আপন মাকে টানা ২ ঘণ্টা চুদলাম রাতে দেখুন
আমার মা অনেক সুন্দর দেখতে। মা নিজের
শরীরের খুব যত্ন নেন। সাধারণত গ্রামে
মহিলারা শাড়ি পড়েন কিন্তু মা মাঝে মাঝে
শার্ট এবং জিন্স পড়তেও পছন্দ করেন। তাকে
দেখতে এখনো কম বয়সী মনে হয় কারণ তিনি
প্রতিদিন পরিশ্রম করেন এবং নিজের শরীরকে
ফিট রাখেন। মায়ের লম্বা চুল এবং মুখে
সবসময় হাসি লেগে থাকে। আমি ঘরের একমাত্র
ছেলে তাই মা-বাবা আমাকে খুব ভালোবাসেন এবং
কখনো আমার কোন চাহিদা অপূর্ণ রাখেননি।
আমার ছোট বোন পায়েল এখনো স্কুলে পড়ছে
এবং খুব দুষ্টু আমি আরিয়ান এই গল্পটি
আমার পরিবারের সম্পর্কে যেখানে আমি আমার
বাবা মা এবং আমার ছোট বোন তানিয়ার
একসঙ্গে থাকি বাবার নাম বিবেক তিনি একটি
প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন মায়ের
নাম আরশী তিনি ঘরের সব কাজকর্ম সামলান
আমরা একটি ছোট্ট গ্রামে থাকি তবে মা-বাবা
দুজনেই শিক্ষিত তাই আমাদের বাড়ির
পরিবেশটা একটু আলাদা মা যদিও গ্রামের
অন্যান্য মহিলাদের দের মতই জীবনযাপন করেন।
বন্ধুরা আজকের গল্পটা অনেক বেশি স্পেশাল।
তাই কেউ মিস করো না। আর দয়া করে গল্পগুলো
ভালো লাগলে ভিডিওটি লাইক শেয়ার এবং
চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করো প্লিজ। গল্পটা
শুরু হয় তখন যখন আমার পরীক্ষাগুলো শেষ
হয়ে গেছিল এবং গরমের ছুটি চলছিল। আমার
বোন নানীর বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু আমি
সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বাড়িতেই থাকবো।
কারণ কোথাও যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না। বাবা
প্রতিদিনের মতো অফিসে যেতেন আর মা ঘরের সব
কাজ করতেন। একদিনের কথা আমি আমার ঘরে বসে
ল্যাপে গেম খেলছিলাম। সেদিন বাড়ির কাজের
লোকও ছুটিতে ছিল তাই মা নিজেই সবকিছু
সামলাচ্ছিলেন।
সেদিন মা রাজধানী ঘা ঘোরা চলে পড়েছিলেন
যা তাকে খুব সুন্দর লাগছিল। ঘরে কেউ ছিল
না তাই তিনি ওডনা নেননি। মা প্রথমে
রান্নাঘরের কাজ করছিলেন তারপর আমার ঘরে
এলেন হাতে একটি ঝাড়ু নিয়ে আমি তখন
বিছানায় বসে গেম খেলায় ব্যস্ত ছিলাম মা
যখন ঘরে ঢুকলেন আমার মনোযোগ তার দিকে চলে
গেল আমি দেখলাম মা কতটা মনোযোগ দিয়ে ঘর
পরিষ্কার করছেন তার কপালে ঘামের
বিন্দুগুলো চকচক করছিল কিন্তু তিনি কোন
অভিযোগ করলেন না যখন তিনি বিছানার নিচে
ঝাড়ু দিচ্ছিলেন তার চুলগুলো মুখের সামনে
এসে পড়েছিল আমি নিঃশব্দে তাকিয়ে রইলাম
মা একবারও আমার দিকে তাকা না তিনি শুধুই
নিজের কাজে মগ্ন ছিলেন। আমার মধ্যে একটা
অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করছিল। তবে আমি তাতে
তেমন গুরুত্ব দিইনি। মা যখন সামনে ঝুকলেন
আমি লক্ষ্য করলাম তার আচরণে এক ধরনের
আত্মবিশ্বাস এবং উজ্জ্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে।
আমার মনে একটা অস্বাভাবিক অনুভূতি হচ্ছিল
যা তখন পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারছিলাম না
গরমের ছুটিতে পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে। আর
আমার বোন তখন নানীর বাড়িতে। আমি বাড়িতেই
ছিলাম। আর বাবা তার কাজের জন্য বাইরে
ছিলেন। মা ঘরের কাজকর্ম সামলাচ্ছিলেন এবং
সেদিন তিনি একটি হালকা ঘা ঘোরা পড়েছিলেন।
যেহেতু বাড়িতে কেবল আমি ছিলাম তিনি ওডনা
নেননি। কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর মা হঠাৎ
আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, শোনো তো। একটু
উঠে বিছানার চাদরটা ঠিক করে দাও। মা
বললেন, ঠিকঠাক করে নিতে দাও। তারপর তোমার
গেম খেলো। আমি তাড়াতাড়ি অন্য দিকে
তাকানোর ভান করলাম এবং উঠে বাথরুমের দিকে
চলে গেলাম। বাথরুমে পৌঁছানোর পর আমার মনে
নানা ধরনের প্রশ্ন আসতে শুরু করল। আমার
মনে হলো হয়তো মা আমাকে তাকিয়ে থাকতে
দেখে ফেলেছেন। আমি একটু ভয় পেলাম ভাবতে
লাগলাম যদি মা সত্যিই আমাকে দেখে থাকেন
তাহলে তিনি কি ভাববেন? আমি বিভ্রান্ত
ছিলাম বুঝতে পারছিলাম না যে আমার যা অনুভব
হচ্ছে তা ঠিক না ভুল। কিছুক্ষণ বাথরুমে
ভাবার পর আমি আবার ঘরে ফিরে এলাম। কিন্তু
এখন আর মোবাইলে গেমে মন বসাতে পারছিলাম
না। মনের মধ্যে অদ্ভুত সব চিন্তা ঘুরপাক
খাচ্ছিল। মা তখন বিছানার চাদর ঠিক করে
রান্নাঘরে চলে গেলেন। আমি ভাবলাম হয়তো মা
কিছু বুঝতে পারেননি। কিন্তু আমার
হৃদস্পন্দন তখনো জোরে চলছিল। আমি ল্যাপটপ
বন্ধ করে মোবাইল নিয়ে টাইম পাস করার
চেষ্টা করতে লাগলাম। কিন্তু মন তখনো
অস্থির ছিল। একদিন হঠাৎ আমার মোবাইলে একটি
নোটিফিকেশন এলো। এবং আমি সেটি খুলে
দেখলাম। সেখানে বিভিন্ন ধরনের গল্পের
তালিকা ছিল যার মধ্যে একটি গল্প মা ও
ছেলের সম্পর্কের ভিত্তিতে লেখা। কৌতূহল
বসতো আমি সেই গল্পটি পড়তে শুরু করলাম
যেখানে একটি ছেলে তার মায়ের সাথে কিছু
সুন্দর সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার
করছে। গল্পটি পড়ার পর আমার মনেও কিছু
চিন্তা আসতে শুরু করল। আমি ভাবলাম কেননা
আমিও মায়ের জন্য কিছু বিশেষ কিছু করার
চেষ্টা করি। কিছুক্ষণ পরে আমি বাথরুমের
দিকে চলে গেলাম। কিছুক্ষণ পর আমি বাথরুম
থেকে বেরিয়ে এলাম। কেন যেন একটু অদ্ভুত
লাগছিল কিন্তু সেটা বুঝতে পারছিলাম না।
বাইরে এসে দেখি মা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে
রান্না করছেন। আমি ধীরে ধীরে ফ্রিজ থেকে
পানির বোতল বের করতে করতে মাকে দেখছিলাম।
তিনি রান্নায় পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছিলেন
এবং পেছন ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন তাই আমার
দিকে খেয়াল করেননি। তার মুখে সেদিন
কিছুটা ক্লান্তির ছাপ ছিল। তবে সেই
ক্লান্তির ভেতরেও এক ধরনের প্রশান্তি ফুটে
উঠছিল। দেখে মনে হচ্ছিল তিনি কাজটা
আন্তরিকভাবে করছেন। হঠাৎ মা পেছন ফিরে
আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কিরে আরিয়ান?
কি হলো? কি দেখছিস? আমি একটু হতবাক হয়ে
গেলাম। কিন্তু পরিস্থিতি সামলে নিয়ে
বললাম, কিছু না মা। আমি শুধু দেখছিলাম
তুমি কত পরিশ্রম করো। সকাল থেকে রাত
পর্যন্ত কষ্ট করছো। এটা শুনে মা খুব খুশি
হলেন তার চোখে আনন্দের ঝিলিক ফুটে উঠলো।
তিনি বললেন, হ্যাঁ, বাবা এসব তো করতে হয়।
কিন্তু তোর মত ছেলে থাকলে সব কাজ সহজ মনে
হয়। তারপর মা মুচকি হেসে বললেন, কিছু
বছরের মধ্যেই তোর বউ আসবে আমার কাজে
সাহায্য করতে। মা এটা বলতেই হাসতে শুরু
করলেন আর তার হাসি আমার মনটা ভরে দিল।
এতটুকু বলেই আমি আবার নিজের কাজে মন
দিলাম। আমি তখন নিজের বেডরুমে চলে গেলাম।
আর মাথায় নানা রকম চিন্তা ঘুরতে লাগলো।
ভাবছিলাম মা কি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আমি
তাকে দেখছিলাম আর কি ভাবছিলাম। এমন ভাবতে
ভাবতে কয়েকটা দিন কেটে গেল। আর আমি
উপলব্ধি করলাম যে শুধু তাকিয়ে থাকা
যথেষ্ট নয়। কিছু পরিকল্পনা করতে হবে। এই
ভাবনাগুলোর মধ্যে দিয়েই সন্ধ্যা হয়ে গেল
আর বাবা অফিস থেকে ফিরে বললেন যে কাজের
জন্য তাকে 10 দিনের জন্য বিদেশ যেতে হবে।
এটা শুনে আমার মনে ভীষণ আনন্দ হলো। যদিও
বাইরের দিকে শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি
জানালাম। তিনদিন পর বাবার যাত্রা ছিল আর
আমি ঠিক করেছিলাম যে এই 10 দিনের মধ্যেই
যা করার করতে হবে। কারণ পরে হয়তো এমন
সুযোগ আর আসবে না। এরপর পরের দিন ছিল
মঙ্গলবার। বাবা বিদেশ যাওয়ার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাই কিছু কেনাকাটা
করতে হবে। মা আর বাবা শপিং এর জন্য বেরনোর
সময় আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুই আসবি আমি
না বলে দিলাম বললাম, তোমরা যাও। আমি
মোবাইলে গেম খেলবো বাসায় থেকে। তারা
বেরিয়ে যাওয়ার পর আমি দরজা বন্ধ করে
দিলাম। আর সরাসরি তাদের বেডরুমে গেলাম।
বেডরুমে গিয়ে আমি আলমারি খুলে কিছু
খুঁজতে লাগলাম। যদি কোন ভালো আইডিয়া
পাওয়া যায়। খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎই আমার
চোখে মায়ের লিপস্টিক আর বডি স্প্রে পড়ল।
আর একটু খুঁজতেই মায়ের কিছু পোশাক দেখতে
পেলাম। তাদের মধ্যে একটা লাল রঙের ওয়ান
পিস ড্রেস পেলাম। যেটা দেখে আমি ভাবতে
লাগলাম মা এই পোশাকটা পড়ে কতটা সুন্দর
লাগবে। আমি তখন লাল রঙের ওয়ান পিসটি হাতে
নিয়ে ভাবতে লাগলাম, মা এই পোশাকে কেমন
লাগবে। কিছুক্ষণ এমন ভাবতে ভাবতে আমি
আলমারির সমস্ত কাপড় গুছিয়ে রাখলাম। তবে
বেডরুমে মায়ের ছবিটা দেখে আবারও এক ধরনের
অদ্ভুত অনুভূতি হতে লাগলো। তখন আমি মনে
মনে সিদ্ধান্ত নিলাম যে শুধু ভাবার মধ্যে
আটকে থাকলে চলবে না কিছু একটা করতেই হবে।
এরপর আমি সবকিছু গুছিয়ে রেখে হোল ঘরে এসে
টিভি দেখতে লাগলাম। ঠিক তখনই মা-বাবা শপিং
শেষে বাড়ি ফিরে এলেন এবং বসে পড়লেন।
এইভাবেই সে দিনটা কেটে গেল। পরের দিন
সকালে বাবা বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
নিচ্ছিলেন তাই মা তাড়াতাড়ি উঠে ঘরের
সবকিছু গুছিয়ে নিলেন এবং বাবাকে নাস্তা
করিয়ে ঘরের বাকি কাজগুলো করতে লাগলেন
সকাল আটটায় বাবা আমাদের বিদায় জানিয়ে
বেরিয়ে গেলেন আর মা ঘরের কাজে ব্যস্ত
হয়ে পড়লেন বাবার কাজে বাইরে যাওয়া
আমাদের জন্য কোন নতুন ঘটনা ছিল না তাই
আমরা সহজেই মানিয়ে নিলাম মা তাড়াতাড়ি
ওঠার কারণে ও বাবার যাবার প্রস্তুতিতে
ব্যস্ত থাকায় স্নান করতে পারেননি বাবা
বেরিয়ে যাওয়ার পর সকাল 9:00 টার দিকে মা
স্নান করতে গেলেন আর আমি তখন হোল ঘরে বসে
টিভি দেখছিলাম। কিছুক্ষণ পর মায়ের গলা
শুনতে পেলাম আরিয়ান তোয়ালেটা এনে দাও তো
বাইরে রেখে এসেছি। আমি তৎক্ষণাৎ তোয়ালে
নিয়ে বাথরুমের দরজার কাছে গেলাম। মা
দরজাটা একটু ফাঁক করে হাত বাড়ালেন
তোয়ালে নেওয়ার জন্য। আমি দেখতে পেলাম
মায়ের চুল ভিজে গেছে আর তার হাত থেকে
পানি পড়ছিল। যা দেখে এক মুহূর্তের জন্য
আমি স্থির হয়ে গেলাম। মাকে তখন সত্যিই
সুন্দর লাগছিল যখন তিনি হাত বাড়িয়ে
তোয়ালেটা নিলেন। তিনি একটু পাশে সরে
দাঁড়িয়েছিলেন ফলে তার শরীরের কিছু অংশে
পানি পড়ছিল যা সূর্যের আলো ঝলমল করছিল।
ওই মুহূর্তটি খুব সাধারণ ছিল তবুও আমি
সেখানে একটু থমকে গেলাম। কিন্তু আমি
নিজেকে সামলে নিলাম। বাবা তখন বাড়িতে
ছিলেন না। তবে আমি কোন ধরনের ভুল বোঝাবুঝি
না করার জন্য নিজেকে সমেত করে আবার হোল
ঘরে ফিরে এলাম এবং টিভি দেখতে শুরু করলাম।
কিছুক্ষণ পর মা তোয়ালে পেঁচিয়ে হলঘরে
এলেন এবং টিভির পাশে রাখা আয়নার সামনে
দাঁড়িয়ে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল
শুকাতে শুরু করলেন। আমি চুপচাপ পেছন থেকে
তাকিয়ে রইলাম যেন মুহূর্তটাকে উপলব্ধি
করছি। মা তার চুলে হাত বুলিয়ে হেয়ার
ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকাচ্ছিলেন যা তার
জন্য হয়তো খুব সাধারণ কাজ। কিন্তু আমি
লক্ষ্য করছিলাম সেই মুহূর্তে তার
নির্ভরতা। কিছুক্ষণ পর আমি বললাম, মা তুমি
সবসময় ওই সাধারণ পোশাকগুলোই বাড়িতে কেন
পড়ে থাকো? মা অবাক হয়ে বললেন কেন এতে
কোন সমস্যা আছে নাকি? আমি তো যা ভালো লাগে
সেটাই পড়ি। আমি মৃদু হেসে বললাম, না মা
শুধু কাল যখন তুমি জিন্স আর টপ পড়েছিলে
তখন তোমাকে বেশ ভালো লাগছিল তাই বললাম, মা
হেসে বললেন, আরে বোকা বাড়িতে কে আর জিন্স
আর টপ পড়ে থাকে। বাইরে যেতে হলে তখনই
পড়বো। আমি বললাম, আসলে মা। যখন তুমি
শাড়ি বা ওই রাজস্থানি ড্রেসগুলো পড়ো তখন
একটু বয়সী দেখায়। তাই বললাম মা আবার
হেসে বললেন জানিস রে এখন আর এইসব ভাবার
দরকার নেই যার সঙ্গে প্রেম করেছিলাম তার
সঙ্গেই তো বিয়ে করেছি আর তোর মত একটা
আলসে ছেলে আর পায়েল মত সুন্দর মেয়ে আছে
আর কি বা চাচাই মা এতটুকু বলে জোরে হেসে
বেডরুমে চলে গেলেন কাপড় পরিবর্তন করতে
আমি মায়ের হাসি দেখে নিজেও হেসে ফেললাম
এবং টিভি দেখতে লাগলাম কিছুক্ষণ পর মা যখন
নতুন পোশাক পড়ে বাইরে এলেন তখন আমার মন
ভালো লাগল আর একটু রাগও হলো কারণ মা আমার
কথাটা ধরে ফেলেছিলেন আমি মনে মনে একটু
বিরক্ত ছিলাম কারণ মা আবার পুরোপুরি ধেকে
ফেলেছিলেন নিজেকে মাহল ঘরে এসে বললেন এখন
কেমন লাগছে আমাকে আমি অবাক হয়ে বললাম এখন
তো তুমি ঠিক আমার বয়সী মেয়ের মতোই লাগছো
মা হাসতে হাসতে বললেন আরে পাগল তোর আর
আমার মধ্যে 20 বছরের পার্থক্য আমি কিভাবে
তোর বয়সের হতে পারি আমি তখন কি বলব বুঝতে
পারছিলাম না কিন্তু কিছু একটা তো বলতে হবে
তাই বললাম
আরে মা আমাদের বয়সের পার্থক্য তো আমরা
জানি কিন্তু বাইরে তো কেউ জানে না। যদি
আমরা একসঙ্গে বাইরে ঘুরতে যাই তাহলে সবাই
ভাববে যে আমরা গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড
এতটুকু বলে আমি ইচ্ছে করে থেমে গেলাম
মায়ের প্রতিক্রিয়া দেখতে। মা তখন উৎসুক
হয়ে বললেন, আচ্ছা, আরো বলারে তোর মুখে
শুনতে চাই। আমি হেসে বললাম, না মা তুমি
রেগে যাবে তাই আর কিছু বলছি না। মা বললেন,
আমি কখনো তোর উপর রেগে গেছি কি? আমি জানি
তো আমার ছেলে কখনো ভুল কিছু করে না তাই
আমি কেন রাগ করব এবার তাড়াতাড়ি বল তুই
কি বলতে চাস তখন আমি বললাম যদি আমরা বাইরে
কোথাও একসঙ্গে ঘুরি তাহলে সবাই আমাদের
গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড ভাববে কিন্তু
তোমার গলায় যখন মঙ্গলসূত্র থাকবে তখন
তারা আমাদের স্বামী স্ত্রীও মনে করতে পারে
এই কথা শুনে মা হেসে উঠলেন জোরে জোরে
তারপর মা হাসতে হাসতে আমার দিকে তাকিয়ে
বললেন তুই তো পুরো দুষ্টু হয়ে গেছিস মা
বললেন বললেন, এত ছোট একটা ব্যাপারে কেন
আমি রেগে যাব? তারপর মা আবার হেসে উঠলেন।
তখন আমি বললাম, মা এত হাসো না। কিন্তু মা
আমাকে আরো বেশি চটানোর জন্য আবার হাসতে
শুরু করলেন। আমি মজা করে মাকে একটু ধমক
দেওয়ার জন্য তার দিকে দৌড়ালাম। আর মা
তখন হেসে কিচেনে চলে গেলেন। আমি আবার হোল
ঘরে বসে ভাবতে লাগলাম যে, ঠিক আছে, শুরু
তো হলো কিন্তু এখনো অনেক কাজ বাকি। মা
খুবই সংস্কারী মানুষ। আর আমি কখনো তাকে
এমনভাবে অনুভব করিনি যে তাকে এ ধরনের কোন
কিছুর অভাব অনুভব করতে হয়েছে। মা আর
বাবার প্রেমের বিয়ে হওয়ার কারণে তারা
নিজেরাই অনেক সুখী। কিন্তু আমার নিজের
একটা প্রয়োজন ছিল। এরপর কিছুক্ষণ পর আমি
আবার মায়ের কাছে গেলাম। মা তখন রান্নাঘরে
কাজ করছিলেন। আমি গিয়ে বললাম, মা তোমার
কি প্রতিদিন এসব কাজ করতে করতে বোরিং লাগে
না? মা হেসে বললেন, রে বাবা। যখন আমাদের
কাজের বুয়া আসে তখন আমি আরাম পাই তখন আমি
বললাম মা এখন তো আমার ছুটির দিন চলছে আর
আমি খুবই বোরিং ফিল করছি মা মুচকি হেসে
বললেন তাহলে কি করা যায় বল দেখি কোথাও
বেড়াতে যাব আমরা দুজন আমি বললাম হ্যাঁ মা
অবশ্যই যাব তবে বাবা বাড়ি ফিরলে তখনই
যাওয়া হবে মা বলল তুমি এখন কি করবে আমি
বললাম আমার একটা মজার খেলা জানা আছে যদি
তোমার আপত্তি না থাকে তাহলে খেলতে পারি মা
বলল ল্যাপটে পে গেমস খেলার কোন আগ্রহ নেই
আমার অন্য কিছু বলো আমি হেসে বললাম না মা
ল্যাপে না তখন মা বলল ও আচ্ছা ঠিক আছে কোন
খেলা আমি বললাম ট্রুথ অর ডেয়ার মা হেসে
বলল ঠিক আছে কিন্তু আগে আমার ঘরের কাজগুলো
শেষ করতে দাও তারপর খেলবো আমি বললাম ঠিক
আছে তুমি কাজ শেষ করো আমি একটু রুমে গিয়ে
অপেক্ষা করছি কাজ হয়ে গেলে আমাকে ডেকে
নিও একথা বলে আমি তাকে হাসি মুখে বিদা
জানালাম এবং রুমের দিকে পা বাড়ালাম রুমে
গিয়ে আমি ভাবতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর মা
এসে আমার সামনে বসলো এবং বলল, তাহলে
কিভাবে খেলাটা শুরু করব? আমি হেসে বললাম,
তোমার পছন্দ ট্রুথ নাকি ডেয়ার? সে
চিন্তাভাবনা করে বলল, ট্রুথ? তারপর আমি
মায়ের দিকে তাকিয়ে মজার একটা প্রশ্ন
করলাম। আমি মাকে জিজ্ঞাসা করলাম বিয়ে আগে
কি আপনার কোন বিশেষ বন্ধু ছিল? আমার
প্রশ্ন শুনে মা একটু অবাক হয়ে বলল। এ
কেমন প্রশ্ন করলে আরিয়ান? আমি হাসতে
হাসতে বললাম। এটাই আমার প্রশ্ন মা। আপনি
তো ট্রুথ বেছে নিয়েছেন তাই উত্তর দিতে
হবে মা একটু হেসে বলল হ্যাঁ ছিল আর সে
তোমার বাবা ছাড়া আর কেউ না এরপর আমি
বললাম ঠিক আছে মা এবার আপনি আমাকে প্রশ্ন
করুন আমি ট্রুথ নেব মা কিছুক্ষণ ভাবলো
তারপর বলল তোমার কি কোন বান্ধবী আছে আমি
একটু হাসি দিয়ে বললাম হ্যাঁ আছে সে তো
আমার সামনে বসে আছে আমার কথায় মা একটু
বিরক্ত হয়ে বলল এই ধরনের কথা বলাটা ঠিক
না আমি তোমার মায়ের প্রতিক্রিয়া দেখে
আমার আত্মবিশ্বাস কিছুটা কমে গেল কারণ মা
সবসময় সিরিয়াস হয়ে থাকে আমি মজা করে
বললাম তুমি কেন সবসময় এত সিরিয়াস হয়ে
যাও আমি তো শুধু মজা করছি সে একটু হেসে
মাথা নাড়লো এরপর আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম
তাহলে এবার বল ট্রুথ নাকি ডেয়ার সে
কিছুক্ষণ ভেবে বলল ট্রুথ আমি জিজ্ঞেস
করলাম তোমার জীবনে এমন কোন স্মৃতি আছে যা
তোমার কাছে খুব মজার সে একটু বিরক্ত হয়ে
বলল এ ধরনের প্রশ্ন ভালো নয় আমাদের এই
খেলা এখানেই থামানো উচিত আমি বললাম আমরা
তো খুব ভালো বন্ধু এবং বন্ধুরা তো একে
অপরের সাথে সবকিছু শেয়ার করে যদি তোমার
বিশ্বাস থাকে তাহলে তুমি নিশ্চয়ই আমাকে
কিছু বলবে সে কিছুক্ষণ ভেবে বলল কিছু
প্রশ্ন ব্যক্তিগত হয় আর সেগুলো ঠিক না
শেয়ার করা আমি হেসে বললাম কিন্তু আমরা তো
শুধু মজা করছি এতে তো কিছুই হবে না আমাদের
বিশ্বাস তো একে অপরের উপর আছে আর এসব তো
আমাদের বিজ্ঞান ক্লাসে শেখানো হয়েছিল মা
হেসে বলল এসব বিজ্ঞান ক্লাসে শেখানো হয়
না আরিয়ান তখন আমি বললাম যদি এসব শেখানো
না হয় তাহলে আমাকে এসব জানার দরকার নেই।
মা আবার বলল, তুমি সব জানার অধিকার রাখো।
কিন্তু বুঝতে হবে তুমি কার কাছে প্রশ্ন
করছো। তুমি তোমার মায়ের কাছেই এই
প্রশ্নগুলো করছো। আমি বললাম, মা তুমি
জানো? আমার খুব বেশি বন্ধু নেই। আর কোন
বান্ধবীও নেই। তাই আমি তোমার সাথেই সব কথা
বলি। মায়ের মুখে একটু বিষন্নতার ছাপ দেখা
গেল। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমি খুব একটা
বাইরে যেতাম না এবং খুব বেশি বন্ধুও ছিল
না। মা বুঝতে পারল যে আমি সহজে হাল ছাড়বো
না। তাই মা বলল ঠিক আছে হ্যাঁ। আমাদের
সময়ও অনেক মজার কিছু করতাম। একটা ঘটনা
বেশ মজার ছিল। আমি হেসে বললাম, মা এমন
ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে এত ভেবে সময় নিলে
কেন? মা হেসে উত্তর দিল। তুমি না সত্যিই
অনেক কৌতুহলি। মা মুচকি হেসে বলল, এবার তো
খুশি হলে তাই না? তারপর মা আবার বলল, এবার
তুমি বল, ট্রুথ নাকি দেয়ার? আমি বললাম
দেয়ার নেব। মা একটু ভেবে বলল তাহলে বলো
তুমি কি কখনো কাউকে ভালোবাসা প্রকাশ করার
সাহস দেখিয়েছো আমি মৃদু হেসে বললাম না
তবে যদি কেউ তোমার মত আন্তরিক আর মিষ্টি
হয় তাহলে হয়তো করতাম মা মজার ছোলে বলল
এই তো একটু আগেই বললে আমি তোমার প্রিয়
বন্ধু আর এখন বলছো অন্য কেউ হলে প্রকাশ
করবে আমি হাসি দিয়ে বললাম তাহলে কি তোমার
সাথে মজার ছোলে কিছু বলতে পারি মা হাসি
মুখে বলল ঠিক আছে মজার কিছু বলো আমি মজা
করে বললাম গালে নয় বরং একটা মজার কথা
শেয়ার করি। মায়ের প্রতিক্রিয়া দেখে
বুঝতে পারলাম হয়তো আমি একটু বেশি মজা করে
ফেলেছি। মা একটু বিরক্ত হয়ে আমাকে শাসন
করলেন। আমি তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি শান্ত করার
চেষ্টা করলাম। মায়ের মেজাজ একটু
স্বাভাবিক হলে আমি বললাম, ঠিক আছে মা। আমি
তোমার কথা শুনবো। মা বললেন, এইবার আর কোনো
রকম মজা করো না। আমি মায়ের সামনে গিয়ে
শান্তভাবে দাঁড়িয়ে রইলাম। তারপর
একটুখানি হাসি মুখে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা
ও ভালোবাসা প্রকাশ করলাম। এরপর আমরা
দুজনেই হেসে উঠলাম। সেই সময় আমি উপলব্ধি
করলাম যে মজা করার সময়ও কিছু সীমা থাকা
প্রযোজন। যা মা আমাকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে
দিলেন। আমাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হলো আর
আমরা বুঝতে পারলাম পারস্পরিক সম্মান ও
শ্রদ্ধার গুরুত্ব মায়ের চোখে আমি তখন
স্পষ্টভাবে একটু বিরক্তি এবং চিন্তার ছাপ
দেখতে পাচ্ছিলাম।
তিনি আমাকে খুব ভালোবাসার সাথে বললেন
আরিয়ান কিছু মজা ঠিক আছে কিন্তু মা ছেলের
সম্পর্কেরও কিছু সীমা আছে আমাদের সেই সীমা
অতিক্রম করা উচিত নয় মায়ের কথা শুনে আমি
বুঝতে পারলাম যে আমার আচরণে মায়ের মন
কষ্ট পেয়েছে আমি সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কাছে
ক্ষমা চাইলাম এবং প্রতিশ্রুতি দিলাম যে
এমন কোন মজা আর কখনো করবো না যাতে আমাদের
সম্পর্কে কোন দূরত্ব তৈরি হয় মা আমার
ক্ষমা গ্রহণ করে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং
বললেন বাবা বাবা আমি সবসময় তোমার বন্ধু
থাকবো কিন্তু মনে রাখতে হবে আমাদের
সম্পর্কের কিছু সীমা আছে আমি মায়ের দিকে
তাকিয়ে বললাম হ্যাঁ মা আমি বুঝতে পেরেছি
আমি আপনাকে আর কখনো কষ্ট দেবো না এরপর
আমরা দুজনেই আবার হাসি মুখে সাধারণ আলাপ
শুরু করলাম মা আমাকে পরামর্শ দিলেন যে
আমার বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো
উচিত এবং জীবনের সম্পর্কের মর্যাদা এবং
সম্মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এই
কথোপকথন আমাকে শেখালো যে মজারও কিছু সীমা
থাকে আর সম্পর্কগুলোতে পারস্পরিক সম্মান
এবং বোঝাপড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শেষে আমরা একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে ট্রুথ
আর ডিয়ার খেলা শেষ করলাম এবং প্রতিজ্ঞা
করলাম যে, আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং
ভালোবাসা সবসময় অটুট থাকবে। গল্পটি
আমাদের পরিবার সম্পর্কের মূল্য এবং
সামাজিক আদর্শ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার
সুযোগ দেয়। যদিও কিছু দিক অনৈতিকতার দিকে
ইঙ্গিত করতে পারে। এটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা
হিসেবেও দেখা উচিত। গল্পটি সঠিক ও ভুলের
পার্থক্য বুঝতে শেখায় এবং পরিবারের
সম্পর্কগুলোকে শ্রদ্ধা ও মর্যাদা দিয়ে
মূল্যায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে। গল্পের
কেন্দ্রীয় চরিত্র আরিয়ান কিশোর বয়সে
শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে
কিছু ভুল ধারণা পোষণ করতে শুরু করে। এই
বয়সে এমন অনুভূতি আসা স্বাভাবিক হলেও
সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা এবং সঠিক মূল্যবোধে
পরিচালিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বাবা-মা
আমাদের জীবনের ভিত্তি তাই তাদের প্রতি
শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রাখা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে আত্মনিয়ন্ত্রণ
এবং নৈতিকতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজ ও সংস্কৃতি আমাদের শেখায় যে চিন্তা
ও অনুভূতির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা উচিত, ভুল
পথে চললে জীবনের সমস্যার সম্মুখীন হতে
হয়। ইতিবাচক পথে মনোযোগ দিতে সৃষ্টিশীল
কাজ বা খেলাধুলায় নিজেকে ব্যস্ত রাখার
শ্রেয়ে গল্পটি আমাদের সতর্ক করে যে
মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা মেনে চলা প্রযোজন।
কারণ ভুল চিন্তা ও আচরণ আমাদের এবং আমাদের
পরিবার ও সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব
ফেলে। বাবা-মায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন
এবং তাদের সঙ্গে পবিত্র সম্পর্ক বজায়
রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। যদি ভুল
চিন্তা আসে তাহলে নিজেকে শক্তিশালী করতে
পরামর্শ গ্রহণ করা এবং নৈতিক বিশ্বাসে কাজ
করা জরুরি। যদি কখনো আপনি এমন কোন
পরিস্থিতিতে পড়েন যেখানে আপনার মনে
অপ্রাসঙ্গিক চিন্তা আসছে তখন সেটা কারো
সাথে আলোচনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেমন
আপনার বাবা-মা শিক্ষক বা কোন পরামর্শদাতা।
এই ধরনের আলোচনা আপনার ভেতরের দ্বন্দ্ব
মেটাতে সাহায্য করতে পারে এবং সঠিক পথ
দেখাতে পারে। গল্পের মূল চরিত্র আরাবকে
বুঝতে হবে যে নৈতিকতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ
জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। গল্পটি আমাদের
শেখায় যে পরিবারের প্রতি সম্মান এবং
শ্রদ্ধাই সমাজের ভিত্তি। যদি কোন
সম্পর্কের মধ্যে অসম্মান বা অনৈতিক আচরণ
প্রবেশ করে তাহলে তা পুরো পরিবারের
কাঠামোকে নষ্ট করতে পারে। অভিভাবকদের উচিত
তাদের সন্তানদের সাথে খোলামেলা ও
সহানুভূতিপূর্ণভাবে কথা বলা যাতে তারা
সঠিক পথে চলতে পারে। এই গল্পের আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সমাজে কি ধরনের
সাহিত্য, সিনেমা বা বিষয়বস্তু শিশু ও
কিশোরদের সামনে তুলে ধরা হয়। অনৈতিক
বিষয়বস্তু সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে
পারে। তাই অভিভাবক এবং সমাজকে সচেতন থাকতে
হবে যাতে শিশুদের সামনে সঠিক বিষয়বস্তু
উপস্থাপিত হয়। সময়ের সাথে সাথে যখন একজন
ব্যক্তিবর হয় তখন তার চিন্তাভাবনাকে আরো
পরিপক্ক করতে হবে। গল্পের চরিত্র আরাবের
আচরণ এবং চিন্তাধারা ভুল পথে যাচ্ছে
কিন্তু এর থেকে আমরা শিখতে পারি যে, সঠিক
দিকনির্দেশনা এবং আত্মসংযমের মাধ্যমে একজন
ব্যক্তি তার চিন্তাধারাকে সঠিক পথে নিয়ে
যেতে পারে। আমাদের সংস্কৃতি এবং পারিবারিক
মূল্যবোধের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বিশেষ
করে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে এই
গল্প থেকে আমরা শিখতে পারি যে নৈতিকতা এবং
মূল্যবোধ যেকোনো সম্পর্কের ভিত্তি। যদি
সন্তানদের সাথে সুস্থ ও স্নেহপূর্ণ
সম্পর্ক থাকে তবে তাদের জীবনের সঠিক
দিকনির্দেশনা দেওয়া সহজ হয় গল্পটা কেমন
লাগলো জানাতে ভুলবে না। আরো মজার মজার
রোমান্টিক গল্প শুনতে চাইলে ভিডিওটি লাইক,
শেয়ার এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে
এবং বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবে না।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment