্যে বললাম। আমি নিজেই পায়েলকে চাদর


ধোয়ার জন্য বলেছিলাম। দিদি আমার কথা


বিশ্বাস করলেন। কিন্তু আমার মনে গভীর


সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। রাতের


কথোপকথন এবং তাদের ব্যবহারের উপর ভিত্তি


করে আমি ইতিমধ্যেই অনেক কিছু আন্দাজ করতে


পেরেছিলাম সকালে প্রথম পায়েল উঠে ঘর


পরিষ্কার করছিল রাতের কথা শোনার পর আমার


কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে কেন সে


চাদর ধুতে নিয়ে গিয়েছিল বেলা প্রায়


বারোটা বেজে গিয়েছিল কিন্তু আমার বড়


দিদি বাড়ি থেকে যাচ্ছিলেন না বাচ্চারা


বলেছিল যে তারা ক্যাফেতে যাচ্ছে যখন আমার


দিদি শেষমেষ নিজের বাড়ির পথে রওনা দিলেন


আমি বাচ্চাদের ঘরে ঢোকার সুযোগ পেলাম


আমি ঈশান এবং পায়েলের ব্যাগ তল্লাশি


করলাম। পায়েলের ব্যাগ থেকে আমি এমন কিছু


পেলাম যা দেখে আমার মাথার উপর থেকে আকাশ


যেন ভেঙে পড়ল। আমার সন্দেহ নিশ্চিত হয়ে


গেল যে তারা সম্পর্কের সব সীমা অতিক্রম


করেছে। আমি সেই জিনিসটি হাতে নিয়ে


ফুপিয়ে কেঁদে উঠলাম। আমি বিছানায় বসে


মাথা ধরে আছি। এমন সময় পিছন থেকে ঈশানের


গলা শুনতে পেলাম। সে বলল, মা আজ সন্ধ্যায়


আমরা বেরিয়ে যাচ্ছি। ছুটির দিন শেষ হয়ে


গেছে। তার কথা শুনে আমি ক্রোধে ফেটে


পড়লাম। উঠে গিয়ে তার কলার ধরে বললাম,


অসভ্য। তুই নিজের আসল রূপ দেখিয়েই দিলি।


তুই তোর বোনের সঙ্গে। আমি প্রেগনেন্সি


কীর্তি দেখিয়ে বললাম, পায়েল গর্ভবতী আর


এর জন্য দায়ী তুই। আমি সব বুঝে গেছি।


তোমাদের সমস্ত কাজকর্ম আমার সামনে প্রকাশ


হয়ে গেছে। আমি কথা বলতে বলতে আরো আগে


ফেটে পড়ছিলাম। তখনই পিছন থেকে পায়েল এসে


উপস্থিত হলো। তার মুখ দেখেই আমার হাত থেকে


প্রেগনেন্সি কীর্তি পড়ে গেল। পায়েল


শান্তক কন্ঠে বলল, মা দাপর দয়া করে এমন


অভিযোগ আনবেন না। তুমি যা দেখেছো বা শুনছো


তার পেছনের পুরুষ সত্য তুমি জানো না।


হ্যাঁ। আমি গর্ভবতী তবে এর সঙ্গে দাদার


কোন সম্পর্ক নেই। আমি হতবাক হয়ে তার দিকে


তাকালাম। পায়েল ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল,


মা আমার আগের কর্মস্থলে এক ম্যানেজারের


সঙ্গে আমার একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই


সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর আমি জানতে পারি


যে আমি গর্ভবতী।


যখন তাকে জানাই তখনই জানতে পারি যে সে


বিবাহিত। তার কথা শুনে আমার দুনিয়া যেন


ভেঙে পড়ে মানসিক যন্ত্রণায় আমি একসময়


আত্মহত্যার চেষ্টা করি। কিন্তু দাদা আমাকে


সময় উদ্ধার করে। তারপর পায়েল গভীর শ্বাস


নিয়ে বলল দাদা আমার সবচেয়ে বড় ভর্ষা সে


আমার পরিস্থিতি বুঝে এবং আমাকে মানসিকভাবে


শক্তি যোগায় যখন আমি গর্ভপাত করার


সিদ্ধান্ত নেই তখন ডাক্তার জানান এটি করলে


ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকবে না


সেই সময় দাদা আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছিল


মা হওয়া একটি নারীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ


অধ্যায় আমি তোমার জন্য এমন একজনকে খুঁজে


বের করব যে তোমাকেও গ্রহণ করবে এবং তোমার


সন্তানকেও ভালোবাসবে। এমন কেউ না থাকলে


আমি নিজেই তোমার সন্তানের দায়িত্ব নেব।


পায়েলের এই কথাগুলো শোনার পর আমি স্তব্ধ


হয়ে গেলাম। আমার ভুল বোঝাবুঝি এবং সন্দেহ


আমাকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল তা ভাবতে


গিয়ে আমি নিজেই লজ্জিত হলাম। এরপর থেকে


পায়েলের প্রতি আমার আচরণে পরিবর্তন এলো।


আমি তার যত্ন নেওয়া শুরু করলাম এবং তার


জন্য সবসময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি


দিলাম। মা আজ সকালে মাসি তোমাকে চাদর


নিয়ে যা বলেছে সেটাও আমি শুনেছি।


প্রেগনেন্সির কারণে মাঝেমধ্যে রাতের বেলা


আমার বমি হয়। এতে বিছানার চাদর নোংরা


হয়ে যায়। তাই আমি সেটি সকালে ধুতে নিয়ে


যাই। মা প্রেগনেন্সির কারণে রাতে আমার


শরীর খারাপ হয়। অনেক সময় বিছানার চাদর


নোংরা হয়ে যায়। সকালে আমি নিজেই সেটা


ধুয়ে ফেলি যাতে তোমার কিছু বুঝতে না হয়।


আর দাদা? দাদা শুধু আমার ভাই নয় তার


থেকেও অনেক বেশি।


তিনি আমার জন্য বাবা-মা আর ভাইয়ের মত


সবকিছুই করেছেন। মা দয়া করে তার উপর এমন


কোন অভিযোগ আনবেন না যা তিনি কখনোই


করেননি। পায়েলর মুখ থেকে এই কথাগুলো শুনে


আমার নিজের চিন্তাভাবনা নিয়ে খুবই লজ্জা


হলো। আমি এতদিন ঈশানকে সৎ সন্তান বলে মনে


করেছি। কিন্তু সে তার বোনের প্রতি সব


ভাইয়ের চেয়েও বেশি ভালোবাসা এবং সম্মান


দেখিয়েছে।


সে এমন এক পরিস্থিতি খুবই বিচক্ষণতার


সঙ্গে সামলেছে যেখানে না আমার কিছু জানতে


হয়েছে না কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আমি


ঈশানের কাছে ক্ষমা চাইলাম এবং পায়েলর


ভুলের জন্য তাকেও মাফ করে দিলাম। এরপর


থেকে আমি নিজে পায়েলর যত্ন নিতে শুরু


করলাম।


ঈশান তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছে। সে


এমন একজন মানুষের সঙ্গে পায়েলের বিয়ে


ঠিক করল যে শুধু পায়েলকে নয় তার


সন্তানকেও স্বীকার করে নিল। এভাবে ঈশান


শুধু একজন ভাইয়ের দায়িত্ব পালন করেনি।


বরং পরিবারের প্রধান হিসেবেও তার কর্তব্য


সম্পূর্ণ করেছে গল্পের মূল চরিত্র প্রথমে


যে ঘটনাটি দেখেছিল এবং তার ভিত্তিতে যে


সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা ছিল সম্পূর্ণ ভুল


বোঝাবুঝির ফল। এটি আমাদের শেখায় কোন


বিষয়কে বাইরে থেকে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া


অনুচিত। কখনো কখনো পরিস্থিতি যা মনে হয়


তা আসলে সেভাবে ঘটে না। সন্দেহের ভিত্তিতে


কাজ করার আগে পুরুষত্ব জানা প্রয়োজন।


সন্দেহ সম্পর্ক এবং পারিবারিক বন্ধনকে


ধ্বংস করতে পারে। তাই ধৈর্য এবং যুক্তির


মাধ্যমে পরিস্থিতি বোঝা উচিত। ঈশানের


চরিত্রটি দেখায় যে পরিবারের দায়িত্ববোধ


এবং আত্মত্যাগ কেমন হওয়া উচিত। সে তার


বোনকে সমর্থন করেছে, তার সমস্যাগুলো বোঝার


চেষ্টা করেছে এবং সর্বোপরি একটি সমাধান


খুঁজে বের করেছে। গল্পে পায়েলের মা


প্রথমে ঈশানের প্রতি ভুল ধারণা পোষণ


করেছিলেন। কিন্তু সত্য জানার পর তিনি


নিজের ভুল বুঝতে পেরে তা মেনে নেন এবং


ঈশানের কাছে ক্ষমা চান। এটি শিক্ষা দেয়


যে ভুল স্বীকার করা একটি শক্তিশালী গুণ


ঈশান পায়েলকে মানসিক সহায়তা প্রদান করে


তার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন


করেছে। এটি দেখায় বিপদের সময় একজন সঠিক


মানুষ পাশে থাকলে পরিস্থিতি অনেক সহজ হয়ে


যায়। বন্ধুরা এই ছিল আজকের গল্প। বন্ধুরা


যদি এই গল্পটি ভালো লেগে থাকে। তাহলে দয়া


করে ভিডিওটি লাইক করুন এবং আমাদের


চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। পাশে থাকা


বেল আইকনটি প্রেস করুন যাতে করে আমরা যখনই


নতুন ভিডিও আপলোড করি তার নোটিফিকেশন সবার


আগে আপনার কাছে পৌঁছে যায়। ধন্যবাদ। দেখা


হবে আমাদের পরবর্তী ভিডিওতে।

Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো