এ বছরের সেরা গ্রুপ চুদাচুডি পানি বেরিয়ে যাবে হেডফোন দিয়ে শুনুন

 



বন্ধুরা আজকে একটা নতুন গল্প নিয়ে আসলাম


তোমাদের মাঝে। এটা সত্য এবং বাস্তব জীবনের


ঘটনা। শেষ পর্যন্ত শোনার অনুরোধ রইল।


শুনলে তোমার মধু চলে আসবে। দেরি না করে


চলো শুরু করা যাক। ভাবি আমাকে বলল, আনিস


ভাই তোমার ভাই তো কিছু পারে না। আমি অনেক


অভাবে আছি। আমার মনে হয় তোমার ভাইয়ের


কোন কিছু নেই। আনিস ভাই আমি অনেক পিপাসিত।


আমি অনেক ক্ষুধার্থ। আমাকে কি তুমি একটু


শান্তি করতে পারবে এই বৃষ্টি ভেজা নির্জন


রাতে এখানে কেউ নাই আনিস ভাই তুমি চাইলে


আমাকে কিন্তু খুশি করতে পারো আমি তোমার


কাছ থেকে একটু সুখ পাওয়ার জন্য ব্যাকুল


হয়ে আছি ভাবী মুখ থেকে এরকম ধনীর কথা


শুনে আমার ভিতরে থাকা শয়তানটা জেগে উঠতে


শুরু করল কিছুক্ষণ পর আমার ভিতরে থাকা


শয়তানটা আমার অবলা ভাবীর সাথে যা করল তা


শুনলে বন্ধুরা তোমাদের মাথা ঘুরে যাবে


বন্ধুরা গল্প গল্পটি অনেক অনেক


ইন্টারেস্টিং। আশা করি তোমরা পুরো গল্পটা


শুনবে। তাহলে তোমরা অনেক মজা পাবে।


বন্ধুরা তোমাদের আমার ছোট্ট একটি অনুরোধ।


তোমরা দয়া করে আমার চ্যানেলটি


সাবস্ক্রাইব করে। আমাকে সাপোর্ট করবে।


হ্যালো বন্ধুরা। আমার নাম আনিশুর রহমান


আনিস ছদ্দনাম। আমার বয়স 25। আজকে আপনাদের


সাথে যে ঘটনাটা বলবো সেটা আমার সাথে


কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা


যার সাথে ঘটনাটি ঘটেছে তার নাম শাহানা


বয়স আনুমানিক 27 কি 28 হবে সে দেখতে অনেক


সুন্দরী সুশ্রী 27 কি 28 বছর বয়স হলে কি


হবে তার চেহারাটা দেখতে এখনো অনেক কিউট সে


ছিল পরমা সুন্দরী তাকে যখন দেখতাম তখনই


আমার মনের ভিতরে কেমন জানি শুরু হতো তাকে


কে পাওয়ার আশায় আমার মন সবসময় ব্যাকুল


হয়ে থাকতো। কিন্তু ভয়ে তাকে কিছু বলতে


পারতাম না। কারণ সে নিজেই ছিল


বাড়িওয়ালী। কোন সমস্যা হলে তো আমাকে


বাড়ি থেকে বের করে দেবে। তার জামাই ছিল


বাঘ প্রতিবন্ধী অর্থাৎ বোবা। তার


জামাইয়ের চেহারাটা ছিল চিকেন। একবারে


লিকলিকে গাছের মত। অর্থাৎ শাহানা ভাবী


স্বামী হিসেবে যতটুকু প্রত্যাশা করেছিলেন


যতটুকু স্বপ্ন দেখেছিলেন তার স্বামী তার


ধারে কাছে নেই তার মনে অনেক কষ্ট কিন্তু


সেই কষ্ট কাউকে কোনদিন প্রকাশ করতে পারে


নাই শাহানা ভাবী শাহানা ভাবী না পারত তার


সাথে মনের কষ্ট প্রকাশ করতে না পারতো মন


খুলে কোন কিছু বলতে কারণ বোবা মানুষেরা


সাধারণত কানে কম শোনে শাহানা ভাবীর কোন


কিছুর অভাব নাই


অভাব শুধু একটু ভালোবাসার কারণ শাহান ভাবী


যাকে বিয়ে করেছে সে ছিল একজন বাঘ


প্রতিবন্ধী আর বিশেষ কিছু মুহূর্ত আছে


সেখানেও সে ছিল একেবারে অমত শাহনা ভাবী


হয়তো পারিবারিক অবস্থা খুব একটা ভাল ছিল


না যে কারণেই টাকার লোভে পড়ে এমন একটা


বাঘ প্রতিবন্ধী মানে বোকা ছেলের কাছে তার


বাবা মা তাকে বিয়ে দিয়েছে তার স্বামী না


বস্তুত তার মনে ভাষা না বুঝতে তার মনের


মনের দুঃখ। শাহানা ভাবী মানসিকভাবে খুব


পেশাতেই ছিলেন। আমি ছিলাম তখন তাদের বাসার


ভাড়াটিয়া। শাহানা ভাবী এবং তার হাজবেন্ড


ছিল এই বাসার মালিক। যখন থেকে এই ভাষাতেই


আমি ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠলাম। তখন থেকেই


শাহানা ভাবীর প্রতি। আমার একটা অন্যরকম


ইমেজ কাজ করতো। একদিন দুইদিন করে এভাবে এক


মাস কেটেই বাসায়। আস্তে আস্তে শাহানা


ভাবীর সাথে একটা ভালো সম্পর্ক হয়ে যায়।


সবসময় হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করি।


মাঝেমধ্যে শাহানা ভাবের জন্য অনেক সুন্দর


সুন্দর গিফট এনে। তাকে উপহার দেওয়ার


চেষ্টা করতাম। তাতে শাহানা ভাবে অনেক খুশি


হতো। আমার কাজ ছিল যে করেই হোক শাহানা


ভাবীর মন পাওয়া। এবং তার সাথে একটু আনন্দ


বিনোদন করা আস্তে আস্তে শাহানা বিবির


পরিবারের সঙ্গে। খুব ভালো করে মিশতে শুরু


করলাম এভাবে আরো তিন মাস কেটে গেল। তারপর


একদিন শুক্রবার ছিল। নামাজ পড়তে যাব।


তাড়াতাড়ি করে গোসল করে ছাদে গেলাম জামা


কাপড় শুকাইতে। আর তখনই দেখি শাহানা ভাবী


ভেজা জামা কাপড় শুকানোর জন্য ছাদে গেল।


শাহানা ভাবী যেমাত্র গোসল করে আসছে।


সেইজন্য তাকে অনেক চমৎকার দেখাচ্ছে। তার


আগে কোনদিনও আমি তাকে ওইভাবেই চোখে


দেখিনি। তখন আমি মনে মনে একটু বেশি


এক্সাইটেড হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর শাহানা


ভাবীর সাথে কিছুক্ষণ কথা বললাম। শাহানা


ভাবী কি মিষ্টি আমার সাথে কথা বলে কথা


শুনলে আমার মনটা জুড়িয়ে যেত কিছুক্ষণ পর


আমি ছাদ থেকে নেমে বাসায় চলে আসলাম ছাদের


মধ্যে শাহানা ভাবীকে যে সুন্দর দেখাচ্ছিল


চোখের মধ্যে শুধু সেটাই ভাসছিল শুয়ে


শুয়ে কল্পনাতে শাহানা ভাবীকে স্বপ্ন


দেখছিলাম আর মনে মনে ভাবলাম শুধু কল্পনা


দেখলে হবে না শাহানা ভাবীকে তো আমার অনেক


পছন্দ কিভাবে আমি তার সাথে একটু মজা করতে


পারি মনের মধ্যে শুধু একটাই চিন্তা কিভাবে


শাহানা ভাবীকে আমি আপন করে কাছে পেতে পারি


এভাবে ভাবতে ভাবতে ঘুম চলে আসলো আর এদিকে


আমি সুযোগ খুঁজতে থাকি একদিন রাতের বেলা


বাসায় ফিরলাম আর কি যেন মনে করে শাহানা


ভাবী রুমের দিকে গেলাম আর শাহানা ভাবী


রুমের দিকে একটু এগোতেই শুনতে পেলাম রুমের


ভিতর থেকে কেমন যেন একটা অদ্ভুত অদ্ভুত


শব্দ বাতাসে ভেসে আসছে তারপর একটু কান কান


পেতে শোনার চেষ্টা করলাম। ভিতরে কি হচ্ছে?


কান পেতে শাহানা ভাবের কথা শুনতে পেলাম।


তখন শাহানা ভাবী তার স্বামীকে বলছে, তুই


পারবি না তে আমাকে বিয়ে করেছিলে কেন? কেন


আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট করলি? তোর কোন


কিছু নাই। তাহলে তুই রাস্তায় আগলে কেন


কেন বিয়ে করে আমার জীবনটাকে তুই তেজপাতা


বানিয়ে দিয়েছিস? এইভাবে শাহানা ভাবে


বলতে তার জামাইকে কথাগুলো শুনে আমার। তখন


খুব খারাপ খারাপ লাগছিল।


কারণ শাহানা ভাবী তার স্বামীর কাছ থেকে


কোন কিছুই পায়নি একমাত্র হতাশা আর গ্লানি


ছাড়া। তারপর মনে মনে ভাবলাম শাহানা


ভাবীকে তো দেখছি। ভালোই ক্ষুধার্থ তো তার


তো অনেক কিছুর অভাব। তাহলে তো একটা সুযোগ


নেওয়াই যায়। মনে মনে ভাবলাম সময় এবং


সুযোগ বুঝে শাহানা ভাবীকে ঢিল মারতে


পারলেই কাজ হয়ে যাবে। বিষয়টা ভাবতে


ভাবতে আস্তে আস্তে রুমে চলে গেলাম। আমি


অনেক ক্লান্ত ছিলাম। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে


গেলাম। পরে আমি সুযোগ খুঁজতে থাকি। তারপর


আরেকদিন ছাদে পাইলাম শাহানা ভাবীকে। পরে


তাকে চোখের ইশারায় অনেক কিছু বোঝাতে


চাইলাম। সে বুঝতে পেরেছে কিনা তা জানিনা।


তারপর আস্তে আস্তে শাহানা ভাবীর কাছে


গিয়ে বললাম, ভাবী কেমন আছেন? তারপর ভাবী


বলল, জি আনিস ভাই। আমি অনেক ভালো আছি।


আপনি কেমন আছেন? আমি বললাম ভাবি জিডি


আলহামদুলিল্লাহ।


আমি অনেক ভালো আছি। পরে আমি ভাবীকে


জিজ্ঞেস করলাম। ভাবী আপনাকে দেখে খুব


হাস্যোজ্জল মনে হয়। কিন্তু আপনার ভিতরে


কেন জানি আমার মনে হচ্ছে। আপনি অনেক কষ্টে


আছেন। কিন্তু কাউকে বুঝতে দেন না। আমার


কথা শুনে ভাবী বলল, আরে আনিস ভাই আপনি কি


বলছেন এসব? আমি খুব ভালো আছি। খুব সুখে


আছি। আমি বললাম না না ভাবি। আমি কিন্তু


জানি আজকে রাতে তুমি ভাইয়ের সাথে কি করছো


আমি কিন্তু সব শুনেছি তুমি কিন্তু ভাইয়ের


সাথে মোটেও সুখে নাই ইচ্ছে করলে ভাবী তুমি


কিন্তু সুখে থাকতে পারো তোমার জন্য আমার


সকল দরজা খোলা আমার কথা শুনে ভাবী একটা


মুচকি হাসি দিলেন। তারপর আমি ভাবী হাসি


দেখে বললাম ভাবী হাসিটা খুব সুন্দর। আর


ভাবীও একটু খোঁচা দিয়ে বলল কি ব্যাপার


আমাকে কি পড়ানো হচ্ছে নাকি? হ্যাঁ। আমি


বললাম আপনাকে আসলেই সুন্দর লাগে। শাহানা


ভাবে বলল, আসলে আমি সুন্দর। এতদিন তো বলো


নাই। আমি বললাম এতদিন সাহস পাই না। এই


ভাবী শাহানা ভাবে বলল, ও আচ্ছা একথা। আমি


বললাম, আপনার অনেক কিছুই ভালো লাগে। আমার


ভাবি। শাহানা ভাবে বলল তাই। বলতো দেখি কি


কি ভালো লাগে। আমি বললাম। কিছু মনে করবেন


না তো। তাহলে বলব। শাহানা বলল, আরে হয় না।


বলো শুনতে ভালোই লাগছে। আমি বললাম বলবো


আরেকদিন। শাহানা ভাবে বলল, ওকে আশায়


থাকলাম। পরে আমি বাসায় চলে আসলাম। আর


সুযোগ খুঁজতে থাকলাম। কিভাবে কোথায় শাহানা


ভাবীকে বসে আনা যায়। এইসব ভাবতে ভাবতে।


পরের দিন ভাবীকে একা পেলাম বাসার সামনে।


পরে ইশারা দিলাম। খুব সুন্দর লাগছে।


তারপরেও আমার মাথা থেকে তো ভূত সরছে না।


আর ভাবী কেউ ভাগে পারছি না। এভাবে কেটে


গেল আরো একদিন। পরে একদিন তাদের বাসায়


অনেক মেহমান আসলো। আমারও দাওয়াত দিল। পরে


দুপুরের সময়মত খাইতে গেলাম। গিয়ে দেখি


বাসায় অনেক মানুষ পরে দাঁড়িয়ে রইলাম।


আর শাহানা ভাবী আমাকে দাঁড়িয়ে রয়েছি।


দেখতে পেয়ে বলল, আরে আনিস ভাই এইদিকে


এসো। বাড়িতে অনেক মেহমান তাদেরকে


খাওয়া-দাওয়া করাতে একটু হেল্প করো। আমি


বললাম আসছি ভাবি। বলেই আমি ভিতরে গেলাম।


আর দেখলাম ভাবী খাবার বার্তা আছে। হঠাৎ


আমার চোখ গেল ভাবের দিকে। আর চোখ ছড়াতে


পারছি না। কোন মতেই না। আমার চাহনি দেখে


ভাবী একটা মুচকি হাসি দিল। এইভাবে আমি


এদিন খাবার দাবার করে। মেহমানদেরকে বিদায়


দিয়ে চলে গেলাম। বাসায় পরের দিন ভাবী


আমাকে ডাকল। আর তখন আমি লক্ষ্য করলাম


ভাবীর চোখের আগুনের মত হয়ে আছে। কাছে


যেতেই বলল আনিস ভাই কেমন আছেন? আমি বললাম


ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন? শাহানা ভাবে


বলল, আমিও ভালো আছি। তারপর বল আর কি খবর


তোমার? আমি বললাম এইতো আছি বেশ। ভালোই।


শাহানা ভাবে বলল, তোমাকে একটা কথা বলি।


রাখবা আমি বললাম। ভাবী বলেন, কি বলতে চান?


শাহানা ভাবে বলল আমার না কথা বলার মতো কেউ


নাই আর আপনি তো জানেনই আমার স্বামী কথা


বলতে পারে না মানে বাঘ প্রতিবন্ধী তুমি


আমার বন্ধু হবে আমি তো মনে মনে ভীষণ খুশি


হইলাম খুশি হয়ে আমি বললাম হে হতে পারে


কোন সমস্যা নাই তারপর থেকে আমি শাহানা


ভাবীর বন্ধু হয়ে গেলাম প্রতিদিন তার সাথে


আমার অনেক কথা হতো আস্তে আস্তে আমরা এভাবে


এগোতে এগোতে


বন্ধুর চাইতেও আরো বেশি হয়ে গেলাম। একদিন


শাহানা ভাবী আমাকে বলল, আনিস ভাই, আমার তো


অনেক কিছুর অভাব আপনার ভাই। বাঘ


প্রতিবন্ধী। সে তো কিছুই পারে না। আপনি


যদি আমাকে একটু খুশি করতেন। তাহলে আমার


কাছে অনেক ভালো লাগতো। আমি বললাম, ভাবি


আপনি কি বলতে চাচ্ছেন? একটু ক্লিয়ার করে


বলেন তারপর ভাবি আমাকে বলল ভাই আজকে


রাত্রে আমাদের বাসায় আছেন। তাহলে সব বুঝতে


পারবেন। আমি তো মনে মনে মহাখুশি কারণ। এত


দেখছি মেঘনা চাইতেই জল। ভাবি আমাকে বলল


আনিস ভাই তোমার ভাই তো কিছু পারে না। আমি


অনেক অভাবে আছি। আমার মনে হয় তোমার ভাইয়ের


কোন কিছু নেই। আনিস ভাই আমি অনেক পিপাসিত।


আমি অনেক ক্ষুধার্থ আমাকে কি তুমি একটু


শান্তি করতে পারবে এই বৃষ্টি ভেজা নির্জন


রাতে এখানে কেউ নেই আনিস ভাই তুমি চাইলেই


আমাকে কিন্তু খুশি করতে পারো আমি তোমার


কাছ থেকে একটু সুখ পাওয়ার জন্য ব্যাকুল


হয়ে আছি ভাবী মুখ থেকে এরকম ধরনের কথা


শুনে আমার ভিতরে থাকা শয়তানটা জেগে উঠতে


শুরু করল ওমা হঠাৎ করে দেখি ভাবিনি যে


আমার সাথে কেমন জানি আচরণ করতে শুরু করল


আমি তো ভাবী আচরণ থেকে পড়ে অবাকভাবে এরকম


আচরণ দেখে আমার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে


যেতে লাগলো। তারপর বন্ধুরা ভাবী আমাকে শেষ


পর্যন্ত এমন অবস্থা করেছিল যা আমার


পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে


গিয়েছিল। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারপর ভাবী


আর আমি হারিয়ে গেলাম অন্য এক দুনিয়ায়।


যেখানে শুধু সুখ আর সুখ পৃথিবীতে যদি


সুখের রাজ্য থাকে আমার মনে হয় তাহলে


সেটাই যেখান থেকে ফেরত আসতে মন চায় না।


তারপরেও প্রকৃতির নিয়মে কিছুক্ষণ চলার


পরেই সেই সুখ আর চিরন্তন হয় না। সেটা


নষ্ট হয়ে যায়। আবার মানুষ স্বাভাবিক


অবস্থায় চলে আসে। সেই সুখটা সবসময় থাকে


না। একটা পর্যায়ে এসে নষ্ট হয়ে যায়।


আমার অবস্থা তাই হয়েছিল। ভাবী অনেক খুশি


হয়েছিল। আমার সেই মহাজগে বন্ধুরা। তারপর


থেকেই তিন থেকে চার মাস। আমার তার সাথে


এরকম পরিস্থিতি হয়েছিল। আমি খুব সুখে


ছিলাম। খুব আনন্দ পেয়েছিলাম। বন্ধুরা


সময়টা ছিল আমার কাছে খুবই আনন্দখান।


স্মরণীয়


স্মৃতিযোগ্য বন্ধুরা গল্পটি তোমাদের কেমন


লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে বন্ধুরা


আজকে এ পর্যন্তই। আবারো আসুক তোমাদের


মধ্যে নতুন কোন গল্প নিয়ে। গল্পটি যদি


তোমাদের ভালো লাগে তাহলে একটি লাইক দাও।


প্রতিদিন আমি তোমাদেরকে এইরকম


ইন্টারেস্টিং


একটা করে নতুন গল্প উপহার দিব। তাই


তোমাদেরকে অনুরোধ করে বলছি তোমরা যদি এরকম


ধরনের ইন্টারেস্টিং গল্প পেতে চাও তাহলে


দয়া করে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করো।


অবশেষে তোমাদের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা


করি। ভিডিওটি দেখার জন্য তোমাদের সকলকে


অসংখ্য ধন্যবাদ। এই



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো