আমরা দুই বোন একে অপরের ভোদা চুষে চুষে মধু বের করলাম




বন্ধুরা আজকে একটা নতুন গল্প নিয়ে আসলাম


তোমাদের মাঝে। এটা সত্য এবং বাস্তব জীবনের


ঘটনা। শেষ পর্যন্ত শোনার অনুরোধ রইল।


শুনলে তোমার মধু চলে আসবে। দেরি না করে


চলো শুরু করা যাক। গভীর রাতে ঘুম থেকে


ওঠে। আমি দাদার রুমের জানালা দিয়ে দেখতে


পেলাম। দাদা আমার সাথে কেমন জানি অদ্ভুত


আচরণ করছে। মায়ের সাথে দাদার এরকম আচরণ


দেখে। আমার চোখ কপালে উঠে গেল। মনে মনে


ভাবলাম মা দাদার সাথে এসব কি করছে? আরেকটু


লজ্জা করে না। বিষয়টা ভাবতেই আমার মাথা


ঘুরে যাচ্ছে। একটু পর আমি দেখতে পেলাম মা


জেন কিসের নেশায় পাগল হয়ে বলছে


শ্বশুরমশাই আমার আকাশে এখন প্রবল বেগে


ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাচ্ছে। আপনি আমাকে একটু


শান্ত করেন। আমার আর সহন হচ্ছে না। তারপর


মায়ের কথা শুনে আমার দাদাও যেন। পাগলের


মত মায়ের ঘূর্ণিঝড় থামানোর জন্য যা করল।


তা শুনলে বন্ধুরা তোমাদের মাথা ঘুরে যাবে।


বন্ধুরা গল্পটি অনেক ইন্টারেস্টিং।


আশা করি তোমরা পুরো গল্পটি খুব মনোযোগ


সহকারে শুনবে। তবে গল্পটি শোনার পূর্বে


বন্ধুরা তোমাদের আমার ছোট্ট একটি অনুরোধ।


তোমরা দয়া করে আমার চ্যানেলটিকে


সাবস্ক্রাইব করে আমাকে সাপোর্ট করবে।


হ্যালো বন্ধুরা, আমি সামিয়া সাহা। আমার


ডাক নাম সামিয়া। আমার বর্তমান বয়স 25।


আজকে আমি তোমাদেরকে যে গল্পটা বলবো তখন


আমার বয়স ছিল আট কিংবা নয় বছর হবে। আমি


আমার বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে ছিলাম।


আমার বাবা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। আমার মা


একজন গৃহিণী ছিলেন। ব্যবসার সুবাদে বাবা


ঢাকায় থাকতেন। বাড়িতে থাকতাম আমি আমার


মা এবং আমার দাদা। আমার দাদার অন্য কোন


ছেলে ছিল না। আমার বাবা ছাড়া। আমার দাদার


বয়স প্রায় 55 থেকে সাত হবে। যদিও দাদার


বয়স একটু বেশি। তারপরেও দাদাকে দেখে অনেক


শক্তিশালী বলে মনে হতো। আমার বাবা ব্যবসার


কাজে ব্যস্ত থাকতো। প্রায় দুই থেকে তিন


মাস পর পর বাড়ি আসতো। মা আর আমি একসাথে


থাকতাম। বাবা যখন বাড়িতে আসতো। তখন আমি


আমাদের বাড়ির গেস্ট রুমে থাকতাম। একা একা


থাকতে আমার খুব ভয় করতো। তারপরেও অনেক


কষ্ট করে থাকতাম। আর মনকে সান্ত্বনা


দিতাম। এই বলে যে বাবা তো দুইদিন থেকেই


চলে যাবে। তারপর তো আমি মায়ের কাছে


থাকবো। এইভাবে বন্ধুরা বাবা যখনই আসতো


তখনই আমি গেস্ট রুমে রাতে থাকতাম। আর বাবা


মা একসাথে থাকতো। আমাদের বাড়ির গেস্ট রুম


ছিল। আমার বাবা মায়ের রুমের পাশের রুমে।


আর দাদার রুমটা ছিল এরপরের রুমটা। আমাদের


ঘরের মোট রুম ছিল তিনটা। তারপর বন্ধুরা


বাবা দুইদিন থেকেই চলে গেল। তারপর থেকেই


আমি মায়ের সাথে থাকি। এভাবেই চলছিল আমার


দিন। কিন্তু হঠাৎ একদিন রাতে ঘটে গেল।


আমার জীবনে একটা ভয়ানক ঘটনা। একদিন রাতে


আমি আর মা একসাথে ঘুমালাম। হঠাৎ কিসের জেন


শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। ও মা ঘুম থেকে


উঠে দেখি মা আমার পাশে নেই। বন্ধুরা আমার


মায়ের পরিচয় তা তোমাদের আগের দিন। আমার


মা একজন মধ্যবয়সী নারী ছিল। মার বয়স


ছিল। তখন 30 কিংবা 32 হবে আনুমানিক। মাকে


দেখতে অনেক সুন্দরী ছিল। মা অনেক


আবেদনময়ী ছিল বটে। আমি আর মা যখন টিভি


দেখতাম তখন মা শুধু রোমান্টিক ছবি দেখতো।


মার ইংলিশ ছবির প্রতি একটা অন্যরকম টান


ছিল। যাই হোক বন্ধুরা বলছিলাম। গভীর রাতে


ঘুম থেকে উঠে দেখি মা বিছানায় নেই। আমি


তখন অবাক হয়ে গেলাম। আর মা মা বলে কাঁদতে


লাগলাম। তখন হঠাৎ মা কোথা থেকে যেন দৌড়ে


আসলো কিন্তু মা যখন দৌড়ে আমার এখানে আসো


তখন আমি লক্ষ্য করলাম মা কেমন যেন


হাপাচ্ছে আর ঘামছে আর মাকে খুব অস্থির


অস্থির লাগছে আমি বললাম মা তুমি কোথায়


গিয়েছিলে আমাকে একা রুমে রেখে মা বলল


মাশামিয়া এইতো আমি একটু ওয়াশরুমে


গিয়েছিলাম আমি বললাম ও আচ্ছা মা এরপর


থেকে ওয়াশরুমে গেলে আমাকে নিয়ে যাবে মা


বলল ঠিক আছে স্বামী। তারপরের দিন আবার আমি


আর মা একসাথে ঘুমালাম। কিন্তু রাত যখন


গভীর হলো তখন আবার আমার ঘুম ভেঙে যায়।


কিন্তু ঘুম ভাঙ্গার পর আমি আবার লক্ষ্য


করলাম। মা আমার পাশে নেই। সেদিনও আমি মাকে


বললাম মা তুমি আমাকে রেখে কোথায়


গিয়েছিলে? তখন মা আমাকে বলল। মা সামিয়া


আমি ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম। তারপর আমি মাকে


বললাম তোমাকে না আমি বললাম। রাতে


ওয়াশরুমে গেলে আমাকে নিয়ে যেতে। ও


বন্ধুরা তোমাদেরকে তো আর একটা কথা বলা


হয়নি। আমরা গ্রামে থাকতাম। ওয়াশরুমটা


আমাদের মূল ঘরের বাইরে ছিল। অর্থাৎ আমাদের


বাড়ির পিছনে ছিল। তো যাই হোক বন্ধুরা।


তারপর আমি মাকে বললাম, তোমাকে না


বলেছিলাম। ওয়াশরুমে গেলে আমাকে নিয়ে


যেতে। আমার কথা শুনে মা একেবারে চুপ হয়ে


থাকতো। পরের দিন ও বন্ধুরা একই অবস্থা।


তারপর মা যখন রুমে আসতো তখনই মাকে


একেবারেই এলোমেলো অবস্থায় দেখা যেত। মাকে


সত্য বলেও আমি কোন কিছুই করতে পারি নাই।


বন্ধুরা তখন আমার বয়স ছিল মাত্র আট বছর।


খুব একটা বেশি বুঝতামও না। তারপরও আমি


চিন্তা করলাম। মা প্রতিদিন কোথায় যায়?


কি করে আমাকে বিশ্বাস খুব ভালো করে জানতে


হবে। বুঝতে হবে। আমি কোন কিছু বললে মা কোন


উত্তর দেয় না কেন? বিষয়টা নিয়ে অনেক


চিন্তায় পড়ে গেলাম আমি। মাঝে মাঝে মনে


হয়েছিল আমি বাবার কাছে বিশ্বাসের করি।


তারপর ভাবলাম না। যদি বাবার কাছে শেয়ার


করি। তাহলে হয়তো মা আমাকে বকা দিবে। তাই


চিন্তা করলাম। যেভাবে হোক আমাকে রহস্য


খুঁজে বের করতে হবে। মা প্রতিদিন কোথায়


যায় কি করে তা আমাকে জানতেই হবে। এভাবে


প্রায় এক মাসের মত আমি বিশ্বের সাথে


লক্ষ্য করলাম। আর এর রহস্য খুঁজে বের করার


জন্য চেষ্টা করলাম। কিন্তু আমি কোনভাবেই


এর রহস্য খুঁজে বের করতে পারছিলাম না।


একদিন আমি চিন্তা করলাম আজকে আর ঘুমাব না।


আজকে আমি ঘুমের ভান করে পড়ে থাকবো। দেখ


মা কোথায় যায় যদি আমার ঘুম বেশি। তারপরে


আমাকে কষ্ট করে হলেও। এর রহস্য খুঁজে বের


করতে হবে। পরের দিন আমি আর মা একসাথে


ঘুমালাম। আমি ঘুমের ভান ধরে রইলাম। রাত


যখন গভীর হলো তখন আমি লক্ষ্য করলাম মা


আমাকে যাচাই করছে আমি ঘুমিয়েছি কিনা আমিও


খুব ভালো করে ঘুমের অভিনয় করলাম তারপর


দেখি মা আস্তে আস্তে করে দরজা খুলে বের


হয়ে যাচ্ছে আমিও খুব আস্তে আস্তে করে


উঠলাম উঠে আমার পেছনে পেছনে যাওয়া শুরু


করলাম কিন্তু আমি রুম থেকে বের হতে না


হতেই আর মাকে খুঁজে পেলাম না মা কোথায়


যেন চলে চলে গেল। বিষয়টা আমার কাছে খুব


বিশ্বয়ের মতো মনে হলো। সেদিন রাতে


ওয়াশরুমে। আমাদের বাড়ির প্রায় সকল


জায়গায় খুঁজলাম। কিন্তু কোথাও মাকে


খুঁজে পেলাম না। তারপর আমি আমার বিছানায়


সে ঘুমের ভান করে পড়ে রইলাম। ঘন্টা তিনেক


পরে আমি লক্ষ্য করলাম। কোথা থেকে যেন মা


হাতি এসেছে আমি সেদিন আর কিছু বলিনি।


ঘুমের ভান করে পড়ে রইলাম। ভাবলাম আজকে


যেহেতু চলে গেছে কালকে বিশ্বাসটা রহস্য


খুঁজে বের করা যায় কিনা। পরের দিন আবারও


মা রাতের অন্ধকারে। যখন গভীর রাত হলো তখন


আমি অনুভব করলাম। মা আস্তে আস্তে উঠে দরজা


খুলছে। আমিও খুব দ্রুত গতিতে উঠে মায়ের


পেছন পেছন গেলাম। মায়ের পিছন পিছন গিয়ে


আমি খুব অবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম মা দাদার


রুমে গিয়ে ঢুকছে। আমি খুব হতবাক হয়ে যান


আর চেষ্টা করলাম। এত রাতে মা দাদার রুমে


কি করে? আমি দাদার রুমের দরজার পাশে গিয়ে


চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। একটু পর আমি


শুনতে পেলাম। দাদা মা বলতে লাগলো আমার জান


পাখি। তোমার আজকে আসতে এত দেরি হলো কেন?


তুমি জানো না। তুমি দেরি করে আসলে আমার


খুব কষ্ট হয়। মা দাদাকে বলল, লক্ষ্মী


আমার রাগ করো না। দেখো না। এই মেয়েটাকে


তো আমার প্রতিদিন ঘুম পাড়িয়ে তুই আসতে


হয়। বোঝো না কেন জানো? তারপরও আমি দরজার


পাশে দাঁড়িয়ে রইলাম। কিছুক্ষণ পর আমি


বাহির থেকে অনুভব করলাম। দাদা আর মা


একসাথে শুয়ে কি যেন করছে তার শব্দ


পরিষ্কার আমার কানে ভেসে আসছে। শব্দটা


কেমন যেন অদ্ভুত অদ্ভুত লাগছে। বন্ধুরা


তখন তো আমার বয়স কম ছিল। তাই শব্দের


মর্মটা বুঝতে পারি নাই। এখন বুঝতে পারছি


এই শব্দের মর্মটা। শব্দটা দুটি প্রাণের


অন্তিম মুহূর্তের অজানা সুখের। যাই হোক


বন্ধুরা। সেদিন আমার মনে খুব কৌতুহল


জেগেছিল যে আমার সাত বছর বয়সী দাদার সাথে


আমার মা কি করে তা আমাকে নিজের চোখে দেখতে


হবে। তারপর বন্ধুরা অনেক চেষ্টা করেছিলাম


ভিতরে কি হয় জানার। কিন্তু কোন উপায়


পাচ্ছিলাম না। অবশেষে দাদার রুমের জানালার


একপাশ দিয়ে দেখার একটি সুযোগ পেয়েছিলাম।


দেখলাম মা দাদার সাথে কেমন যেন এক অদ্ভুত


আচরণে মগ্ন। দাদা আমার সাথে কেমন যেন এক


অদ্ভুত আচরণে মগ্ন। আমার কাছে মনে হয়েছিল


তারা যেন কোন এক সুখের আশায় অজানা কোন


রাজ্যে বিভিন্ন রকম শান্তির খোঁজে ভাসছে।


একটু পর আমি দেখতে পেলাম। মা যেন কিসের


নেশায় পাগল হয়ে বলছে। শ্বশুরমশাই আমার


আকাশে এখন প্রবল বেগে ঘূর্ণিঝড় বয়ে


যাচ্ছে। আপনি আমাকে একটু শান্তি করেন। আর


শনি হচ্ছে না। তারপর মায়ের কথা শুনে আমার


দাদাও জেন পাগলের মত মায়ের ঘূর্ণিঝড়


থামানোর চেষ্টা করছে। আর এদিতে মাঘে


একেবারে ছানাবড়া হয়ে গেছে। আর অপরদিকে


দাদা আমার ঘূর্ণিঝড় থামানোর জন্য


প্রাণপনে চেষ্টা করে যাচ্ছে। দাদা এবং


মায়ের এরকম অবস্থা দেখে। আমার কাজ মনে


হয়েছিল যেন। আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি


সরে যাওয়ার অবস্থা হলো। ঘটনাটা দেখার পর


আমি কাজতে কাজতে আমার রুমে চলে আসি।


কিন্তু আমার গায়ে যেন কেমন এক অনুভূতি হতে


শুরু করল। আর আমার মনটা খুবই খারাপ হয়ে


গিয়েছিল। তারপর কিছুক্ষণ কাজতে কাজতে আমি


ঘুমিয়ে যাই। বন্ধুরা মায়ের এমন


অপ্রত্যাশিত অবস্থা দেখে। আমার মনের ভিতর


রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তারপরেও মায়ের ভুল ধরতে


নেই। কারণ মা তো মায়ের। মায়ের কোন তুলনা


এই যগতে হয় না। মা শত ভুল করলেও এই সমাজে


এই ঘুনে ধরা সমাজের কোন বিচার নেই। আমার


গল্পটি বন্ধুরা হয়তো তোমরা। একটি


বানোয়াট গল্প মনে করতে পারো। কিন্তু


পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে। যা সাধারণত।


মানুষ কখনো বিশ্বাসই করতে চায় না। আমার


ঘটনাটিও ঠিক। সেই রকম ঘটনার মধ্যে একটি।


যার রহস্য কোনদিন কোন মানুষ বের করতে


পারবে না। এই অতিত নিষিদ্ধ লীলা এরকম


ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা। যুগ যুগ ধরে


হাজার হাজার ঘটে আসছে। যার সীমাবদ্ধতা


শুধু অন্ধকারে ঢেকে থাকে। বন্ধুরা আজকে এই


পর্যন্তই। আবারো আসো তোমাদের মধ্যে নতুন


কোন ভিডিও নিয়ে। ভিডিওটি যদি তোমাদের


ভালো লাগে তাহলে একটি লাইক দাও। প্রতিদিন


আমি তোমাদেরকে একটা করে নতুন গল্প উপহার


দিব। তাই তোমাদেরকে অনুরোধ করে বলছি,


তোমরা যদি এরকম ধরনের ইন্টারেস্টিং গল্প


পেতে চাও, তাহলে দয়া করে আমার চ্যানেলটি


সাবস্ক্রাইব করো। পরিশেষে তোমাদের সকলের


সুস্বাস্থ্য কামনা করি। ভিডিওটি দেখার


জন্য তোমাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো