কাজের ছেলেকে দিয়ে ছুদালাম মেসিন ঢুকে না


আমার দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার বন্ধুরা


কেমন আছো সবাই? আশা করি অনেক অনেক ভালো


আছো। আমি তোমাদের নীলু আপু চলে এসেছি নতুন


গল্প নিয়ে। আজকের গল্পটি শুনলে তোমাদের


দাঁড়িয়ে যাবে। তাই গল্পটি শোনার আগে


অবশ্যই হেডফোন ব্যবহার করো। আজকের গল্পের


মূল নায়িকা হল আমার মা হেনা। আমি কখনোই


ভাবিনি যে আমি আমার মা হেনাকে আমার নিজের


স্ত্রী হিসেবে পাবো। যেদিন মা আমায় অনুভব


করল যে আমি বাড়ির কর্তা আমার নাম রাজু।


কয়েক মাস আগে আমার বাবা-মা মারা গেছেন।


কিন্তু আমার আর মায়ের জন্য সবকিছুই রেখে


গিয়েছিলেন। আমাদের জন্য একটি বাড়ি এবং


ব্যাংকে বেশ ভালোমতো টাকা পয়সা রেখে


গিয়েছিলেন। আমি একটি রাজ্য সরকারের


কর্মচারী। আর আমার মাইনে বেশ ভালো ছিল।


ঘরের কাজ করতে আমার একদমই ভালো লাগতো না।


আর আমার জীবন অফিস আর পাড়ায় আড্ডা মেরেই


কেটে যেত। আমি কখনোই বাড়ি নিয়ে মাথা


ঘামাই না। আমার বাবা বাড়ির বাইরের


কাজকর্ম দেখতো। আর মা বাড়ির ভেতরের


দায়িত্ব নিত। তাই আমি কোন চাপ ছাড়াই


জীবনযাপন করছিলাম। কিন্তু যেদিন আমার বাবা


আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন তখন আমি বুঝতে


পারি করি যে মাকে সমস্ত কাজ করতে হয়। মা


কিছু না বলেই প্রায় এক মাসের ওপর সব দিক


সামলাচ্ছিল।


এবং কখনো অভিযোগ করেনি। কিন্তু একদিন মা


আমার উপর অনেক চেচিয়েছিল।


মা আমার উপর রেগে বলেছিল, তুই একটা


দায়িত্বজ্ঞানহীন ছেলে। তোর বাবার


অবর্তমানে তুই বাড়ির কর্তা। তাই তোকে


পরিবারের সমস্ত কাজকর্মের দায়িত্ব নেওয়া


উচিত। মায়ের জন্য আমার খারাপ লাগলো। এবং


তখন থেকে আমি বাড়ির সব কাজকর্ম করতে শুরু


করলাম। আর মাকে সবভাবে সাহায্য করতে


লাগলাম। আমি বাড়ির বাইরের সমস্ত কাজ করতে


লাগলাম। এবং মা আর কখনো অভিযোগ করেনি। মা


খুব খুশি হয়েছিল। প্রতিটি জিনিস ভালো


চলছিল। যতক্ষণ না বুঝলাম মাও একজন মহিলা।


আমার এখনো সেই দিনটি মনে আছে। আমি কাছ


থেকে তাড়াতাড়ি এসেছি এবং যেহেতু মা আমার


জন্য দরজা খুলেনি। আমি আমার চাবিটি দিয়ে


দরজা খুলে বাড়ি ঢুকলাম। বাথরুম থেকে


শাওয়ারের আওয়াজ আসছে। আমি আমার সমস্ত


জিনিসপত্র রাখার জন্য আমার ঘরে গেলাম।


কিছুক্ষণ পরে শাওয়ারের আওয়াজ থামলো এবং


বুঝলাম মা তার ঘরে ঢুকলো। আমি আমার ঘর


থেকে বেরিয়ে মায়ের ঘরের দিকে যাচ্ছিলাম।


মায়ের ঘরের দরজায় গিয়ে দেখলাম যে


দরজাটি ঠিকভাবে বন্ধ করা হয়নি। দরজার ভাগ


দিয়ে ঘরের ভেতর তা দেখা যাচ্ছিল। মা ভেজা


পড়ে দাঁড়িয়ে আছে। মায়ের উপর থেকে


সম্পূর্ণ মায়ের বেশ বড় বড় দুটো


পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। সেইজন্য মায়ের নরম


গোলাকার গুলো খুব সুন্দর লাগছে। মায়ের


গুলো বাদাম রঙের। সদ্য স্নান করার জন্য


মায়ের মাথার চুল ভিজেছিল। আর সারা গায়ে


জলের ফোটা লেগেছিল। মাকে দেখতে খুব সুন্দর


লাগছে। মায়ের নাজরে আসার আগে আমি একটু


জোরে মা বলে ডেকে নিলাম। মা সঙ্গে সঙ্গে


নিজের দোয়ালেটা নিজের চাপা দিয়ে দরজা


খুলে জিজ্ঞেস করল। রাজু কখন এলি তুই? আমি


তো বুঝতেই পারিনি। আমি বললাম এই কিছুক্ষণ


আগে এসেছি। সব বাজার রান্নাঘরে রেখে


দিয়েছি। তারপর আমি আর মা কিছুক্ষণ


স্বাভাবিক কথাবার্তা বললাম। মায়ের সেই


দৃশ্যের পরে আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে


পারলাম না। এরপর থেকে আমি মাঝে মাঝেই মাকে


অর্থ এবং পড়া অবস্থায় দেখতাম। মায়ের


প্রতি দিন দিন আমার আকর্ষণ বাড়তে থাকে।


এবং আমি সবসময় মায়ের অর্থ দেখার সুযোগ


খুঁজতে শুরু করি। এমনকি আমি মায়ের


সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করাও শুরু করেছি।


মাঝে মাঝে মাকে চিন্তা করে শুরু করি।


>> এই মুহূর্তে আমি বুঝতে পারি যে বাবা আমাকে


বাড়ি এবং নগদ ছাড়া অন্য আরেকটা জিনিস


রেখে গেছেন। সেটা হল আমার মা এবং তার


সুন্দর। সমস্ত উত্তরাধিকারের সেরা


সম্পত্তি। এক রাতে আমরা টিভিতে একটি


হিন্দি সিনেমা দেখছিলাম। এটি বিবাহ


বহির্ভূত সম্পর্কের স্বল্প বাজেটের সিনেমা


ছিল। সিনেমাটায় অনেক দৃশ্য ছিল। যদিও


পুরো দৃশ্য ছিল না। কিন্তু নায়িকার ডিপ


কাঠ, নায়িকার নায়িকাকে দৃশ্য বা


নায়িকার দৃশ্যগুলো খুব ছিল। সিনেমাটা


দেখতে দেখতে আমরা দুজনেই খুব হলাম। আমি


দেখতে পাচ্ছিলাম যে মা খুব হয়ে ভারী


শ্বাস নিচ্ছে। সিনেমার পরে আমরা সিনেমাটা


সম্পর্কে কিছুটা আলোচনা করলাম এবং তারপরে


আমরা আমাদের ঘরে চলে গেলাম। আমি এতটাই


উত্তেজিত ছিলাম যে ঘরে এসে আমার ঘুম


কিন্তু তারপরেও ঘুমাতে পারলাম না। সিনেমা


এবং আমার মাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে হতে


লাগলাম। আমি দেখলাম যে আমাকে কিছু করতে


হবে। আমি চিন্তা করলাম যেহেতু আমি বাড়ির


কর্তা তাই বাড়ির মহিলাকে আমার কর্তৃ


বানাতে হবে। আমি আমার বাড়ির মহিলাকে


সন্তুষ্ট করব এবং সে আমাকে সন্তুষ্ট করবে।


আমি এটাও জানতাম যে মহিলাটি আমার মা এবং


সে আমাকে তার অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করবে


না। আমি সেটা মাকে বোঝালেও সে সেটাতে রাজি


হবে না। তাই সবচেয়ে ভালো জিনিস হবে


প্রথমবার মাকে জোর করা। একবার যদি মাকে


জোরে করে আনতে পারি তাহলে সে পরে আমাকে


তার প্রেমিক হতে দেবে। এইসব ভাবতে ভাবতে


আমার আবার শক্ত হয়ে গেল। আমি আস্তে আস্তে


আমার ঘর থেকে বের হয়ে মায়ের ঘরে চলে


গেলাম। দরজা বন্ধ থাকলেও লক করা ছিল না।


আমি দরজা খুলে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। মায়ের


ঘরে নাইট ল্যাম্প চালাচ্ছিল। মা দেয়ালের


দিকে মুখ করে শুয়ে আছে। আমি এগিয়ে


দেখলাম যে মায়ের ওড়া সরে গেছে। আর ওড়ার


মধ্যে দিয়ে মায়ের দুটো জ্যান বেরিয়ে


আসছে। মায়ের খুব সুন্দর। এবং ধীরে ধীরে


মায়ের নিঃশ্বাসের তালে তালে সেটা কাঁপছে।


আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে থেকে মা একা


একা সুতো। আমি স্থির করলাম যে যদি কখনো


মায়ের সাথে আমি তবে সেটা আমার বিছানায়


করব। কারণ ওই বিছানাতেই বাবা বেঁচে থাকার


সময় মা-বাবা কারণ আমি চাইছিলাম মাকে আমার


কর্তৃ।


এরপর আমি মায়ের হাতটি ধরে বিছানা থেকে


টেনে নামিয়ে তাড়াতাড়ি আমার ঘরে নিয়ে


এলাম। মা ঘুমের ঘরে কিছু বোঝার আগেই আমার


ঘরে এনে দরজাটা লক করে দিলাম। মা থমত ভাবে


আমার দিকে জিজ্ঞেস করল। কি করছিস? আমি


কিছু না বলে মায়ের টানতে লাগলাম। মা দু


হাতে করে ধরে আছে যাতে আমি সেটা খুলতে না


পারি। কিন্তু আমি তখন পাগলে হয়ে আরো জোরে


টানতে লাগলাম। আর মায়ের সব চেষ্টা ব্যর্থ


হয়ে গেল। মায়ের থেকে পুরোটা টেনে নিলাম।


মা এবার বুঝতে পারছিল যে কি হতে চলেছে। মা


শুধু পরে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মাকে


ওই অবস্থায় দেখে আমার ফেটে বেরোতে


চাইছিল। এরপর মাকে কাছে টেনে তার চেষ্টা


করতেই মা আমাকে ধাক্কা দিতে শুরু করল। মা


নিজের মুখটা সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল।


কিন্তু আমি দু হাতে মাকে ধরে নিজের বসিয়ে


দিলাম। তারপর মায়ের দুটো ভালো করে


নিজেরটা মায়ের ভেতরে দিয়ে মাকে খুব ভালো


করে মায়ের বাধা দেওয়ার শক্তি যেন কমে


গেল। মা চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। কিছুক্ষণ


পরে যখন মাকে ছেড়ে দিলাম তখন মা


তাড়াতাড়ি ঘরে থেকে বেরোবার জন্য দরজার


দিকে যেতে লাগলো। আমি দৌড়ে মায়ের দিকে


গেলাম এবং এক হাত দিয়ে মায়ের ধরে আবার


বিছানার কাছে নিয়ে এলাম। মা অবশেষে


জিজ্ঞেস করল, কেন তুই আমার সাথে এরকম


করছিস? আমি বললাম, কারণ তুমি আমায়


বলেছিলে যে আমি আমি বাড়ির কর্তা। তাই আমি


তোমায় আমার কর্তৃ বানাতে চাই। মা বলল,


কিন্তু আমি তোর মায়ের সাথে এসব কেউ করে


না। এই বলে কাঁদতে শুরু করল। তুমি মায়ের


সাথে সাথে একজন মহিলাও তাই না? এই বলে


মায়ের জবাবের অপেক্ষা না। আবার বললাম, মা


তুমি আমায় আর বাধা দিও না। বিছানায় শুয়ে


পড়ে আমার জন্য প্রস্তুত হও। আমি মায়ের


দিলাম। আর তারপর নিজের লম্বা শক্ত দেয়ে


এল। মা আমার দিকে তাকিয়ে দেখে নিজের মুখটা


ঘৃণায় সরিয়ে নিল। এরপর মাকে বিছানায় শুয়ে


দিলাম। আর মা আমায় দু হাত দিয়ে বাঁধা দিতে


থাকলো। আমি মায়ের দু হাতের কুপচি আমার এক


হাত দিয়ে ধরে মায়ের মাথার উপরে রাখলাম।


কাঁদতে কাঁদতে মা বিছানায় চিৎকার করে বলল,


তুই কি চাস আমার থেকে? আমি কিছুই বললাম


না। কিছুক্ষণ পরে মা উঠতে চেষ্টা করল।


এবার আমায় ধাক্কা মেরে উঠে দরজার দিতে


যেতে শুরু করতেই আমি মাকে পেছন থেকে


ধরলাম। তারপর এক হাতে আরেক হাত দিয়ে


দড়িটা টান দিতেই মায়েরটা ছপ করে মেঝেতে


পড়ে গেল। মা সঙ্গে সঙ্গে নিজের হাত দিয়ে


নিজের উপরে ঢাকা দিল। এরপর আমি মাকে আমার


দিকে ঘোরাতেই মা আরো বেশি করে কাঁদতে শুরু


করল। আর নিজে ঢাকার চেষ্টা করল। আমি


দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মায়ের দেখছিলাম। মা


কাঁদতে কাঁদতে বলল, এরকম করিস না। আমি তোর


মা হই। আমি মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে


বললাম, এবার থেকে তুমি আমার জীবনসঙ্গিনীও


হবে। এই বলে মাইষটা খুলে দিলাম। মা তখন এক


হাতে নিজের আর অন্য হাতে নিজেরটা ঢেকে


মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলো। মাকে


অসম্ভব সুন্দরী লাগছিল। আমি মায়ের হাত


দুটো জোরে করে সরিয়ে দিতেই সুন্দর নরম


বড় বড় দেখতে পেলাম। বাদাম রঙের দুটো


শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বুঝলাম মা হয়ে


গেছে। আমি এবার মাকে বিছানায় শুয়ে দিয়ে


মায়ের ওপর শুয়ে পড়লাম। কিন্তু মা তখন


নিজের হাত দিয়ে আমার বাধা দিচ্ছিল। এবার


মায়ের দুটো হাতের কবজি একসাথে এক হাত


দিয়ে ধরে মায়ের মাথার উপর ধরলাম। আর


একটা হাত দিয়ে মায়ের ধরলাম।


মায়ের কালো ঘন ঢাকা ছিল। মা পা দুটো


একসাথে চেপে রেখেছিল। তাই আমি আমার পা


দিয়ে মায়ের দুটো পা জোরে করে ছড়িয়ে


দিয়ে একটা আঙ্গুল ভেতরে দিলাম। মা হেসে


উঠল। আর বলল এরকম করিস না এটা পাপ কাজ আমি


কোন কথা না বলে মায়ের খেতে খেতে


কিছুক্ষণের মধ্যেই মায়ের ভিজে গেল আর মা


শুধু না করতে করতে বের করে দিল মা হাঁপাতে


হাঁপাতে বিছানায় পড়ল আমি এবার মায়ের


হাত দুটো ছেড়ে দিলাম আর মায়ের বাধা


দেওয়াটাও যেন বন্ধ হয়ে গেল এবার আমি


মায়ের উপভোগ করতে শুরু করলাম কিছুক্ষণের


মধ্যে ঘুমিয়ে গেলাম


পরের দিন সকালে যখন উঠলাম মাকে বিছানায়


দেখলাম না। আমি তখনো আমার বিছানায় ছিলাম।


আমার এখনো মেঝেতে রয়েছে। তবে আমার মায়ের


চিহ্ন নেই। এক মুহূর্তের জন্য আমি ভাবলাম


যে আমি কি স্বপ্ন দেখছিলাম। কিন্তু তারপর


যখন বিছানায় দেখলাম যে দাগ তখন বুঝতে পারি


যে এটি স্বপ্ন নয়। আমি সত্যি করেই মাকে


রাতে। আমি তখন খুব অপরাধ বোধ অনুভব করলাম।


আমার ঘরের বাইরে হাঁটার মত সাহস আমি পেলাম


না। আমি যতক্ষণ পারলাম ঘরের মধ্যেই


থাকলাম। এটা ভালো যে সেদিনটা রবিবার ছিল।


কয়েক ঘন্টা পরে আমার মা দুপুর দিকে আমার


ঘরে এসে আমায় ডেকে বলল, অনেক বেলা হয়ে


গেছে। তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়।


মায়ের ডাক শোনার পরে আমার মধ্যে কিছুটা


আত্মবিশ্বাস ফিরে এল। আমি তাড়াতাড়ি


বাথরুমের কাজ করে আবার নিজের ঘরে চলে


এলাম। আমি আমার মাকে আরো বেশি সময় এড়াতে


চেষ্টা করেছি যতক্ষণ না সে আমাকে আমার


লাঞ্চ খেতে ডেকেছিল। সেই দিনটি আমাদের


দুজনের জন্য এক ভয়াবহ দিন ছিল। আমরা


কখনোই কোন কথা বলিনি।


এইভাবে আরো কয়েকদিন পার হলো।


যেখানে আমি আর মা দুজন দুজনকে এড়িয়ে


চলতে লাগলাম।


যেহেতু আমি চাকরি করি তাই অনেকটা সময় আমি


বাড়ির বাইরে থাকতাম।


না হলে এরকম


পরিস্থিতিতে


আমি হয়তো পাগল হয়ে যেতাম।


কিছুদিন পরে জিনিসগুলি স্বাভাবিক হওয়ার


পরে আরো দু সপ্তাহ পরে আমার মা তার


বন্ধুদের সাথে একটি সিনেমাতে যায়। আমি


জানতাম যে মা একটি মুভিতে যাচ্ছেন। কারণ


মা আমার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়েছিল।


আমিও নিজের কাজের জন্য শহরের বাইরে একটা


ট্রিপে গেলাম। দুদিন পরে যখন আমি আমার


ট্রিপ থেকে ফিরে এলাম, যখন দেখলাম যে


বাড়ির পরিবেশটা অনেকটাই আলাদা হয়ে গেছে।


আনান মা খুব সুন্দর একটি শাড়ি পড়েছে এবং


তার চুলে ফুল লাগিয়েছে। সাধারণত বিধবা


মহিলারা তাদের চুলে ফুল কখনো লাগায় না।


মায়ের মনও খুব ভালো মেজাজে আছে বলে মনে


হচ্ছে। আমি খুশি হয়েছি কিন্তু মাকে


এইভাবে দেখে হতবাক্য হয়েছি। আমি ঘরে এসে


মায়ের জন্য আনা মিষ্টি মায়ের হাতে


দিলাম। আর মা হাসি মুখে সেটা নিল। মা আমার


ট্রিপের ব্যাপারে অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করল।


আমি বুঝলাম যে মা আমায় ভালোভাবে গ্রহণ


করেছে। আস্তে আস্তে আমিও অনেক


স্বাভাবিকভাবে মায়ের সাথে কথা বলতে


লাগলাম। আর মাকে খুব ভালোভাবে দেখতে


লাগলাম। আমি খুশি হলাম যে মা স্বাভাবিক


অবস্থায় ফিরে এসেছে। রাতের খাবারের পরে


মা আমায় স্নান করে আসতে বলল। আমি অবাক


হয়ে মাকে জিজ্ঞাসা করলাম, গো আমি এত রাতে


স্নান করে কি করব? মা গম্ভীরভাবে বলল, আমি


যখন বলছি তখন তুই স্নান করে আয়। আমি


অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্নান করতে গেলাম। কারণ


আমি মাকে আর রাগাতে চাইছিলাম না। আমি


স্নান করে ঘরে আসতে মা আমায় বলল। নতুন


গেঞ্জি পড়ে ঘরে শুয়ে থাকতে বলল। আমি


মাকে বললাম, মা আমার এখন ঘুম আসছে না। মা


আমায় বলল, আমি যা বলছি সেটা তুই কর। অত


প্রশ্ন করতে হবে না। আমি মাকে লাগাতে


চাইলাম না। তাই নতুন গেঞ্জি পড়ে ঘরে এসে


বিছানায় শুয়ে থাকলাম। চোখ বোধ করে


চিন্তা করতে লাগলাম মায়ের এরকম


পরিবর্তনের কারণটা কি? কিছুক্ষণ পরে দরজার


আওয়াজ পেয়ে দেখলাম মা হাতে একটা দুধের


গ্লাস নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলো। মা একটা


সুন্দর হলুদ শাড়ি পড়েছিল। শাড়িটা


অনেকটা নিচে করে পড়েছিল। তাই মায়ের


সুন্দর দেখতে পেলাম। আমি মাকে এভাবে দেখে


হতবাক হয়ে গেলাম।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো