মায়ের দুধ চাপতে চাপতে বোদার ভিতরে কলা ঢুকিয়ে ১ ঘণ্টা চুদলাম



আমার মা রোজ রাতে সাজুগুজু করে জমিদারের


ঘরে যেত। আমি মাকে জিজ্ঞেস করলে মা বলতো


আমি জমিদারের স্ত্রীর পায়ে মালিশ করে


দেয়। কিন্তু জমিদার বাড়ির চাকরির কাছ


থেকে জানতে পারি জমিদারের স্ত্রী নেই।


অনেক আগেই জমিদারকে ছেড়ে চলে গেছে। আমার


মনে সন্দেহ সৃষ্টি হলো তাহলে মা কি


জমিদারের সাথে প্রতি রাতে না ভাবতেই পারছি


না। আমার বাবা গ্রামের জমিদার বাড়িতে কাজ


করতো। আমরা খুব গরীব ছিলাম। একদিন জমিদার


বাবু লোকেরা আমাদেরকে এসে তুলে নিয়ে গেল।


তারপর জানতে পারলাম যে বাবা ওদের স্বর্ণ


নিয়ে পালিয়ে গেছে। আর যতক্ষণ না সেই


স্বর্ণশোধ হচ্ছে আমাকে আমাকে ওদের বাড়িতে


কাজ করতে হবে। মা ওখানে কাজ পেয়ে খুব


খুশি হয়েছিল। মা রোজ রাতে কোথায় একটা


ঘরে চলে যেত। মাকে জিজ্ঞেস করলে মা বলতো


যে আমি জমিদার বাবুর স্ত্রী এর পা মালিশ


করে দিতে যাচ্ছি। একদিন রাতে আমি মায়ের


পিছন পিছন যাই। আর একটা নোংরা স্টোরে


গিয়ে পৌঁছায়। ভিতরে ঢুকতেই আমার মাথায়


আকাশ ভেঙে পড়ল। কারণ মাত্র স্টোর রুমের


ভিতরে জমিদারের সাথে। বন্ধুরা বাকিটা


গল্পতে বলছি। আমার নাম ইশিতা। আমার মা খুব


সুন্দর দেখতেছিল। কিন্তু মা বলতো যে ভগবান


যেন কাউকে এমন সুন্দর রূপ না দেন। এই


পৃথিবীটা বর্ড নিষ্ঠুর। এখানে সুন্দরী


মেয়েদের বিপদ অনেক বেশি। মায়ের এসব কথা


আমি কিছুই বুঝতে পারতাম না। মাঝে মাঝে মনে


হতো মায়ের এসব কথা বলার কারণ আমার বাবা


যে সবসময় আমার মাকে সন্দেহ করতো। বাবা


দেখতে ভালো ছিল না। বাবার গায়ের রং


কুচকুচে কালো ছিল। বাবা প্রায়ই আমাকে


বলতো আমাকে এত খারাপ দেখতে। আর তোমাকে


সুন্দর পরির মতো দেখতে। তুমি কি করে আমার


সাথে সুখে থাকবে? তুমি মনে মনে নিশ্চয়ই


অন্য কাউকে চাও। আমরা একটা ছোট গ্রামে


থাকতাম। সেই গ্রামের জমিদার এমন হুকুম ছিল


যে মনে হতো তারা এখানকার রাজা আর আমরা


তাদের চাকর বাবা জমিদার বাড়িতে কাজ করতো।


জমিদার খুব একটা ভালো কাজ ছিল না। শুধু


জমিদার বাবুর সাথে সাথে থাকতো কিন্তু


জমিদার বাবু বাবাকে চাকরির মত ধমক দিত মা


ও গ্রামে কাজ করতো। কিন্তু সারাদিন


পরিশ্রম করার পরও মা সুন্দর দেখতেছিল। আমি


ভাবতাম না যদি ঠিক করে নিজের যত্ন নেয়


তাহলে আরো কত সুন্দর হয়ে উঠতে পারবে।


মায়ের খুব কম বয়সে বিয়ে হয়েছিল।


মায়ের বয়স এখনো 25 বছর হয়নি। আর আমার


বয়স 12 বছর হয়ে গেছে। একদিন মা আর বাবার


মধ্যে খুব ঝগড়া হয়। বাবা মাকে জিজ্ঞেস


করে তুমি জমিদার বাড়িতে কেন গিয়েছিলেন?


মা বলে আমি ওখানে জিনিসপত্র দিতে


গিয়েছিলাম। এর জন্য আমাকে পয়সা দেওয়া


হয়েছে। বাবা সেশনটা ছুড়ে ফেলে দেয় আর


বলে তোমার ওখানে যাওয়ার কোন প্রয়োজন


নেই। এরকম শোনো আমি চাইনা আমি চাইনা অন্য


কোন পুরুষ মানুষের নজর তোমার উপর করুক।


আমি চাই না তুমি কাজের জন্য ছেলেদের


আশেপাশে ঘোরাঘুরি করো। মা আমাকে বলতো তোর


বাবার খুব খারাপ মানসিকতা তো বাবা খুশি


থাকা উচিত যে সে আমাকে স্ত্রী হিসেবে


পেয়েছে। সে কখনোই আমার যোগ্য হয়ে উঠতে


পারবে না। আমার মনে হয় যে মা বুঝতে পারে


না বাবা তাকে কতটা ভালোবাসে। বাবা মাকে


খুব ভালোবাসতো। তাই বাবা সবসময় চেষ্টা


করতো মাকে খারাপ ছেলেদের থেকে বাঁচিয়ে


রাখতে। বাবা কাউকে মায়ের দিকে তাকাতে দিত


না। আর মাকেও কারো দিকে তাকাতে দিত না। মা


বাবার এই ভালোবাসাটাকে সন্দেহ মনে করতো।


মা বাবাকে কোনদিন মন থেকে ভালোবাসতে


পারেনি। রাতে কোনদিন বাবা বাড়ি না ফিরলে


মা খুব খুশি হতো। মা বলতো ভালো হয়েছে আজ


তোর বাবা বাড়ি ফেরেনি। আজ রাতে কেউ আর


আমাকে বিরক্ত করবেন না। একদিন একটা বড


সমস্যা হয়। সেদিন অনেক রাত পর্যন্ত বাবা


বাড়ি ফেরে না। আমার খুব চিন্তা হতে থাকে।


আমি বারবার মাকে বলি যে বাবাকে আর ফিরছে


না। বাইরে খুব ঝড় বৃষ্টি হচ্ছিল মা বলে


তোর বাবা কোন ছোট বাচ্চা নয় যে হারিয়ে


যাবে হয়তো বৃষ্টির কারণে কোথাও আটকে


গেছে। কোথাও আশ্রয় নিয়েছে। বৃষ্টি


থামলেই তোর বাবার ফিরে আসবে। অনেক রাতে


আমাদের দরজায় এসে করা রে। আমার মনে হয়


বাবা এসেছে। আমি দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে


কিন্তু বাবা আসেনি। জমিদার বাবু লোকেরা


এসেছে তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে জোর করে


আমাদের দুজনকে তাদের সাথে নিয়ে যায়। মা


খুব চেঁচামেচি করে আমি বারবার তাদের


জিজ্ঞেস করি যে আমাদের কোথায় নিয়ে


যাচ্ছো? তখন গ্রামের লোকজন সেখানে জড়ো


হয়ে যায়। কিন্তু কারোর এত সাহস ছিল না


যে জমিদার বাবু লোকেদেরকে আটকাবে তারাও


আমার মত জিজ্ঞেস করে যে আমাদেরকে ওরা


কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? তখন ওই লোকগুলো বলে


এই মেয়েটার বাবা জমিদার বাবুর বাড়িতে


কাজ করতো। সে অনেক স্বপ্ন চুরি করে


পালিয়ে গেছে। এখন যতদিন না আমরা ওর


বাবাকে খুঁজে পাচ্ছি। আর আমাদের স্বর্ণ


ফেরত না পাচ্ছি। ততদিন ওরা আমাদের বাড়িতে


কাজ করবে। জমিদার বাবুর অনেক সময় চুরি


হয়ে গেছে। তাই উনি এদেরকে দিয়ে খাটিয়ে


সেই স্বর্ণ তুলতে চান। যখন সেই স্বর্ণ


ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে তখন আমরা ওদেরকে ফেরত


দিয়ে যাব। তারা আমাদেরকে জমিদার বাংলাতে


নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে একটা ছোট্ট ঘরে


আমাদের থাকতে দেয়। আর বলে এখন থেকে এটাই


আমাদের থাকার জায়গা। আর আজ থেকে আমাকে


ওদের বাড়িতে কাজ করতে হবে। আমরা গরীব


ছিলাম ঠিকই কিন্তু কখনো ভাবিনি যে কারোর


বাড়িতে চাকরির কাজ করব। জমিদার বাবু


সেখানে এসে মাকে আর আমাকে এক দুইবার দেখে


আর বলে তাহলে এরাই হচ্ছে ডাকাতের পরিবার।


আমি খুব কাছে থাকি। আমাদেরকে ওরা এভাবে


অপমান করছে। আমার মা কাজতে কাজতে বলে দেখ


তোর বাবা আমাদের কত বড় সমস্যা ফেলে দিয়ে


গেছেন। সেশন চুরি করে কোথায় গেল কে জানে


যদি স্বর্ণ চুরি করে পালাতে হতো তাহলে


আমাদের কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারতো


আমরা অন্তত এদের হাত থেকে বেঁচে যেতাম


কিন্তু তা না করে উনি নিজেই পালিয়ে


গেলেন। তো বাবা এতটা স্বার্থপর আমার জানা


ছিল না। আমি মাকে বলি এখন আমরা কি করব? মা


বলে কি আর করব? এরা খুব ভয়ঙ্কর লোক। আমরা


যদি এখান থেকে পালিয়ে যাই তাহলে ওরা লোক


দিয়ে ঠিক আমাদের খুঁজে বের করবে। আর


তারপর আমাদেরকে মেরেও ফেলতে পারে। তাই এরা


যা বলছে তা মেনে চলাই ভালো। তোর বাবার


পাপের প্রায়শ্চিত্ব তো আমাদেরকে করতেই


হবে। এখন আমাদের বাড়িতে কাজ করতে হবে।


পরের দিন সকালে আমি আর আমার মা বাংলো


যায়। আমরা বাড়ির ভেতরে ঢুকছিলাম। তখন


একটা মোটা মহিলা আমাদেরকে থামিয়ে দেয়।


মনে হচ্ছে এই বাড়ির ইনচার্জ এখানে সব


কাজের লোকদের দিয়ে। সে কাজ করায় মহিলা


মাকে বলে তোমার কাজ বাড়ির ভিতরে তুমি


রান্নাঘরে কাজ করবে। বাড়ির সবার জন্য


খাবার বানাবে। শুনেছি তুমি খুব ভালো


রান্না করতে পারো। আর আমাকে বলে তোমার কাজ


বাড়ির বাইরে তুমি ড্রইং রুম পরিষ্কার


করবে। তখন মা বলে দয়া করে ওকে কোন সহজ


কাজ দেবেন। বেশি কঠিন কাজও করতে পারবে না।


তখন সেই মহিলা আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে


দেয়। আর বলে যাবেও খান থেকে কাজের


লোকেদের এত বায়না আমার সঙ্গে হয় না আমি


মায়ের দিকে করুণ চোখে তাকায় মা বলে


চিন্তা করিস না এখন আমাদের খারাপ সময়


যাচ্ছে এটা খুব তাড়াতাড়ি কেটে যাবে


আমাদেরও সুখের দিন আসবে মা বাড়ির ভিতরে


কাজ করতো আর আমি বাড়ির বাইরে আমি সারাদিন


মাকে দেখতে পেতাম না শুধু রাতের বেলায়


আমার মায়ের সাথে দেখা হতো


কিন্তু রাতে আমি এতটাই ক্লান্ত হয়ে


থাকতাম যে আমি মায়ের সাথে কোন কথা না


বলেই ঘুমিয়ে পড়তাম একদিন আমি মাকে বলি


যে আমাকে এরা খুব কঠিন কাজ দেয় মা বলে


আমার কাজটা সহজ নয় এই বাড়িতে অনেক লোকজন


আর সারাদিন খাওয়া-দাওয়া চলতে থাকে


সারাদিন আমাকে সামনে বসে রান্না করতে হয়


আমার খুব কষ্ট হয় মাকে রান্নাঘরে কাজ


করতে হতো আর আমাকে বাইরে রোদে কাজ করতে


হতো আমার বাবার কথা খুব মনে পড়তো


আর বাবার উপর রাগও হতো। বাবা কি করে


আমাদেরকে ফেলে রেখে দিয়ে চলে গেল স্বর্ণ


নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে একবারও ভাবেন


না। যেটা ফ্যামিলির কি হবে বাবা তো খুব


ভালো মানুষ ছিল। সবসময় তার স্ত্রী আর


মেয়েকে আগলে রাখতো। আর আজ তারা হাজারটা


পুরুষ মানুষের সামনে চাকরির কাজ করছে।


আমরা খুব গরীব ছিলাম ঠিকই। কিন্তু কখনো


ভাবিনি যে কারোর বাড়িতে চাকরি নেই। হয়ে


কাজ করব। আমরা সম্মান নিয়ে বাঁচতাম।


নিজের পরিশ্রমের টাকায় ইনকাম করে চলতাম।


কারো দয়ায় বাঁচতাম না। মাকে দিয়ে ওরা


খুব খাটাত। কিন্তু মাকে দেখে মনে হতো যে


মা খুব সুখে আছে হয়তো মায়ের কাজ। আমার


মত ততটা কঠিন ছিল না। রান্নাঘরে এক


জায়গায় দাঁড়িয়ে রান্না করতে হতো। আর


আমাকে তো সারাদিন দৌড়ে বেড়াতে হতো। ভারী


ভারী জিনিস তুলে এখান থেকে ওখানে নিয়ে


যেতে হতো। কখনো ঝাড়ু লাগাতে হতো। কখনো


আবার রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে গাছে জল দিতে


হতো। দিনে দিনে আমার গায়ের রং খুব কালো


হয়ে যায়। আর হবে নাই বা কেন সারাদিন


রোদে ঘুরে বেড়াতে হয়। রোদে এক ঘন্টা


কাটালে মানুষের চামড়া কালো হয়ে যায়। আর


আমি তো সারাদিন রোদে কাটাতাম। রাতে আমার


খুব ঘুম পেতে। কিন্তু মা বলতো যে তার ঘুম


আসছে না। হয়তো মায়ের চিন্তায় ঘুম আসে


না। মা বলতো তুমি শুয়ে পড়ো। আমার ঘুম


আসছে না। রোজ রাতে আমি ঘুমিয়ে পড়ার পর


হয়তো বা এক কোনায় গিয়ে শুয়ে পড়তো।


কিন্তু একদিন রাতে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙে


যায়। আর আমি দেখি যে মা ঘরে নেই এত রাতে


মা কোথায় যেতে পারে। বাথরুমটা ঘরের


ভেতরেই আছে। তাহলে মা বাইরে কি করতে গেছে


এমনিতেই বাংলাতে থাকতে আমার খুব ভয় করতো।


আশেপাশে কত পুরুষ মানুষ ছিল তার মনে কি


আছে বোঝা মুশকিল। আর আমার মা তো খুব


সুন্দর দেখতে বাইরে মায়ের কোন বিপদ হলো


না তো আমার চিন্তা হতে থাকে আর আমি বসে


বসে মায়ের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি কিন্তু


মা ফেরত আসে না অপেক্ষা করতে করতে কখনো


আমার চোখ লেগে যায় আমি নিজেও জানিনা


তারপর যখন আমার ঘুম ভাঙ্গে তখন দেখি মা


কাজে বেরনোর জন্য তৈরি হচ্ছে আমি মাকে


জিজ্ঞেস করি তুমি সারারাত কোথায় ছিলে মা


বলে বর ভাবী আমাকে ডেকেছিল তার পায়ে


মালিশ করে দেওয়ার


জমিদার বাবুর স্ত্রী উনি খুব বদমাইশ মহিলা


সারারাত আমাকে দিয়ে পায়ে মালিশ করায়।


মায়ের কথা শুনে আমার চোখে জল চলে আসে। মা


জিজ্ঞেস করে তুই কাঁদছিস কেন? আমি বলি এরা


আমাদের সাথে যা ইচ্ছে তাই করছে। সারাদিন


গাঁধার মত পরিশ্রম করাচ্ছে। আর রাতে


জমিদারের স্ত্রী আমাদেরকে দিয়ে তার পায়ে


মালিশ করাচ্ছে। এইসব আর কতদিন চলবে বাবা


কোথায় চলে গেল? মা আমাদের বাবাকে খুঁজে


বের করতে হবে। তুমি সারাদিন বাড়ির ভেতরে


কাজ করো। কিন্তু আমি বাড়ির বাইরে থাকি।


আমি বাবাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করব। মা


বলে তুই তোর বাবাকে কোথায় খুঁজবি? তোর


বাবার কাছে তো কোন ফোন নেই। আর আমাদের


কাছে ফোন নেই। তাহলে তার সাথে কি করে


যোগাযোগ করবি? আমি বলি বাবার তো গ্রামের


দোকানদারদের নাম্বার মুখস্ত ছিল। আমারও


ওনার নাম্বারটা মুখস্ত আছে। বাবা ওনাকে


ফোন করতে পারে। আমি ওনার সাথে কথা বলবো।


অন্তত এইটুকু তো বলতে পারি যে বাবার ফোন


এলে আমাদের খবর দিতে। মা বলে কোন লাভ হবে


না। আজকাল কেউ কাউকে খবর দেয় না। কেউ


কারো খবর রাখে না। সবাই ব্যস্ত মানুষ যেমন


চলছে। এখানে আমরা ভালোই আছি। ভালো ভালো


খাবারও জুটে যায়। আর কাজ তো করতেই হবে।


কাজ না করলে এই পৃথিবীতে কিছুই পাওয়া


যায় না। আমি ভাবি না কি করে এমন একটা কথা


বলতে পারলো। মা কি দেখতে পাচ্ছে না যে


আমার অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে।


মা বলে আচ্ছা আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। আমি


বের হয়ে বলে মা ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।


একদিন আমি দেখি মা লিপস্টিক আর কাজে


লাগাচ্ছে। আমি মাকে জিজ্ঞেস করি তুমি


ওগুলো কোথা থেকে পেলে? বাবা তো এখানে নেই।


তাহলে তুমি কার জন্য এত সাজ মা বলে তুই এ


কেমন কথা বলছিস? আমি কারো জন্য শাস্তি যাব


কেন? মালিকের স্ত্রী আমাকে আমাকে বলেছেন


যে একটু সেজে গুজে আসতে আমি এত বড় বাড়ির


রাধুনি। এখানে রোজ বাইরে থেকে লোক আসে।


তারা জিজ্ঞেস করে যে কে খাবার বানিয়েছে


তারা মাঝেমধ্যে রাধুনিকে দেখতে চায়। তারা


যদি দেখে যে কোন একটা নোংরা কালো মহিলা


খাবার বানিয়েছে তাহলে তারা সেই খাবার


খাবে না। বল লোকেদের অনেক ব্যাপার আছে তুই


বুঝবি না। জমিদারের স্ত্রী আমাকে সাজার


জিনিসপত্র দিয়েছেন। আর বলছেন রোজ


সেজেগুজে কাজে যেতে। তুই জানিস জমিদারের


স্ত্রী আরো বলেছেন যে এবার থেকে আমাদেরকে


মাসে মাসে বেতন দেবে।


তিনি বলেছেন হতে পারে তোমার বর আমাদের


স্মরণ চুরি করে পালিয়েছে। আর সেই কারণেই


আমরা তোমাদের কাজে রেখেছি। কিন্তু তোমরা


সারাদিন খুব পরিশ্রম করো। আর তাই এবার


থেকে আমরা তোমাদের বাকি কাজের লোকদের মতন


নেই। মাসে মাসে টাকা দেব। তুই ভাবে এবার


থেকে আমরা আমাদের হাতে স্বর্গ পাবো। আমরা


নিজেদের ইচ্ছেমতো জিনিস কিনতে পারবো।


আমাদের মাথার উপর একটা ছাদ থাকবে। একটা


চাকরিও থাকবে আর হাতে স্বর্ণ থাকবে। এর


থেকে বেশি আর কি দরকার আমাদের? এমন


সৌভাগ্যকজনের হয়। আমি দেখে অবাক হয়ে যাই


যে মায়ের এসব ভালো লাগছে। আমার তো সেসব


দিনের কথা বারবার মনে পড়তো। আমরা নিজেদের


বাড়িতে কত আনন্দ ছিলাম। বাবার রোজগার করে


আনতো। আর আমরা নিজেদের ইচ্ছে মতন উঠতাম


বসতাম। কেউ আমাদের উপর হুকুম চালাতে না।


আর এখানে তো আমাদের সারাদিন কাজ করতে হয়।


নিজেদের ইচ্ছামত কিছুই করতে পারি না।


মায়ের এখানে কি করে ভালো লাগছে আমি


জানিনা। তারপর যতদিন যায় আমি মাকে দেখে


আরো অবাক হতে থাকি। মায়ের বাবার জন্য কোন


চিন্তাই ছিল না। মা এখানে খুব আনন্দে আছে।


কখনো সাজগোজ করছে, কখনো এটা সেটা খাচ্ছে,


কখনো নিজের মনে গান গাইছে। আবার কখনো রাতে


গায়েব হয়ে যাচ্ছে। আমি লক্ষ্য করি একদিন


পর পরই মা রাতে ঘরে থাকে না। মা কোথায়


যায় আমি জানিনা। আমার মনে হয় যে মা আমার


থেকে কিছু একটা লুকাচ্ছে। একদিন


আমি জানতে পারি যে মা আমাকে মিথ্যে কথা


বলছে। এই বাড়ির একটা কাজের মেয়ে আমাকে


বলে যে জমিদার বাবুর স্ত্রী এখানে থাকেন


না। তিনি অনেকদিন আগেই বাড়ি ছেড়ে চলে


গেছেন। জমিদার বাবুর চরিত্র ভালো নয়।


উনার অনেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল। এসব


জানতে পেরে ওনার স্ত্রীও তাকে ছেড়ে চলে


গেছেন। ওনার দুই ছেলেকেও তার সাথে নিয়ে


গেছেন। সে ভালো পরিবারের মেয়ে এসব সহযোগ


করবে কেন? জমিদার বাবু এখন এই বাড়িতে একা


থাকেন। আমরা কাজের মেয়েরা ছাড়া আর কোন


মহিলা থাকে না। আমি ভাবি যদি জমিদার বাবুর


স্ত্রী এখানে না থাকেন তাহলে মা রাতে কার


সেবা যত্ন করতে যায়। তার মানে মা এতদিন


আমাকে মিথ্যে কথা বলে এসেছে। আমি জানি


মানুষ মিথ্যে কথা তখনই বলে যখন সে কোন ভুল


কাজ করে। এখন আমাকে এটা জানতে হবে যে আমার


মা কি ভুল কাজ করছে। সারাদিন কাজ করে রাতে


আমি এত ক্লান্ত হয়ে থাকতাম যে আমি


ঘুমিয়ে পড়তাম আর মা কি করছে কিছুই দেখতে


পেতাম না। একদিন আমি ঠিক করি যে আমি


মায়ের পিছু নেব। এই বাড়ির দাদা খুব ভালো


ছিল। একদিন আমি তাকে গিয়ে বললাম যে আজকে


আমার শরীরটা ভালো নেই। আমি কাজ করতে পারবো


না। অরুণ দাদা বলে এইসব তোমার করার মত


কাজও নয়। তুমি যাও গিয়ে বিশ্রাম করো।


আমি বলে দেব যে তুমি তোমার কাজ করে


দিয়েছো। আমি সারাদিন বিশ্রাম করি যাতে


আমি রাতে জেগে থাকতে পারি। আর মায়ের পিছু


নিতে পারি। মা যখন ঘরে আসে তখন আমি আগে


থেকে শুয়ে পড়েছিলাম। আমি ঘুমানোর ভান


করি। মা এসে তৈরি হতে শুরু করে। আমি মাকে


দেখছিলাম কিন্তু মা ভাবে যে আমি ঘুমোচ্ছি।


মা যখন তৈরি হয়ে ঘর থেকে বের হয় তখন


আমিও আস্তে আস্তে উঠে মায়ের পিছন পিছন


যেতে থাকি। আমি এমনভাবে যাই যাতে মা বুঝতে


না পারে। আমি দেখি মা স্টোর রুমের দিকে


যাচ্ছে। যেখানে বাড়ির সব জিনিসপত্র রাখা


থাকে। আমি ভাবি মায়ের এত রাতে স্টোর রুমে


কি কাজ থাকতে পারে। আমি দেখি মা স্টোর


রুমের ভেতরে ঢুকে যায়। আমিও মায়ের পেছন


পেছন সেখানে ঢুকে একটা কাঠের পিছনে


লুকিয়ে পড়ি। আমি দেখি মা একটা বড় পর্দা


সরায় আর পর্দার পিছনে আমার বাবা বসে আছে।


এটা দেখে আমার আত্মা কেঁপে ওঠে। বাবাকে


দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। মা বলে


বলতো আমাকে কেমন দেখাচ্ছে। আমি যাচ্ছি


জমিদার বাবুর কাছে। সে আমাকে বিয়ে করে


নিয়েছে। আমি তার সাথে সুখে থাকবো। তুমি


আমাকে কোনদিন সুখ দিতে পারোনি। তুমি এখানে


বাধা থাক বাবা বলে তুমি একবার আমাকে খুলে


দাও। তারপর দেখো আমি তোমাকে আর জমিদার


বাবুকে দুজনকেই মেরে ফেলবো। তুমি কত বড়


বেইমান আমি তোমার জন্য কি না করেছি। তুমি


আমাকে গ্রামের লোকেদের কাছে চোর সাজিয়ে


আমার বদনাম করে দিয়েছে। জমিদার বাবু


লোকেরা আমাকে তুলে নিয়ে এসে এখানে বেঁধে


রেখেছে। আর এখন তোমাকে বিয়ে করে খুব


সুখেই আছে। আমি তোমাদের দুজনকেই প্রাণে


মেরে ফেলবে। মা বলে জমিদার বাবু চাইলে


তোমাকে এক মিনিটে শেষ করে দিতে পারতো।


কিন্তু আমি ওনাকে আটকেছি। আমি বলেছি


তোমাকে বন্দি করে রাখতে। কারণ তুমি যেমনি


হও আমার মেয়ের বাবা। বাবা আহত বাঘের মত


ছটফট করছিল। আমার তখনো বিশ্বাস হচ্ছিল না


যে বাবার সাথে সবকিছু মা করছে। তাকে বদনাম


করে এভাবে আটকে রেখেছে। আর নিজের জমিদারকে


বিয়ে করেছে। মা বলে তুমি কখনোই আমার


যোগ্য ছিলেন না। এখন তুমি এভাবে জীবন


কাটালে তোমাকে এই অবস্থায় দেখে আমার বেশ


ভালোই লাগে। মা ওখান থেকে চলে যায়। আমি


আমার চোখের জল মুছে বাবার কাছে যাই। বাবা


আমাকে দেখে অবাক হয়ে যায়। আমি কাজতে


কাজতে বাবাকে সব কথা বলি। আমি বাবার বাধন


খুলে দিই। আর বাবাকে বলি এরকম বেইমানি মা


আমার দরকার নেই বাবা। আমি তোমার সাথে


থাকতে চাই। বাবা তুমি মাকে তালাক দিয়ে


দাও। আমি তোমাকে ছাড়বো না। আমি মায়ের


সাথে থাকবো না। বাবা চোখের জল মুছতে মুছতে


বললে এটাই বোধহয় আমার কপালে ছিল। আমি


বাবার বাধন খুলে বাবাকে নিয়ে অন্য একটা


শহরে চলে যায়। আর বাবা মাকে তালাক দিয়ে


দেয়। আমি এখন বাবার সাথেই থাকি। প্রিয়


বন্ধুরা এরকম কালনাগিনী মাজেন কারো না


হয়। সমাজে এরকম কালনাগিনী মায়ের জন্য আজ


সৎসৎ ছেলেমেয়েদের জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।


প্রিয় বন্ধুরা গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই


কমেন্ট করে জানাবেন। আর নিয়মিত এমন আলাদা


স্বাদের গল্প শুনতে ভিডিওটিতে লাইক এবং


চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন।


আর হ্যাঁ নোটিফিকেশন বেলটি অল করে রাখবেন।


যাতে পরবর্তী গল্প সবার প্রথমে আপনাদের


কাছে পৌঁছে যায়। ধন্যবাদ বন্ধুরা।


ধন্যবাদ সবাইকে



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো