মায়ের বোদায় বারা ডুকাতেই উ..আ.. বলে চিৎকার করাই বোন চলে আসে



এর সাথে যেভাবে কাজ করলাম গল্পটি সম্পূর্ণ


শুনলে আপনাদের মেশিন দিয়ে পানি চলে আসবে।


কারণ বাবা-মায়ের সাথে ঠিকমতো কাজ না


করায় মা নিজেই আমার সাথে কাজ করল।


বন্ধুরা গল্পটি শোনার আগে অবশ্যই আপনারা


কানে হেডফোন লাগিয়ে নেবেন এবং হাতের কাজ


করার আগে অবশ্যই হাতের কাছে টিস্যু


রাখবেন। আমার নাম সন্দীপ। আমি


মধ্যপ্রদেশের একটি ছোট শহরে বাস করি।


সেখানেই আমি এবং আমার পরিবার থাকি। কোন


অভাব নেই। বাবা প্রচুর উপার্জন করেন এবং


আমি কলেজে পড়ি। আজ আমি আপনাদের আমার


জীবনে ঘটে যাওয়া একটি আকর্ষিক ঘটনার গল্প


শোনাতে যাচ্ছি। এটি সেই সময়ের কথা যখন


আমি কলেজে পড়তাম এবং তখন ততটা বুদ্ধিমানও


ছিলাম না। আমাদের বাড়িতে আমি আমার মা এবং


বাবা থাকি। আমাদের বাড়ি বেশ বড় যেন কোন


ধনীর বাংলো। বাবা সকালে কাজে চলে যান এবং


রাতে দেরি করে বাড়ি ফেরেন। সেই সময়


বাড়িতে শুধু আমি এবং মা থাকতাম। আমি


কিছুক্ষণ পড়াশোনা করতাম এবং পরে ঘুমিয়ে


পড়তাম। কিন্তু মা সবসময় বাবার জন্য


অপেক্ষা করতেন। সেই সময় আমি কলেজের শেষ


বছরে ছিলাম। এক সকালে যখন আমি কলেজে


যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন আমি


মায়ের জোরালো কন্ঠ শুনতে পেলাম। তিনি


বলছিলেন, তুমি কি করছো? রাত দুটায় বাড়ি


আসো এবং বল অফিসে কাজ ছিল। রাত দুটায় কোন


অফিসের কাজ চলে? সরাসরি বলো না যে তুমি


সেই মেয়ের সাথে ছিলে। মা খুব রেগে


গিয়েছিলেন। আমার মা সাধারণত কারোর উপর


রাগ করতেন না। তার স্বভাব খুব শান্ত ছিল।


কিন্তু আজ কি হয়েছিল জানিনা মা খুব রেগে


গিয়েছিলেন আমি দুটায় আসি বা তিনটায়


তিনটে বাজে তোমাকে যা চাইছে তা মিলতে


হচ্ছে না পরে চুপ থাকো বাবা তীব্র আওয়াজে


মাকে বললেন কি চাইছে তা মিলছে টাকা গহলা


এসব ছাড়াও কি কোন সুখ থাকে এখন আর কিছু


বলো না কিন্তু এখন আর সহন হচ্ছে না তিন


চার মাস হয়ে গেছে তুমি আমাকে ছুঁয়েও


দেখোনি শেষ ওই মেয়ের মধ্যে এমন কি আছে যা


আমার মধ্যে নেই মায়ের আওয়াজ আরো তীব্র


হয়ে উঠল তখন বাবা রেগে বললেন বারবার


মেয়ে বলো না নইলে তাহলে কি করবে? মা


উল্টো জবাব দিলেন। সেই সময় বাবার রাগ


অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তখনই হঠাৎ ধমকের


আওয়াজ এলে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মায়ের


চিৎকারে পুরো ঘর গুঞ্জে উঠল। আমি তৎক্ষণাৎ


আমার ঘর থেকে ছুটে তাদের বেডরুমের দিকে


গেলাম। যে দৃশ্য আমি দেখলাম তা দেখে আমি


হতবাক হয়ে গেলাম। বাবা মাকে বেল্ট দিয়ে


মারছিলেন। মা ব্যথায় চিৎকার করছিলেন।


কিন্তু বাবা থামার নামই নিচ্ছিলেন না। আমি


কিছু না ভেবেই মায়ের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম


যাতে তাকে বাঁচাতে পারি। কিন্তু বাবা তখনো


থামলেন না। যেই আমার উপরেও দুই চারটি


বেল্টের আঘাত লাগলো। বাবা থামলেন এবং তিল


মিলিয়ে আমার দিকে রেগে তাকাতে লাগলেন।


তারপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরের


দিকে আমি মায়ের দিকে তাকালাম। মায়ের চোখ


থেকে অশ্রুধারা বয়ে যাচ্ছিল। আমি মাকে


সাপোর্ট দিয়ে উঠিয়ে দিলাম। উঠতে গিয়ে


মা কেঁদে উঠলেন। আমি তাকে বিছানায়


বসালাম। তখন পর্যন্ত তার হাত ও পিঠের লাল


দাগ পড়ে গিয়েছিল। এ দেখে আমার বাবার উপর


প্রচন্ড রাগ উঠলো। কোন মানুষ এত নিষ্ঠুর


কি করে হতে পারে? কেউ নিজের স্ত্রীকেও


এভাবে মারতে পারে। তখন আমি দ্রুত


রান্নাঘরে গেলাম। একটি বাটিতে তেল ও হলুদ


মিশিয়ে মায়ের কাছে নিয়ে এলাম। মায়ের


পিঠে দুই চারটি বেল্টের আঘাতের ব্যথা


অনুভব হচ্ছিল। মা ফুপিয়ে ফুপিয়ে


কাঁদছিলেন। এরপর আমি মায়ের হাত ও পিঠে


তেল হলুদের মিশ্রণ লাগানো শুরু করলাম।


যেখানে তাকে মারা হয়েছিল। কিছু জায়গায়


হালকা রক্ত বেরিয়েছিল। মিশ্রণ লাগানোর পর


আমি বাটিটি একপাশে রেখে মায়ের পাশে বসে


পড়লাম। মা আমাকে দেখে তৎক্ষণাৎ আমাকে


জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন। পরে তিনি আমার


গলায় মুখ লুকিয়ে জোরে জোরে কাঁদতে


লাগলেন। মায়ের অশ্রুতে আমার কাঁধ ভিজে


গেল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে তাকে শান্ত


করার চেষ্টা করছিলাম। আমরা দুজন অনেকক্ষণ


ধরে এভাবেই একে অপরের বাহুতে ছিলাম। তখনই


মায়ের হাত যখন আমার পিঠের দাগগুলো স্পর্শ


করল, তীব্র ব্যথার ঢেউ উঠলো এবং আমি কেঁদে


উঠলাম। মা যেই এটা বুঝতে পারলেন তিনি


তৎক্ষণাৎ আমার থেকে সরে গেলেন। পরে মা


আমার শার্ট উপরে তুলে সেই বাটি থেকে তেল


হলুদের মিশ্রণ ধীরে ধীরে আমার পিঠে লাগাতে


লাগলেন। লাগানোর সময়ও তিনি ফুপিয়ে


ফুপিয়ে কাঁদছিলেন। তুই কেন আমার জন্য


মাঝখানে এলি? অকারণে তোরও মার খেতে হল। মা


এমন বললেন তখন আমি তাকে বললাম মা তোমার


জন্য যদি আমার প্রাণও চলে যেত তবু আমার


কোন দুঃখ হতো না কিন্তু তিনি তোমাকে


মারলেন যখন আমি একথা বললাম তখন মা আমার


দিকে তাকিয়ে বললেন তোকে বলব কিনা ভাবছি


ছেড়ে দে এখন তোকে এসব জানা উচিত গত দুই


বছর ধরে তোমার বাবা একটি মেয়ের পেছনে


ঘুরছে রাতে দেরি করে আসে এবং আমার জন্য


যেন কোন অস্তিত্বই নেই তার কাছে আর আমাকে


এ কথা বলতে লজ্জাও হচ্ছে যে গত কয়েক মাস


ধরে সে আমাকে ছুয়ে ুয়েও দেখেনি। কয়েকবার


মনে হয়েছে আমি নিজের প্রাণ দিয়ে দিই।


কিন্তু আমার পরে তোর কি হবে এ ভেবে আমি


এমন পদক্ষেপ নিইনি। কিন্তু সত্যি এখন এই


জীবন থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। এখন আমি ঠিক


করেছি একই ঘরে থাকবো। কিন্তু তার সাথে কোন


সম্পর্ক রাখবো না। মায়ের এ কথা শুনে আমি


ভাবনায় পড়ে গেলাম। এত সুন্দর, সুশিক্ষিত,


বুদ্ধিমান মা হওয়া সত্ত্বেও বাবা কি করে


অন্য নারীর পেছনে ঘুরছে। মনে মনে আমি


বাবার এই কাজকে দোষী সাব্যস্ত করলাম। মা


সত্যিই খুব সুন্দর ছিলেন। সুন্দর চেহারা,


নাজুক বডি, স্লিম ফিগার, পাঁচ ফুট উচ্চতা,


ফর্সা রং তিনি যেন কোন ছবিতে আঁকা দেবীর


মতো দেখাতেন। তবুও বাবা কেন তার সৌন্দর্য


দেখতে পাচ্ছিলেন না? সেই দিনের পর থেকে মা


বাবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলেন। তিনি


আমার ঘরে আমার পাশেই ঘুমাতে লাগলেন। বাবা


মা সে বাড়ির সব জিনিসপত্র ভরিয়ে দিতেন


এবং টিভির পাশে ড্রয়ারে 5000 টাকা রেখে


যেতেন। এখন তো বাবা বাড়িতে খেতেও আসতেন


না। তিনি সেই মেয়ের বাড়ি থেকেই খেয়ে


আসতেন এবং কখনো কখনো বাড়িতেও আসতেন না।


ধীরে ধীরে এভাবে আরো তিন বছর কেটে গেল।


তখন আমি কলেজের পড়াশোনা শেষ করেছি এবং


একটি আইটি কোম্পানিতে কাজ শুরু করেছিলাম।


আর এখন আমি 24 বছর বয়সী হয়ে গিয়েছিলাম।


নিয়মিত ব্যায়াম ও ভালো খাদ্যভ্যাসের


কারণে আমার স্বাস্থ্য ভালো হয়ে গিয়েছিল।


এখন তো বাবা-মাসি দুই তিনবারই বাড়ি


আসতেন। আমার সঙ্গে খুব কম কথা বলতেন। যদিও


মা এখন সেই আঘাত থেকে উঠে এসেছিলেন কিন্তু


তার চেহারায় সবসময় একটা বিষাদ চেয়ে


থাকতো। আমি কখনো এমন দেখিনি। এটা দেখে


আমার খুব খারাপ লাগতো। যখন আমি চাকরিতে


যোগ দিই কোম্পানি আমাকে একটি ল্যাপটপ


দিয়েছিল। তাই আমি বাড়িতে ইন্টারনেট


সংযোগও করিয়ে নিয়েছিলাম। ছোটবেলা থেকেই


মায়ের সঙ্গে থাকার কারণে আমার বেশি বন্ধু


ছিল না। মাই ছিলেন আমার সবচেয়ে কাছের


বন্ধু। সন্ধ্যায় যখন আমি কাজ থেকে বাড়ি


ফিরতাম ফ্রেশ হয়ে চা খেতাম এবং পরে


বেডরুমে গিয়ে ল্যাপে ইন্টারনেট ব্যবহার


করতাম। এটা আমার সময় কাটানোর মাধ্যম হয়ে


উঠেছিল। সেই বয়সের কারণে আমি ইন্টারনেটে


বিভিন্ন ধরনের সিনেমা দেখতাম। কিন্তু আমার


সবচেয়ে বেশি পছন্দ হতে শুরু করেছিল মা


এবং ছেলের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে সিনেমা।


ধীরে ধীরে মায়ের দিকে তাকানোর আমার


দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন আসতে শুরু


করেছিল। একদিন সোমবার ছিল। রাত প্রায় নটা


বাজে। হঠাৎ বাবা বাড়ি এলেন। আমাদের বাড়ি


মায়ের নামে ছিল। বাবা মাকে বলতে লাগলেন


যে বাড়ি তার নামে করে দিতে। তখন মা


অস্বীকার করলে বাবা তাকে খুব বকাঝকা করতে


লাগলেন। মা চুপচাপ শুনতে থাকলেন। এমন সময়


বাবা মায়ের গালে এক চড় মারলেন। এ দেখে


আমার রক্ত গরম হয়ে উঠল। বাবা দ্বিতীয়


চড় মারতে যাচ্ছিলেন তখনই আমি তার হাত ধরে


ফেললাম এবং বললাম বাবা এখন যথেষ্ট হয়েছে


এই তামাশা অনেক হয়েছে এখন আর সহ্য করা


যায় না আজ থেকে এই বাড়িতে পা রাখলে এর


পরিণাম ভালো হবে না এরপর মা ও রেগে বাবাকে


খুব বকলেন। বাবার মায়ের জোরে বকুনিতে


হঠাৎ থেমে গেলেন এবং আমার শক্তিশালী শরীর


দেখে সেখান থেকে চলে গেলেন। পরে আমি দরজা


বন্ধ করে মায়ের কাছে গেলাম। মা আমাকে


চোখে অশ্রু নিয়ে দেখলেন এবং দৌড়ে এসে


আমাকে জড়িয়ে ধরে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে


লাগলেন। আমিও মায়ের কোমর শক্ত করে ধরে


তাকে আমার বাহুতে জড়িয়ে নিলাম। মা


হিক্কা নিচ্ছিলেন এবং বলছিলেন ঠিক আছে


বেটা এই মানুষের এই অসীম। আজকের পর যদি সে


এই বাড়িতে আর না আসে তাহলেই ভালো। মা


বললেন, এখন এই বাড়িতে তার আসার সাহস হবে


না। আর যদি আসেও আমি তাকে ছাড়বো না।


গিয়ে আমি বিষয়টি নিয়ে রেগে মাকে বললাম।


এরপর মা চিন্তিত হয়ে বললেন সন্দীপ বেটা


এই মানুষের সাথে জড়িও না যদি তোমার কিছু


হয়ে যায় আমি কার উপর ভরসা করব তখন আমি


আবেগে বললাম তুমি চিন্তা করো না মা সেই


সময় আমার কাছে চাকরি ছিল না তাই আমরা


বাধ্য ছিলাম কিন্তু এখন আমার কাছে ভালো


চাকরি আছে তুমি চিন্তা করো না আমি তোমাকে


কিছু হতে দেব না গিয়ে আমি মাকে আশ্বস্ত


করে বললাম একদিন দুপুরে আমি কাছ থেকে


বাড়ি ফিরলাম যেমনি আমি আমার চাবি দিয়ে


দরজা খুলে ভেতরে এলাম তখনই আমি একটি


অদ্ভুত শব্দ শুনলাম। আমি বেডরুমের দরজার


কাছে গিয়ে দেখলাম দরজা ভেতর থেকে বন্ধ


ছিল। আমি দরজার ছিদ্র দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে


দেখলাম যে মা ভেতরে কারো সাথে ছিলেন। যে


দৃশ্য আমি দেখলাম তাতে আমি হতবাক হয়ে


গেলাম। প্রায় 10 মিনিট ধরে আমি সেখানে


তাকিয়ে রইলাম। হঠাৎ মা অজ্ঞান হয়ে


মেঝেতে পড়ে গেলেন। বাড়ির বারান্দার দরজা


খুলে আমি বাইরে গেলাম। এরপর আমি জোরে


বললাম, মা আমি চলে এসেছি। তুমি কোথায়?


বলেই আমি হাতে ধরা ব্যাগ সোফায় রেখে


জুতোর ফিতে খুলতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর মা


বেডরুমের দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন। আমাকে


দেখে তার মুখে ঘাবড়ে যাওয়া এবং


আশ্চর্যের ভাব ছিল। আমি দ্রুত জুতো খুলে


বেডরুমে ঢুকে গেলাম। টেবিলে আমি কলার একটি


প্লেট দেখলাম। আমি একটি কলা নিয়ে খেতে


লাগলাম। মা আমার পিছে পিছে এলেন। আমি ঠিক


কলা খেতে যাচ্ছিলাম। মা কিছু বলতে


যাচ্ছিলেন কিন্তু আমি আগেই কলা মুখে পুড়ে


ফেললাম। মা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকানোর


সুযোগ পেলেন। আর আমি শান্তিতে কলা


খাচ্ছিলাম। কলাটা একটু কাঁচা ছিল। তাই


পুরোপুরি মিষ্টি নয়। মা কলা খুব ভালো। আর


কলা কি? আমি কলা খেতে খেতে মাকে জিজ্ঞাসা


করলাম। মা কিছু উত্তর দিলেন কিন্তু তার


মুখেই রইল। কিন্তু বন্ধুরা আমি আপনাদের


বলছি সেই কলাগুলোর স্বাদ এত ভালো ছিল যে


কিছু বলার নেই। কলা খাওয়ার পর আমি


বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এলাম এবং তারপর


ঘরে গিয়ে



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো