ফাঁকা বাড়িতে খালার বড় দুদু দেখে নিজের ৮ ইঞ্চিটা দিয়ে
আমার স্বামী আমার মেয়েকে বলছিল প্রিয়া
তুমি কি আমার কথামতো সব করতে রাজি আছো?
তখন [মিউজিক] প্রিয়া উত্তর দিল হ্যাঁ
বাবা আমি রাজি। তারপর প্রিয়া বলল বাবা
আমি এখনো বিয়ে করতে চাই না। তার [মিউজিক]
এই ইচ্ছাটা আমার কাছে একটু অদ্ভুত লাগলো।
তখন আমার স্বামী বলল, প্রিয়া আমি তোমার
ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই কাজটা [মিউজিক]
করতে বলছি। আমার কথামত কাজ করো। প্রিয়া
উত্তর দিল। কিন্তু বাবা আমি এমনিতেই
[মিউজিক] মানসিকভাবে কষ্টে আছি। আর আপনি
আমাকে এমন কিছু করতে বলছেন যা আমি বুঝতে
[মিউজিক] পারছি না। আমি তখন থেকেই আন্দাজ
করছিলাম যে বন্ধ ঘরের পেছনে কিছু ঘটছে।
হঠাৎ আমার স্বামীর কন্ঠ শুনতে পেলাম। সে
বলছে প্রিয়া [মিউজিক] আমি যা বলেছি সেটা
করলে তোমারও ভালো হবে। আমার স্বামী বলল,
[মিউজিক] প্রিয়া ভুল বুঝো না। আমরা যা
করছি তা আমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
তোমার এবং আমার ভালোর জন্যই করছি। হঠাৎ
আমি প্রিয়ার [মিউজিক] কান্নার শব্দ শুনতে
পেলাম। সে বলছিল বাবা আমি অনেক কষ্টে আছি
এরকম কথা [মিউজিক] শুনে আমি বুঝলাম কিছু
একটা ঠিক হচ্ছে না এই পরিস্থিতিতে আমি তার
ঘরে ঢুকে গেলাম তারপর যা [মিউজিক] দেখলাম
তা দেখার মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না আমার
গল্পগুলো তোমরা শুনো কিন্তু সাবস্ক্রাইবই
করো না দয়া করে [মিউজিক] গল্পগুলো ভালো
লাগলে ভিডিওটি লাইক শেয়ার এবং চ্যানেলটি
সাবস্ক্রাইবই করো প্লিজ [মিউজিক] আমি সুমি
15 বছরের বিবাহিত জীবন কাটাচ্ছি এবং
আমাদের মেয়ে প্রিয়া যার [মিউজিক] বয়স
এখন 15 বছর সে এখন আমাদের এর সাথে থাকে।
ওকে দেখলে মনটা ভালো হয়ে যায়। আমার
মেয়ে অনেক সুন্দর ছিল। আমরা সবসময়
চাইতাম আমাদের মেয়ে ভালোভাবে বড় হোক।
একটা ভালো চাকরি করুক। প্রিয়া শহরে থেকে
পড়াশোনা করছিল। আর তার জন্মের পর থেকে
আমার স্বামীর [মিউজিক] জীবনেও অনেক
পরিবর্তন এসেছে। ছোটবেলা থেকেই আমরা
প্রিয়ার জন্য বড় বড় স্বপ্ন দেখতাম। ওকে
ভালো শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য আমরা
যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। প্রিয়া খুবই
মেধাবী ছিল। প্রিয়া ছিল একজন পরিশ্রমী
মেয়ে। সবসময় পড়াশোনায় প্রথম হতো। সে শহরের
একটি নামকরা স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। আমি আর
ওর বাবা ওর নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় [মিউজিক]
চিন্তিত ছিলাম। তাই প্রায়ই ওকে ফোন করে
পড়াশোনা খোঁজখবর নিতাম। কিন্তু আজ বাড়িতে
প্রায় 10 মাস পর [মিউজিক] প্রিয়া বাড়িতে
আসে। আমি ওকে দেখে কিছুটা অবাক হয়ে গেলাম।
আগে ওকে বেশ রোগা পাতলা লাগতো। [মিউজিক]
কিন্তু এবার ওর শরীর কিছুটা ভরাট হয়েছে।
ওকে দেখতে বেশ ভালো লাগছে। বাড়িতে এসেই
প্রিয়া আমাকে বলল, মা বাবা কি অন্য শহরে
কাজে ব্যস্ত? আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম। ওর
[মিউজিক] আচরণে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য
করলাম। ওর মুখের কথাগুলো আমাকে চিন্তিত
করল। ওকে শান্ত করার জন্য ওর ঘরে ঢুকলাম।
দেখলাম কিছুটা সময় চুপচাপ বসে [মিউজিক]
আছে। আমি ভাবলাম হয়তো কোন ছোটখাটো
সমস্যা। প্রিয়া সবসময় হাসিখুশি থাকতো
মজার কথা বলতো। কিন্তু আজ ওর মুখে কোন
হাসি নেই। আমি চিন্তা করতে লাগলাম হয়তো
পড়াশোনার চাপ বা কলেজে কিছু ঘটেছে। আগে
ওর ঘর সবসময় পরিচ্ছন্ন থাকতো [মিউজিক]
কিন্তু আজ ঘরটা একটু অগোছালো। আমি ওর ঘরে
গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলাম। বললাম
[মিউজিক] তোমার বাবাকেও আসতে হবে। সবাই
মিলে একটা সমাধান বের করতে হবে। [মিউজিক]
প্রিয়া বিরক্ত হয়ে বলল, মা তুমি কি শুধু
প্রশ্ন করবে নাকি আমাকে একটু ফ্রেশ হতে
দেবে? এই কথা বলে [মিউজিক] প্রিয়া
বাথরুমে গেল ফ্রেশ হতে। আমরা তখন ওর বাবার
সাথে বসেছিলাম। প্রিয়া এসে ওর বাবার দিকে
তাকিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। অনেকদিন
[মিউজিক] পর বাবাকে দেখে ওর চোখে জল চলে
এল। আমি বুঝতে পারছিলাম ও ওর বাবাকে মিস
করেছে। ওকে দেখে আমি [মিউজিক] একটু সরে
গিয়ে ওদের একা থাকতে দিলাম। যেন ও মন খুলে
কথা বলতে পারে। যদিও আমি [মিউজিক] ঠিক
বুঝতে পারছিলাম না ওর ভেতরে কি চলছে তারা
অনেকক্ষণ এভাবেই ছিল প্রিয়ার [মিউজিক]
আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করলাম
যেন ও কিছু লুকোচ্ছে বা কিছু বলতে চাইছে
আমি ওকে বুঝিয়ে বললাম যদি কোন সমস্যা হয়
তাহলে যেন নির্দ্বিধায় আমাদের সঙ্গে কথা
বলে আমার মেয়ে আর আমার স্বামী দুজনেই
[মিউজিক] বাড়িতে এসেছিল তাই আমি একটি
মজার ডিনার তৈরি করলাম ডিনার শেষে আমরা
সবাই ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম হঠাৎ
প্রিয়া বলল, মা আমি আজ বাবার ঘরে ঘুমাবো।
তুমি আমার ঘরে [মিউজিক] ঘুমাও। ওর কথায় যে
ছিল তাই আমিও বললাম, ঠিক আছে। আমি যখন
[মিউজিক] প্রিয়ার ঘরে ঘুমাতে গেলাম তখন
বুঝলাম সাধারণত প্রিয়া ওর বাবার সঙ্গে
ঘুমাতো না এবং আগে ওর বাবার সঙ্গে এত কথা
বলতো না। আজ হঠাৎ করেই ওর বাবার সঙ্গে
ঘনিষ্ঠ সময় কাটানোর ইচ্ছা দেখে কিছুটা
অবাক হলাম। ভাবলাম
হয়তো ওর বাবার সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ
[মিউজিক]
কথা বলতে চায়। কিন্তু আমার ধারণা ছিল না
যে প্রিয়া এবং তার বাবা আমার কাছে একটি
বড় সত্য লুকাতে চাচ্ছে। প্রিয়া তার
বাবার ঘরে গিয়ে ওকে আলিঙ্গন করল। বাবা ওর
মাথায় হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কি
হয়েছে [মিউজিক] প্রিয়া? হঠাৎ আমার সঙ্গে
ঘুমানোর ইচ্ছা কেন? প্রিয়ার মুখে চিন্তা
[মিউজিক] আর অস্থিরতা স্পষ্ট ছিল। তিনি
তাকে আশ্বস্ত করলেন যা কিছু বলার নির্ভয়ে
বলতে পারো। [মিউজিক] পরের দিন গ্রামের
একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। সন্ধ্যায়
প্রিয়া ওর বাবার সঙ্গে মেলায় গেল। ও
কিছুক্ষণ আমাদের প্রতিবেশী আন্টির সঙ্গে
থাকার [মিউজিক] পর মেলায় চলে গেল। কিন্তু
ওকে যেতে দেখে আমার স্বামী একবারও আমাকে
জিজ্ঞেস করলেন না আমি ওদের সঙ্গে যাচ্ছি
কিনা। প্রিয়ার [মিউজিক] মুখে হাসি থাকলেও
ওর বাবাকে রাগান্বিত দেখাচ্ছিল।
বিশেষত ও গ্রামের মানুষের সামনে ওর পোশাক
নিয়ে ও ছোট একটি স্কার্ট আর টপ পড়েছিল।
আমি প্রিয়াকে বললাম, প্রিয়া এটা এমন
[মিউজিক] শহর না যেখানে তুমি এভাবে পোশাক
পড়তে পারো। প্রিয়া শান্তভাবে বলল, মা এটা
আমার পোশাক আর আমি যা চাই তা পড়বো। আমি
এখানে অল্প সময়ের জন্য এসেছি এবং আমি
নিজের মত করে বাঁচতে চাই। ওর এই
আত্মবিশ্বাস দেখে আমি অবাক হলাম। আমি
প্রিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম। আমি বুঝি
তুমি নিজের মত করে বাঁচতে চাও। কিন্তু
[মিউজিক] এখানকার মানুষদের চিন্তাভাবনা
ভিন্ন। আমার স্বামীও তখন প্রিয়ার পক্ষে
কথা বললেন। আমাদের উচিত ওকে নিজের মত
থাকতে দেওয়া। ও এখন বড় হয়েছে এবং নিজেই
সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমাদের ওর জীবনে
[মিউজিক] হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। আমি
লক্ষ্য করলাম আমার স্বামীর চিন্তাভাবনায়
পরিবর্তন [মিউজিক] এসেছে। আগে তিনিও এ
বিষয়ে চিন্তিত থাকতেন কিন্তু এখন তিনি
ওকে সমর্থন [মিউজিক] করছেন। হয়তো অন্য
শহরের জীবনধারা তার উপর প্রভাব ফেলেছে।
আমি মনে [মিউজিক] মনে ঠিক করলাম মেয়ের
সঙ্গে একান্তে কথা বলব। তবে আজকের রাতে
[মিউজিক] এসব ভাবনা থেকে মুক্তি পেতে
চাইলাম। কিছুক্ষণ পর আমি শুনতে পেলাম যে
আমার স্বামীর ঘর থেকে অদ্ভুত [মিউজিক]
আওয়াজ আসছে। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখলাম ওর
ঘরে আলো জ্বলছে। আওয়াজটা [মিউজিক] শুনে
আমি ওর ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম। কারণ আমি
ওর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম আমি শুনতে
পেলাম। কেন প্রিয়া এমনভাবে চিৎকার করছে।
আমি ওর ঘরের দরজার কাছে যেতেই আমার হাত
হঠাৎ করে দরজায় [মিউজিক] ধাক্কা খেয়ে
গেল। আমি দরজায় টোকা দিতেই প্রিয়ার
আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেল। ঘরটা তখন অন্ধকারে
ছিল। আমি বিভ্রান্ত [মিউজিক] হয়ে পড়লাম।
মনে হচ্ছিল যেন আমি আমি ঘুমের স্বপ্ন
দেখছি। কিন্তু একই সঙ্গে বুঝতে পারছিলাম।
ঘরের আলো বন্ধ হয়ে গেছে। কোন আওয়াজ
[মিউজিক] না পেয়ে আমি ধীরে ধীরে রুমের
দরজা খুললাম। মৃদু আলোতে দেখলাম তারা
আরামে ঘুমাচ্ছে। আমিও পরে [মিউজিক]
ঘুমিয়ে পড়লাম। পরদিন সকালে প্রিয়াকে
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ঠিক আছো তো? প্রিয়া
আমাকে আশ্বস্ত করে বলল, মা আমি
>> [মিউজিক]
>> ঠিক আছি। তবে রাতে যে চিৎকার শুনেছিলাম
সেটা নিয়ে ও কিছু বলল না। শুধু জানাল যে
খারাপ স্বপ্ন দেখেছে কিন্তু আমার মনে
[মিউজিক] হচ্ছিল সবকিছু ঠিকঠাক নয়। মনে
হচ্ছিল কিছু একটা লুকানো হচ্ছে। সেদিন
রাতে আমি ঠিক করলাম [মিউজিক] আমাকে খুঁজে
বের করতে হবে আসলে কি ঘটছে। যখন সবাই
ঘুমিয়ে পড়ল আমি আবার মনোযোগ দিয়ে শুনতে
শুরু [মিউজিক] করলাম। আমার স্বামীর ঘর
থেকে প্রিয়ার গলার আওয়াজ পেলাম। ওদের
কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছিল বাবা মেয়ের
সম্পর্ক যেন এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।
পরদিন [মিউজিক] সকালে আমার স্বামী কাজে
যাচ্ছিল বলে তাড়াতাড়ি নাস্তা তৈরি করে
দিলাম। পরে দেখলাম প্রিয়া ঘরের মধ্যে
হাঁটছে কিন্তু ওর [মিউজিক] মুখটা
ফ্যাকাসে। মনে হচ্ছিল ও খুব ক্লান্ত। আমি
ওকে বললাম। তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও তারপর
নাস্তা [মিউজিক] করে নিও। আজ একসাথে
বাজারে যাই। কিন্তু প্রিয়া ক্লান্তি ভরা
কন্ঠে বলল মা আজ আমি [মিউজিক] খুব ক্লান্ত
মার্কেটে যেতে পারবো না তুমি একাই যাও আমি
বিকেল পর্যন্ত বিশ্রাম নিতে চাই আমি বাজার
থেকে ফিরে ঘরে ঢুকতে গিয়ে দরজা খুললাম
কারণ জানতাম [মিউজিক] প্রিয়া বিশ্রাম
নিতে চায় আমি মুদির ব্যাগগুলো একপাশে
রাখলাম এবং রান্নাঘরে কিছু সবজি নিয়ে
এলাম রান্নাঘরের দিকে যেতেই ভেতর থেকে
মৃদু [মিউজিক] একটা আওয়াজ শুনতে পেলাম
মনে করলাম প্রিয়া হয়তো ঘুম থেকে উঠে
গেছে রান্নাঘরে ঢুকে আমি যা দেখলাম তাতে
চমকে উঠলাম। প্রিয়া তার হাতে ময়দা মাখছে
আর তার বাবা ওর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
ময়দা মাখাতে সাহায্য করছেন। আমি কখনো
দেখিনি ওদের দুজনের মধ্যে এমন ঘনিষ্ঠতা।
দৃশ্যটা দেখে মনে হচ্ছিল যেন ওদের
সম্পর্কের মধ্যে কিছু পরিবর্তন এসেছে যা
আগে কখনো ছিল না। [মিউজিক] আমি লক্ষ্য
করছিলাম যে বাবা মেয়ের মধ্যে কি চলছিল।
হঠাৎ দেখলাম প্রিয়ার বাবা ওকে বলছেন দেখো
[মিউজিক] এভাবে আটা মাখতে হয়। আজ আমার
স্বামী কাজে বেরিয়েছিলেন।
সাধারণত তিনি কাজে গেলে কয়েকদিন পর
[মিউজিক] বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু সেদিন তিনি
অপ্রত্যাশিতভাবে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে
আসেন যা আমার কাছে একটু অদ্ভুত লাগছিল।
রাতে প্রিয়া সবসময় তার বাবার ঘরে ঘুমাতো
[মিউজিক] আর আমি প্রিয়ার ঘরে। তার বাবার
আচরণে কিছু একটা অস্বাভাবিকতা ছিল। যা
আমাকে [মিউজিক] সন্দেহ করতে বাধ্য করেছিল।
সেদিন রাতে আমি আবারও প্রিয়ার বাবার গলা
শুনলাম। প্রিয়া [মিউজিক] আমি আজ তোমাকে
আটা মাখানো শিখিয়েছি কিন্তু তোমার শেখার
অনেক কিছু বাকি [মিউজিক] আছে ভবিষ্যতে
তোমার জন্য আরো কিছু আছে যা আমি শিখাবো
তুমি আজ রাতে প্রস্তুত থেকো তার কথা শুনে
আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম বুঝতে পারলাম
না [মিউজিক] তিনি আসলে কি বলতে চাইছেন
প্রতিদিনের মতো প্রিয়া আবারও তার বাবার
ঘরে ঘুমাতে [মিউজিক] গেল আর আমি ওর ঘরে
রইলাম তবে সেদিন রাতে আমি ঠিক করলাম কিছু
একটা খুঁজে বের করব রাত গভীর [মিউজিক] হলে
আমি ঘর থেকে বেরিয়ে ওদের ঘরের দিকে
মনোযোগ দিলাম। দেখলাম ঘরের আলো জ্বলছে।
আমি বাইরে দাঁড়িয়ে শুনতে লাগলাম। শুনলাম
আমার স্বামী বলছেন, প্রিয়া তুমি [মিউজিক]
কি প্রস্তুত? প্রিয়া উত্তর দিল, পাপা আমি
এখনই বিয়ে করতে চাই না। ওর কথা শুনে আমি
একটু অবাক হলাম। এরপর আমার স্বামী বললেন,
তুমি যদি আমার কথা শোনো, এটা [মিউজিক]
তোমার ভবিষ্যতের জন্য ভালো হবে। পিয়ার
কাপা কন্ঠে বলল, বাবা আমি আগে থেকেই
সমস্যায় আছি। [মিউজিক]
আপনি আমাকে এমন কিছু করতে বলছেন যা আমি
বুঝতে পারছি না। প্রিয়ার কন্ঠ শুনে আমার
ভেতরটা কেঁপে উঠলো। আমার মনে হচ্ছিল কিছু
একটা লুকানো হচ্ছে। প্রিয়ার বাবার গলা
শুনতে পেলাম। প্রিয়া [মিউজিক] তুমি
চিন্তা করো না। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
এরপর আমি প্রিয়ার [মিউজিক] কান্নার শব্দ
শুনতে পেলাম। সে বলছিল, বাবা আমার আমি আর
থাকতে পারলাম না। দরজার কাছে গিয়ে টোকা
দিলাম। দরজা খুলে যা দেখলাম তাতে [মিউজিক]
আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। প্রিয়া আর তার
বাবা ভেতরে ছিলেন। দৃশ্যটা অদ্ভুত ছিল।
মুহূর্তেই [মিউজিক] বুঝতে পারলাম এখানে
কিছু অস্বাভাবিক ঘটছে। আমি দ্রুত দরজা
বন্ধ করে বাইরে চলে গেলাম। শ্বাস নিতে
পারছিলাম না। বুঝতে পারছিলাম এটা আরেকটা
দিনের মতো নয়। মনে হলো যেন পায়ের নিচ
থেকে মাটি সরে গেছে। আমার মেয়ে প্রিয়া
সাজগোজ করে ঠিক যেন বিয়ের কণের মতো বসে
আছে। আর [মিউজিক] আমার স্বামী তার গায়ে
গয়না পড়িয়ে দিচ্ছে। এ দৃশ্য দেখে আমি
পুরোপুরি হতবাক হয়ে গেলাম। কিছুই বুঝতে
পারছিলাম না। হঠাৎ চিৎকার করে উঠলাম এখানে
কি হচ্ছে? আমার স্বামীও আমার উপস্থিতিতে
অবাক হয়ে গেল এবং বলল, সুমি তুমি এখানে
কি করছো? আমি অবিলম্বে প্রিয়ার দিকে ফিরে
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কনের মত সেজেছো কেন?
আমার মন রাগে ফেটে যাচ্ছিল। আমি বললাম
তোমরা সব সীমা অতিক্রম করেছ। এটা কি
হচ্ছে? এমন কাজ কেন করছো? আমার চিৎকার
[মিউজিক] শুনে প্রিয়া কান্নায় ভেঙে
পড়লো এবং বলল, মা তুমি কি বলছো? কেন
আমাদের পবিত্র সম্পর্ককে কলঙ্কিত করছো? ওর
কথা শুনে আমি কিছুক্ষণ [মিউজিক] চুপ করে
গেলাম। তারপর বললাম, আমি সব শুনেছি। তুমি
আর তোমার বাবার কথাবার্তা [মিউজিক]
রান্নাঘরে বিকেলে যা দেখেছি সবকিছুই জানি।
আমার স্বামী তখন [মিউজিক] বললেন, সুমি
শান্ত হও। তুমি যা ভাবছো তা সত্য নয়।
আমাদের [মিউজিক] মেয়েটি কঠিন সময় পার
করছে। আমি শুধু ওকে সান্ত্বনা দেওয়ার
চেষ্টা করছি। আমি বললাম তুমি বলছো তুমি
এমন কিছু করে ওকে সাহায্য করার চেষ্টা
করছো। যা একেবারেই অনুচিত। আমার স্বামী
[মিউজিক] শান্ত গলায় বললেন, সুমি তুমি যা
দেখছো তা সবসময় সত্য নয়। পুরো সত্যটা
শুনতে হলে আগে তোমার মনকে শান্ত করতে হবে।
আমার ভেতরের রাগ সামলে নিয়ে আমি শুনতে
লাগলাম। আমার স্বামী বললেন আমাদের মেয়ে
[মিউজিক] প্রিয়া যখন হোস্টেলে ছিল তখন
তার এক ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছিল।
[মিউজিক] সেই ছেলেটি তাকে নিয়ে পালিয়ে
বিয়ে করেছিল। তারা অন্য শহরে চলে
গিয়েছিল এবং [মিউজিক] সেখানে স্বামী
স্ত্রীর মত থাকতে শুরু করে। কিন্তু ছেলেটি
বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। একদিন সে [মিউজিক]
প্রিয়ার টাকা ও গহনা নিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রিয়া যখন বুঝতে পারে ছেলেটির আসল
উদ্দেশ্য তখন সে অনেক কষ্টে আমাদের কাছে
ফিরে আসে। তার জীবনে একটা বড় ধাক্কা
লেগেছিল। এমনকি [মিউজিক] সে নিজেকে শেষ
করার কথাও ভেবেছিল। কয়েকদিন আগে প্রিয়া
আমাকে ফোন [মিউজিক] করে সব বলেছিল। আমি
তখনই তাকে শান্ত করি এবং বাড়ি ফিরে আসতে
বলি। আমার স্বামী আরো বললেন, প্রিয়া
[মিউজিক] যখন বাড়ি ফিরল আমি ওকে কিছু
কাজে ব্যস্ত রাখতে চেয়েছিলাম যাতে তার মন
অন্যদিকে যায়। তাই ওকে ময়দা মাখানো
শেখাচ্ছিলাম। সাজগোজের মাধ্যমে একটু আনন্দ
[মিউজিক] দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। এসব ছোট
ছোট কাজ ওকে ব্যস্ত রাখে। তার মনকে
বিভ্রান্ত করে এবং মানসিকভাবে স্বস্তি
দেয়া। আমি শুধু ওকে [মিউজিক] সাহায্য
করার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু তুমি তা
ভুলভাবে বুঝেছো। আমি সব শুনে স্তব্ধ হয়ে
গেলাম। বুঝতে পারলাম [মিউজিক] আমি
পরিস্থিতিটাকে ভুলভাবে দেখেছিলাম। আসল
উদ্দেশ্য ছিল প্রিয়ার [মিউজিক] মানসিক
শক্তি ফিরিয়ে আনা। যাতে সে নিজের জীবনের
নিয়ন্ত্রণ আবার নিজের হাতে নিতে পারে।
এসব শুনে আমি বুঝতে পারলাম যে প্রিয়া
অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছে। আমি এবং
আমার স্বামী মিলে ঠিক করলাম যে ওকে এই
মানসিক যন্ত্রণা [মিউজিক] থেকে বের করে
আনতে হবে। একজন অভিভাবক হিসেবে প্রিয়ার
বাবাও একইভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছে। কারণ
এই ধরনের পরিস্থিতিতে মা-বাবার ভূমিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেখেছি সমাজে
ছেলে ও মেয়ের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হলে
নানা ধরনের ঘটনা ঘটে। শুরুতে সবকিছু ঠিক
থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তাদের মধ্যে
দূরত্ব তৈরি হতে পারে। এবং কখনো কখনো তারা
একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার
সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু এই বিচ্ছেদ
মেয়েটির জন্য মানসিকভাবে কষ্টকর হয়ে
উঠতে পারে। গল্পটা কেমন লাগলো জানাতে
ভুলবে না। আরো মজার মজার রোমান্টিক গল্প
শুনতে চাইলে ভিডিওটি লাইক, শেয়ার এবং
চ্যানেলটি [মিউজিক] সাবস্ক্রাইব করতে এবং
বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবে না। ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment