বাথরুমে ভিতরে গোপনে ছুদাছুদি রাতে দেখুন
আমার ছেলের সাথে আমি কিভাবে কাজ করলাম সেই
গল্পটা আজকে তোমাদের বলব। আমি জানি এসব
গল্প কেউ কখনো কাউকে বলে না তবুও আমি বলব।
তাই ধৈর্য সহকারে গল্পটি শেষ পর্যন্ত
দেখতে [মিউজিক] থাকা। আমি শিওর বলতে পারি
সম্পূর্ণ গল্পটি শুনলে তোমাদের ফোটা ফোটা
পানি বেরিয়ে যাবে। [মিউজিক]
গীতেশ আনন্দমোহন কলেজের ছাত্র। তার বয়স
23 বছর। কলকাতাতে চার বছর হোস্টেলে থেকে
পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে একটা সরকারি
চাকরি করছে। [মিউজিক] গত বছরই চাকরি
পেয়েছে আর এ বছর কলকাতায় ট্রান্সফার
হয়েছে। মাঝে মাঝে বাড়ি আসতো আর [মিউজিক]
তিন চার দিন থেকে আবার ফিরে যেত। বাড়িতে
গীতেশের মা অমলা দেবী থাকে। [মিউজিক]
বছর দুয়েক আগে গিতে বাবা মারা গেছে স্টোক
করে। গীতাশের পারিবারিক আয় ভালো নয়।
গীতেশের বাবা একটা সরকারি [মিউজিক] চাকরি
করতো। বাবা মারা যাওয়ার পরে সরকার থেকে
কিছু টাকা পয়সা পেয়েছিল। যেটা দিয়ে
গীতেশের পড়াশোনা আর [মিউজিক] ওর মায়ের
সংসার কোনভাবে চলে যাচ্ছে। অমলা দেবীর
বয়স 42 [মিউজিক] বছর এবং খুব সুন্দর
দেখতে। এই বয়সেও নিজের যৌবন ধরে রেখেছে।
অমলা দেবীর স্বামী মারা যাওয়ার পরে সে
একাই [মিউজিক] থাকতো। আর মনে মনে ভাবতো
ছেলের কলকাতায় ট্রান্সফার হওয়ার পরে
ছেলের একটা [মিউজিক] বিয়ে দিয়ে ছেলে
বউকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবে। অমলার এক
বান্ধবী গৌরিতা অমলার বাড়ির কিছু
[মিউজিক] দূরেই থাকে। গৌরিতার স্বামী
সেনাবাহিনীতে চাকুরি করা কালীন [মিউজিক]
মারা যায়। গৌরিতার একটাই মেয়ে গোমতী।
গৌরিতার বয়স 40 বছর আর মেয়ে গোমতির বয়স
21 বছর। কলেজে পড়ছে। গৌরিতার আর্থিক
অবস্থা অনেক ভালো। [মিউজিক] নিজেদের দুতলা
বাড়ি আছে। গৌরিতা অমলাকে বলেছে যে
গীতেশের সাথে গোমতির বিয়ে দিতে। কারণ
গীতেশকে [মিউজিক] খুব পছন্দ গৌরিতার।
গীতেশরা ভাড়া বাড়িতে থাকতো। একটাই
[মিউজিক] ঘর, রান্নাঘর আর বাথরুম। যেহেতু
অমলা স্বামী মারা যাওয়ার পরে একাই থাকতো
তাই কোন অসুবিধা হয়নি। কিন্তু এবার গিতেশ
ফিরে এলে একটা ঘরে কিভাবে [মিউজিক] চলবে
সেটাই অমলা চিন্তা করছিল। তাই একদিন অমলা
গৌরিতাকে এই কথাগুলো বলল। গৌরিতা সব শুনে
বলল, অমলা তোকে তো আমি বলেছি গীতেশ
কলকাতায় ট্রান্সফার হয়ে এলে এক শুভক্ষণ
দেখে গিতেশ আর [মিউজিক] গোমতির বিয়েটা
দিয়ে দেব। আর আমরা সবাই মিলে এই বাড়িতেই
থাকবো। এত [মিউজিক] বড় বাড়িতে শুধু আমরা
দুজন মা মেয়ে থাকি। তোরাও এখানে চলে এলে
সবাই মিলে আনন্দ করে থাকা [মিউজিক] যাবে।
অমলা গৌরিতার কথা শুনে আনন্দে বলল, আমি
ছেলে এলে ওর সাথে কথা বলে তোকে জানাবো।
[মিউজিক] কিছুদিনের মধ্যে গীতেশ ফোন করে
জানালো যে শুক্রবার সে বাড়ি আসছে।
[মিউজিক]
প্রায় ছয় মাস পরে গীতেশ বাড়ি ফিরছে বলে
সেদিন অমলা ভালো ভালো রান্না করে রেখেছিল।
তারপর স্নান করে একটা ভালো শাড়ি পড়ে
ছেলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল।
[মিউজিক] প্রায় 11 টা নাগাত গীতেশ বাড়ির
সামনে এসে দরজায় করা নাড়লো। [মিউজিক]
অমলা দরজা খুলে দেখল তিন চারটা ব্যাগ হাতে
আর কাঁধে নিয়ে গীতেশ হাসি মুখে দাঁড়িয়ে
আছে। ঘরে এসে ব্যাগগুলো নামিয়ে মাকে
জড়িয়ে ধরল গীতেশ। [মিউজিক] অমলা ও
গীতেশকে জড়িয়ে ধরে থাকলো কিছুক্ষণ।
তারপর ছেলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে
অমলা বলল, অনেক বেলা হয়ে গেছে গীতেশ। যা
[মিউজিক] স্নান করে নিয়ে আগে খেয়ে নে
তারপর না হয় ব্যাগগুলো থেকে সব বার করবি
আর গল্প করা যাবে গীতেশ বলল ঠিক বলেছো মা
[মিউজিক] খিদেতে পেট জ্বলছে আমি
তাড়াতাড়ি স্নান করে আসছি তুমি খাবার
বাড়ো এই বলে গীতেশ বাথরুমে চলে গেল ভেতরে
দেখলো ওর মা ওর জন্য একটা হাফ [মিউজিক]
প্যান্ট আর তোয়ালে রেখে দিয়েছে তাই দেরি
না করে ভালো করে স্নান করে গীতেশ হাফ
প্যান্ট পরে খালি গায়ে বাইরে এসে দেখল
[মিউজিক] মা খাবার বেড়ে মেঝেতে বসে আছে
গীতেশ মায়ের উল্ট উল দিকে বসে খেতে শুরু
করল। খেতে খেতে মাকে দেখছিল গিতেশ।
[মিউজিক] আর মনে মনে ভাবলো যে মাকে আগের
থেকে যেন আরো সুন্দরী লাগছে। অমলা সেটা
দেখে জিজ্ঞেস করল কি [মিউজিক] এত দেখছিস
গিতেশ? গীতেশ বলল তোমায় দেখছি মা তোমায় এই
শাড়িতে খুব সুন্দর লাগছে। এটা কি নতুন
শাড়ি? অমলা বলল, নারে এটা পুরনো শাড়ি। তবে
খুব কম পড়েছি বলে এটা নতুনের [মিউজিক] মতো
লাগছে। গীতেশ বলল, মা চাকরি তো আমি পেয়ে
গেছি। এবার আর তোমার কোন দুঃখ রাখবো না।
[মিউজিক]
অমলা হেসে বলল, সে আমি জানি গীতেশ। আমি
এখন অনেক [মিউজিক] নিশ্চিন্ত যে তুই এবার
আমাদের দুজনের সংসার চালাতে পারবি। এই
শুনে গীতেশে বলল, [মিউজিক] সে আর বলতে না
আমার সুন্দরী মাকে আমি এবার থেকে সুখে
রাখবো। গীতেশের কথা শুনে অমলাও হেসে উঠল।
[মিউজিক]
এইভাবে কথা বলতে বলতে দুজনে খাওয়া শেষ
করল। অমলা থালা বাসন নিয়ে রান্নাঘরে ধোয়ার
জন্য [মিউজিক] চলে গেল। গীতেশ হাত মুখ
ধুয়ে ঘরে এসে ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বার
[মিউজিক] করতে শুরু করল। একবার রান্নাঘরের
দিকে তাকিয়ে ব্যাগ থেকে দুইটা বাংলা
গল্পের বই তাড়াতাড়ি বের করে নিয়ে নিজের
বইয়ের তাকে লুকিয়ে রাখল। কিছুক্ষণ পরে
অমলা ঘরে এসে বিছানায় বসল। [মিউজিক]
অমলা ছেলের সব জামা প্যান্ট একদিকে সরিয়ে
রাখতে রাখতে বলল, তোর সব [মিউজিক] জামা তো
পুরনো হয়ে গেছে। এবার কিছু নতুন কিনে
নিস। গিতেশ বলল, ঠিক আছে মা। [মিউজিক] এ
মাছের স্যালারি পেয়ে তোমার আর আমার জন্য
নতুন কাপড় কিনবো। তারপর গীতেশ সব জিনিস
বিছানা থেকে সরিয়ে অমলার মুখোমুখি বসে
গল্প করতে শুরু করল। অমলা বলল, [মিউজিক]
গীতেশ এখন তোর কিরকম লাগছে? পড়াশোনা করে
চাকরি করছিস। এবার কলকাতায় ট্রান্সফারও
হয়ে গেল। গীতেশ বলল, সেরকম কিছু না।
কিন্তু এবার থেকে তোমার সাথে থাকতে পারবো
এইজন্য আমি খুব খুশি। এই বলে মায়ের কোলে
মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। অমলা ছেলের কথা শুনে
খুব খুশি হলো আর গীতেশের মাথায় হাত
বুলিয়ে দিতে লাগল। গীতেশ শুয়ে শুয়ে
অমলাকে দেখছিল আর মনে মনে ভাবছিল মাকে
সত্যি খুব সুন্দর দেখতে। এইভাবে কিছুক্ষণ
[মিউজিক] থাকার পরে অমলা হেসে বলল, গীতেশ
এবার গৌড়িতার সাথে কথা বলতে হবে তোর
বিয়ের জন্য। [মিউজিক]
গীতেশ তখন মায়ের কোল থেকে মাথা সরিয়ে
উঠে বসে বসে মায়ের দুই কাঁধে দু হাত রেখে
বলল, না মা এখন নয়। এখন শুধু আমার
সুন্দরী মাকে সুখী করার সময় বউকে নয়।
অমলা হেসে বলল, আমি তো ভালোই আছি। এবার
তোর একটা বউ এসে গেলে আমার অসুবিধা
[মিউজিক]
হবে আর তোর অসুবিধা হবে। গীতেশ নিজের
মুখটা অমলার মুখের কাছে এনে বলল, [মিউজিক]
আমাদের কি সুবিধা হবে মা? বউ এলে অমলা
বলল, আমার একটা গল্প করার সাথী হবে
[মিউজিক] আর তোর চির জীবনের সাথী হবে। আর
সত্যি বলছি গোমতি খুব সুন্দরী আর ভালো
মেয়ে। তোকে খুব সুখে রাখবে। গীতেশ অমলাকে
বলল, আমি তোমায় সুখে রাখবো। তাই তোমার আর
কিছু [মিউজিক] লাগবে না। অমলা গীতেশের কথা
শুনে একটু চমকে উঠে বলল, ঠিক আছে এবার
[মিউজিক] তুই একটু রেস্ট নিয়ে নে। আমি
একটু বেরচ্ছি একবারে বাজার করে ফিরবো। এই
বলে অমলা উঠে দাঁড়িয়ে নিজের শাড়িটা ঠিক
করতে লাগলো। গীতেশ ও উঠে দাঁড়িয়ে মাকে
দেখতে লাগলো। কিছুক্ষণ পরে অমলা বাড়ি
থেকে বেরিয়ে যেতেই [মিউজিক] গীতেশ দরজা
বন্ধ করে ঘরে এসে নিজের আরেকটা ব্যাগ খুলে
মায়ের একটা ছোট জামা দেখে নাক দিয়ে গন্ধ
[মিউজিক] নিতে থাকলো। গীতেশ হোস্টেলে
থাকাকালীন বন্ধুদের পাল্লায় পরে এসব বই
পড়া শুরু করেছিল। [মিউজিক] সব সম্পর্কের
মধ্যে মা ছেলে নিয়ে এগুলো পড়তে বেশি
ভালোবাসতো। সেইজন্য ছয় মাস আগে যখন বাড়ি
[মিউজিক] এসেছিল তখন মায়ের একটা ছোট জামা
লুকিয়ে নিজের সাথে নিয়ে গিয়েছিল। তারপর
থেকে হোস্টেলে [মিউজিক] গীতেশ বই পড়তে
পড়তে মায়ের ছোট জামা জড়িয়ে ধরে নিজেকে
শান্ত করতো। [মিউজিক] যেহেতু খুব ক্লান্ত
ছিল তাই মাকে চিন্তা করতে করতে কিছুক্ষণের
জন্য ঘুমিয়ে পড়ল। তারপর কিছুক্ষণ পরে
বাথরুম এগিয়ে [মিউজিক] পেচছাপ করতে গিয়ে
দেখল বাথরুমে মায়ের একটা ছোট জামা ঝোলানো
আছে। অমলা তাড়াহুড়ো হয়ে সেটা সরিয়ে
রাখতে ভুলে গিয়েছিল। গীতেশ [মিউজিক]
পেটছাপ করে ওটা নিজের নাকে শুকে বুঝলো এটা
মায়ে ব্যবহার করা। সেটা অমলা ধুতে ভুলে
গেছে। গীতেশ অনেকক্ষণ সেটা নাকে নিয়ে
গন্ধ শুকতে লাগল। গীতেশ নিজেকে আর
কন্ট্রোল করতে না [মিউজিক] পেরে নিজের কাজ
করতে লেগে গেল। প্রায় 15 মিনিট ধরে চলল
সেই কাজ। [মিউজিক] তারপর সেটা যেখানে ছিল
সেখানে রেখে নিজেকে পরিষ্কার করে ঘরে এল।
মনে মনে অপরাধ বোধ হচ্ছিল নিজের মাকে
নিয়ে এরকম ভাবতে। [মিউজিক]
কিন্তু ও এটাও বুঝতে পারলো আজকে সবথেকে
বেশি তৃপ্তি পেয়েছে। কিছুক্ষণ পরে
গীতেশের পাপবোধ পরিবর্তন হলো আর ভাবতে
লাগলো কিভাবে মাকে আরো কাছে পাওয়া
[মিউজিক] যায়। এইসব ভাবতে ভাবতে সন্দেহ
হয়ে গেল। আর ঠিক তখন দরজায় আওয়াজ হল।
গীতেশ দরজা খুলে দেখল অমলা দাঁড়িয়ে আছে
দু হাতের দুটো বাজারের ব্যাগ নিয়ে। গীতের
সঙ্গে সোজা মায়ের হাত থেকে ব্যাগ
[মিউজিক] দুটো নিয়ে রান্নাঘরে রেখে এক
গ্লাস জল নিয়ে অমলাকে দিল। অমলা বিছানায়
বসে জলটা [মিউজিক] খেয়ে জিজ্ঞেস করল,
সারা দুপুর আর বিকেল কি করলি গিতে? একটু
ঘুমিয়েছিলিস তো? [মিউজিক] হ্যাঁ মা অল্প
ঘুমিয়েছিলাম।
ভালো করেছিস। আমি একটু [মিউজিক] ফ্রেশ
হয়ে তোকে চা করে দিচ্ছি। তোর জন্য কাটলেট
ও এনেছি। এই বলে অমলা তোয়ালে নিয়ে
বাথরুমে চলে গেল। গিতেশ [মিউজিক] তখন মাকে
সারপ্রাইজ দিবে বলে নিজে রান্নাঘরে গিয়ে
চা বানাতে শুরু করল। আর বাজারের ব্যাগ
থেকে সবকিছু রান্নাঘরে যথাস্থানে রেখে
কাটলেট দুটো একটা ডিশে রাখলো। বাথরুমের
ভেতর থেকে মায়ের গোসল করার শব্দ শুনতে
শুনতে গিতেশ [মিউজিক] চা বানাচ্ছিল। এদিকে
গোসল করতে করতে অমলা হঠাৎ দেখে তার ছোট
কাপড়টা দড়িতে ঝুলছে। সঙ্গে সঙ্গে চমকে
গেল আর মনে মনে [মিউজিক] ভাবলো ইসব কিছু
ঠিক জায়গায় রেখে আসল জিনিসটাই বাথরুমে
ফেলে গিয়েছিল। গীতেশ [মিউজিক] যে কি
ভেবেছে কে জানে। নিজেকেই কিছুক্ষণ
গালাগালি দিয়ে গোসল করে তোয়ালেটা দিয়ে
নিজেকে জড়িয়ে অমলা বাথরুম [মিউজিক] থেকে
ঘরে এসে দেখল গিতেশ একটা ট্রে এ দু কাপ চা
আর কাটলেট সাজিয়ে বসে আছে। অমলা হেসে বলল
বাহ [মিউজিক] একবার চা বানিয়ে মায়ের
জন্য অপেক্ষা করছিস। খুব ভালো। বউকে তুই
খুব সুখে রাখবি। [মিউজিক]
এখন তো মাকে সুখী করি। তারপর অন্য কেউ।
অমলা আলমারি [মিউজিক] থেকে একটা শাড়ি
নিয়ে গীতেশকে বলল, আমি দরজাটা ভেজিয়ে
দিয়ে রান্নাঘরের শাড়িটা পড়ে আসছি।
[মিউজিক] গীতেশ এগিয়ে গিয়ে অমলার হাত
ধরে বলল, তুমি এই ঘরে চেঞ্জ করে নাও। আমি
রান্নাঘরে যাচ্ছি। [মিউজিক] তোমার হয়ে
গেলে আমায় ডেকে নিও। এই বলে গীতেশ ঘরের
দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করতে
লাগল। ছেলের ব্যবহারে অমলা খুব খুশি হয়ে
ঘরের ড্রেস চেঞ্জ করতে [মিউজিক] লাগল।
গীতেশ দরজাটায় একটু ফাঁকা রেখে ভেজিয়ে
রেখেছিল যাতে সেই [মিউজিক] ফাঁক দিয়ে
ঘরের ভেতরটা দেখা যায়। গীতেশ দরজার ফাঁক
থেকে চোখ [মিউজিক] রাখতেই ঘরের ভেতরের
দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যায়। এদিকে অমলা
ততক্ষণে শাড়িটাও [মিউজিক] পড়ে নিয়ে
গীতেশকে ডাকলো ঘরের ভেতরে আসার জন্য।
গীতেশ মায়ের ডাক শুনে একটু [মিউজিক] চমকে
গিয়ে ঘরের ভেতরে এল এবং হঠাৎ খেয়াল করল
ওটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কোনক্রমে এক
হাত দিয়ে [মিউজিক] সামাল দিয়ে বিছানাতে
বসল। অমলা তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল
আচড়াচ্ছিল। তাই ছেলের দিকে খেয়াল করেনি।
গীতেশ অমলাকে ডাকলো। এসো মা চা আর কাটলেট
ঠান্ডা হয়ে [মিউজিক] যাবে। খেয়ে নাও
আগে।
ঠিক আছে চল খেয়ে নি। এই বলে বিছানায় এসে
গীতেশের [মিউজিক] মুখোমুখি বসলো। দুজনে
একসাথে কাটলেট আর চা খেতে লাগলো। বাহ
গীতেশ [মিউজিক] চাটা তো খুব ভালো
বানিয়েছিস। তোমার ভালো লেগেছে মা। আমি
হোস্টেলে মাঝে মাঝে নিজেই চা করে খেতাম।
[মিউজিক]
অমলা হেসে উঠে গীতেশের গালটা ধরে বলল,
সত্যি ভালো হয়েছে। আমার ছেলে এখন নিজের
খেয়াল নিজে রাখতে পারবে। গীতেশ ও তখন
মায়ের গালটা ধরে বলল, তোমারও সব খেয়াল
রাখবে তোমার ছেলে। দুজনেই একসাথে হেসে
উঠলো। আচ্ছা গীতেশ তোর চাকরি শুরু কবে
থেকে? [মিউজিক] আজ 28 তারিখ পরের মাসের আট
তারিখে অফিস জয়েন করতে হবে। একটা কথা
বলার ছিল। কি কথা মা বলো। [মিউজিক]
গৌরিতাকে তোর মনে আছে? গৌরিতা মাসি কেন
মনে রাখবো না মা? আমায় এত [মিউজিক]
ভালোবাসে। সেটা জানি তোকে ভালোবাসে বলেই
একটা প্রস্তাব রেখেছে। কি [মিউজিক]
প্রস্তাব? গৌরিতা তোর সাথে গোমতির বিয়ে
দিতে চায়। গীতেশ লজ্জা পেয়ে বলল, এখন
আমি বিয়ে করবো না। গৌরিতা বলেছে গোমতির
সাথে তোর বিয়ে হবার পরে আমরা সবাই ওর
বাড়িতে থাকবো। আমি বলেছি যে গীতেশের সাথে
কথা বলে জানাবো। তুই কি বলিস এ ব্যাপারে?
বিয়ের ব্যাপারটায় আমায় একটু সময় দাও।
বুঝলাম ছেলে লজ্জা করছে। [মিউজিক] ঠিক আছে
তুই সময় নিয়ে চিন্তা করে আমায় জানাস।
কিন্তু আমাদের ঘরটা খুব ছোট দুজনের জন্য।
আগে তুই ছোট ছিলিস তাই কোনমতে চলে যেত।
কিন্তু এখন তুই বড় হয়ে গেছিস। এমন কিছু
ছোট নয় আমাদের ঘর। আমাদের দুজনের জন্য
যথেষ্ট। কিন্তু তোর অসুবিধা হবে। [মিউজিক]
আমি যখন কাপড় চেঞ্জ করবো তখন তোকে বাইরে
অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়াও এই একটা
বিছানায় দুজনের হবে না। গীতেশ অমলার কথা
শুনে মনে মনে বলল, আমি [মিউজিক] তো চাই
তুমি ঘরে কাপড় ছাড়বে। আর আমি দরজার ফাঁক
দিয়ে তোমার দেখবো। অমলা গীতেশের দিকে
তাকিয়ে বলল, কি ভাবছিস এতো? কি করবি সেটা
তো বল। গীতেশ [মিউজিক] সঙ্গে সঙ্গে বলল,
না কিছু ভাবছিলাম না। তবে এখন ওখানে যাবো
না। কিছুদিন [মিউজিক]
চাকরি করে স্যালারি জমিয়ে তারপর না হয়
যাওয়া যেতে পারে। ঠিক আছে তোর যেটা ভালো
মনে হয় সেটাই হবে।
ঠিক আছে তুই টিভি দেখো আমি রাতের রান্নাটা
করিনি। এই বলে অমলা চায় ট্রেটা নিয়ে
রান্নাঘরে চলে গেল। গীতেশ টিভি দেখতে
লাগলো কিন্তু ভালো লাগছিল না। তাই গীতেশ
রান্নাঘরে গিয়ে দেখলো মা এক মনে গুনগুন
করে গান গাইতে গাইতে রান্না করছিল। গীতেশ
পেছন থেকে অমলাকে একটু হামি দিয়ে জিজ্ঞেস
করল, মা আজ কি রান্না করছো? অমলা চমকে উঠে
হালকা হেসে বলল, আজ ডিমের ঝোলো, ভাত আর
আলু পোস্তা। গীতেশ মায়ের কানে কানে বলল,
তোমার হাতের রান্নার কোন জবাব নেই মা।
অমলা নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বলল, এই
দুষ্টু এখন ছাড় আমায়। না হলে রান্না
করতে দেরি হয়ে যাবে। গীতেশ আরো হামি
দিয়ে বলল, আমার মিষ্টি মায়ের হাতের
রান্নায় আমার মন ভরে যায়। [মিউজিক] অমলা
হেসে বলল, এবার যা এখান থেকে। আমায়
রান্না তা করতে দে। [মিউজিক]
গীতেশ তখন ঘরে চলে এসে আবার টিভি দেখতে
লাগল। প্রায় এক ঘন্টা পরে অমলা এসে
গীতেশের পশে বসল। অমলা পুরো ঘেমে গেছে
রান্না করতে করতে। গীতেশ বলল, মা তুমি তো
ঘেমে গেছো। শাড়িটা চেঞ্জ করে অন্য কিছু
পড়ে নাও। ছেলের কথা শুনে অমলা বলল, আমি
ভাবছিলাম [মিউজিক] তুই কি ভাববি তাই অন্য
কিছু পড়ছিলাম না। গীতেশ অবাক হয়ে অমলার
দিকে তাকিয়ে বলল, আমি আবার কি ভাববো? যাও
চেঞ্জ করে নাও। আমি রান্নাঘরে যাচ্ছি।
অমলা বলল, আমি বাথরুম [মিউজিক] এক্সচেঞ্জ
করে নিচ্ছি। তুই টিভি দেখো। এই বলে অমলা
বাথরুমে চলে গেল। গীতেশ মনে মনে ভাবলো
আরেকটা সুযোগ নষ্ট হলো মাকে ওভাবে দেখার।
অমলা বাথরুমে গিয়ে নিজের গা ধুতে ধুতে
রান্নাঘরে গীতেশের ওরকম ভাবে জড়িয়ে ধরার
কথা ভাবতে লাগল। মনে মনে ভাবছিল গীতেশ কি
তাহলে ইচ্ছে করে ওসব করছিল না? এটা হঠাৎ
হয়েছিল। একটু চোখে চোখে গীতেশকে রাখতে
হবে। কারণ এই বয়সটা খুব বাজে। [মিউজিক]
এসব ভাবতে ভাবতে স্নান শেষ করে কাপড়টা পড়ে
নিল। গীতেশ না থাকলে মাঝে মাঝে অমলা এক
কাপড়েই রাতে ঘুমাতো কিন্তু এখন সেটা আর
হবে না। এমনিতে অমলা খুব ওই স্বভাবের আর
স্বামী মারা যাওয়ার পরে সেটা আরো বেড়ে
গেছে। কিছুক্ষণ পরে অমলা বাথরুম থেকে
বেরিয়ে এসে গীতেশ এর সাথে বসে একসাথে
টিভি দেখতে দেখতে এটা সেটা গল্প করতে
লাগল। রাত প্রায় 10টা বাজে ঘড়িতে। এবার
খাবার পালা তাই অমলা রান্নাঘরে গিয়ে
খাবার বেড়ে নিয়ে এল। গীতেশ আর অমলা
দুজনে মেঝেতে বাবু হয়ে মুখোমুখি বসে খেতে
শুরু করল। গীতেশ খেতে খেতে মায়ের দিকে
তাকাতেই দেখল অমলা নিচু হয়ে যখন খাবার
মুখে দিচ্ছিল তখন মায়েরটা নিচে নেমে
যাচ্ছিল [মিউজিক] আর গীতেশ তা দেখা
যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ অমলা গীতেশের দিকে
তাকিয়ে দেখতে পায় যে গীতেশ ওর দিকে
তাকিয়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে নিজের কাপড়টা
একটু উপরে তুলে নিল। আর তখন গীতেশ আর
অমলার চোখাচুখি হল। [মিউজিক] গীতেশ লজ্জায়
মাথা নিচু করে ভাবতে লাগলো ইশমা এবার
বুঝতে পেরেছে [মিউজিক] বকে না দেয়। কিন্তু
অমলা কিছুই বলল না শুধু বলল খাবারের দিকে
মন দে। [মিউজিক]
গীতেশ হাফ ছেড়ে বাঁচল। এইভাবে দুজনের
খাওয়া শেষ হল। তারপর অমলা সব বাসন ধুয়ে
ঘরে এসে মেজেতে বিছানা [মিউজিক] করতে
লাগল। সেটা দেখে গীতেশ জিজ্ঞেস করল, মা
তুমি কি নিচে শুবে? [মিউজিক] হ্যারে
বিছানায় দুজনের অসুবিধা হবে। গীতের সঙ্গে
সঙ্গে অমলার হাত থেকে সবকিছু কেড়ে
বিছানায় রেখে বলল, এই খাটে আমাদের দুজনের
ভালোমতো হয়ে যাবে। তাই তুমি চিন্তা করো
না। অমলা কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু
গীতেশের জেদে মুখে আর কিছু বলল না।
[মিউজিক]
কিছুক্ষণ পরে লাইট অফ করে দুজনে শুয়ে
পড়ল। গীতেশ ক্লান্ত ছিল তাই কিছুক্ষণের
মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ল। অমলা শুয়ে শুয়ে
সারাদিনের কথা ভাবতে লাগল। বিশেষ করে রাতে
ছেলে যেভাবে এক দৃষ্টিতে তার দিকে
তাকিয়েছিল।
ভাবতে [মিউজিক] ভাবতে একটু তুড়া হয়ে পড়ল।
মনে মনে চিন্তা করল যে এবার থেকে গীতেশের
সবকিছু ভালোমতো লক্ষ্য করতে হবে। এসব
ভাবতে ভাবতে অমলা ঘুমিয়ে পড়ল। চিরকাল খুব
সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা অমলার অভ্যাস।
অমলা ঘুম থেকে উঠে গীতেশের দিকে তাকিয়ে
দেখল গীতেশ গভীর [মিউজিক] ঘুমে আচ্ছন্ন।
একটু নিচের দিকে তাকাতে দেখল গীতেশের হাফ
প্যান্ট তাবু হয়ে গেছে। সেটা দেখে অমলা
মনে মনে ভাবল ছেলে এমন কিছু স্বপ্ন দেখছে
যাতে তাবু হয়ে গেছে। তারপর নিজের মনে
হাসতে হাসতে [মিউজিক] বাথরুমে এ চলে গেল।
তারপর রান্না করে নিজে স্নান করে শাড়ি
পড়ে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে গিতেশকে ডাকল।
গীতেশ ঘুম থেকে উঠে দেখলো মা চায়ের কাপ
হাতে দাঁড়িয়ে আছে একটা সুন্দর [মিউজিক]
শাড়ি পড়ে কটা বাজে মা এত সকালে তোমার
স্নান হয়ে গেছে 10টা বাজছে আমায় একটু
গড়িতার সাথে বেরোতে হবে তোর জন্য রান্না
করা আছে দুপুরে স্নান করে খেয়ে নিস
সন্ধ্যেবেলায় আবার দেখা হবে ঠিক আছে
[মিউজিক] মা তুমি চিন্তা করো না কাল তো
রবিবার কেন কোথাও বেরোবি নাকি গীতেশ অমলার
হাত থেকে কাকটা [মিউজিক] নিয়ে টেবিল রেখে
অমলাকে ধরে একটা পাপ্পা দিয়ে বলল দেখি কি
প্ল্যান করা যায়। অমলা নিজেকে ছাড়াবার
চেষ্টা করে বলল আবার [মিউজিক] দুষ্টুমি
হচ্ছে আমার শাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে। এখন
ছাড়া আমায় পড়ে জড়িয়ে ধরার অনেক সময়
পাবি। তোমায় ছাড়তে ইচ্ছে করছে [মিউজিক]
না মা। এই বলে আবার অমলাকে ধরে গীতেশ আর
মায়ের শরীরের কোমলতা অনুভব করতে থাকে।
[মিউজিক]
অমলার ও ভালো লাগছিল। কিন্তু ওর দেরি হয়ে
যাবে। তাই জোরে করে গীতেশকে সরিয়ে দিয়ে
বলল, আমি এবার আসি। বুঝলি না হলে দেরি
হয়ে যাবে। তুই সময় মতো খেয়ে নিস। ঠিক
আছে মা। তুমি একদম চিন্তা করো না। সাবধানে
[মিউজিক] যেও এরপরে অমলা নিজের শাড়িটা
ঠিক করে গিতেশের দিকে একটা [মিউজিক] হাসি
দিয়ে ঘরে থেকে বেরিয়ে গেল। গীতেশ দরজা
বন্ধ করে ঘরে এসে চা খেতে খেতে চিন্তা করল
কি করবে সারাদিন। [মিউজিক]
কিছুক্ষণ বসার পরে আলমারিটা খুলে মায়ের
ছোট কাপড়গুলো বের করে বিছানায় রাখলো।
দেখলো সেগুলো অনেক পুরনো [মিউজিক] হয়ে
গেছে। কিছুক্ষণ নাক দিয়ে সবগুলো শুকে
আবার যথাস্থানে রেখে দিয়ে আলমারিটা বন্ধ
করে দিল গীতেশ। তারপর গীতেশ ঘরটা আর
রান্নাঘরটা পরিষ্কার [মিউজিক] করল। গীতেশ
মনে মনে একটা মতলব করল কি করে? মাকে
প্রতিদিন ওভাবে দেখা যায় কারণ [মিউজিক]
শাড়ি চেঞ্জ করার সময় বেশিক্ষণ দেখা যায়
না। তাই ভাবলো বাথরুমে একটা ফুটো করতে
পারলে স্নান করা তা ভালোমতো দেখতে
[মিউজিক] পাবে। একটা হাতুড়ি আর পেরেক
নিয়ে বাথরুমের দরজায় গীতেশ একটা ফুটো
করে দিয়ে দেখল যে ফুটোটা একদম সঠিক
জায়গায় হয়েছে যেখান [মিউজিক] থেকে
ভেতরে দৃশ্য ভালোবাসে দেখা যাবে। তারপর
স্নান করে খেয়ে নিয়ে একটু ঘুমোতে গেল
গীতেশ। [মিউজিক]
ঘুম থেকে উঠে দেখলো যে সন্ধে হয়ে গেছে।
আর অমলার আসার সময় হয়ে গেছে। কিছুক্ষণের
মধ্যে দরজায় আওয়াজ শুনে গীতেশ দরজা খুলে
দিয়ে [মিউজিক] দেখল অমলা এসেছে। ভেতরে
এসে অমলা বলল, গীতেশ দুপুরে খেয়েছিলিস
তো? হ্যাঁ মা খেয়েছিলাম। তোমার দিনটা
কেমন কাটলো? [মিউজিক] অমলা বিছানায় বসে
ফ্যানের হাওয়া খেতে খেতে হেসে বলল, আমার
আবার দিন কেমন কাটবে? যেরকম কাটার সেরকম
[মিউজিক] কেটেছে। তুমি যাও বাথরুমে ফ্রেশ
হয়ে এসো। আমি চা বানাচ্ছি। অমলা সেটা
শুনে বাথরুমে চলে গেল। আর গীতেশ ও
রান্নাঘরে চলে গেল। অমলা বাথরুমের দরজা
বন্ধ করতেই গীতেশ দরজায় [মিউজিক] ফুটোয়
চোখ রাখল। গীতেশ শুধু দেখলো লাগলো নিজের
মাকে। আর এক হাত দিয়ে কাজ করতে লাগলো।
এদিকে [মিউজিক] গ্যাসে জল গরম হয়ে ফুটছে
তাই তাড়াতাড়ি চা বানানোতে মন দিল।
কিন্তু কিছুতেই নিজের মন থেকে মায়ের সেই
রূপটা মুছতে [মিউজিক] পারলো না। কিছুক্ষণ
পরে গীতেশের চা বানানো শেষ হলো। এদিকে
অমলার স্নান হয়ে গেছে। আর অমলা বাইরে এল।
ঘরে গিয়ে অমলা চুল আচড়াতে লাগল। আর
গীতেশ চা নিয়ে এসে বিছানায় বসে অমলাকে
দেখছিল। অমলা আয়নায় সেটা দেখে গীতেশকে
জিজ্ঞেস করল সারাদিন কি কি করলি ঘর
রান্নাঘর পরিষ্কার করলাম আর মনে মনে বলল
বাথরুম এ ফুটো করলাম তোমায় দেখবো বলে অমলা
চায়ের কাপটা হাতে [মিউজিক] নিয়ে রান্নাঘরে
গিয়ে দেখলো ছেলে সব ভালোভাবে পরিষ্কার
করেছে আর তারপর ঘরে এসে এদিক ওদিক দেখে
বলল বাবা তুই তো সব পরিষ্কার [মিউজিক] করে
দিয়েছিস আমার লক্ষ্মী ছেলে এই বলে চায়ের
কাপটা টেবিলে রেখে দু হাত বাড়িয়ে [মিউজিক]
বলল আমার লক্ষ্মী ছেলে আয় আমার কাছে
গীতের সঙ্গে সঙ্গে অমলার কাছে ছুটে গেল।
এইভাবে কিছুক্ষণ থাকার পরে দুজন আলাদা
হলো। তারপর অমলা রান্নাঘরে চলে গেল রান্না
করতে আর গীতেশ [মিউজিক] টিভি দেখতে লাগল।
কিছুক্ষণ পরে রান্না শেষ হলে দুজন একসাথে
খেয়ে নিল। আজ ও গীতেশ [মিউজিক] একইভাবে
অমলার দিকে তাকিয়ে গভীরভাবে দেখছিল। আর
আজ অমলা সেটা লক্ষ্য করল। কিন্তু কিছু বলল
না। এইভাবে খাওয়া শেষ করে অমলা আর গীতেশ
[মিউজিক] বিছানায় শুতে এল। দুজনে
পাশাপাশি শুয়ে আছে। ঘরে নাইট বালকটা
জ্বলছে। [মিউজিক]
অমলা চিন্তা করছে গীতেশ কেন বারবার ওর
দিকে তাকিয়ে থাকে। গীতেশের মাথায় শুধু
মায়ের স্নান করার দৃশ্যগুলো আসছিল। এইভাবে
দুজন ঘুমিয়ে পড়ল। মাঝরাতে গিতেশ টয়লেট
এগিয়ে ফিরে এসে নাইট বাল্বের আলোয়ে দেখল
লাহোরটা উপরে উঠে গেছে। গীতেশ [মিউজিক]
আস্তে আস্তে এসে অমলাকে দেখতে লাগল। তারপর
গীতেশ মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখল মা গভীর
ঘুমে আচ্ছন্নতায় সাহস করে মায়ের কাছে
এগিয়ে গেল। খুব ভালোই লাগছিল গীতেশের।
[মিউজিক]
হাত দিতেই সঙ্গে সঙ্গে অমলা একটু নড়ে
উঠল। সেটা দেখেই ভয়ে গিতেশ তাড়াতাড়ি
[মিউজিক] হাত সরিয়ে নিয়ে বিছানায় শুয়ে
পড়ল। অমলা তখন পাশ ফিরে শুল। গীতেশ
[মিউজিক] আর কিছু না করে আস্তে আস্তে
ঘুমিয়ে পড়ল। পরের দিন সকালে অমলা ঘুম
থেকে উঠে [মিউজিক] তাড়াতাড়ি নিজেকে ঠিক
করে নিয়ে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে দেখল ছেলে
উপুর হয়ে ঘুমে মগ্ন। তারপর বাথরুমে চলে
[মিউজিক] গিয়ে নিজেকে ফ্রেশ করে অমলা চা
বানাতে লাগল। গীতেশ উঠে ড্রেস চেঞ্জ করে
বাজারে চলে [মিউজিক] গেল। অমলা ভাবতে
থাকলো কি হচ্ছে এসব? হোস্টেল থেকে ফেরার
পর থেকে গীতেশের আচরণের [মিউজিক] কেমন
পরিবর্তন এসেছে। এসব ভাবতে ভাবতে ঘরে
গিয়ে বসল। বাজার যেহেতু অনেক দূরে তাই
গীতেশের ফিরতে ফিরতে আরো এক দুই ঘন্টা
লাগবে। এদিক ওদিক দেখতে দেখতে হঠাৎ দেখল
গীতেশের বই এর [মিউজিক] তাকে বইগুলো কেমন
যেন অগোছালো আছে। তাই অমলা বইগুলো তার
থেকে নামিয়ে ঘুচাতে লাগলো। আর মনে
[মিউজিক] মনে ভাবলো ছেলে ঘর রান্নাঘর সব
পরিষ্কার করেছে অথচ নিজের বইয়ের তাক
সাজাতে ভুলে গেছে। একটার পর একটা বই
সাজিয়ে রাখতে রাখতে অমলা দেখল একটা মোটা
বইয়ের ভেতর কিছু যেন আছে। বইটা খুলতেই
দেখলো একটা [মিউজিক] পাতলা বই মলার দেয়া।
অমলা ভাবতে লাগলো কি বই যে মোটা বইয়ের
ভেতরে গীতেশ রেখেছে। গল্পের বইটা হাতে
নিয়ে একটা পাতা উল্টোতেই কভার ফটো। আর
নাম দেখে অমলা চমকে উঠল। বই এ যা দেখলো
তাতে তো নিজের চোখকে [মিউজিক] বিশ্বাস
করতে পারছে না। এও কি সম্ভব? পাতা
উল্টাতেই দেখলো মা ছেলের গল্প। [মিউজিক]
সূচিপত্র দেখে আরেকবার চমকালো অমলা। একটা
গল্পের কিছুটা অংশ পড়ল। অবাক হয়ে ভাবতে
লাগলো এটা [মিউজিক] কিভাবে সম্ভব? আর
গীতেশ এই বই পেল কোথায়? তাহলে কি এসব
গল্প পড়েই সে আমাকে নিয়ে ওসব কথা ভাবে।
অমলা বিছানায় শুয়ে শুয়ে দুটো গল্প শেষ
করল [মিউজিক] এবং এতটাই উত্তেজিত হয়ে গেল
যে বিছানায় শুয়ে শুয়েই তারপর বইটা
জায়গা মতো রেখে দিয়ে বাথরুমে চলে গিয়ে
অমলা নিজেকে পরিষ্কার করল। অনেকদিন পরে আজ
অমলা খুব উত্তেজনা অনুভব করল। হঠাৎ দরজার
আওয়াজ শুনে অমলা দরজাটা খুলে দেখল গীতেশ।
গীতেশ ভেতরে এসে মাংসটা মায়ের হাতে দিল।
মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখল মায়ের কপালে
ঘাম আর মায়ের চোখ [মিউজিক] মুখটা কেমন
যেন লাগছে। সঙ্গে সঙ্গে গীতেশ মায়ের দু
গালে দুটো হাত রেখে জিজ্ঞেস করল মা তোমার
কি শরীর খারাপ লাগছে এত ঘেমে আছো [মিউজিক]
কেন? অমলা নিজের ঘুমটা মুছে বলল কিছু না
বাবা গরম করছিল তাই। গীতেশ তখন [মিউজিক]
বলল ঠিক বলেছো মা। আজ বেশ গরম। গীতেশ বলল,
মা [মিউজিক] আমি একটু বেরচ্ছি। এক বন্ধুর
সাথে দেখা করে চলে আসব।
ঠিক আছে বেশি দেরি করিস না আমি রান্না
তাড়াতাড়ি করে নেব এই বলে গীতেশ বেরিয়ে
গেল [মিউজিক] অমলা দরজা বন্ধ করে ভাবল
আরেকটু হলেই ছেলে বুঝতে পারতো যে এটা
গরমের ঘাম নয় এটা অন্য কিছুর ঘাম এই ভেবে
নিজের মনে হাসতে লাগলো গল্পের বাকি অংশ
পরের ভিডিওতে দেওয়া হবে তাই সবাই
চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব [মিউজিক] করে রাখো
Comments
Post a Comment