মা ছেলে ছেলে আমাকে টানা ১ ঘণ্টা ছুদলো দেখুন
দরজার ফাঁক দিয়ে ভিডিও করতে লাগলাম
আম্মুর আর জাহিদ ভাইয়ার ও সমস্ত দৃশ্য।
ওরা দুইজন কাজকর্মে ব্যস্ত ছিল। আমার
আম্মু তানিয়া আফরোজ 34 বছর বয়সী একজন
মহিলা। আজই প্রথম আমি মাকে অসামাজিক কাজ
করতে দেখলাম এবং বুঝতে পারলাম আমার মায়ের
শারীরিক গঠন পুরো পারফেক্ট। আমি নিঃশব্দে
ভিডিও করে গেলাম। মায়ের অসামাজিক কাজকর্ম
সমাপ্ত হয়ে গেলে। আমি আস্তে করে আমার
রুমে চলে গেলাম। এরপর অল্প সময় পরে আবার
মায়ের গোঙ্গা নিঃশব্দ ওরা আবার অতিরিক্ত
চাহিদা পূরণ করছে। এবারেও ভিডিও করতে
লাগলাম। হঠাৎ খেয়াল করলাম চারটা বাজে।
আম্মু ঘুড়ির দিকে তাকিয়ে জাহিদ ভাইয়াকে
তাড়াতাড়ি ওসব কাজকর্ম সারতে ইশারা করল।
বুঝতে পারলাম ওরা আমার বাসায় ফেরার টাইম
হয়েছে দেখেই তারা হুড়ো করছে। আমিও দরজা
খুলে ব্যাগ নিয়ে বাইরে গেলাম এবং 4টা 15র
দিকে বাসায় ঢুকলাম। দেখলাম জাহিদ ভাইয়া
সোফায় বসে আছে। আম্মু তার রুমে শুয়ে
আছে। কেউ চিন্তাও করতে পারবে না। এরা একটু
আগে অসামাজিক কার্যকলাপে ব্যস্ত ছিল।
আমাকে পড়ানোর মাঝে আম্মু হালকা নাস্তা
দিয়ে গেল।
জাহিদ ভাই আম্মুকে খালা ডাকে। আম্মু যখন
খালি চায়ের কাপ আর প্লেট নিতে এল তখন
জাহিদ ভাই মুচকি হেসে বলল, খালাম্মা চাটা
খুব মজার ছিল। জবাবে আম্মু শুধু হাসলো।
ঘন্টাখানিক পড়ানো শেষে জাহিদ ভাইয়া চলে
গেল। আমি পরিকল্পনা করতে লাগলাম মাকে
কিভাবে ভিডিওগুলো দেখাবো। অনেক ভেবে
চিন্তা করলাম সরাসরি ভিডিওগুলো মাকে
দেখিয়ে দিব। এখানে ঝুঁকি সব আম্মুর তাই
আম্মু আমাকে কিছুই বলতে পারবে না। রাতে
খাবার খাওয়া শেষে আম্মু টিভি দেখছিল।
আমি আমার ফোনের সাথে টিভি কানেক্ট করে
ভিডিও চালিয়ে করে দিলাম। হঠাৎ এমন কিছু
দেখার জন্য আম্মু মোটেও প্রস্তুত ছিল না।
আমি আম্মুর পাশে বসেছিলাম।
আম্মু আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
আমি আম্মুকে বললাম, জাহিদ যেন এ বাসায় আর
না আসে। আম্মু আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলল
এসব যেন বাবাকে না বলি। তখন আমি আম্মুর
কাঁধে হাত রেখে বললাম, তুমি আমার দিকটা
বিবেচনা করলে আমিও তোমার দিকটা বিবেচনা
করব। এরপর আমি নিজেকে মায়ের সামনে উৎসর্গ
করে দিলাম। আম্মু আমার ওই দিকে দেখে হা
করে তাকিয়ে রইল। জাহিদের থেকে আমার তিন
ভাগের এক ভাগ। তাই আম্মু হয়তো মনে মনে
খুশি হল। কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করলাম।
আম্মু কিছুই সাড়া দিল না। আমি ফোন হাতে
নিয়ে বাবাকে সব দেখানোর ভয় দেখালাম। আম্মু
আর কিছু না করে বাধ্য মেয়ের মতো আমাকে তার
স্বামীর অধিকার দিল। আর আমরা দুজন সুখের
সাগরে ভেসে গেলাম। কিন্তু আমি প্রথম হওয়ায়
বেশিক্ষণ সুখের সাগরে ভাসতে পারলাম না।
আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমি আম্মুকে
ছেড়ে আমার রুমে চলে গেলাম। কিছুক্ষণ পর
আম্মু আমার রুমে এল। আমি বিছানায় মন খারাপ
করে শুয়েছিলাম।
আম্মু আমাকে ডাকলো। আমি ঘুরে আম্মুর দিকে
তাকালাম। আম্মু সম্পূর্ণ সেই রূপে আমার
রুমে এসেছে।
আমার দিকে তাকিয়ে আম্মু মুচকি হাসি দিল।
আমি উঠে বসলাম। আম্মু আমার বিছানায় উঠে এল
এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে মমতার ছোঁয়া দিল।
এরপর আমার চোখে চোখ রেখে বলল প্রথম প্রথম
ভ্রমণের সময় এমন দ্রুত সব শেষ হতেই পারে
এসব নিয়ে মন খারাপ করার কিছু নেই। আম্মু
আরো বলল সে আমাকে সব শিখিয়ে দিবে এবং
কিভাবে কি করতে হয় বুঝাবে। এরপর আম্মু
আমাকে নিয়ে সেই সুখের রাজ্যে পাড়ি দিল।
আম্মু এবার আমাকে শিখাতে লাগলো কিভাবে
ভ্রমণ করতে হয়। আমিও উপভোগ করতে লাগলো
সেই সব দৃশ্য। বড় বড় পাহাড় নদী গুহা কি
মনোরম দৃশ্য গুহার ভিতরে সিংহ খেলা করছে
সে বাইরে আসছে আবার লাফ দিয়ে গুহার ভেতরে
যাচ্ছে একটুও ক্লান্ত হচ্ছে না কি অপূর্ব
সেই দৃশ্য আমি আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে
পারলাম না সমুদ্রে পানি দিয়ে আম্মুকে
স্নান করাই আম্মু রেগে মেগে আগুন হয়ে গেল
আম্মু আমার সাথে বেশ কিছুক্ষণ রাগ দেখালো
এবং বলল এত অসতর্ক হলে কিছুই সম্ভব না।
আম্মুর নিয়মিত ওসব হয় তাই অসুস্থ হবার
চিন্তা। তাই আম্মু আমার সাথে রাগ দেখালো।
সকাল সকাল ঘুম থেকে তুলে দিয়ে আম্মু আমার
হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলল, অপরিচিত কোন
ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে আসতে। আরো বলল,
দোকানে ঢুকবার আগে যেন দেখে নেই সেখানে
পরিচিত কেউ আছে কিনা এবং অবশ্যই যেন মাস্ক
পড়ি। যেমন কথা তেমন কাজ। আমি পাঁচ
প্যাকেট ওষুধ কিনে বাসায় আসলাম। মা তখন
রান্না করছিল। আমি জিনিসগুলো নিয়ে
রান্নাঘরে গেলাম। মা আমাকে দেখে হাসি মুখে
জানতে চাইল সব এনেছি কিনা এবং কেউ দেখেছে
কিনা। তখন আমি জানালাম কেউ দেখেনি এবং
আম্মু যা চেয়েছে সব নিয়ে এসেছি। আম্মু
তখন খাবার টেবিলে রাখা প্যাকেটটা খুলে
দেখতে লাগল। তিন রকমের ফ্লেভারের জিনিস,
পাঁচ প্যাকেট ঔষধ। আম্মু আমাকে জড়িয়ে
ধরে বলল, হ্যাঁ সব ঠিক আছে।
ঘড়িতে সাড়েন টার এলার্ম বেঁচে উঠলো।
আমাকে স্কুলে যেতে হবে। আম্মু আমাকে ছেড়ে
দ্রুত আমার খাবার টেবিলে রাখলো। আমি
স্কুলে যাবো না বলে বায়না করলে মা আমার
মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল স্কুলে
যেতে। স্কুল থেকে ফিরলে চমক পাবো। স্কুল
ছুটি হবার পর আমি রকেটের মতো বাসায় এলাম।
বাসায় ঢুকে প্রথমে যে বিষয়টা মাথায় এলো
তা হলো মা জাহিদের সাথে কিছু করছে না তো?
আমি স্কুলে যাবার আগে মায়ের রুমে স্পাই
ক্যামেরা বসিয়েছিলাম।
তাড়াতাড়ি সেটা চেক করতে গেলাম। না মা
জাহিদের সাথে কিছুই করেনি বরং জাহিদ
মায়ের গায়ে হাত দিতে নিলে মা জাহিদকে
সরিয়ে দিয়েছে। আরো ভালো করে দেখে বুঝলাম
মা জাহিদের সাথে সব সম্পর্কে শেষ করে
দিয়েছে। মনে মনে ঠিক করবো মাকে এসব
বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করবো না। সে নিজে
থেকেই যেহেতু জাহিদকে না করেছে তাহলে আর
আমার পক্ষ থেকে চাপ দেয়ার প্রশ্ন থাকে
না। মা আমাকে বাসায় ঢোকার সময় দেখেছিল।
আমার রুমে এসে আমাকে ফ্রেশ হতে বলে গেল।
ফ্রেশ হয়ে আসতেই মা আমার জন্য হালকা
খাবার দিল। আমি মাকে বললাম, সকালে স্কুলে
যাবার সময় যে চমকের কথা বলেছিল সেটা কই?
মা তখন আমাকে কানমলা দিয়ে বলল,
তাড়াতাড়ি খাবার খেতে তাহলেই পাবো। এরপর
মা তার রুমের দিকে চলে গেল। মা তার রুমে
গুছাচ্ছিল।
আমি বিছানায় বসে জানতে চাইলাম সারপ্রাইজ
কোথায়। তখন মা আমার পাশে এসে বসলো। বুকে
হাত রেখে বলল আজ থেকে মা আর আমার সম্পর্ক
স্বামী স্ত্রীর মত এবং আম্মু আমাকে বলল
আম্মুর খুব ইচ্ছা বাবাকে যে অধিকার দেয়নি
আজ আমাকে সেই অধিকার দিচ্ছে আমি যেন তার
সমস্ত চাহিদা পূরণ করি বাবা আম্মুর ওসব
ইচ্ছা আগ্রহ প্রকাশ করেনি আর জাহিদের সাথে
সেসব বলার আগেই আমি সব দেখে ফেলি আর মা
তাই চায় আমি যেন তার ইচ্ছা পূরণ করি এবং
এটাই সারপ্রাইজ
বিভিন্ন ইংলিশ ভিডিও দেখে ওসব ইচ্ছের
প্রতি আমারও আগ্রহ আছে। আমিও এইভাবে সুখ
দেব মনে মনে চিন্তা করেছিলাম। মা নিজে
যেহেতু চাইছে তাই আমার কাছে চাঁদ পাওয়ার
মতো মনে হলো। মায়ের গায়ে হাত রেখে মাকে
বললাম মা যা চাইবে তাই হবে। এরপর আমি
আম্মুকে সেই ইচ্ছা পূরণ করলাম যে ইচ্ছা
বাবা আমাকে পূরণ করেনি। কি অসাধারণ
অনুভূতি অনুভব করলাম। আমি প্রথম তাই
নিজেকে ভাগ্যবান মনে হলো। দেখি মা সোজা
হয়ে শুয়ে আছে। চেপ বেয়ে পানি ঝরছে।
আম্মুকে জিজ্ঞেস করলাম কাঁদছো কেন? আম্মু
হেসে উত্তর দিলে সব চোখের পানি কষ্টের হয়
না। কিছু পানি সুখেরও হয়। আম্মু উঠে
আমায় ভালোবাসতে লাগলো। এমন সময় আম্মুর
ফোন বেজে উঠল। আব্বু ফোন করেছে। আম্মু
আমাকে আওয়াজ করতে না করে ফোন ধরল। আব্বুর
সাথে কথা বলা শুরু করল। আব্বু আমাদের
খোঁজখবর নিতে লাগলো। আম্মুর সাথে
রোমান্টিকভাবে কথা বলতে লাগলো। আম্মু কথা
বলল। আব্বু ফোন রাখার কোন নামই নিল না।
তখন আম্মু নেটওয়ার্কের বাহানা দিয়ে। পরে
কল দিবে বলে ফোন রেখে দিয়ে ফোন বন্ধ করে
দিল। ফোন রেখেই আম্মু আমার সাথে সেই
নিষিদ্ধ ভালোবাসায় অবাধ্য হয়ে পড়ল। বেশ
কিছুক্ষণ ভালোবাসা বিনিময় করার পরে আমরা
ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন স্কুল শেষে শপিং
মলে গেলাম বন্ধুদের সাথে। এক বন্ধুর
জন্মদিন তার জন্য উপহার কিনতে। শপিং করতে
করতে আমার চোখ পড়লো একটা স্কার্টের দিকে।
স্কার্টটা দেখেই তাতে আম্মুকে কল্পনা
করলাম। বন্ধুদের বিদায় করে আমি চুপি চুপি
দোকানে গেলাম। দোকান খালি হতেই ঢুকলাম।
একটা কম বয়সী ছেলে দোকান চালায় তাকে
সোজা স্কার্টটি দেখালাম। সে বলল এটা
নামানো যাবে না। এটা ডিসপ্লে। তবে সে একটা
বক্স বের করল যাতে এমন অনেক স্কার্ট ছিল।
আমি কয়েকটা ভিন্ন ডিজাইন ও রং এর স্কার্ট
কিনলাম।
টাকা দিয়ে দ্রুত বের হয়ে গেলাম দোকান
থেকে। বাসায় এসে মাকে উপহার দিলাম না।
পরদিন সারপ্রাইজ দিব। ফ্রেশ হয়ে খাবার
খেলাম। সব স্বাভাবিকভাবেই চলল। খাওয়া
শেষে আমি আর আম্মু একসাথে টিভি দেখতে
বসলাম। আম্মু বাসায় কাপড় পড়ে থাকে।
আজকেও তেমনি পড়ে আছে। আম্মু আর আমি একদম
পাশাপাশি বসে আছি। টিভিতে হঠাৎ রোমান্টিক
এড এলো। বেশ লম্বা অড এবং কয়েকবার রিপিট
হলো। আম্মু তার শাড়ির আঁচলটা হালকা
নামিয়ে নিল। সেই সাথে আমি আমার শরীরে
হাতের উপস্থিত অনুভব করলাম। আমার বুঝতে
বাকি নেই আম্মুর চাহিদা কি। আমি আম্মুর
চাহিদা পূরণ করে আম্মুকে শান্ত করলাম।
এভাবেই কাটলো বিকাল। রাতে খাওয়া-দাওয়া
শেষে আম্মু আম্মুর রুমে যেতে লাগলো। আমায়
বলল পড়া শেষে তার রুমে যেতে। আমি তখন
মাকে বললাম, আম্মু যে না এখন থেকে আমার
রুমে থাকে। মা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, ঠিক
আছে। আমি আমার পড়ার টেবিলে বসে স্কুলের
হোমওয়ার্ক রেডি করছিলাম। আম্মু বিছানায়
বসে গায়ে লোশন মাখছিল।
গ্রেসিং টেবিলের আয়নাতে দেখলাম মা তার
গায়ে বিদেশী লোশন ময়েশ্চারাইজার মাখছে।
বিভিন্ন জায়গার জন্য বিভিন্ন কৌটা
ব্যবহার করছে। মায়ের রূপচর্চার এত
বিস্তার দেখেই বুঝলাম মা এই বয়সেও এত
সুন্দরী এবং তার শরীর যুবতী মেয়েদের মত
কেন? আমার হোমওয়ার্ক করতে করতে অনেক রাত
হলো। আম্মু গায়ে চাদর দিয়ে ঘুমিয়ে
পড়ল। আমি লেখা শেষ করে আম্মুর পাশে শুয়ে
পড়লাম। আম্মুর ঘুম অনেক হালকা। ঘুম ভেঙে
গেল। আমার দিকে ফিরে জানতে চাইলে
হোমওয়ার্ক শেষ কিনা। আমি মাথা নেড়ে হ্যাঁ
বললাম। আম্মু তখন আদর করে বলল, এবার তাহলে
বাকি কাজ করা যাক। আমিও আম্মুর ইশারাতে
সঙ্গ দিলাম। এরপর কিছুক্ষণ দুজন শুয়ে
রইলাম। বিভিন্ন কথা বললাম এবং কথা বলা
শেষে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে আমি স্কুলে
যাবার জন্য রেডি হয়ে গেলাম। আম্মুর জন্য
আনা গিফট রান্নাঘরে রেখে আমি চলে গেলাম।
স্কুল শেষে বাসায় ফিরে দেখি আম্মু টিভি
দেখছে। আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে
এসে দেখি আম্মু স্কার্ট পড়ে বসে আছে।
আমার খুব আনন্দ হলো আম্মুর কাছে যেতেই
আম্মু আমাকে ধন্যবাদ দিল। এরপর আবারও সেই।
আম্মুর আর আমি টিভি দেখছি। তখনই বাবার
ফোন। ফোন ধরার পর জানতে পারলাম আব্বু দেশে
ফিরছে। আজকে রাতে ফ্লাইট কাল সকালে দেশে।
এত বছর পর বাবা দেশে ফিরবে সবার খুশি হবার
কথা। কিন্তু দুজনেরই মন খারাপ। মা আমার
ঝিরিয়ে ধরে বলে সে আমাকে ছাড়া থাকতে
পারবে না। তখন আমি মাকে আশ্বস্ত করি একটা
ব্যবস্থা করে নিব। পরের দিন বাবাকে আনতে
আমরা এয়ারপোর্টে গেলাম। মা একটা শাড়ি
পড়েছিল। ভেবেছিল বাবার পছন্দ হবে। কিন্তু
হলো না বাবা সৌদিতে একটা তেলের কোম্পানিতে
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আছে। সেখানে একজনের
সাথে থেকে বাবা ধর্মের প্রতি মনোযোগী
হয়েছে গত কয়েক বছরে। দেশে এসে মাকে
এভাবে দেখে তাই বাবা সেটা পছন্দ করেনি।
বাসায় এসেই বাবার নতুন নতুন নিয়ম শোনানো
হলো আমাদের। আমার জন্য কয়েকটাই। তবে
মায়ের জন্য অনেক নিয়ম। মা এখন থেকে
পর্দা পড়বে। একদম পায়ের পাতা থেকে মাথার
চুল পর্যন্ত ঢেকে রাখবে। বাসায় সেলোয়ার
কামিজ ছাড়া কিছুই পড়তে পারবে না।
সেলোয়ার কামিজের সাথে হিজাব সবসময়।
সেলোয়ার কামিজ হতে হবে একদম ঢিলেঢালা।
বাবা একটা লাগেজ মাকে দিয়ে বলে তার
প্রয়োজনীয় সব আছে। আমি আর মা লাগেজ খুলে
দেখি অনেকগুলো বোরকা, হিজাব আর সেলোয়ার
কামিজ। মা সবই মেনে নিল। মাকে একা পেয়ে
জানতে চাইলাম মা সব মেনে নিলে কেন? মা তখন
বলল সে পর্দা পড়লেও তার কোন সমস্যা নেই।
কারণ তার নাবোর বাড়ির ভিতরেই থাকে। বাবা
আসার পর আমার আর মায়ের মাঝে সম্পর্ক বন্ধ
হয়ে গেল। বাবা সারাদিনই বাসায় থাকে তাই
সুযোগই মিলে না। দুইদিন এভাবে কাটার পর মা
আমাকে জিলিয়ে ধরে কেঁদে দিল। বাবা মাকে
পরিতৃপ্ত সুখ দিতে পারে না কারণ বাবার
বয়স হয়েছে। দুপুরে খাবার সময় বাবা
জানালো সে বাসায় বসে বোর হচ্ছে বিকালে
বাইরে যাবে। শুনে মায়ের চোখে মুখে খুশির
আলো জ্বলে উঠলো। বাবা বের হবার সময় আমি
সোফায় বসেছিলাম।
আম্মু বাবাকে বিদায় করে দরজা বন্ধ করেই
তার হিজাব খুলে ফেলল। সারাক্ষণ হিজাব পড়ে
থাকায় আম্মুর যেন দম বন্ধ হয়ে আসতো।
আমার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো। আমি উঠে
গিয়ে মাকে আপন করে নিলাম। মনে হলো হাজার
বছর আলাদা থাকার পর আমরা এক হতে যাচ্ছি।
এরপর মাকে মন মত শান্ত করলাম। বাবা ফিরে
আসার সময় হয়ে যাওয়ায় আমরা দ্রুত গোসল
করে পরিপাটি হয়ে গেলাম। রোজ এভাবেই চলল।
বাবা বাসায় না থাকলেই আমাদের নিষিদ্ধ
ভালোবাসা শুরু হতো। আম্মু বিভিন্ন
বাহানায় বাবাকে বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে
দিত। দেখতে দেখতে বাবার ছুটিও কমে এল।
বাবা আম্মুকে নিয়ে একা ঘুরতে যাবে বলে
ঠিক করল। আম্মু আর বাবা দুজনে কক্সবাজার
যাবে ঘুরতে। আমি আর বোন খালার বাসায় চলে
যাব। মায়ের ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু বাবার
মুখের উপরে মা কিছুই বলল না। আমি মন খারাপ
করলেও প্রকাশ করলাম না। কারণ তাতে হিতে
বিপরীত হতে পারে। তবে ভাগ্য আমাদের
সহায়তা করল। ঘুরতে যাবার জন্য বাবা টিকিট
হোটেল থেকে শুরু করে সব রেডি করার পর
বাবার কোম্পানি থেকে ফোন এলো ইমারজেন্সি
বাবাকে খুলনা যেতে হবে। যেদিন বাবা মা
কক্সবাজারের জন্য রওনা দিত কোম্পানি থেকে
ঠিক সেদিন বিকালের ফ্লাইটের টিকিটই
পাঠিয়ে দিল। বাধ্য হয়ে বাবাকে চলে যেতে
হলো এবং বাবার জায়গায় আমাকে ঘুরতে যেতে
বলা হলো। আম্মু তখন এমন একটা ভাব করল যেন
আম্মু এতে খুবই কষ্ট পেয়েছে এবং মন খারাপ
করেছে। বাবা আম্মুকে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে
বললেন। আম্মু বাবাকে বলল না গেলে চলবে
কিনা। তখন বাবা মাকে বলল ইমারজেন্সি না
হলে বাবা থাকতো। আম্মু তখন নেকা কান্না
করল এবং বাবাকে খুলনার ফ্লাইটের জন্য
বিদায় বলে মা আর আমি লোকাল ফ্লাইটের
যাত্রীদের অপেক্ষা করার জায়গায় বসে
রইলাম। আমাদের ফ্লাইট বিকেল পাঁচ টায়
বাবার ফ্লাইট বিকেল চারটায় এনাউন্সমেন্টে
জানানো হলো খুলনাগামী প্লেন টেকঅফ করেছে
তখন আমি আর মা হাফ ছেলে বাঁচার মত অবস্থা
এয়ারপোর্টের ভিতরে আমরা কিছুক্ষণ মুক্ত
মনে ঘুরে বেড়ালাম আম্মুকে আমাকে দাঁড়
করিয়ে ওয়াশরুমে গেল ওয়াশরুম থেকে আম্মু
বের হলো বোরকা খুলে মায়ের পরণে তখন
সিল্কের পাতলা শাড়ি ছিল গায়ের ব্লাউজ ছিল
হাতা কাটা এবং বড় গলার শাড়ি পড়েছিল
আম্মু। আম্মুকে দেখতে খুবই আকর্ষণীয়
লাগছিল। আম্মুকে এইভাবে দেখে আমিতো হয়ে
গেলাম। ততক্ষণে আমাদের ফ্লাইটের সময় হয়ে
গেল। আমরা চেকিং এর কাজ শেষে বিমানে উঠে
পড়লাম। প্লেনের জোয়ান বুড়ো সবাই মায়ের
দিকে হা করে তাকিয়ে রইল। মা আর আমি
দুজনেই প্রথমবারের মতো বিমানে উঠেছি। বেশ
ভীত ছিলাম। প্লেনটেক অফের কিছুক্ষণ পরেই
আমরা অনেক উঁচুতে পৌঁছে গেলাম। আধা ঘন্টার
ব্যবধানে আমরা কক্সবাজার বিমানবন্দরে
পৌঁছে গেলাম। বিমানবন্দরের কাজ শেষে আমরা
নির্দিষ্ট হোটেলে চলে গেলাম। আর এভাবেই
আমাদের হানিমুন সমাপ্ত করলাম। বন্ধুরা
গল্পটি এখানেই সমাপ্ত করলাম। আরো নতুন
নতুন গল্প পেতে আমাদের চ্যানেলটি
সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। দেখা হচ্ছে পরের
ভিডিওতে। ভালো থাকবেন সবাই।
Comments
Post a Comment