ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে ছুদলো



আপন বোনের সাথে কাজ করলাম বাড়িতে একা


পেয়ে গল্পটি সম্পূর্ণ শুনলে আপনার পাইপ


দিয়ে পানি চলে আসবে তাই হাতের কাজ করার


আগে হাতের কাছে টিস্যু রাখুন আমাদের


পরিবারে আমরা তিনজন মা আমি রাজ এবং আমার


ছোট বোন নীরা মা একটি সরকারি চাকরি করেন


এবং বাবার সম্পর্কে আমাদের জীবনে কোন খবর


নেই শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে আমাদের


বাড়িটি একান্ত একটি জগত মা সকালবেলা কাজে


বেরিয়ে যাওয়ার পর আমাদের বাড়িতে একা


থাকার অভিজ্ঞতা শুরু হয় একমাত্র সঙ্গী


আমি আর নীরা তার বয়স মাত্র 10 বছর কিন্তু


সে যে কতটা স্মার্ট এবং বুদ্ধিমান তা বোঝা


কঠিন একদিন সকালে মা কাজের জন্য বেরিয়ে


গেলেন মা চলে যাওয়ার পর আমি বাড়িতে একা


বসেছিলাম একা থাকতে থাকতে মাথায় নানা আজে


বাজে চিন্তা আসতে শুরু করল এমন সময় হঠাৎ


করেই দেখি নীরা গোসলের জন্য বাথরুমে


ঢুকেছে একটি অদ্ভুত চিন্তা মাথায় ঘুরতে


লাগল মোবাইল ফোনটি হাতে নিয়ে আমি নীরার


গোসলের এর ভিডিও করতে শুরু করলাম। সেই


মুহূর্তে আমি কি করছিলাম তা আমি জানতাম


না। রাতে একা বসে সেই ভিডিওগুলো দেখতাম


এবং অদ্ভুত আওয়াজ করতাম। জানতাম এটার কোন


সঠিকতা নেই কিন্তু আমার মনে তখন অনেক


অদ্ভুত এবং মজাদার চিন্তা চলছিল। কিন্তু


একদিন ঘটে গেল একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। আমি


যখন ভিডিও দেখছিলাম, হঠাৎ করেই নীরা


চিৎকার করে উঠলো। মা জানালার ফাঁক দিয়ে


দেখে নিলেন, আমি মোবাইলে কি দেখছি এবং


অদ্ভুত আওয়াজ করছি। মা তখন দ্রুত আমার


দিকে নজর দেন নীরা তখন বুঝতে পারে কেউ


হয়তো তাকে লুকিয়ে দেখছে তার মনে সন্দেহ


জাগে কিন্তু সে সরাসরি কিছু বলতে পারল না


রাজ তুমি কি করছো নীরা প্রশ্ন করে আমি


কিছু বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু ভাষা আটকে


গেল আমাদের মধ্যে তখন অদ্ভুত একটি নীরবতা


বিরাজ করছে নীরা বুঝতে পারো যে কেউ হয়তো


তাকে লুকিয়ে দেখছে কিন্তু বাইরে এসে


কাউকে দেখলো না নীরা সবসময় খুব খুব


বুদ্ধিমতী সে জানো কিছু একটা ভুল হচ্ছে।


কিন্তু সে আমাকে সরাসরি কিছু বলতে পারলো


না। আমার কাছে মনে হলো যা ঘটছে তা আমাদের


মধ্যে রয়ে যাবে কিন্তু ভিতরে ভিতরে আমি


জানতাম এটি আমাদের জীবনের নতুন অন্ধকারে


নিয়ে যাবে। এভাবে সময় যেতে লাগলো আমি


আরো কিছু করতে লাগলাম। কখনো মনে হতো নীরা


জানে আমি কি করছি। কখনো আবার মনে হতো সে


কিছুই জানে না। এর মধ্যে নীড়া তার ছোট


বন্ধুদের সাথে খেলতে চলে যেত। কিন্তু আমি


পিছনে থাকতাম তাকে লুকিয়ে দেখার অদ্ভুত


অনুভূতি নিয়ে আমার কাছে তখন সবকিছু


অদ্ভুত লাগছিল বাড়িতে একা থাকার সময় আমি


নীরাকে নিয়ে আরো অনেক আজেবাজে চিন্তা


করতে লাগলাম এই ঘটনা আমাদের সম্পর্কের


মধ্যে অদ্ভুত উত্তেজনা তৈরি করছিল যার


পরিণতি আমরা কেউই বুঝতে পারছিলাম না সময়


যেতে যেতে আমি বুঝতে পারছিলাম যে নীরার


প্রতি আমার এই অদ্ভুত আকর্ষণ কেবলমাত্র


একটি ক্ষনিকের ব্যাপার নয় বরং এটি যেন


আমার অন্তরে অদৃশ্য সুত দিয়ে বাধা ছিল।


তার ইনোসেন্টলি জীবনযাপন, তার হাসি এবং সে


যখন খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে সবকিছুই আমাকে


আরো গভীরভাবে টানে। একদিন মা অফিসে


যাওয়ার সময় আমাকে বললেন, রাজ তুমি


বাড়ির খেয়াল রেখো। আর নীড়ার খেয়ালও ও


আমি মাথা ঝোকানোর সাথে সাথে নীড়া আমার


দিকে কৌতুহলী দৃষ্টিতে তাকাল। মা চলে


যাওয়ার পর আমাদের মাঝে কেবল নীড়ার খেলা


আর আমার অদ্ভুত চিন্তাভাবনা। নীরা তখন


বাথরুমে গিয়েছিল। আমি আবারো মোবাইল ফোনটি


হাতে তুলে নিলাম। আজকের ভিডিওটি ভিন্ন হবে


আমার মন তখন এই চিন্তাভাবনার দিকে গতি


পাচ্ছিল। সে যখন গোসল করতে ব্যস্ত আমি


সুযোগ নিলাম। কিন্তু আজ আমার মনে অদ্ভুত


এক দ্বন্দ্ব চলছিল। আমি জানি এটা ঠিক নয়।


কিন্তু আগের মতো আর নিজেকে আটকে রাখতে


পারছিলাম না। ভিডিওটি শুরু করার পর হঠাৎ


করেই নীরার ভয়ানক চিৎকার শুনলাম। আমি


মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে গেলাম। রাজ তুমি


কি করছো তার গলার আওয়াজে আমাকে জ্যান


সজাগ করল আমার মনে হলো সে সবকিছু বুঝতে


পারছে এরপর আমি ফোনটি দ্রুত বন্ধ করে


দিলাম নীরা খোঁজখবর নিতে বাইরে বের হলো সে


চিন্তিত মুখে বলল তুমি আমাকে কেন দেখছো


আমি কিছু বলতে পারলাম না শুধুই হতাশা ও


গোপন অপরাধ বোধে ডুবে গেলাম নীরা আমার


দিকে তাকিয়ে রইল আমি জানি তার মনের


সন্দেহ ছিল তবে সে সরাসরি কিছু বলল না


কিছু সময় পরে সে অন্যদিকে মনোযোগ দিতে


চেষ্টা করল কিন্তু সে কি জানে আমি আবারও


তাকে লুকিয়ে দেখার পরিকল্পনা করেছি নীরা


যখন তার বন্ধুদের সাথে খেলতে বেরিয়ে গেল


আমি জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে দেখছিলাম তার


সঙ্গে খেলা আর হাসি কিছু একটা আমার ভিতরে


জেগে উঠছিল প্রতিদিনই আমাদের মধ্যে একটি


অদ্ভুত দূরত্ব বাড়ছিল আমি জানি এটা ভুল


হচ্ছে কিন্তু আমি কিছু করতে পারছিলাম না


মীরার মনোজ্ঞ হাসি আমার মনে একটা অস্বস্তি


তৈরি করছিল। যখন সে আমার সামনে এসে


দাঁড়াত আমি অনুভব করতাম যেন সে জানে আমি


তাকে লুকিয়ে দেখছি। কিন্তু সে কিছু বলতে


পারছিল না। সেই দিনগুলোতে আমি একটি গোপন


রহস্যের মধ্যে প্রবেশ করলাম যা আমাদের


সম্পর্ককে আরো জটিল করে তুলেছিল। এরপর


থেকে আমার কার্যকলাপগুলো আরো গোপনে চলে


যেতে লাগলো। আমি ভেবেছিলাম যদি কখনো সে


সত্যটা বুঝতে পারে তাহলে কি হবে? কিন্তু


আমার মনে সেই অদ্ভুত আকর্ষণ ক্রমাগত বেড়ে


চলছিল। মাঝে মাঝে নীড়া আবার আমার দিকে


তাকিয়ে থাকতো। মনে হতো সে কিছু বুঝতে


পারছে কিন্তু কখনো কিছু বলতো না। আমি জানি


আমাদের মধ্যে কিছু একটা অস্বাভাবিক ঘটছে।


এর মাঝেই আমাদের মাঝে একটি অদ্ভুত শক্তি


তৈরি হচ্ছিল যা আমাদের সম্পর্ককে


অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। কিছুদিন পর


নীরা তার বন্ধুর সাথে খেলাধুলা করে ফিরে


আসার পর আমার প্রতি আরো কৌতুহল প্রকাশ


করতে লাগল। তার সজাগ দৃষ্টি যেন সবকিছু


উপলব্ধি করছিল একদিন যখন সে বাইরে থেকে


ফিরে এলো সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল রাজ


তুমি কি আমাকে জানলা দিয়ে দেখছো আমি কিছু


বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু কোন শব্দ বের


হলো না হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি যেন আমার


কানে কানে বাধছিল নীরা একটু এগিয়ে এসে


বলল তুমি কি আমাকে লুকিয়ে দেখছো আমি তখন


মাথা নিচু করে রইলাম নীরা বলল আমি জানি


তুমি আমাকে লুকিয়ে দেখছো আমি তোমার জন্য


খারাপ কিছু মনে করছি


কিন্তু কেন তার প্রশ্ন আমাকে আরো ভাবনার


মধ্যে ফেলে দিল। আমি বুঝতে পারছিলাম আমার


জন্য এ বিষয়টি কতটা জটিল হয়ে


দাঁড়িয়েছে। একদিকে নীরার ইনোসেন্স


অন্যদিকে আমার অদ্ভুত আকর্ষণ সবকিছুই যেন


আমাকে চাপে ফেলছিল। দিনগুলো যেতে থাকলে


আমি নীরার কাছে নিজেকে আরো বেশি


সন্দেহজনকভাবে তুলে ধরছিলাম। সে তখন মাঝে


মাঝে আমাকে প্রশ্ন করতো। রাজ তুমি কি কিছু


লুকাচ্ছো? কিন্তু আমি অজানা অপরাধবোধে তার


প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিলাম না। এক


সন্ধ্যায় যখন মা কাছ থেকে ফিরলেন তিনি


আমাদের উভয়ের মধ্যে অদ্ভুত পরিবেশ বুঝতে


পারলেন মা বললেন কিছু সমস্যা হচ্ছে কি রাজ


আমি মাথা ঝুকিয়ে বললাম না মা ও কিন্তু


নীড়া তখন আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকাল


যেন সে কিছু জানতে চায় তারপর থেকেই নীরা


প্রায়ই আমাকে অনুসরণ করতে শুরু করল সে


বলতো আমি তোমার পেছনে আছি রাজ তুমি আমাকে


লুকিয়ে রাখতে পারবে না কি তার কথাগুলো


আমার মনে আরো চাপ সৃষ্টি করছিল আমি জানি


সে সত্যিই কিছু বুঝতে পারছে। একদিন আমি


নিজেকে আরো হতাশ অনুভব করছিলাম। নীরা যখন


বাথরুমে ঢুকলো আমি আবার মোবাইল ফোন হাতে


তুলে নিলাম। কিন্তু আজ কিছু আলাদা হচ্ছিল।


নীরা যখন গোসল করছিল আমি ভিডিও করতে


চাইছিলাম। কিন্তু মনে হচ্ছিল সে জানে আমি


সেখানে আছি। হঠাৎ সে বলে উঠল, রাজ তুমি


যদি এখানে আসো আমি বলব আমি হতাশায় ফোনটি


বন্ধ করে দিলাম। তখন তার চিৎকার শুনে আমি


ভীত হয়ে গেলাম। নীরা আসলেই বুঝতে পারছে


আমার মনে হলো এই পরিস্থিতি এক বিপদের দিকে


নিয়ে যাচ্ছে সে যদি সত্যিই জানে তাহলে


আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কি অন্ধকার নেমে


আসবে অন্যদিকে আমি নিজেকে চিন্তায়


ডুবিয়ে ফেললাম যদি সে জানে তাহলে আমি কি


করব আবার সে আমাকে প্রশ্ন করবে তুমি কেন


আমার ভিডিও নিলে সবকিছু কেমন যেন অবস হয়ে


যাচ্ছিল সন্ধ্যার দিকে নীরা আমাকে বলল রাজ


তুমি কি আমার উপর কোন অসৎ পরিকল্পনা করছো


আমি তখন হতবম্ব হয়ে গেলাম। তার সরল


প্রশ্নে আমি ধাক্কা খেলাম। আমি জানি আমি


কিছু করছি যা ঠিক নয়। কিন্তু আমি ঠিক


বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে এটি বন্ধ করব।


এভাবেই একদিন আমি তাকে সমস্ত সত্য বলার


প্রস্তুতি নিলাম। আমি জানি এটি আমাদের


সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক হতে পারে।


কিন্তু আমি নীরার কাছে সত্যিটা বলার জন্য


তৈরি হচ্ছিলাম। রাতে আমি নীরার কাছে


বসেছিলাম। সে তখন টিভি দেখছিল। কিন্তু আমি


জানি তার মনে কিছু একটা চলছে তার কৌতুহলী


দৃষ্টি আর প্রশ্নগুলো আমাকে আতঙ্কিত করে


তুলছিল আমি যখন তার দিকে তাকালাম সে জানতে


চাইল রাজ তুমি কি আমার সাথে কিছু শেয়ার


করতে চাও সত্যি বলতে আমি ভয় পাচ্ছিলাম


কিন্তু মনে মনে ঠিক করলাম এখনই সময়


সঠিকভাবে সত্যটি বলার নীরা আমি বললাম তুমি


জানো আমি অনেক কিছু করছি যা ঠিক নয় কি


নীরা একেবারে চুপ হয়ে গেল কি বলছো সে


সংকিত হয়ে জানতে চাই স্টাইল আমি একটু দম


নিয়ে বললাম আমি তোমার ভিডিও আমার ভিডিও


তার চোখ বিস্ময় চেয়ে রইল তুমি কি কেন সে


চিৎকার করে উঠলো আমি তার চোখের দিকে


পারছিলাম না আমি ঠিক নয় কিন্তু আমি তোমার


প্রতি এক অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করতাম গো


এটা অসাধারণ মীরা হতাশার সঙ্গে বলল রাজ


তুমি কি আমাকে সবসময় দেখছো কেন তুমি এটা


কর আমি জানতাম এটি শুধু এক রাতের শীতল


কথোপকথন নয়। আমার মনে হতে লাগলো আমাদের


মধ্যে একটা ব্যাপার হয়েছে যা কখনো


ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না। আমি জানি এটা ভুল


কিন্তু আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিলাম


না। তুমি জানো আমাদের মধ্যে কিছু একটা


অদ্ভুত। আমি এটা থামাতে চাই। নীরা


কিছুক্ষণ চুপ রইল। আমি তার মুখের দিকে


তাকালাম। সে যেন এক গভীর চিন্তায় ডুবিয়ে


আছে। রাজ তুমি যদি সবকিছু মেনে নাও তাহলে


আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হবে না। আমরা ভাই-বোন


এবং আমাদের মধ্যে কিছু একটা হওয়া উচিত


নয়। আমি বুঝতে পারলাম সে সত্যিই


পরিস্থিতি বুঝতে পারছে। কিন্তু আমি জানিনা


কিভাবে সবকিছু ফিরিয়ে নিতে হবে। আমি শুধু


চাই তুমি আমাকে বুঝো গো। আমার উপর আরোপ


করা চাপের পরিবর্তে তুমি আমাকে খুলে বলো।


আমি বুঝতে পারব। কিন্তু আমাদের মধ্যে


সম্পর্কের সীমা থাকা উচিত আমি জানি তুমি


একা অনুভব কর কিন্তু আমরা একে অপরকে নিয়ে


চলব এরপর আমি অনুভব করলাম আমাদের মধ্যে


আরো একটি স্তর তৈরি হচ্ছে তবে তা আমাদের


মধ্যে একটি ভাই বোনের সম্পর্কের প্রতি


বিশ্বাসের সাথে ছিল নীরা বলল আমাদের


নিজেদের মত থাকতে হবে আমি তোমার প্রতি


আস্থা রাখি কিন্তু তুমি যদি আমার উপর চাপ


সৃষ্টি করো তাহলে তা সত্যিই বিপদজনক হবে


আমার মনে হল নিরাধি বুদ্ধিমতি সিদ্ধান্ত


নিচ্ছে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমি আর


কখনো এমন কিছু করবো না। আমি বললাম


দিনগুলোতে আমাদের মধ্যে অদ্ভুততা কমতে


লাগলো। আমরা আবার ভাইবোনের মত সময় কাটাতে


শুরু করলাম। একসাথে পড়া খেলা সর্বত্র


আমাদের সম্পর্ক নতুন একমাত্রা পেয়ে গেল।


কিন্তু মাঝে মাঝে আমি অনুভব করতাম সেই


অদ্ভুত অনুভূতি এখনো আছেই। তবে নীরা


সেটিকে উপেক্ষা করতে শিখেছিল। আর আমি জানি


আমি আর কখনো সেই পুরানো পথে ফিরতে চাই না।


একদিন মা কাছ থেকে ফিরে এসে বললেন তোমরা


দুজন কি ঠিক আছো? আমরা একসাথে হাসলাম। মা


বুঝতে পারলেন আমাদের মধ্যে একটি সম্পর্কের


পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা একে অপরকে নিয়ে


নতুনভাবে জীবনযাপন শুরু করলাম। আমি জানি


মাঝে মাঝে অন্ধকারের দিকে যাওয়ার সুযোগ


ছিল। কিন্তু আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম


হয়েছিলাম। এভাবেই আমাদের পরিবার আবার


শান্তি ফিরে পেয়েছিল। যদিও পরিস্থিতি


একেবারেই সহজ ছিল না তবে আমরা সিদ্ধান্ত


নিয়েছিলাম যে ভাই-বোনের সম্পর্কের উপরে


কিছু বিশেষ মূল্যবান। আমরা জীবনের প্রতিটি


মুহূর্ত উপভোগ করলাম আর অদ্ভুততার মধ্যে


একটি নতুন সম্পর্ক গড়ে তুললাম। এটি


আমাদেরকে আরো শক্তিশালী করে তুলেছিল।


নীরার সাথে আমার সেই কথোপকথনের পর আমি


ভাবছিলাম সবকিছু হয়তো স্বাভাবিক হয়ে


যাবে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমি অনুভব


করলাম আমাদের মধ্যে সেই অদ্ভুত দূরত্বটা


আসলে পুরোপুরি মুছে যায়নি। নীরাও হয়তো


আমাকে সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারছে


না। কখনো কখনো সে আমার দিকে তাকায় যেন


আমি এখনো কিছু লুকিয়ে রাখছি। একদিন রাতে


যখন মা কাছ থেকে ফিরতে দেরি করছিল নীরা


তার ঘরে ছিল। আমি নিজেও ভাবছিলাম আমাদের


সম্পর্ক নিয়ে। হঠাৎ করেই মনে হলো নীরার


সেই সন্দেহের দৃষ্টিগুলো আবার ফিরে আসছে।


আমি তার ঘরের সামনে গিয়ে দেখলাম সে


চুপচাপ বসে আছে যেন কিছু ভাবছে। নীরার


ঘরের দরজা খুলে আমি ঢুকতে চাইছিলাম কিন্তু


ঠিক তখনই নীরা ঘুরে তাকালো। তার চোখে আবার


সেই কঠিন দৃষ্টি। রাজ তুমি কি এখনো আমাকে


নিয়ে কিছু ভাবছো? আমি চমকে উঠলাম। না


নীরা আমি তো শুধু তোমার খোঁজ নিতে


এসেছিলাম গি। তুমি কি সত্যি বলছো? তোমার


চোখ আমাকে বলছে তুমি আবারো কিছু করছো


খনিরা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। তার মুখের


অভিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট হয়ে গেল সে আবারও


সন্দেহ করছে। আমি বললাম আমি সত্যিই


প্রতিশ্রুতি দিয়েছি নীরা। আর কোন ভুল


করবো নাকি? কিন্তু সে আমার কথা পুরোপুরি


বিশ্বাস করতে পারছিল না। আমাদের মধ্যে তখন


এক অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করছিল। এই নীরবতাই


যেন আমাদের সম্পর্কের এক অন্ধকার


প্রান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এরপর


কয়েকদিন পেরিয়ে গেল। একদিন মা হঠাৎই


অফিস থেকে ফোন করলেন। মা বললেন আজ রাতে


খুব জরুরি মিটিং আছে। আমি ফিরতে দেরি করব।


তোমরা দুজন ভালোভাবে থেকো গো। মায়ের


অনুপস্থিতিতে নীড়ার মন খারাপ লাগছিল। সে


বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল যেন সে কিছু


বলতে চাইছে আমি তার মনোভাব বুঝতে পারছিলাম


কিন্তু কিছু বলতে সাহস পাচ্ছিলাম না রাতে


যখন ঘুমানোর সময় হলো আমি নীরার ঘরের


দরজার সামনে এসে দাঁড়ালাম হঠাৎ করেই আমি


আবারও সেই অদ্ভুত তানা অনুভব করলাম আমি


জানি এটি ঠিক নয় কিন্তু কিছু একটা আমাকে


টেনে নিচ্ছিল আমি দরজার ফাঁক দিয়ে


তাকালাম এবং দেখলাম নিরাশ শুয়ে আছে


কিন্তু সে তখনো জেগেছিল আমার দৃষ্টি ওর


দিকে আটকে গেল। সেই মুহূর্তে আমি আবারও


ভেতরে এক অস্বাভাবিক আকর্ষণ অনুভব করলাম।


ঠিক তখনই নীরা ধীরে ধীরে উঠে বসল। রাজ


তুমি কি আবারও আমাকে লুকিয়ে দেখছো? আমার


হৃদপিণ্ড শক্ত হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে


এগিয়ে এসে বলল, তুমি প্রতিশ্রুতি


দিয়েছিলে কিন্তু আমি বুঝতে পারছি তুমি


নিজেকে আটকে রাখতে পারছো না। কি হয়েছে


রাজ? আমি কিছু বলতে পারছিলাম না নীরার


কথাগুলো আমার সমস্ত অপরাধবোধকে জাগিয়ে


তুলল আমি জানি নীরা আমি বললাম কিন্তু আমি


চেষ্টা করছি আমি তোমার থেকে দূরে থাকতে


চাই কিন্তু গু নীরা কিছুক্ষণ চুপ করেছিল


তারপর বলল রাজ আমি বুঝতে পারছি তুমি কষ্ট


পাচ্ছ কিন্তু আমাদের এটা বন্ধ করতে হবে


আমরা এমন অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছি যেখানে


আমরা একে অপরকে নষ্ট করে ফেলব তোমার উচিত


নিজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া রাজ আমাদের


সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক এটাই আমি চাই উঁ


কথার গুরুত্ব বুঝতে পারলাম কিন্তু আমার


ভেতরের দ্বন্দ যেন আমাকে ছেড়ে যেতে


চাইছিল না এরপর সেই রাতে আমি আমার ঘরে


ফিরে গেলাম সবকিছু যেন এক গোপন ভয়ে এবং


অসহায়ত্বে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল কিন্তু গল্প


এখানেই শেষ নয় কিছুদিন পর নীরা হঠাৎ করে


আমার সামনে এসে দাঁড়াল তার হাতে একটা


ডায়রি ছিল রাজ তোমার এই কাজে এর পেছনের


কারণ আমি জানি সে বলল আমি চমকে উঠলাম তুমি


এই ডায়রিতে লিখেছো এবং আমি তা পড়েছি গু


আমি পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে গেলাম


নীরাজান্ত


তার চোখে ছিল গভীর কৌতুহল এবং চাপা দুঃখ


তুমি নিজেই জানো আমাদের এমন কিছু করা উচিত


নয় কিন্তু আমি এখনো তোমাকে ক্ষমা করতে


পারি যদি তুমি আমার কথা শোনো আমার মাথা


নিচু করে বললাম আমি সত্যিই চেষ্টা করব


নীরা আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবার আমি


সত্যি নিজেকে বদলাবো গো নীরা চুপ করে রইল


কিন্তু তার মুখে একটা স্বস্তির ছাপ ফুটে


উঠলো এই ঘটনা থেকে আমাদের জীবনে পরিবর্তন


এল আমি ধীরে ধীরে আমার অদ্ভুত চিন্তাগুলো


থেকে মুক্তি পেতে শুরু করলাম নীরা আমাকে


ক্ষমা করেছিল কিন্তু তার শর্ত ছিল আমাদের


সম্পর্ক সব সময়ের মতো স্বাভাবিক থাকতে


হবে এইভাবে আমাদের জীবনের গল্প এক নতুন


পথে এগিয়ে চল আমাদের এই গল্পটি ভালো


লাগলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে


ভিডিওতে লাইক কমেন্ট করে দিন।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো