ভাইয়া আমার অনেক ব্যথা লাগে আসতে করো



সম্ভব না আব্বু তোমরা যা বলবে তা মেনে


নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না কেন সম্ভব না


কেন মানে তোমরা কোন আক্কেলে রাইসা আপুকে


বিয়ে করতে বলছো রাইসা আপু আমার দুই বছরের


সিনিয়র তো মাত্র দুই বছরই তো আর কোথাও কি


লিখা আছে যে বয়সে বড় মেয়ে বিয়ে করা


যাবে না কোথাও লিখা থাকুক বা না থাকুক


আমার সাফ কথা আমি এই বিয়ে করতে পারব না


শিহাব আমি আমার বোনকে কথা দিয়েছিলাম যে


তার মেয়েকে আমি আমার ঘরের বউ করে আনব


আমার বোনটা আজ বেঁচে নেই। আমি কিভাবে কথা


ভঙ্গ করি? তো তুমি কথা দিয়েছিলে কেন? তখন


তো আমাকে একবারও জিজ্ঞেস করোনি। তাছাড়া


তখন তো তুই পৃথিবীতেই ছিলি না। কারণ


রাইসার মা তোকে জন্ম দেয়ার পরেই মারা


যায়। আর মারা যাওয়ার আগে সে আমার কাছে


আবদার করেছিল তার ওই অনর্থ মেয়েটাকে যেন


আমি দেখে রাখি। আর যদি আমার কোন ছেলে


সন্তান হয় তাহলে যেন আমার ছেলের বউ করে


নেই। আল্লাহ তার কথা শুনেছিল। তাইতো এত


কষ্টের পর আল্লাহ তোকে দুনিয়াতে


পাঠিয়েছেন। মানে তুমি কি বলতে চাচ্ছ?


রাইসা আপুকে বিয়ে করার জন্য আমাকে আল্লাহ


দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আমি সেটা কখন


বললাম? এরকম অবুঝের মত কথা কেন বলছিস? দেখ


রাইসার বাবা অন্য আরেকটা বিয়ে করায়


রাইসার সৎময়ের কাছে বড় হয়েছে। কিন্তু


সৎমা তাকে একটুও আদর করে না। কত অত্যাচার


করেছে তার হিসাব নেই। আমি অনেকবার চেয়েছি


রাইসাকে একেবারে আমার কাছে আনতে। কিন্তু


ওর বাবা ওকে দেয়নি। আর একজনের মেয়ের উপর


তো আর আমার অধিকার নেই। নইলে জোর করেই আমি


আনতাম। মেয়েটাকে আমি আর কষ্টে রাখতে


পারবো না। এখন সময় হয়েছে তার সারা


জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার। তো নাও আমি কি


মানা করেছি নাকি? কিন্তু আমাকে কেন ফাসাতে


চাইছো? ফাসাচ্ছি মানে কি? আমি কি তোর


খারাপ চাই? আর তাছাড়া রাইসা কত ভালো একটা


মেয়ে। দেখতেও মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর।


দেখো আব্বু আমি এত কিছু শুনতে চাই না।


সোজা কথা। আমি রাইসা আপুকে বিয়ে করতে


পারবো না। তোকে করতেই হবে। নয়তো আমি তোকে


ত্যাজ্য করতে বাধ্য হব। আগামীকালই বিয়ে


হবে। তাই যতটুকু পারো প্রস্তুতি নাও। এতে


তোমার এবং আমাদেরই মঙ্গল। এই বলে আব্বু


উঠে চলে গেলেন। আমি শিহাব অনার্স সেকেন্ড


ইয়ারে পড়াশোনা করি। বর্তমানে বেকার। এই


বয়সে কি বা আর করব? পড়াশোনা আর


ঘোরাঘুড়ি এসব নিয়েই আমার দিন যায়।


রাইসা হচ্ছে আমার ফুপা বোন। ফুপুকে আমি


কখনো দেখিনি। কারণ রাইসা আপুকে জন্ম


দেয়ার দুইদিন পর নাকি তিনি মারা যান।


ছোটবেলা থেকেই রাইসা আপু এবং ফুপা এই


দুজনকে দেখেই বড় হয়েছি। কিন্তু আজকে


বাবা যেটা বললেন সেটা শুনে আমি তো পুরো


স্তব্ধ হয়ে গিয়েছি। সেই ছোটবেলা থেকেই


নাকি আমাদের বিয়ে ঠিক করা। অথচ আমি এর


কিছুই জানিনা। যেটা আমি কখনো কল্পনাও


করিনি আজ সেটাই বললেন আব্বু। হ্যাঁ। রাইসা


আপু যথেষ্ট ভালো এবং সুন্দরী। তার মাঝে


সমস্ত গুণই আছে। কিন্তু তারপরেও আমি এটা


কিভাবে মেনে নেই? সবকিছু কি এত সোজা? তাও


বিয়ে নামক জিনিস নিয়ে। অলরেডি সবাইকে


জানানো হয়ে গেছে আগামীকাল আমার এবং রাইসা


আপুর বিয়ে আচ্ছা রাইসা আপু কি রাজি এই


বিয়েতে নাকি আমার মত সেও জোরপূর্বক বিয়ে


করবে না এইটা একবার জানা উচিত আমি ফোন বের


করে রাইসা আপুর নাম্বারে কল দিলাম রিং


হতেই রিসিভ হলো কিন্তু রাইসা না অন্য কেউ


হ্যালো কে কে মানে এটা তো রাইসা আপুর


নাম্বার আপনি কে আমিও ফ্রেন্ড আদৃতা আপনি


কে আমি ওর মামাতো ভাই শিহাব ও দুলাভাই তা


কেমন আছেন? দুলাভাই মানে কিসব আবুল তাবল


বলছেন? আবল তাবল বলতে যাব কেন? রাইসাই তো


বলেছে আপনার কথা। আর আগামীকাল তো আপনাদের


বিয়ে। সেই সুবাদে আমরা এসেছি বিয়ে খেতে।


তা বউয়ের জন্য মন ছটফট করছে বুঝি? ফালতু


কথা বলবেন না একদম। রাইসা আপু কোথায়? ওর


কাছে ফোনটা দেন। বউকে কি কেউ আপু ডাকে?


দেখুন। আমি মোটেও ফাজলামুর মুডে নেই।


প্লিজ যেটা বলছি ওইটা করুন। রাইসা তো হাতে


মেহেদি দিচ্ছে। প্রচুর ব্যস্ত। কথা বলা


যাবে না। যা বলার একেবারে বাসর ঘরেই বইলেন


দুলাভাই আল্লাহ হাফেজ। এই বলেই মেয়েটা কল


কেটে দিল। তার মানে রাইসা আপু রাজি এই


বিয়েতে। নয়তো কি কেউ মেহেদী পড়ে?


কিন্তু রাইসা আপু কেন রাজি? তার কি একটু


খারাপ লাগছে না? জুনিয়র একটা ছেলে তাও


আবার আমাকে বিয়ে করতে। তখনই রুমে আব্বু


এসে বিয়ের জন্য সবকিছু জিনিস দিয়ে


গেলেন। আজকে সন্ধ্যা হলো অনুষ্ঠান। ছোটখাট


করেই আয়োজন করেছি। একমাত্র ছেলের বিয়ে


মন মানছে না। তাই যতটুকু সামর্থ্য আছে


ততটুকু বলার চেষ্টা করছি। ধীরে ধীরে অনেক


আত্মীয়স্বজনরা আসতে শুরু করল। সেই সাথে


আমার বন্ধুরাও কিন্তু আমি তো ওদেরকে


বলিনি। নিশ্চয়ই আব্বু বলেছেন,


সন্ধ্যাবেলা সবাই হলুদের অনুষ্ঠান নিয়ে


ব্যস্ত। আমাকে বাধ্য হয়ে স্টেজে আসতে হল।


নয়তো আবার চিল্লা শুরু হবে। সবাই আমাকে


হলুদ লাগিয়ে দিচ্ছে। আর আমি রোবটের মতো


বসে সেসব সহ্য করছি। কী করবো তাছাড়া আর


কিছুই করার নেই। পরের দিন বর সেজে গেলাম


রাইসা আপুদের বাসায়। বেশ ঘরোয়াভাবেই


আয়োজন করা হয়েছে। তবে অনেক ভালো এবং


সুন্দর। একটু পর কাজী সাহেব এসে বিয়ে


পড়িয়ে দিলেন। একদম ইট ছাড়া কুরবানী


যাকে বলে সেটাই হয়েছে আমার সাথে। তারপর


চলল খাওয়া-দাওয়া। আমার ভেতর দিয়ে কোন


খাবারই আর যাচ্ছে না। রাগে গা জ্বলছে। আর


এই রাগটা সম্পূর্ণ বাবা এবং রাইসা আপুর


উপর। একটু পর বউকে নিয়ে আসা হলো আমার


পাশে। ঘুমটার জন্য মুখ ভালো করে দেখা


যাচ্ছে না। আমিও দেখার চেষ্টা করলাম না।


সব ফরমালিটি শেষে বউ নিয়ে বাসায় আসা


হলো। আমি কোনমতে শেরোয়ানিটা খুলে বাসা


থেকে বের হয়ে পড়লাম। তারপর বন্ধুদের


সঙ্গে এখানে ওখানে ঘুরাঘুরি করতে লাগলাম।


বাসায় যাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই।


রাত প্রায় 11:00 টা। এ পর্যন্ত প্রায়


অনেকবার কল এসেছে বাসা থেকে। কিন্তু আমি


রিসিভ করলাম না। রাত 11:00 টা বাজতেই


অচেনা নাম্বার থেকে কল আসলো। প্রথমে রিসিভ


করলাম না পরপর তিনবার আসতেই রিসিভ করলাম


হ্যালো কই তুমি কে আপনি আমি রাইসা রাত 11


টা বাজে কোথায় তুমি বাহিরে বাসায় আসো


কেন কেন মানে কি সারারাত কি বাহিরে থাকবেই


নাকি হ্যাঁ বাসায় যাওয়ার বিন্দুমাত্র


ইচ্ছে নেই আমার থাকুক সবাই দেখো শিহাদ


বুঝতে পারছি তুমি রেগে আছো প্লিজ বাসায়


আসো বাড়ি ভর্তি লোকজন সবাই উল্টাপাল্টা


বলাবলি করছে


করুক গে তাতে আমার কি তোমার কিছু না হলেও


আমার অনেক কিছু শিহাব আমি আর এসব নিতে


পারছি না প্লিজ বাসায় আসো আমি কিছুক্ষণ


চুপ থেকে বললাম ঠিক আছে আসছি তারপর


বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার


উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম রুমে এসে দরজা


লাগিয়ে আমি ওয়াশরুমে চলে গেলাম ফ্রেশ


হতে ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখি রাইসা আপু


বিছানায় বসে আছে আমাকে দেখে সে বলল


কোথায় ছিলে এতক্ষণ ছিলাম কোথাও এভাবে


নতুন বউরে রেখে দেখো আমি এসব বিয়ে বউ


কিছুই মানি না কারণ আমাকে জোর করে এই


বিয়ে করানো হয়েছে শুধুমাত্র ত্যা হবার


ভয়ে আমি এই বিয়ে করতে রাজি হয়েছি


তাছাড়া আর কিছুই না তাই দয়া করে আমার


উপর অধিকার দেখাতে আসবে না কিংবা আমার


কাছেও তেমন কিছু আশা করবে না রাইসা একটু


থেমে বলল হয়েছে তোমার বলা এবার তাহলে


ঘুমাও আর আমাকেও ঘুমাতে দাও এমনিতেই


সারাদিন অনেক ধকল গিয়েছে খুবই টায়ার্ড


লাগছে আমি এপাশে ঘুমালাম তুমি ওপাশে ঘুমাও


আমি ভ্রু কুচকে তাকালাম এত কিছু বলার পরেও


সে এত শান্তভাবে কিভাবে বসে আছে? আমি তো


ভেবেছিলাম, হয়তো এসব বললে সে রেগে কথা


বলবে, তারপর হবে সেই লেভেলের ঝগড়া হবে


কিন্তু সেসব কিছুই হচ্ছে না। আমি এবার জোর


গলায় বললাম, মানে কি? তুমি বিছানায়


ঘুমাবে? বিছানায় ঘুমাবো না তো কিসে


ঘুমাবো? আমি জানিনা। কিন্তু একই বিছানায়


দুজন ঘুমানো অসম্ভব। সেটা তোমার বিষয়।


কিভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করবে? আর তাছাড়া


আমাদের বিয়ে হয়েছে সো সেই হিসেবে একসাথে


ঘুমানোটা নিষিদ্ধ নয়। দেখো সবকিছু মেনে


নিলেও এটা আমি মানতে পারবো না। সবকিছু


মানে তুমি তো কিছুই মানোনি। না এই বিয়ে


না আমাকে তাহলে সবকিছু কেন বলছ? আমি


বিছানায় ঘুমাবো। ব্যাস এখন তুমি কোথায়


ঘুমাবে দেখো। নিচে জায়গা আছে পারলে


সেখানে ঘুমাও। আমার কোন সমস্যা নেই। এই


বলে রাইসা বালিশ নিয়ে একপাশ হয়ে শুয়ে


পড়ল। রুমে কোন সোফাও নেই যে শোবো। নিচে


শুলে পিঠ ব্যথা করে তাই নিচে ঘুমানো


অসম্ভব। এই মেয়ে তো দেখছি অনেক শয়তান।


আমার রুমে এসে নিজে অধিকার খাটাচ্ছে।


অবশ্য খাটাবে নাই বা কেন? বিয়ে করে


এনেছি। এখন তো উনার পাওয়ার খাটবেই। সব


হয়েছে এই আমার হিটলার বাবার জন্য। নিজের


বোনের মেয়েকে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে


এখন নিশ্চিন্ত নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আর


এদিকে আমার ঘুমের বোটা বেজে গেছে। বাধ্য


হয়ে একপাশে শুয়ে পড়লাম। কি আর করার?


সবে তো শুরু না জানি আরো কত কি সহ্য করতে


হবে। সকালবেলা ঘুম ভাঙলো কারো গলার


আওয়াজে। চোখ খুলে দেখি রাইসা হাতে চা


নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তাড়াতাড়ি উঠে ফ্রেশ


হয়ে নাও চা ঠান্ডা হয়ে যাবে আমি একটু


বিরক্তি নিয়ে বললাম এত সকাল সকাল কেন


ডাকছো আর আমি কি বলেছি আমার জন্য চা আনতে


সকাল সকাল না 9টা বাজে আর তোমার বলা লাগবে


কেন এটা আমার দায়িত্ব তোমাকে না বলেছি


এসব না দেখাতে সেসব কথা পরে হবে আগে উঠে


ফ্রেশ হও নিচে সবাই অপেক্ষা করছে আমি


বিরক্তি নিয়ে উঠলাম আসলেই অনেক দেরি হয়ে


গিয়েছে তারপর ফ্রেশ হয়ে রুমে এসে চা খেতে


লাগলাম। লাইসা জিজ্ঞেস করল, চা কেমন


হয়েছে? ভালো। তারপর আর কোন কথা হলো না


আমাদের মাঝে। নিচে এসে হালকা নাস্তা করে


বের হলাম বাহিরে। তারপর কিছুক্ষণ


হাঁটাহাটি করে বাসায় ফিরলাম। বাসায় ঢুকতেই


মেজো চাচির কথা কানে আসলো। উনি রাইসাকে


উদ্দেশ্য করে অনেক কটু কথা শোনাচ্ছেন।


চাচি বলল, এই বাড়ির একমাত্র ছেলে। অথচ


বিয়ে করেছে এমন কাউকে যার কেউ নেই। সৎ


মায়ের ঘরে আর কি বা আশা করা যায়। ছেলেটা


তো শ্বশুরবাড়িতে গেলে কোন আদর-যত্নই পাবে


না। আর সুযোগই তাই। বউ তো সাথে করে একটা


কানাকড়িও আনলো না। কি দেখে যে ভাইজান


ছেলেকে এমন জায়গায় বিয়ে করালেন কে


জানে। কথাগুলো শুনে আমার ভীষণ রাগ হলো।


রাইসার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে মাথা নিচু


করে আছে। চোখ বেয়ে তার টপটপ করে পানি


পড়ছে। আমি এগিয়ে গিয়ে জোর গলায় বললাম।


কেউ রাইসাকে নিয়ে আর একটা বাজে কথা বললে


আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না। ভুলে


যাবেন না। সে এই বাড়ির বউ মানে এই বাড়ির


একজন সদস্য। তাই বাহিরের কোন লোক এসে কথা


বলে চলে যাবে সেটা কখনোই হবে না। আর আমি


রাইসাকে বিয়ে করেছি। তাকে কিনে আনিনি, যে


তাকে সাথে করে কিছু আনতে হবে। আমার যা আছে


তা দিয়ে আজীবন চলতে পারবে। আপনাদের মত


ভিক্ষা আনার কোন ইচ্ছে নেই। যৌতুক এটা এক


ধরনের ভিক্ষা ছাড়া আর কিছুই না। আর কোন


সাহসে আপনারা আমার বউকে এভাবে কথা


শোনাচ্ছেন। আজকে বলছেন তো বলছেন আর কোনদিন


বললে এর ফল খুব খারাপ হবে। আমার এই কথাতে


অনেকের গায়ে যেন মরিচের মত লাগলো। সবাই


কানাঘোষা করতে লাগলো। আমি সেদিকে


ভুরুক্ষেপ না করে রাইসার হাত ধরে রুমে


গেলাম। তারপর ওকে উদ্দেশ্য করে বলতে


লাগলাম। সবাই যখন এতগুলো কথা বলছিল, তখন


চুপ করে কেন ছিলে? এমনিতে তো বকবক করতে


পারো। তাহলে তখন কেন চুপ ছিলে? রাইসা কিছু


না বলে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তার এই


চাহিনিতে আমার বুকের ভেতর তোলপার শুরু


হলো। এতক্ষণে এখন তার দিকে ভালো করে


খেয়াল করলাম। তার চোখে অসম্ভব এক মায়া


আছে। যেটা আমি এখন বুঝতে পারছি। রাইসাব


চোখ মুছে বলল, কি বলতাম? ওরা তো ঠিকই


বলেছে। আজ মা বেঁচে থাকলে আর এত কিছু


শুনতে হতো না। জন্মের পর থেকেই কপাল পোড়া।


কিছু মানুষ কটু কথা বলে মনটা



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো