শ্বশুরে আমার দু*ধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো



হ্যালো বন্ধুরা আমি তোমাদের নুপুর আপু


আজকের গল্পটি সম্পূর্ণ শুনলে তোমাদের পাইপ


দিয়ে পানি চলে আসবে তাই হাতের কাজ করার


আগে হাতের কাছে টিস্যু রাখুন কারণ বোনের


শ্বশুর যেভাবে আমাকে একা বাড়িতে পেয়ে


যেভাবে আমার সাথে কাজ করল গল্পটি শুনলে


আপনাদের মেশিন দিয়ে টপটপ করে পানি চলে


আসবে একবার যখন দিদি এবং তার জামাই বাবু


কাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন তখন বাড়িতে


শুধু আমি এবং দিদির শ্বশুরশাই ছিলাম


শ্বশুরশাইয়ের এক কানে শুনতে কিছুটা


অসুবিধা ছিল তিনি মাঝে মাঝে এমন কিছু


বলতেন যা আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিত।


একদিন শ্বশুরমশাইয়ের কানে সোনার যন্ত্রটি


ঘরে হারিয়ে যায়। আমি সেটি খুঁজতে তার


ঘরে ঢুকি। খুঁজে না পেয়ে বেরিয়ে আসার


সময় তিনি আমাকে ডেকে বলেন, তার পকেটে


খুঁজতে যদি যন্ত্রটি সেখানে থাকে। আমি


ভাবলাম হয়তো সত্যিই ওটা পকেটেই আছে।


কিন্তু যখন আমি পকেটে হাত দিলাম তখন বুঝতে


পারলাম পকেটটি ছেড়া এই অপ্রত্যাশিত


পরিস্থিতি আমাকে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলে।


আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না। তারপর


শ্বশুরমশায় আমাকে শেখানই আমি রাধিকা ছোট


থেকেই আশ্রমে বেড়ে উঠেছি। কিন্তু আমি


দেখতে অনেক সুন্দর ছিলাম। আমার বয়স কম


হলেও আমাকে দেখতে বড়দের মতো লাগে। জানিনা


কেন আমি কম বয়সে এমন হয়েছি। আমার


মা-বাবা কেউ নেই তাই আশ্রমই ছিল আমার সব।


সেখানেই দ্বাদশ ক্লাস পর্যন্ত পড়াশোনা


করেছি। সম্প্রতি আমি আশ্রম থেকে বের হয়ে


নতুন জীবনের পথে পা দিয়েছি। গত বছর


আশ্রমে কাজ করতে আসা কবিতা দিদির সঙ্গে


আমার পরিচয় হয়েছিল। দিদি খুবই ভালো মনের


মানুষ। সবসময় আমাকে নিজের বোনের মতো


দেখতেন। যখন আমি আশ্রম ছাড়ি তখন দিদি


আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। দিদির


বাড়িতে গিয়ে আমি তার সাত বছর বয়সী


শ্বশুর মোহনজির সঙ্গে পরিচিত হই। প্রথম


দেখা থেকেই তিনি আমাকে অন্যভাবে দেখছিলেন।


আমি কখনো ভাবিনি তিনি আমার সাথে এমন কিছু


করবেন যা আমার জীবনকে পুরোটাই বদলে যাবে।


আশ্রম ছেড়ে বের হওয়ার সময় দিদি আমাকে


বললেন রাধিকা যদি তোমার কোন আপত্তি না


থাকে আমি তোমাকে আমার কাছে রাখতে চাই


তোমার ভবিষ্যৎ পড়াশোনার সমস্ত খরচ আমি


দেখবো এরপর দিদি আমাকে তাদের জীবনের একটি


গোপন কষ্টের কথা জানালেন। তিনি বললেন আমার


বিয়ে হয়েছে কিন্তু ডাক্তারি পরীক্ষায়


জানা গেছে আমি কখনো মা হতে পারবো না। গত


কয়েক বছর ধরে তোমার প্রতি আমার গভীর টান


তৈরি হয়েছে। আমি তোমাকে দত্তক নিতে চাই।


তুমি কি আমার সাথে আমার বাড়িতে যাবে? আমি


তোমার সমস্ত দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।


আমাদের মধ্যে কোন রক্তের সম্পর্ক ছিল না।


তবু দিদি আমাকে আপন করে নিলেন। ছোটবেলা


থেকে আমি কখনো কারো ভালোবাসা পাইনি। বরং


আশ্রমে প্রায় শুনতে পেতাম যে আমি নাকি


রাস্তার ধারে কোন নরদমায় ফেলে যাওয়া


সন্তান। কিন্তু দিদি কখনো আমাকে পর মনে


করেননি দিদির ভালোবাসা দেখে আমি তাকে


জড়িয়ে ধরলাম। দিদির মধ্যে আমি আমার


নিজের বড় বোনকে খুঁজে পেলাম। একজন অনাথ


মেয়ের জন্য কেউ এতটা করতে পারে তা


বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল। কিন্তু দিদির


প্রস্তাব আমি সানন্দে গ্রহণ করলাম এবং তার


সঙ্গে নতুন জীবনের পথে পা বাড়ালাম। আমার


উচ্চ শিক্ষার জন্য আশ্রম ছাড়ার সিদ্ধান্ত


নিয়েছিলাম। কারণ দিদি আমাকে একটি ভালো


কলেজে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।


দিদি ও তার স্বামী আমাকে তাদের বাড়িতে


নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর আমার দেখা


হয় 60 বছর বয়সী ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি


আমাকে দেখেই বেশ অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে


থাকলেন। দিদি আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন।


আর আমি জানতে পারি তিনি দিদির শ্বশুর।


তাদের সম্পর্কে জেনে আমি তাকে প্রণাম


করলাম। কিন্তু আশীর্বাদ দেওয়ার বদলে তিনি


আমাকে জড়িয়ে ধরলেন যা আমাকে কিছুটা


অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। ঠিক তখনই দিদির


জামাই বাবু তাকে শান্ত করে সরিয়ে নেন।


পরে দিদি আমাকে বললেন, আমার শ্বশুর একটু


আলাদা ধরনের মানুষ। তার কানেও কম শোনে আর


মাঝে মাঝে তিনি এমন অদ্ভুত আচরণ করেন।


কিন্তু তুমি ভয় পাবে না। আমি তো আছি।


দিদির এই আশ্বাস আমাকে স্বস্তি দিল।


তারপরে দিদি আমাকে আমার ঘর দেখিয়ে দিলেন।


আমি সেখানে গিয়ে আমার জিনিসপত্র গুছিয়ে


নিতে শুরু করি।


ঠিক তখনই হঠাৎ দিদির শ্বশুর আমার ঘরে চলে


আসেন। তিনি আবারও আমাকে অদ্ভুত চোখে দেখতে


থাকেন। আমি কি বলব তা বুঝতে পারছিলাম না।


তিনি কাছে এসে বললেন বেটি আমার পুত্রবধু


তোমার সম্পর্কে সব বলেছে। তুমি খুব ভালো


আর মেধাবী মেয়ে। তোমার মত মেয়ে আমাদের


বাড়িতে আসা সত্যিই ভাগ্যের বিষয়। তার


কথা শুনে আমার মন কিছুটা হালকা হল। তিনি


তখন স্বাভাবিক লাগছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি


আমার দিকে এগিয়ে আসতে থাকেন। আমি


ভেবেছিলাম তিনি হয়তো আমাকে আবার জড়িয়ে


ধরবেন। তাই দ্রুত একটা অজুহাত দিলাম। দিদি


আমাকে ডাকছেন বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম।


সেই বাড়িতে প্রথম তিনদিন দিদি ছিলেন বলে


সবকিছু ঠিকঠাক লাগছিল। কিন্তু দিদির


শ্বশুরের আচরণ আমাকে কিছুটা অস্বস্তিতে


ফেলেছিল। তিনদিন পরে দিদি আর জামাইবাবু


গ্রামে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দিদি


বললেন, আমার মামী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।


তার দেখাশোনা করার কেউ নেই তাই আমাকে যেতে


হবে। শ্বশুরমশাইকে তো সঙ্গে নেওয়া সম্ভব


নয় কারণ তার দেখাশোনার প্রয়োজন হবে।


রাধিকা তুমি কয়েকদিন বাড়ির দায়িত্ব


নিতে পারবে তো? দিদি খুব নম্রভাবে


বলছিলেন, আমি বললাম, দিদি এত অনুরোধ করার


প্রয়োজন নেই। এটা এখন আমারও বাড়ি।


শ্বশুরমশাই আর বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্ব


আমি ঠিকভাবে পালন করব। তুমি নিশ্চিন্তে


যাও। দিদি আমাকে আশীর্বাদ করলেন আর বললেন,


তুমি খুবই বুদ্ধিমতী। তবে সুশুংসায় মাঝে


মাঝে খিটখিটে মেজাজে থাকেন। তার ব্যবহার


দেখে ভয় পেয়ো না। তাকে বোঝার চেষ্টা


করো। আমি তাকে নিশ্চিন্ত করে বললাম, তুমি


নিশ্চিন্তে যাও। আমি সব সামলে নেব। এরপর


দিদি আর জিজাজি গ্রামে চলে গেলেন। বাড়িতে


তখন আমি আর দিদির শ্বশুর উমশায়ী ছিলাম।


সেই রাতে ডিনারের সময় শ্বশুরমশায় কিছুটা


অদ্ভুত আচরণ শুরু করলেন। তিনি আমার হাত


থেকে খেতে চাইছিলেন। দিদি আগে থেকেই তার এ


বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তাই আমি ভয় না


পেয়ে তার অসুস্থতাকে বুঝে নিয়ে তাকে


নিজের হাতে খাওয়াতে শুরু করলাম। কিন্তু


খাওয়ানোর সময় তিনি বারবার আমার হাত ধরতে


বা অন্যভাবে স্পর্শ করতে চেষ্টা করছিলেন।


প্রথমে আমি এড়িয়ে গেলাম। কিন্তু


তৃতীয়বার এমন ঘটলে আমি রেগে গেলাম। আমার


রাগ দেখে তিনি মাথা নিচু করে ফেললেন। তার


কষ্ট পাওয়া মুখ দেখে মনে হলো হয়তো আমার


রাগ করা উচিত হয়নি। তার অসুস্থতার জন্য


তিনি নিজের আচরণ বুঝতে পারছিলেন না। আমি


শান্ত হয়ে আবার তাকে খাওয়াতে লাগলাম।


তার পেট ভরার পর আমি নিজের খাবার খেয়ে


নিই। সেই রাতে যখন আমি ঘুমাতে গেলাম তখন


বারবার মনে হচ্ছিল কেউ যেন আমার ঘরে উকি


দিচ্ছে। মাঝরাতে মনে হলো কেউ আমার মাথায়


হাত রাখছে। কিন্তু আমি গভীর ঘুমে ছিলাম


তাই চোখ খুলতে পারিনি। এইভাবে পাঁচ দিন


কেটে গেল। দিদির সঙ্গে আমার কথা তেমন


হচ্ছিল না। তবে সুশুংশায়ের অদ্ভুত আচরণ


দিন দিন বাড়ছিল। আমি ঠিক করেছিলাম দিদি


ফিরে এলে তার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলব।


কিন্তু তার ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।


একদিন আমি স্নান করতে বাথরুমে গিয়েছিলাম।


হঠাৎ মনে হলো ছবি তোলার আওয়াজ শুনতে


পাচ্ছি। সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমের জানালার


দিকে তাকালাম। কিন্তু কাউকে দেখতে পেলাম


না। সেদিনের পর থেকে প্রতিদিনই মনে হতে


লাগলো যেন কেউ আমাকে গোসল করার সময়


দেখছে। বাড়ির চারপাশে খুব বেশি বাড়িঘর


ছিল না। আর যেগুলো ছিল সেগুলোতেও কেউ বাস


করতো না। আমার মনে সন্দেহ বাড়তে লাগলো।


আমার সন্দেহ যাচাই করার জন্য একটা বুদ্ধি


বের করলাম। যেমন প্রতিদিন সকালে আমি স্নান


করতাম তেমনি সেইদিনও বাথরুমে গেলাম।


কিন্তু এবার বাথরুমে পানির কল চালু করে


আমি বাইরে বেরিয়ে এলাম। বাইরে এসে দেখি


দিদি সুশংসাই বাথরুমের জানালার কাছে


দাঁড়িয়ে আছেন। তার উচ্চতা জানালার সমান


না হলেও তিনি হাত বাড়িয়ে মোবাইলে কিছু


করছেন এই দৃশ্য দেখে আমি নিজেকে সামলাতে


পারলাম না। রাগে চিৎকার করে বললাম


শ্বশুরমশাই আপনি এখানে কি করছেন? তবে কি


আমার সন্দেহ সত্যি? প্রতিদিন আপনি এসব


করছেন? আমার কথা শুনে তিনি একেবারে হতবম্ব


হয়ে গেলেন। কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন,


তুমি আমাকে ভুল বুঝছো। আমি শুধু তোমার


নিরাপত্তার জন্য এখানে দাঁড়িয়েছিলাম।


তুমি এখানে আসার আগে এই ঘর প্রায়ই বন্ধ


থাকতো। অনেকবার এই জানালা দিয়ে বড়


প্রাণী ঢুকে পড়েছে। শ্বশুর অনুশাই বললেন,


আমি এখানে এসেছিলাম যাতে কোন পশু জানালা


দিয়ে ভিতরে ঢুকে না পড়ে। যদি তোমাকে আগে


বলে দিতাম তাহলে তুমি হয়তো ভয় পেতে। তাই


কিছু বলিনি। তার কথা শুনে মনে হচ্ছিল তিনি


মিথ্যা বলছেন। যদি এখানে সত্যিই বড় পশু


আসতো তবে তিনি জানালার কাছে কিভাবে


দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেন? ধীরে ধীরে আমি


তার অদ্ভুত আচরণের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে


শুরু করলাম। গিয়ে দেখলাম তার দৃষ্টি ঠিক


নেই। যদিও আমার প্রচন্ড রাগ হচ্ছিল।


কিন্তু তিনি নিজের কাজের সাফাই দিতে


ব্যস্ত ছিলেন রাগে আমি সরাসরি নিজের ঘরে


চলে গেলাম। ঘরে গিয়েই দিদিকে ফোন করার


চেষ্টা করলাম কিন্তু তার ফোন লাগছিল না।


সুশুংশায়ের ব্যবহার আমাকে ক্রমশ অস্থির


করে তুলছিল। সেইদিন আমি সারাদিন ঘর থেকে


এক পাও বাইরে বেরোলাম না। এমনকি তিনি


খেয়েছেন কিনা। তাও জানার চেষ্টা করিনি।


রাতে হঠাৎ শ্বশুরমশায় আমার দরজায় করা


নাড়তে শুরু করলেন। কিন্তু আমি দরজা খোলার


সাহস করলাম না। আচমকা বাইরে থেকে দিদির


গলা শোনার মতো লাগলো। তার গলা শুনে দরজা


খুললাম। বাইরে গিয়ে দেখি দিদির গলার


আওয়াজ আসছে শ্বশুরমশাইয়ের মোবাইলের


স্পিকার থেকে। তিনি দিদিকে ফোন করেছিলেন


এবং স্পিকারে রেখেছিলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে


তার কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিলাম এবং


দিদির সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলাম। সবকিছু


খুলে বললাম দিদিকে বিশেষ করে সকালে যা


ঘটেছে। দিদি বললেন, রাধিকা তুমি অকারণে


শ্বশুরমশাইয়ের বিষয়ে খারাপ ভাবছো। তিনি


যা করেছেন তা শুধু তোমার ভালোর জন্য। দিদি


বললেন তুমি অথা শ্বশুরমুশাই এর উপর রাগ


করো না তিনি যা বলছেন সেটা সত্যি হতে পারে


সেই বাথরুমে সত্যিই কোন পশু ঢুকে যেতে


পারে আমি তোমাকে আগেই বলেছি যে উনি একটু


অসুস্থ এবং অদ্ভুত আচরণ করেন আমি বললাম


ঠিক আছে আমি আর কিছু বলবো না কিন্তু তুমি


কবে বাড়ি ফিরছো আমার কলেজে ভর্তি হওয়ার


কাজ এখনো বাকি সেটা কখন করবে দিদি বললেন


এখনো ভর্তি হতে অনেক সময় আছে তার আগেই


আমি বাড়ি ফিরে আসবো। তবে ততদিন তুমি


সুসুম সাহে ভালো করে দেখাশোনা করবে। আমি


আবারও দিদির কথা মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি


দিলাম। মনে হচ্ছিল প্রতিবারই দিদি আমাকে


এই পরিস্থিতিতে ফেলে যাচ্ছেন। পরের দিন


সকালে নাস্তার পর শ্বশুর উমশায় বাড়ি


থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি তার কোথায়


যাচ্ছেন তা জিজ্ঞেস করিনি। কিছু সময়


নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলাম এবং ভাবলাম


দিনটা শান্তিপূর্ণ কাটবে। বিকেলে


শ্বশুরমশায় বাড়ি ফিরে আসার পর আমার হাতে


একটি চকচকে পোশাক ধরিয়ে দিয়ে বললেন এই


পোশাকটি পড়ে সাজগোজ করো আমি স্পষ্টভাবে


তাকে না বলে দিলাম এরপর তিনি দিদিকে ফোন


করলেন সাধারণত দিদি এত তাড়াতাড়ি ফোন ধরে


না কিন্তু সেদিন শ্বশুরশায় ফোনটি আমাকে


দিয়ে বললেন দিদির সঙ্গে কথা বলো ফোনে


দিদির কান্নার শব্দ শুনে আমি অবাক হয়ে


গেলাম তিনি বললেন রাধিকা আজ মনে হচ্ছে


তোমাকে বাড়িতে নিয়ে এসে আমি বড় ভুল


করেছি


আমি তোমাকে বোনের মত ভালোবেসেছি। ভালো


জীবন দেওয়ার জন্য এই বাড়িতে এনেছি।


কিন্তু আজ তোমার জন্য আমার নিজের অবস্থান


তলমল হয়ে গেছে। আমি হতবাক হয়ে জিজ্ঞেস


করলাম দিদি কি হয়েছে? আমি কি করেছি যার


জন্য তুমি আমাকে এভাবে দোষ দিচ্ছো? দিদি


বললেন, আমার শ্বশুর খুব রাগী মানুষ। তার


কোন কথা না মানলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে লেগে


যান। আমি শুনেছি তুমি নাকি তাকে অনেক সময়


পাল্টা উত্তর দিচ্ছো। তার জন্য তিনি আমার


উপর খুব ক্ষুব্ধ। যদি তুমি সত্যিই আমাকে


বোন বলে মনে করো তবে আজ থেকে তুমি তার


সঙ্গে আর তর্ক করবে না। মনে রেখো তোমার


কারণে যদি আমাকে এই বাড়ি থেকে বের করে


দেয়া হয় সেটা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া


সম্ভব হবে না। আজ তার জন্মদিন তিনি যা


বলবেন তা মেনে চলো। দিদির কথা শুনে আমি


রাজি হলাম। তিনি আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন


তাকে বিপদে ফেলতে চাইনি। শ্বশুরমশাই যে


পোশাকটি এনেছিলেন সেটি পরে নেওয়ার


সিদ্ধান্ত নিলাম। পোশাকটি আমার জন্য বেশ


ছোট এবং আধুনিক ছিল। এমন ধরনের পোশাক আমি


আগে কখনো পড়িনি। তবে সেটি পড়ে আমি বেশ


সুন্দর লাগছিলাম সাজগোজ করে যখন আমি বাইরে


এলাম। তখন সুশুংসায় এক দৃষ্টিতে আমাকে


দেখে যাচ্ছিলেন। জন্মদিন উপলক্ষে আমি তার


উপর রাগ করিনি। তাকে শুভেচ্ছা জানালাম।


তবে তখনই কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আভাস পেতে


শুরু করেছিলাম। শ্বশুরশাই আমাকে জড়িয়ে


ধরে বললেন, প্রতিবছর আমি ছেলে আর


পুত্রবধুর সঙ্গে আমার জন্মদিন উদযাপন করি।


এ বছর ভেবেছিলাম হয়তো কেউ আমার জন্মদিন


মনে রাখবে না। কিন্তু তুমি আমার সঙ্গে আছো


তাই আমার মন ভালো হয়ে গেল। বয়স বাড়ার


সঙ্গে মানুষ যেমন একটু রাগী হয়ে যায়


তেমনি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে।


শ্বশুরমশাই কখনো গম্ভীর হয়ে যেতেন আবার


কখনো বেশ আদর করতেন। তার জন্মদিনের কেক


তিনি নিজেই কিনে এনেছিলেন এবং সেদিন তাকে


বেশ সুন্দরভাবে পরিপাটি হয়ে সজ্জিত


দেখাচ্ছিল।


কেক কাটার সময় তিনি আমার হাত ধরে কেক


কাটলেন। কেক কাটার পর তিনি আমাকে আবারও


জড়িয়ে ধরলেন। তবে বারবার তার স্পর্শে


আমি কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করছিলাম।


একাধিকবার তিনি আমার পায়ের দিকে হাত


বাড়ালেন। জন্মদিনের আনন্দ শেষ হওয়ার পর


তিনি আমাকে নিজের ঘরে নিয়ে গেলেন। সেখানে


তিনি আমার সামনে বসে পানীয় পান করতে


লাগলেন এবং আমাকে বারবার তা খাওয়ার জন্য


জোর করলেন। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় তিনি


রান্নাঘরে গিয়ে আমার জন্য ঠান্ডা পানিও


নিয়ে এলেন। আমি সেই পানিও খাওয়ার পর


থেকে অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভব করতে


লাগলাম। মাথা ঘুরছিল আর আমি বারবার নিজের


ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু


কিছুতেই উঠে দাঁড়াতে পারছিলাম না। ঠিক


সেই সময় সুশমসায় আমাকে ধরে বসালেন। আমার


মনে হচ্ছিল আমি আমার ভারসাম্য হারিয়ে


ফেলেছি। সেই রাতের পরে যখন সকালে ঘুম থেকে


উঠলাম দেখি আমি সুশুমশাহীর ঘরে শুয়ে আছি।


আমার শরীরে ভীষণ ক্লান্তি আর অসুস্থি ছিল।


আমি বিছানা থেকে ওঠার চেষ্টা করছিলাম।


তখনই সুশুমশাই ঘরে ঢুকলেন। তার হাতে


নাস্তার প্লেট ছিল।


তিনি বললেন রাধিকা তুমি গত রাত আমার


জন্মদিনকে সত্যিই বিশেষ করে তুলেছো। এজন্য


তোমার প্রতি আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। একথা বলতে


বলতে তিনি আমার হাতে নাস্তার প্লেটটি তুলে


দিলেন। দুপুরের দিকে আমি নিজেকে তৈরি করে


ঘর থেকে বেরোলাম। হঠাৎ সুশুভনশাহীর


কন্ঠস্বর শোনা গেল। আমি তার ঘরে গিয়ে


দেখি তিনি কিছু খুঁজছেন। আমাকে দেখে তিনি


বললেন আমার সোনার যন্ত্রটি কোথাও পড়ে


গেছে। দয়া করে একবার খুঁজে দেখতে সাহায্য


করো। আমি তার সাহায্যে এগিয়ে গেলাম।


খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎ শ্বশুর অনুশায়ী ঘরের


দরজা বন্ধ করে দিলেন এবং আমাকে তার কাছে


আসতে বললেন। আমি তার দিকে এগিয়ে যেতেই


তিনি বললেন, এখানে একবার দেখে নাও। হয়তো


আমার পকেটে পড়ে থাকতে পারে। তার কথামতো


আমি তার পকেটে হাত ঢুকিয়ে দেখলাম কিন্তু


তখনই বুঝতে পারলাম তার পকেট ফাটা আমার হাত


পকেটের মধ্যে আটকে গেল এমন সময় তিনি


আমাকে তার দিকে টেনে নিলেন। আমি নিজেকে


তার থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছিলাম


কিন্তু পকেটের ফাঁকে হাত আটকে থাকায় তা


সম্ভব হচ্ছিল না। গোটা ঘটনায় বিরক্ত হয়ে


আমি বললাম, আপনি কি করছেন? আপনি কি ভুলে


গেছেন যে আপনি আমাকে সম্পর্কের মর্যাদা


দিয়েছেন? আমি হতবাক হয়ে গেলাম যখন


সুসুমশায় বললেন তোমার পিঠের তিলটা খুব


সুন্দর আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি এটা জানলেন


কিভাবে তিনি উত্তর দিলেন গত রাত তুমি


নিজের থেকেই আমার কাছে এসেছিলে হয়তো


তোমার কিছু মনে নেই কিন্তু আমি প্রতিটি


মুহূর্ত উপভোগ করেছি এ কথা বলে তিনি আমাকে


আরো কাছে টানতে শুরু করলেন। তার আচরণে আমি


ভীত হয়ে পড়লাম এবং নিজেকে মুক্ত করার


চেষ্টা করলাম। আমি বললাম আপনি যদি কিছু


করেন তবে দিদি আপনাকে কখনো ছাড়বেন না


আমার কথা শুনে তিনি হেসে বললেন তোমার দিদি


তো আমাকে বলেছে তোমার বিশেষ যত্ন নিতে সেই


যত্নে কি কি থাকে তা তো তোমার বোঝা উচিত


আমি এতদিন শ্বশুরমশাইকে সরল ভেবে তার অনেক


কিছু সহন করছিলাম কিন্তু আজ তার আসল রূপ


আমার সামনে এলো তার এই ব্যবহার আমাকে


দিশেহারাহারা করে তুলল আমি দিদিকে সব বলার


কথা ভাবছিলাম কিন্তু সেই দিনটা আমার


জীবনের অন্যতম ভয়ঙ্কর দিন হয়ে উঠল


দুপুরবেলা সুশ্রুংশায় আমার প্রতি দয়া


দেখালেন না। তার শক্তির সামনে আমি অসহায়


হয়ে পড়লাম। যখন তিনি আমাকে ছেড়ে গেলেন।


আমি শুধু কেঁদে চলেছিলাম। এরপর থেকে এটাই


তার প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছিল।


তিনি প্রতিদিন আমার সঙ্গে এমন আচরণ করতে


থাকলেন যেন আমি তার স্ত্রী আমার জন্য সেই


বাড়ি থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ল।


আমার জীবন এক গভীর টানাপোডেনের মধ্য দিয়ে


যাচ্ছিল। একটা দিন এলো যখন আমি


শারীরিকভাবে দুর্বল বোধ করতে লাগলাম।


চিকিৎসকের কাছে গেলে জানতে পারি আমি মা


হতে চলেছি। এই খবর নিয়ে যখন বাড়ি ফিরলাম


আমার শ্বশুরের মুখে অদ্ভুত এক চিন্তার ছাপ


দেখলাম।


তিনি ঘরে ফিরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।


কিছুক্ষণ পর আমি তার ঘরে গিয়ে দেখতে পাই


তিনি কারো সাথে ফোনে কথা বলছেন। ফোনের


কথোপকথন থেকে বুঝতে পারলাম বড় বোন শীঘ্রই


আমাদের বাড়িতে আসতে চলেছেন। গত কয়েকদিন


ধরে আমার শ্বশুর এমন কিছু আচরণ করছিলেন যা


আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছিল। কিন্তু


এখন আমি তার সন্তান ধারণ করছি। আমি যখন এই


সংসারে পা রেখেছিলাম তখন স্বপ্ন দেখেছিলাম


একটা সুন্দর জীবনের। কিন্তু আমার জীবনে যা


ঘটলো তা আমাকে পুরোপুরি নাড়া দিয়ে


দিয়েছে। আমি ভাবতে লাগলাম হয়তো এই


বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোন


উপায় নেই। অবশেষে আমি অনেক ভাবনা চিন্তা


করে তার সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলাম।


আমি তার ঘরে গেলে দেখি তিনি আবার ফোনে কথা


বলছেন। আমাকে দেখে তিনি ফোনটি রেখে


রাগান্বিত স্বরে বললেন এবার কি চাই তোর?


আমি শান্তভাবে তার সামনে গিয়ে বললাম


আমাদের এখন একসাথে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।


আমি শ্বশুরজির ঘরে গিয়ে বললাম আমি জানি


আপনার মনে অনেক চিন্তা। আপনার এই চিন্তার


কারণও বুঝতে পেরেছি। আপনি আমাকে যেভাবে


এতদিন দেখাশোনা করেছেন তাতে আমি কৃতজ্ঞ।


কিন্তু আমি এখানে এসেছি আপনাকে বলতে যে


আমাদের এই সম্পর্ক নিয়ে আমার কোন দ্বিধা


নেই। আমি সবকিছুই মেনে নিয়েছি। শ্বশুরজি


এক মুহূর্ত আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন।


তারপর মৃদু হেসে বললেন তুমি মেনে নিয়েছো।


এটা শুনে ভালো লাগলো। কারণ আমি তোমার


প্রতি কখনো অন্যায় আচরণ করতে চাইনি।


কিন্তু পরিস্থিতি এমন ছিল যে অনেক সময়


ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি বললাম আপনার


চিন্তা কমানোর জন্যই আমি এখানে এসেছি।


আমাদের মধ্যে যা ঘটেছে তা নিয়ে আমি কোন


প্রশ্ন তুলবো না। কিন্তু আমাদের এই


সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কি হবে? সেটা আপনাকে


সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি গভীর চিন্তায়


পড়লেন এবং বললেন এই সম্পর্ক নিয়ে এখনই


সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তুমি


যদি চাও আমরা এটাকে একটা দায়িত্বের


জায়গায় নিয়ে যেতে পারি। তবে তোমার বড়


বোন এবং পরিবারের কাছে সবকিছু পরিষ্কার


করতে হবে। আমি মাথা নেড়ে সম্মতি জানালাম।


পরিস্থিতি কঠিন হলেও আমরা একটা সঠিক


সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো


বলে স্থির করলাম। আমার জীবনটা যেন একটা


গভীর ঘূর্ণীর মধ্যে পড়ে গেল। বর বোন এবং


জামাইবাবু আসার কথা শুনে আমি সিদ্ধান্ত


নিয়েছিলাম তাদের সামনে আমাদের সম্পর্কের


সত্যতা প্রকাশ করব। কিন্তু শ্বশুরজি একরকম


হাসতে হাসতে বললেন তোমার দিদি আর জামাই


বাবু তোমার মুখ আর কখনো দেখবে না কারণ


তোমার বড় বোন নিজেই তোমাকে আমার কাছে


ছেড়ে দিয়ে গেছে এর বদলে সে আমার কাছ


থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে এখন থেকে


তুমি পুরোপুরি আমার আর এখানেই থাকবে তার


এই কথাগুলো শুনে আমার মন পুরোপুরি ভেঙে


গেল আমি যার উপর নিজের সমস্ত বিশ্বাস


রেখেছিলাম সেই আমাকে বিশ্বাসঘাতকতার


স্বীকার করল কিন্তু আমি বুঝতে পারলাম এখন


আমার আর কিছু করার নেই। আমার পাশে


দাঁড়ানোর মত কেউ ছিল না। পরের দিন


শ্বশুরজি আমাকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে


চাইলেন। আমি বাধ্য হয়ে তার সঙ্গে রওনা


দিলাম। হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে বসে থাকা


অবস্থায় হঠাৎ দেখি একটা স্ট্রেচার এসে


থামলো। স্ট্রেচারে থাকা মহিলার অবস্থা ছিল


অত্যন্ত গুরুতর। মহিলাকে দেখেই আমার মনে


হলো তাকে আমি চিনি। স্ট্রেচারের কাছে


গিয়ে যখন ভালো করে দেখলাম তখন আমি হতবাক


হয়ে গেলাম। সেই মহিলা আর কেউ নন। আমার


নিজের বড় বোন। সে গুরুতর দুর্ঘটনায় আহত


হয়ে এখানে পৌঁছেছে। আমি স্ট্রেচারের কাছে


গিয়ে ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম সেখানে


শুয়ে থাকা মহিলা আর কেউ নন আমার নিজের


দিদি। আমার পেছনে শ্বশুরজি


দাঁড়িয়েছিলেন। দিদিকে দেখে তিনি বললেন,


মানুষ তার নিজের কর্মের ফল ভোগ করবেই।


এরপর তিনি আমার হাত ধরে আমাকে টানতে


লাগলেন যেন আমাকে সেখান থেকে নিয়ে যেতে


চান। কিন্তু আমি দৃঢণ্ঠে বললাম শ্বশুরজি


আপনি ঠিকই বলেছেন কর্মের ফল সবাইকে ভোগ


করতে হয় আজ আপনারও সময় এসেছে আপনার


পাপের ঘরা পূর্ণ হয়েছে আমি জোরে চিৎকার


করতে শুরু করলাম আমার চিৎকার শুনে


আশেপাশের লোকজন সেখানে বিদ জমাতে শুরু করল


কাকতালীয়ভাবে সেই সময় এক পুলিশ অফিসার


তার স্ত্রীকে নিয়ে ওই হাসপাতালেই ছিলেন।


তিনি তখনই এগিয়ে এসে জানতে চাইলেন কেন


আমি এত চিৎকার করছি আমি তাকে আমার জীবনে


ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বললাম


আমার কথা শুনে পুলিশ অফিসার সেই মুহূর্তে


শ্বশুরজিকে গ্রেপ্তার করলেন আমি নিজের


চোখের সামনে সেই অন্যায়কারী মানুষটিকে


হাতখোলা পড়তে দেখলাম দিদির দুর্ঘটনায়


মৃত্যু হয়েছিল তার জীবন খুব অল্প বয়সেই


শেষ হয়ে গিয়েছিল আমি জানি প্রত্যেককে


তার কর্মফল পেতেই হয় আর সেদিন আমি


ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলাম যেন কেউ আর


এমন অন্যায়ের শিকার না হয়। আমার জীবন


একটি অদ্ভুত মন নিয়েছিল। একদিন আমার


শ্বশুর মশাই নিজের ভুল ঢাকতে আমাকে


মাঙ্গল্যসূত্র পড়ানোর এবং সিটিতে সিদুর


দেওয়ার অভিনয় করেছিলেন। আমি তখন বুঝিনি


কিন্তু অজান্তে সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে


ফেলেছিলাম। সেই ভিডিও এবং ছবি পরবর্তীতে


আদালতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে


দাঁড়ালো। আদালত আমাকে শ্বশুর মশায়ের


দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন


এবং তাদের সম্পত্তি আমার এবং আমার অনাগত


সন্তানের নামে লিখে দিলেন। সেইদিন থেকে


আমি ওই বাড়িতে স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু


করলাম। আমি জীবনের কঠিন শিক্ষা শিখে


নিয়েছিলাম। আমার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা


ভেবে। সেই সম্পত্তি ব্যবহার করে আমি একটি


ছোট কাপড়ের দোকান খুললাম। আমি নিজের


পায়ে দাঁড়াতে শুরু করলাম এবং আমার


সন্তানকে ঘিরেই আমার নতুন জীবনের সূচনা


করলাম। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি শিখেছি


মানুষ যা শিক্ষা থেকে শেখে না জীবনের


অভিজ্ঞতা তা খুব দ্রুত শেখায় আমি সেই


অভিজ্ঞতা গুলো থেকে শক্তি অর্জন করেছি


একটি কথা আজ আমি ধৃভাবে বিশ্বাস করি যারা


অন্যের ক্ষতি করতে চায় সময় তাদের জন্য


একটি কঠিন পাঠ নিয়ে আসে ঈশ্বর সবকিছু


হিসাব রাখেন এবং সময় মত বিচার করেন


বন্ধুরা এই গল্পের মাধ্যমে আপনাদের বলি


জীবনে যতই কঠিন সময় আসুক নিজের উপর


বিশ্বাস রাখুন এবং সঠিক পথে এগিয়ে যান।


এমন আরো অনুপ্রেরণামূলক গল্প দেখতে আমাদের


চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। পাশে থাকা


বেল আইকনটি প্রেস করুন। যাতে করে আমরা


যখনই নতুন ভিডিও আপলোড করি তার নোটিফিকেশন


সবার আগে আপনার কাছে পৌঁছে যায়। ধন্যবাদ।


দেখা হবে আমাদের পরবর্তী ভিডিওতে।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো