ওষুধের বদলে মদ খাইয়ে বৌদি কে 4 বন্ধু মিলে 1 ঘণ্টা চুদলাম

 



বন্ধুরা আজকে একটা নতুন গল্প নিয়ে আসলাম


তোমাদের মাঝে। এটা সত্য এবং বাস্তব জীবনের


ঘটনা শেষ পর্যন্ত শোনার অনুরোধ রইল শুনলে


তোমার মধু চলে আসবে দেরি না করে চলো শুরু


করা যাক। আমি যখন নব যৌবনে পা রাখলাম। ঠিক


তখনই মা চিন্তা করল। আমাকে বিয়ে দেওয়ার


জন্য। কারণ আমরা খুবই গরীব ছিলাম। তাই


আমার মা সবসময় চাই। আমাকে ধনী পরিবারে


বিয়ে দেওয়ার জন্য অবশেষে মা আমাকে একটি


বড়লোক বাড়িতে। বরলোকের ছেলের সাথে আমাকে


বিয়ে দিল। আমার স্বামীর অন্য একটি মেয়ের


সাথে সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রথম রাতে আমার


স্বামীর প্রেমিকা। তাদের বাড়িতে এসে


হাজির। তারপর আমার স্বামী তার প্রেমিকাকে


নিয়ে তার রুমে চলে যায়। আর এদিকে আমার


দেবর এই অবস্থা দেখে। আমাকে টানতে টানতে


আমার দেবর ঘরে নিয়ে। তারপর আমার দেবর


আমার সাথে সারারাত। হ্যালো বন্ধুরা। আমার


নাম কোহিনূর। আমি একটা গরীব ঘরের মেয়ে।


আর আমার বিয়ে একটা বড়লোক ফ্যামিলিতে ঠিক


হয় দু মাস পরেই কাজের সাথে আমার বিয়ে।


আমার মায়ের ছেলে খুব পছন্দ হয়েছিল। তাই


আমাকে বলতো কোহিনূর তোর কপাল ভালো যে। এত


ভালো ফ্যামিলিতে তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে।


বাবা আমার আট বছর বয়সে মারা যান। তাই মা


অনেক কষ্টে আমাকে মানুষ করেছেন। আত্মীয়


স্বজনের কাছ থেকে কিছু কিছু সাহায্য


নিয়ে। বিয়েটা ভালোভাবে দেওয়ার চেষ্টা


করছিলেন। আমিও আমার বিয়ে নিয়ে খুব খুশি।


তাই আমি যে সেলাইয়ের কাজ করতাম। সেখান


থেকে কিছু কিছু টাকা জমালাম। যাতে বিয়ের


দিন সুন্দর করে সাজতে পারি। আমার শ্বশুর


বাড়িতে মাত্র তিনজন লোক। আমার শাশুড়ি


স্বামী আর তার ছোট ভাই। শ্বশুর অনেক আগেই


মারা গেছেন সবাই আমার শ্বশুরবাড়ির খুব


প্রশংসা করত। বিশেষ করে আমার স্বামীর।


সবাই বলতো আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন খুব


ভালো ছিল। দেখতে দেখতে আমার বিয়ের দিন


এসে গেল। আমি পার্লার থেকে মেকআপ করিয়ে


বিয়ের জন্য যে লস ঠিক করা ছিল সেখানে


পৌঁছলাম। মেকাপ করার কারণে আমাকে খুব


সুন্দর লাগছিল। কিছুক্ষণ পরে বরযাত্রী


নিয়ে পাত্রপক্ষ বিয়ের লজে পৌঁছান। এরপর


দেখতে দেখতে আমাদের বিয়ে হয়ে গেল বিয়ের


পর। সবার খাওয়া-দাওয়ার পর আমার বিদায়ের


সময় আসলে। আমি মাকে ধরে খুব কাঁদলাম।


কারণ মাকে ছেড়ে অন্য পরিবেশে চিরদিনের


জন্য চলে যেতে হবে। তারপর সবাই মিলে আমাকে


শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে গেল। ওখানে আমাকে


শাশুড়ির ঘরে বসে অনেকগুলো নিয়ম পালন


করানো হলো। যার মধ্যে কয়েকটা আমি জানতাম


বাকিগুলো জানিনা। সমস্ত নিয়ম পালন করা


শেষ হলে আমাকে ঘর থেকে বের করে। আমার বরের


ঘরে নিয়ে গেল। ঘরটা আগে থেকেই ফুল দিয়ে


সুন্দর করে সাজানো। এরপর আমাকে খাতে


বসিয়ে। মাথায় ঘুমটা টেনে দিন। সারাদিনের


ধকলে আমি খুবই ক্লান্ত। তাই খুব ঘুম


পাচ্ছিল। কিন্তু আমি চুপচাপ বসে থাকলাম


স্বামীর অপেক্ষায়। এক ঘন্টার বেশি হয়ে


গেল। এখনো আমার স্বামীর কোন খবরই নেই। আর


একটা আশ্চর্যের ব্যাপার হলো। সারাদিনে


আমার বর আমার সাথে একবারও কথা বলেনি।


এমনকি কারো সাথে কথা বলতে ও শুনিনি।


এইভাবে চুপচাপ বসে থাকতে থাকতে কখন যেন


একটু ঝিমুনি ভাব এল। হঠাৎ দরজার আওয়াজে


আমার ঘুম ভেঙে গেল। তাকিয়ে অবাক হয়ে


দেখলাম ঘরের মধ্যে কেউ নেই। তারপরে যখন


দরজার দিকে তাকালাম তখন তো আমার চোখ কপালে


ওঠার যোগা। কারণ দরজায় দাঁড়িয়ে আমার


স্বামী। আর ওর সাথে একটা মহিলা। যাকে দেখে


আমার পাগলী মনে হচ্ছিল। কারণ ওর জামা


কাপড়ের জায়গায় জায়গায় ছেড়া ফাটা আর


সবসময় মাথা চুলকে যাচ্ছে। ওই মহিলাকে


আমার স্বামীর সঙ্গে দেখে আমি অবাক হয়ে


কাছে গেলাম। আমাকে দেখে ওই পাগলী আমার


স্বামীর পিছনে লুকিয়ে পড়লো। যেন আমাকে


দেখে ভয় পাচ্ছে। আমি আমার স্বামীকে বললাম


কাজেই মহিলাটিকে আরে আমাদের ঘরে কি করছে?


তখন কাজেম ওই মহিলাকে নিজের কাছে টেনে বলল


যে আমার বউ আরে তুমি তোমার মত সুন্দর করে


সাজা ও। আমার তো পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে


গেল।


কারণ আজকে আমার বিয়ে হয়েছে। আর আমার


স্বামী একটা পাগলী মহিলাকে বহু বলছে আর


ওকে আমার মত সুন্দর করে সাজাতে বলছে। শুনে


তো আমার চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগলো। আমি


আমার স্বামীকে বললাম, কাজের তুমি এসব কি


বলছো? এই মহিলা তোমার বয় কিভাবে তোমার


বুত আমি। তুমি তো আজকে সবার সামনে আমাকে


বিয়ে করেছো। আর এখন তুমি চাইছো এই


মহিলাকে সুন্দর করে সাজিয়ে আমার জায়গায়


বসাতে। এসব কথা শুনে কাজেম রেগে গিয়ে বলল,


আমি বলেছি তুই আমার বউ। তুমি একে তোমার মত


সুন্দর করে সাজিয়ে ঘরে বসাও। তারপরে তুমি


ঘর থেকে বেরিয়ে যাও। না হলে আজকেই তোমাকে


আমি ডিভোর্স দিয়ে দেব। এ কথা শুনে আমার গা


কাঁপতে লাগলো। কারণ আমার মা অনেক আশা


ভর্ষা নিয়ে আমার বিয়ে দিয়েছেন। যদি আমার


ডিভোর্স হয়ে যায়। তাহলে তো আমার মা জীবিত


লাশ হয়ে যাবে। আমার মা সারা জীবন শুধু


দুঃখই পেয়েছি। আমি চাই না যে আমার জন্য


আমার মা আবার দুঃখ কষ্ট পাক। তাই আমি


কাজের কথায় রাজি হয়ে মাথা নাড়ালাম। তারপরে


ওই পাগলী মহিলাকে বাথরুমে নিয়ে তৈরি করতে


লাগলাম। তাকে আমার বেন আর সেটা পড়ালাম।


যেটা আমার বিয়েতে শ্বশুরবাড়ি থেকে আমাকে


উপহার হিসেবে দিয়েছিল। আর আমি ওই পাগলীর


ছেড়া কাপড় পড়লাম। আর মনে মনে কাঁদছিলাম।


তারপরে ওই পাগলী মহিলাকে ড্রেসিং টেবিলের


সামনে এনে। সুন্দর করে মেকাপ করে। আমার যত


গয়নাগাটি ছিল সব করালাম। যাকে এতক্ষণ


বিশ্রি লাগছিল তাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।


ওই পাগলী জুয়েলারি পড়ে খুব এক্সাইটেড


হয়ে গেল। আর আয়নায় বারবার নিজেকে দেখে


তালি বাজাচ্ছিল। ওই পাগলীকে রেডি করার পর


আমি আমার স্বামীর দিকে ইশারা করলেন। আমার


স্বামী উঠে ওই পাগলীর কাছে এসে ভালো করে


দেখতে লাগলো। তারপরে আমাকে ঘর থেকে


বেরিয়ে যাওয়ার ইশারা করল। আমি কাঁচতে


কাঁচতে বাইরে বেরিয়ে আসলাম। আমাকে দেখে


কে বলবে? যে কিছুক্ষণ আগে আমার বিয়ে


হয়েছে আমাকে দেখে যে কেউ পাগলী বলবে। এই


বাড়িতে নতুন তাই বুঝতে পারছিলাম না। এত


রাতে কোথায় যাব কোন উপায় না পেয়ে।


দরজার সামনে বসে পড়লাম। কারণ অন্য কোন


ঘরে যদি আমি যেতাম তাহলে আমাকে সবাই বলতো।


বিয়ের প্রথম রাতে বর এক ঘর থেকে বের করে


দিয়েছে। তাই নিজের অসম্মানের। আর


ডিভোর্সের ভয়ে আমি চুপচাপ আমার স্বামীর


দরজার সামনে বসে রইলাম। দুঃখে আমার ঘুম


আসছিল না। তাই চুপচাপ বসে রইলাম। কিছু


সময় পরে বারান্দায় কারো আওয়াজ পেয়ে


তাকিয়ে দেখি আমার দেবর ও আমাকে ওখানে


দেখে চমকে ওঠে। তারপরে আমার ধরে টানতে


টানতে নিয়ে গেল। মুখ ধাঁকা ছিল বলে ও


হয়তো আমাকে চিনতে পারেনি। আর আমিও কিছু


বলতে পারছি না। কারণ এতে আমারই অসম্মান


হবে।


কারণ আমি সেই মেয়ে যাকে বিয়ের প্রথম


রাতেই তার স্বামী ঘরের বাইরে বের করে


দিয়েছে ও হয়তো আমাকে ওই পাগলী ভেবেছিল।


তাই টানতে টানতে আমাকে স্টোর রুমে নিয়ে


একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে। তারপর আমি


অবাক হয়ে দেখলাম যে সে আমার জন্য বাসি


রুটি তরকারি আর কিছু ওষুধ নিয়ে আসলো।


যেটা হয়তো এই পাগলের জন্য। কিন্তু আমি


ওষুধ কিছুতেই খেতে পারবো না। কারণ আমি তো


পাগলি না। দড়ি দিয়ে আমার পা বাঁধা ছিল।


কিন্তু দুইটা হাত খোলা। ও আমাকে ওই বাসির


রুটি খেতে বলল। আমি তাড়াতাড়ি মাথা


ঝুকিয়ে না। বললাম যে মাথা ঝোকালাম তখনই


আমার মুখ থেকে কাপড় পড়ে গেল। আর আমার


দেবর আমাকে দেখে চমকে উঠল। ও বিশ্বাসই


করতে পারছেন না যে এটা আমি। তারপরেও আমাকে


বলল, তুমি এই অবস্থায় কেন? আমি কাঁদতে


কাঁদতে ওকে সব কথা খুলে বললাম ও আমার কথা


শুনে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল তারপর বলল


তোমার উচিত হয়নি দাদার কথা শুনে ওই


পাগলীকে নিজের জায়গায় বসানো আর ঘর থেকে


বেরনো এ কথা শুনে আমি বললাম যে তোমার দাদা


আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার আর এই বাড়ি থেকে


বের করে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছিল আর আমার


ডিভোর্সের কথা শুনলে আমার মা জীবিত লাশে


পরিণত হবে তারপর আমার দেবর আমার পা থেকে


দড়ি খুলে আমাকে কে ওর পিছন পিছন আসতে


বলল। আমি ওর পিছন পিছন স্টোর রুম থেকে


বেরিয়ে অন্য একটা ঘরে গেলাম। যেখানে আমার


শাশুড়ি ঘুমিয়ে ছিল। আমার দেবর শাশুড়িকে


ঘুম থেকে উঠে সমস্ত কথা বলল। যেটা শুনে


আমার শাশুড়ির দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলল। আমি


বুঝতে পারছিলাম কিছু একটা তো আছে। যেটা


এরা আমার থেকে লুকোচ্ছে তাই আমি আমার


শাশুড়িকে। সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম ওই


মহিলাটিকে


যার জন্য আমাকে আমার ঘর থেকে বের হয়ে


আসতে হয়েছে। তখন আমার শাশুড়ি দেবরকে


বাইরে যেতে ইশারা করল। দেবের বাইরে


বেরিয়ে গেল। শাশুড়ি আমাকে ওনার পাশে


বসিয়ে বললেন, যেও হলো আমার বান্ধবীর


মেয়ে। ওর ছোটবেলাতেই ওর বাবা মা মারা


যায়। তাই আমি ওকে বাড়িতে এনে। নিজের


মেয়ের মত মানুষ করি। ওরা তিনজনে একসাথে


বর হয়। কাজের সাথে ওর বন্ধুত্ব খুব ভালো


ছিল। আমার শাশুড়ি আরো বললেন, ওই পাগলী


মেয়েটার নাম মালেহা বর হলে আমার শাশুড়ি


ওকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র দেখতে শুরু


করলেন। মালেহা বলে যেও কাউকে ভালোবাসে। আর


তাকেই বিয়ে করতে চায়। এটাতে আমার শাশুড়ি


খুশি হয়ে। ওই ছেলের সাথে মালার বিয়ে ঠিক


করেন। কিন্তু এই খবর যখন কাজে অংশ না।


তখনও চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দিল।


কারণ ও মালেহাকে ভালোবাসে আর বলে বিয়ে


যদি করতে হয় তাহলে মালেহা কে করবে এ কথা


শুনে আমার শাশুড়িও মনে মনে খুশি হয়েছিল


কারণ উনিও মালেহাকে খুব পছন্দ করতেন


কিন্তু যখন মালেহা শূন্য যে কাজের তাকে


ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায় তখন মালেহা


সরাসরি না বলে দেয় এটা শুনে কাজিমের মন


ভেঙে যায় তাই ও ব্যবসার কাজে বাইরে চলে


যায় মালেহা এ কথা শুনে আমার শাশুড়ির


খারাপ লাগলেও তিনি মালহার বিয়ে ধুমধাম


করে দেন। কাজে এতটাই দুঃখ পেয়েছিল যে ও


মালহার বিয়েতেও আসেনি। মালেহা বিয়ের


মাত্র দু মাস পরে ফিরে আসে। কারণ ওখানে


থেকেও কেমন পাগল হয়ে যাচ্ছিল। আর ওর


স্বামী ওর সমস্ত গয়নাগাটি টাকা পয়সা


নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপরে আর তাকে খুঁজে


পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানা


যায়। মালিহার সঙ্গে ছেলেটির অনলাইনে


পরিচয়। তার মানে ছেলেটি একটা ধোকাবাজ। যে


টাকা পয়সার লোভ ধোকা দিয়ে বিয়ে করেছিল।


মালেহা তখন সন্তান সম্ভবা। এ কথা শুনে


দুঃখে মালেহা পাগলের মত আচরণ করতে শুরু


করে। তারপরে যখন ওর বাচ্চা নষ্ট হয়ে


যায়। তখন মালেহা পুরোপুরি পাগল হয়ে


যায়। এই খবর যখন কাজের শুনে ও তাড়াতাড়ি


বাড়ি ফিরে মালহার খেয়াল রাখতে শুরু করে।


ও মালেহাকে ভালো ডাক্তার দেখায়। কিন্তু


ডাক্তার বলেছিল হয়তো মালেহা পুরোপুরি ঠিক


হবে না। একটাই মাত্র সম্ভাবনা আছে। ওর


সাথে যা যা হয়েছে তাই যদি আবার রিপিট করা


হয়। তাহলে হয়তো ঠিক হতে পারে এ কথা শুনে


কাজেম ওকে বিয়ে করার জন্য ব্যস্ত হয়ে


পড়ে। তখন আমার শাশুড়ি ওকে নিজের ডিপটি


দিয়ে কোন রকমে আটকে রাখে। এইভাবে এক বছর


কেটে গেল। কিন্তু মালহার কোন উন্নতি দেখা


গেল না। তাই আমার শাশুড়ি কাজিনকে বোঝাতে


লাগল। মালেহা যখন এক বছরও ঠিক হয়নি তাহলে


কি এমন গ্যারান্টি আছে যে বিয়ের পরে ঠিক


হয়ে যাবে মালেহা খুব বেশি পাগলামি করতো


আর ওর ধারে কাছে কেউ ঘেসতে পারতো না আর


কয়েকবার তো কামড়ানোর চেষ্টা করছে আর


সুযোগ পেলেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যেত তাই


আমরা ওকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখতে বাধ্য হই


কাজের এত চেষ্টা এক বছর পরেও মালেহা যখন


ঠিক হলো না তখন বাড়ির সবাই কাজিমকে


বুঝিয়ে শুনিয়ে বিয়ে দিল কারণ সবাই


ভেবেছিল যে কাজের বিয়ে করলে হয়তো ওর মন


থেকে মালহার প্রভাব কমে যাবে। আমার


শাশুড়ি সবসময় চাইত। কাজেম জান বিয়ে করে


সুখী হতে পারে। কিন্তু কাজেম যে মালেহাকে


পুরনো জীবনের কথা মনে করানোর জন্য।


মালেহাকে নিজের বাসর ঘরে নিয়ে গেছে। এটা


তারা কেউ জানতো না শাশুড়ির মুখ থেকে। এই


সমস্ত কথা শুনে আমার কারেন্টের সব খাওয়ার


মত অবস্থা হলো। কারণ আমাকে এমন একটা ছেলের


সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে আগে থেকেই


অন্য কাউকে ভালোবাসে। হয়তো আমরা গরীব।


তাই আমাদের সাথে এসব করা যায়। কারণ ওরা


জানে আমরা কিছুই করতে পারবো না। এইসব ভেবে


ভিতরে ভিতরে কান্নায় আমার বুক ফেটে


যাচ্ছিল। তখন আমার শাশুড়ি আমাকে নিয়ে।


আমার স্বামীর ঘরের দরজার সামনে এসে দরজা


খুলে দেখতে পেলাম যে। মালেহা নতুন শাড়ি


গহনা পড়ে মেঝেতে শুয়ে আছে। আর কাজের


খাটের উপর বসে বসে কান্না করছে কাজেম ওর


মাকে দেখেই আমার কাছে এসে। মাকে ধরে


কাঁদতে লাগলো। কান্না থামলে আমার শাশুড়ি


কাজিমকে বোঝাতে লাগলো যে কাজে আমার সাথে


কি অন্যায় করেছে। এরপর কাজেম আমার দিকে


মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আমার কাছে ক্ষমা


চায়। এরপর আমার শাশুড়ি ঘুমন্ত মানহাকে


ঘুম থেকে উঠিয়ে। বুঝিয়ে শুনিয়ে নিজের


সঙ্গে নিয়ে গেলেন। উনারা যাওয়ার পরে


কাজে মামার কাছে আবার ক্ষমা চেয়ে আমাকে


কারণ বোঝাতে লাগলো। যেটা আমি আগে আমার


শাশুড়ির কাছ থেকে শুনেছি। আমি বুঝতে


পারলাম যে কাজেই বিয়ে করতে চাইতো না।


যাতে ও মালেহা দেখাশোনা করে ঠিক করতে পারে


এবং ওকে বিয়ে করতে পারি। কিন্তু বাড়ির


সবাই জোর করে। ওকে আমার সাথে বিয়ে দিয়ে


দেয় রমের নিজের দুঃখ আমার সাথে শেয়ার


করতে শুরু করলে। আমি ওকে বললাম আমি সবসময়


তোমার পাশে আছি। আমার নিজের উপর বিশ্বাস


ছিল যে আমি ওর মনে আমার জন্য জায়গা করে


নিতে পারব। আর এইসব কথা না। আমি আমার মাকে


না অন্য কাউকে বলতে পারব। আমি ওই বাড়িতে


মালিহার সাথে নিজের বোনের মত ব্যবহার করতে


শুরু করি। ওর খাওয়া-দাওয়া দেখাশোনা করতে


থাকি। ফলে বাড়ির সকলের সাথে সাথে কাজের


মনেও। আমার জন্য জায়গা তৈরি হয়। যেটা


আমার স্বামী আমার সঙ্গে মিষ্টি মিষ্টি কথা


বলে বোঝাত কিন্তু মালহার অবস্থার কোন


উন্নতি হয়নি ওষুধ চেঞ্জ করেও দেখা হয়েছে


কিন্তু কোন ফল পাওয়া যায়নি কিন্তু তবুও


কাজেম চাইতো মালেহা যেন ভালো হয়ে যায়


তাই আমি দিন-রাত পরিশ্রম করতাম ওকে নিয়ে


ডাক্তারের কাছে চেকআপ করাতে যেতাম কিন্তু


মালহার অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি ধীরে


ধীরে মালহার অবস্থা খারাপ হতে থাকে ও এখন


সারাদিন বিছানাতেই শুয়ে থাকে। তাই আমি


কাজিমকে বললাম, ওকে শহরের সবচেয়ে ভালো


ডাক্তারকে দিয়ে চেকআপ করাতে। যখন আমরা


সেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে চেকআপ


করাতাম। ডাক্তারের কথা শুনে আমরা তো সবাই


হতাশ হয়ে গেলাম। কারণ ডাক্তার বলল,


মালেহা শরীরে। ধীরে ধীরে ক্যান্সার


ছড়িয়ে পড়েছে। ওর জীবন আর মাত্র


কয়েকদিনের। কিন্তু আমরা হাল না ছেড়ে ওর


ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে লাগলাম। কিন্তু


এত চিকিৎসা করেও কোন ফল পাওয়া গেল না।


আমার বিয়ের ছয় মাসের মাথায়। মালেহা


সবাইকে দুঃখ দিয়ে। এই পৃথিবী ছেড়ে চলে


গেল ওই ছেলেটার উপর আমার খুব রাগ হতো। যার


কারণে মালেহা এই অবস্থা। ওই ছেলে পৃথিবীর


যেখানেই থাকুক না। কেন? জীবনে কখনো সুখী


হতে পারবে না। ওই ছেলেটি যদি লোভের কারণে


মালহার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি না খেলে তাহলে


মালেহা এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে সুখে শান্তিতে


ঘর সংসার করতো কিন্তু আমরা যেটা ভাবি সেটা


সবসময় হয় না কারণ বিধাতা যার কপালে যা


লিখে দিয়েছেন তাই হয় মালেহার সাথেও তাই


হয়েছিল যা বিধাতা ওর কপালে লিখে রেখেছিল


যার দুঃখ আমাদের সারা জীবনেও শেষ হবে না


এখন মালেহা নেই তাই কাজের জীবনে শুধুমাত্র


আমি ছিলাম ধীরে ধীরে কাজের মন থেকে মালহার


প্রভাব কমে গেল। একদিন কাজে মামাকে বলল,


কোহিনুর আজকে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।


কোহিনুর আজকে তোমার মধ্যে আমি আমার


মালেহাকে দেখতে পাইতেছি। কোহিনুর আজকে আমি


তোমার সাথে আমার প্রথম কাজ শুরু করব। আমি


তোমাকে নিজে হাতে সাজিয়ে দেব। কাজলের মুখ


থেকে এমন কথা শুনে আমার মনটা ভরে গেল। আমি


খুব ভালো করে সেদিন সাজুগুজু হয়ে একেবারে


বাসঘরের মত বসে রইলাম। জীবনে এই প্রথম।


আমার স্বামীর সোহাগ আমি পাপ ভাবতেই মনটা


ভরে গেল। তারপর সেই রাতে আমার স্বামী কাজে


আমার রুমে এল। তাকে দেখে অনেক রোমান্টিক


মনে হলো। সে আমার রুমে ঢুকে। আমাকে দেখেই


সে অপলোক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। আমি তার


দিকে মায়ের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আর


মনে মনে ভাবতে লাগলাম। আমার স্বামী


অনেকদিনের ক্ষুধার্থ। আমি কি তার সাথে


কুলিয়ে উঠতে পারবো? কিছুক্ষণ পর আমার


স্বামী আমার সাথে অনেক মজার মজার কথা বলতে


শুরু করল এবং একটু পরে দেখলাম সে সবকিছু


ছেড়ে দিয়ে একেবারে পাগলের মত হয়ে গেল


বাসরীও কাজের জন্য আমিও তখন তাতে সম্মতি


দিতে লাগলাম জীবনের প্রথম বন্ধুরা আমার


স্বামী আমার এখানে আঘাত হান তখন প্রথম


প্রথম কিছুটা কষ্ট পেয়েছিলাম কিন্তু


কিছুক্ষণ পর সে আমাকে এমন সুখ দিয়েছিল যা


পেয়ে আমার কলিজা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল


তারপর থেকে বন্ধুরা আমার স্বামী র সাথে


প্রতিদিন রাতে ইচ্ছামতো হতো। আমি অনেক সুখ


পেতাম। তার আর আমার পবিত্র সে কিছুদিন


পরেই আমি সন্তান সম্ভবা হই। আর একটা


মেয়ের জন্ম দেয়। কাজেই আমাদের মেয়ের


নাম মালেহা রেখেছে। আর ওকে দেখলেই কাজে মন


খুশিতে ভরে উঠতো। কিন্তু আমাদের মনের


ভিতরে এখনো মালেহা বেঁচে আছে। বেঁচে থাকতে


অন্তরদিন। পরিশেষে আমি বলব বন্ধুরা প্রথম


প্রেম কখনো ভুলা যায় না। যদি সেটা সত্যি


হয়। প্রথম প্রেমের মোহে অনেকে পাগল। আবার


কেউ পৃথিবী ছাড়তে দ্বিধাবোধ করে না। তাই


আমি তোমাদেরকে বলব বন্ধুরা প্রেম করা


ভালো। প্রেমে যেমন সুখ আছে তেমনি বিরত


থাকবে। তাই বেশি আবেগী হয়ে কোন রকম


দুর্ঘটনা করার চেষ্টা করি না। তাতে


আমাদেরই ক্ষতি। কারণ দিন শেষে কেউ কারো


না। বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আবারো আসবো


তোমাদের মধ্যে নতুন কোন ভিডিও নিয়ে।


ভিডিওটি যদি তোমাদের ভালো লাগে তাহলে একটি


লাইক দাও। প্রতিদিন আমি তোমাদেরকে একটা


করে নতুন গল্প উপহার দিব। তাই তোমাদেরকে


অনুরোধ করে বলছি তোমরা যদি এরকম ধরনের


ইন্টারেস্টিং গল্প পেতে চাও তাহলে দয়া


করে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করো।


পরিশেষে তোমাদের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা


করি। ভিডিওটি দেখার জন্য তোমাদের সকলকে


অসংখ্য ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো