ছেলে হয়ে আম্মুকে ছুদে ছুদে পোয়াতি বানালাম
আমি এসে দরজা খুলে দেখি মায়ের চুলগুলো
এলোমেলো যেন এখুনি ঘুম থেকে উঠেছে বা কেউ
হাত দিয়েছে এমন মা বলছেন তুমি কেন এসব
পাঠাও এসব দেখে তো আমার অস্বস্তি হয়
তোমার দাদাবাবু কিছুই [মিউজিক] করতে পারে
না অফিস থেকে এসেই ক্লান্ত হয়ে যায় তাই
তোমার কাছে চলে আসে উপায় না পেয়ে মা
কোনমতে ছায়াটা তুলে মুখে চাদরটা কাম
দিয়ে পড়তে শুরু করল আমি তাড়াতাড়ি করে
তখন সেখান থেকে চলে এলাম আমি অজিত আমার
বয়স 18 বছর থাকি ঢাকা মিরপুরে ভাড়া
বাসায় আমাদের বাসাটা চারতলা [মিউজিক]
আমরা থাকি নিচতলায় আমাদের পরিবারের সদস্য
সংখ্যা তিনজন মা বাবা আর আমি আমার মায়ের
নাম সীমা এবং বাবার নাম রজিত আমার বাবা মা
অনেক ওয়েল এডুকেটেড ছিলেন [মিউজিক] তাই
তারা আর কোন সন্তান নেননি তখন সবেমাত্র
করোনার উপদ্রবটা কিছুটা কমেছে লোকজন আবার
ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে কাজের খোঁজে
আমাদের দ্বিতীয় তলায় [মিউজিক] একটি
ফ্ল্যাট খালি ছিল সেখানেও একটা পরিবার
উঠলো তাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা
[মিউজিক] ছিল তিনজন
মা মেয়ে ও মেয়ের বাবা উনার নাম রহিম এবং
আন্টির নাম আফরিন আঙ্কেল [মিউজিক] ছিলেন।
আনুমানিক চফুট লম্বা সুঠাম দেহের অধিকারী
আন্টিও কম জান না। স্লিম ফিগার শ্যামলা
বর্ণের মহিলা আর তাদের মেয়ে আমার থেকে এক
বছরের ছোট নাম রিয়া আঙ্কেল আন্টি দুজনেই
[মিউজিক] চাকরি করে। ওহ বলতে ভুলেই গেলাম।
আন্টিকে দেখে আমার একটু হিংসাই হলো। আমার
মা উনার মত স্লিম ছিল না। গায়ের রং এমনি
ফরসা আর বাবার কথা তো বাদই দিলাম। আঙ্কেল
আন্টির বয়স হবে প্রায় 44 ও 37 [মিউজিক]
আর আমার মা-বাবার বয়স ছিল 39 ও 46 অনেক
তাড়াতাড়ি ওদের সাথে আমাদের ভালোই
সম্পর্ক হয়ে গেল আমার তেমন কোন বন্ধু
বান্ধব ছিল না যার ফলে আমি [মিউজিক]
প্রায় সারাদিনই বাসায় বসে কম্পিউটার এ
গেমস খেলতাম আর মাঝে মাঝে রিয়া আসতো ওকে
নিয়ে মুভি দেখতাম গান শুনতাম একদিন আমি
সোফায় [মিউজিক] বসে নাস্তা করছিলাম আর মা
দরজার সামনে বসে ঘর ঝাড়ু দিচ্ছিল আঙ্কেল
অফিসে যাওয়ার জন্য নেমে আসলেন দুতলা থেকে
আমি লক্ষ্য করলাম কলাপ স্কেট খুলতে খুলতে
মায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন। মা বাইরের দিকে
মুখ করে বসে কাজ করছিলেন। আমি দেখলাম
আঙ্কেল গেট না লাগিয়ে মায়ের তাই কে
তাকিয়ে আছেন [মিউজিক] আমার কানে হেডফোন
লাগানো ছিল। এই দৃশ্য দেখে আমার রাগে
টকবগে হয়ে উঠে দাঁড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু
সেটা না হয়ে আমার কান গরম হয়ে উঠতে
লাগলো। আমি আমার ফোনে এ বাঁচতে থাকা গান
অফ করে দিয়ে নাস্তা [মিউজিক] করতে
লাগলাম। আর শুনলাম রহিম আঙ্কেল মাকে
ডাকছেন। আমি আর চোখে তাকিয়ে দেখি আঙ্কেল
ইশারা করে মাকে বলছেন বৌদি দাদা তো সেই
জিনিস বানিয়েছে। এই কথা শুনে মা বলে উঠলো
এসব কি বলছেন আপনি? আঙ্কেল বলল, আরে মজা
করলাম একটু রাগ করবেন না প্লিজ। রহিম
আঙ্কেল তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে গেলেন। মা
আমার দিকে তাকানোর আগেই আমি চোখ সরিয়ে
মোবাইল ঘাটাঘাটি করতে লাগলাম। মা ঘরে এসে
বিটবিট করে কি বললেন তারপর আবার কাজ করতে
লাগলেন আর আমি কলেজে চলে আসলাম তার তিন
চার দিন পর আবার আমি সোফায় বসে নাস্তা
করছিলাম সেদিন ছিল ছুটির দিন বাবা তার
রুমে টিভি দেখছেন মা কাপড়-চোপড় ধুচ্ছিল
কাপড় ধোয়ার সময় কাক স্নানের মত হয়ে
গিয়েছেন প্রায় দারুণ অপূর্ব লাগছিল তাকে
পরণের কাপড় ভেজা থাকায় মা আমাকে বললেন
কাপড়গুলো ছাদে গিয়ে মেলে দিতে কিন্তু
আমার ইচ্ছা করছিল না বিধায় আমি বারণ করে
দিলাম অগত্তামা নিজে যেই চোল কাপড় দিতে।
আমি বসে মায়ের সিডি ওঠা [মিউজিক]
দেখছিলাম। বা উপরে ওঠার সময় খেয়াল করলাম
আঙ্কেলদের বাসার দরজা খোলা। আর মা ওঠার
ঠিক পরেই আঙ্কেল [মিউজিক] তাড়াহুড়ো করে
উপরে উঠে গেলেন। আমার তো দেখে সন্দেহ হলো
তাই আমি আর বসে না থেকে [মিউজিক] আমিও
বুটতে লাগলাম। ছাদের উদ্দেশ্যে ছাদের ঠিক
নিচের সিড়িতে গিয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে যা
দেখলাম সেটা দেখার জন্য আমি প্রস্তুত
ছিলাম না। আঙ্কেল মায়ের কাছে গিয়ে কিছু
[মিউজিক] বলছেন। কিন্তু আমি ভালো করে
শুনতে পেলাম না। তবে মায়ের কথা ভালোভাবে
শোনা যাচ্ছিল। মা বলল, ইসকি যা তা বলছেন
[মিউজিক] আপনি ছাড়ুন আমায় কেউ দেখে
ফেলবে। আঙ্কেল বলল, আরে কেউ দেখবে না তুমি
আমার দেখা অপরূপ সুন্দরী নারী তোমার মত এত
সুন্দরী আমি আগে দেখিনি। মা শুনে লজ্জা
পেলেও খুশি হলেন। এত তারিফ শুনে আর বললেন,
"ইসকি যে বলেন না আপনি আমার থেকেও আপনার
বউ অনেক সুন্দরী। [মিউজিক] আঙ্কেল বলল,
ধুর ও এত সুন্দর না এসব বলে আঙ্কেল কিছু
করতে যাবে।"
এমন সময় মা একটা চট মেরে বলল, এত
[মিউজিক] বড় সাহস কি করে হয়? আপনার আজকে
পুরো বাসায় জানাব আপনার কীর্তিকাণ্ড।
আঙ্কেল মায়ের কাছে অনুনয় বিনয় করে বলল,
আমাকে মাফ করে দিন বৌদি ভুল হয়েছে। আমার
কাউকে জানাবেন না প্লিজ এ বলে চলে আসতে
সিডির দিকে আসতে লাগলেন। আর আমি
তাড়াতাড়ি করে নিচে নেমে আসলাম। আমি মনে
মনে ভাবছি আজকে তুলকালাম কান্ড হবে। মা
আজকে এদের [মিউজিক] বাসা ছাড়া করবে।
কিন্তু মা নিচে এসে কারো সাথে এই ব্যাপারে
কোন কথাই বলল না। তার মুখখানা দেখে মনে
হলো যেন কিছু হয়নি [মিউজিক] এতক্ষণ ছাদে
তারপর কেটে গেল। সপ্তাহখানিক দুপুরবেলা
আমি আমার রুমের দরজা বন্ধ করে বারান্দায়
এসে সিগারেট টানছি। আর তখনই বাসার কলিং
বেল বেজে উঠলো। আমি সিগারেট [মিউজিক]
টানছি বিধায় আমি চুপচাপ বারান্দায়
দাঁড়িয়ে রইলাম। মা দরজা খুলে দিতেই সেই
দ্বিতীয় তলার আঙ্কেলের গলা শুনতে পেলাম।
আমি ভাবছিলাম এ আবার কেন আসল পরক্ষণেই
দরজা লাগানোর শব্দ শুনতে পেলাম মাকে। সে
দরজা লাগিয়ে দিয়েই আবার কিছু একটা করার
ফোন দিয়ে আটল। কিন্তু মা তাতেশায় দিল না।
আমার রুমের পাশে ছিল বাবা মায়ের রুম
বারান্দা [মিউজিক] থেকে তাদের রুমের
কিছুটা অংশ দেখা যায়। তাতে মায়ের ড্রেসিং
টেবিলটা [মিউজিক] দেখা যায়। আর সেখানে
দেখছি আঙ্কেল আবার মাকে পিছন থেকে জড়িয়ে
ধরেছে। কিন্তু মা ওনাকে আর সেদিন ছাদের
মতো বাধা দিলেন না। কিন্তু কি [মিউজিক]
যেন একটা বললেন আর তখন ছেড়ে দিয়ে মা আমার
ঘরের দিকে এসে দরজায় চাপ দিতেই দেখেন
[মিউজিক] দরজা বন্ধ। তখন আর কিছু না বলে
মা তার রুমে ঢুকল। আর তার পিছন পিছন
আঙ্কেল ঢুকল। তখন মা রহিম আঙ্কেলকে বললেন,
আরে আপনি তো দেখছেন আছরবান্দা [মিউজিক]
আচ্ছা ছাড়ুন আপনাকে একটা জিনিস দিচ্ছি এই
বলে মা তার বাথরুমে ঢুকলো। আর কিছু ছোট
পোশাক নিয়ে আসলো [মিউজিক] সেগুলো
আঙ্কেলের মুখে গুজে দিয়ে বলল, এই নাও
যাও। এবার সময় হলে আমি ডাক তোমায়।
আঙ্কেল মায়ের মুখে তুমি শুনে খুশি হলেন।
বললেন, তোমার মুখে তুমি শুনে আমার খুব
ভালো লাগছে। মা বলল, ইস একটু লজ্জাও করে
না বলতে তোমার এখন যাও তো রহিম। আঙ্কেল
চলে যাওয়ার পর মা আমার দরজায় এসে আমাকে
ডাকাডাকি শুরু করল। ততক্ষণে আমার সিগারেট
খাওয়া শেষ। আমি এসে দরজা খুলে দেখি
মায়ের চুলগুলো এলোমেলো যেন এখুনি
[মিউজিক] ঘুম থেকে উঠেছে বা কেউ। দিয়েছে
এমন মা চুল ঠিক করতে করতে আমাকে বলল কিরে
এতক্ষণ কি করছিলি? আয় খাবার খেতে
[মিউজিক] আয় মা। আমি বললাম, আচ্ছা যাও
আমি আসছি। হাত মুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে
গিয়ে বসি মা। খাবার বেড়ে দিচ্ছে।
ঠিক সেই মুহূর্তে মায়ের হোয়াটসঅ্যাপে
নোটিফিকেশন আসল মা আমাকে খাবার দিয়ে চলে
গেল তার রুমে মোবাইল চেক করতে। এই ফাঁকে
আমি তোমাদের আমাদের ঘরের বর্ণনা দিয়ে
নেই। ডাইনিং টেবিল আর [মিউজিক] সোফা এক
রুমেই আর আমার রুম ও মা বাবার রুম।
পাশাপাশি সেটা আগেই তোমাদের বলেছি ডাইনিং
[মিউজিক] টেবিলটা যেখানে রাখা সেখান থেকে
মায়ের রুমের সম্পূর্ণ দেখা যায়। এমনকি
[মিউজিক] আমি যেখানে বসে আছি সেখান থেকে
মায়ের ড্রেসিং টেবিলটার মধ্যে দিয়ে আমার
বারান্দার কিছু অংশ দেখা যায়। তো আমি
খেতে খেতে [মিউজিক] মায়ের দিকে তাকাতেই
দেখি মা মোবাইল দেখছে আর মুচকি হাসি
দিচ্ছে আমার জানামতে মায়ের তেমন
বন্ধুবান্ধব নেই। শিক্ষিতা হলেও [মিউজিক]
অনেক সংস্কারই ছিলেন। শিক্ষা গোহে কখনো
ছেলে বন্ধু করেননি। আর একজন বান্ধবী ছিল।
[মিউজিক] কিন্তু বিয়ের পর তাদের আর এখন
কারো সাথে কারোরই কোন খোঁজ নেই। আমি খাবার
শেষ করে উঠে চলে [মিউজিক] এলাম। আমার রুম
এমা খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে ছাদে
গেল কাপড় আনতে। আমি [মিউজিক] কলেজের একটা
কাজে বন্ধুদের কল দিতে গিয়ে দেখি আমার
মোবাইল ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেছে। সেই
বিধায় [মিউজিক] আমি চিন্তা করলাম মায়ের
মোবাইল পে থেকে রিচার্জ করে নেই যে ভাবা
সেই কাজ মায়ের রুম এগিয়ে মায়ের
[মিউজিক] মোবাইল হাতে নিতে দেখি অনেকগুলো
নোটিফিকেশন
প্রায়গুলোই হোয়াটপ [মিউজিক] থেকে আসা
আমি তখন নোটিফিকেশনে ক্লিক করে যে ভিতরে
ঢুকেছি সেখানে বার্তালাপ দেখে তো আমার
চোখছানা ভরা আঙ্কেল [মিউজিক] মাকে একটু
আগে মেসেজ করেছে একটা ভিডিও দিয়ে যেটা
দেখেই মা মুচকি হাসছিল আমি ভিডিও প্লে করে
দেখি আঙ্কেল মায়ের দিয়া ছোট পোশাকের
সুগন্ধ নিচ্ছে মা আবার তাকে রিপ্লাইও
করেছে ইসকি অসভ্য তুমি আমার এইসব [মিউজিক]
কর্মকান্ড দেখে তো আমি অবাক হচ্ছি। আবার
ভালোও লাগছে। আমি ইনবক্স স্ক্রল করতে করতে
উপরের দিকে যেতে থাকলাম। শুরুর দিকে
দেখলাম আঙ্কেল মাকে অনেক বিরক্ত [মিউজিক]
করেছেন। কখনো মেসেজ দিয়ে কখনো কল বা কখনো
ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে মা তাকে দুবার ব্লক
করেছেন সেটা [মিউজিক] লিখেছেন তাদের
কনভার্সেশনে।
আঙ্কেলের পাঠানো মাইসের ছবি ভিডিও দেখে মা
লিখেছেন [মিউজিক] কি যা তা বলছেন এসব। আর
আপনি এসব কি ছবি পাঠিয়েছেন লজ্জা করে না।
এসব পাঠাতে আঙ্কেল লিখেছেন তোমাকে পাওয়ার
জন্যই তো এই সাধনা আমার লজ্জা করলে কি আর
পাপ তোমায়? তোমার [মিউজিক] কি একটুও ভালো
লাগেনি। আমার এসব ছবি মা লিখেছেন আপনাকে
আর কতবার বলব এসবার পাঠাবেন না। আমার এসব
দেখে ভালো লাগে না, অস্বস্তি [মিউজিক] হয়
আপনাকে ব্লক করেছি। তাতেও শুধরাবেন না
আঙ্কেল লিখেছেন এটা দেখে তোমার অস্বস্তি
হচ্ছে নাকি [মিউজিক] অন্য কিছু হয়ে
যাচ্ছে। কোনটা মা লিখেছেন ইস আপনি ছাড়ছেন
ছাড়ছেন না কেন শুনি? সেদিন আপনার নামে
নালিশ করিনি বলে পার পেয়ে গেলেন তাই না
গাছে চড়ে [মিউজিক] বসছেন দেখি আপনাকে আমি
ব্লক করলাম আবার কিন্তু একই মা আবার
কিছুদিন পর ব্লক খুলে দিয়েছে আর আবার
আঙ্কেলের মেসেজ আসা শুরু করেছে এবার মা
আগের মতো ধারালো কথা ব্যবহার করছে না
আঙ্কেলের ছবির নিচে প্রথমের আগে ইমোজি
থাকলেও পরে তা লাইকে পরিণত হয় আর শেষে
সেটা লাভের রূপান্তরিত হয় আঙ্কেল মাকে
তার আর আংটির কিছু ভিডিও দিত মা এগুলো
দেখে তো আর নিজেকে সামলাতে [মিউজিক] পারতো
তাই শেষমেষ রাজি হয়ে গেল। আর সেটার
ফলস্বরূপ আজকে আঙ্কেল এসেছিল ঘরে। আমি
মায়ের মোবাইল থেকে কিছু ছবি আর আঙ্কেল
আন্টির সব ভিডিও ফরোয়ার্ড করে আমার। সেশন
ডিলিট করে দিয়ে মোবাইল রেখে আমার রুমে
চলে আসি। আমার রুমে এসে আঙ্কেল আন্টির
ভিডিও দেখতে শুরু করি। তারপর কিছুক্ষণ
বিশ্রাম নেই। ঠিক সে সময় মাথায় চিন্তা
এলমা এতক্ষণ ছাদে কি করছে বিকাল হয়ে
সন্ধে নামার উপক্রম আমি বাসার দরজা
লাগিয়ে ছাদের উদ্দেশ্যে উঠতে থাকি। ছাদে
গিয়ে দেখি সেখানে মা নেই। আর কাপড়
কাপড়ের জায়গায় পড়ে [মিউজিক] আছে। আমার
তো চিন্তা আরো বেড়ে গেল। সন্দেহের তীর
গালো আঙ্কেলদের বাসার দিকে [মিউজিক] আমি
নিচে নামতেই শুনতে পাই। আঙ্কেলদের ঘর থেকে
কথার আওয়াজ আসছে। আর হাসাহাসি [মিউজিক]
শব্দ তাদের অপর পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন
কোথাও বেড়াতে গিয়েছে। হয়তো তাই কেউ নেই
আজ। আঙ্কেলদের রুমগুলো সিডির কাছেই।
কিন্তু তাদের রুমগুলো এমনভাবে সেট করা যে
[মিউজিক] সিডির সামনে দরজা আর দরজা থেকে
একটু সামনে গেলেই একটা কোণে জানা না বলাই
যায়। স্কুল ঘরের মত জানালার রুমটা আঙ্কেল
আন্টি রুম আর জানালাটা যে পাশে সেখানে
বিকেল নামলেই অন্ধকার হয়ে পড়ে। লাইট
চালানো ছাড়া কিছু দেখা সম্ভব নয়। তারপর
আমি জানালার পাশে গিয়ে হাঁটু গেটে নিচু
হয়ে বসি। আর ভিতরে ফ্যানের বাতাস চলছে
জোরে জোরে শত শত শব্দে তাদের কথাগুলো
বাইরে বেরিয়ে আসছে আর জানালার পর্দাগুলো
নড়ছে যেটা দিয়ে আমি ভালোভাবেই দেখতে
পাচ্ছি কি হচ্ছে ভিতরে [মিউজিক] জানালাটা
আফছানো অবস্থায় আছে মনে হয় সুযোগ হয়নি
কিছু করার আর এদিকে [মিউজিক] আমি ভিতরে যা
দেখছি তাতে আমার পায়ের নিচে মাটি সরে
গেছে কান দিয়ে ধোয়া বেরোচ্ছে আঙ্কেল
বিছানায় বসে আছেন মা আঙ্কেলকে বলছেন তুমি
কেন এসব পাঠাও এসব দেখে তো আমার অস্বস্তি
হয় তোমার দাদাবাবু কিছুই করতে পারেনা না
অফিস থেকে এসেই ক্লান্ত হয়ে যায় তাই
তোমার কাছেই [মিউজিক] চলে আসে উপায় না
পেয়ে। এসব ঘটনা দেখে আমার অবস্থা আরো
খারাপ হয়ে গেল। কখন যে আমার পিছনে আন্টি
দাঁড়িয়ে এসব কান্ডুকীর্তি দেখছিলেন জানা
[মিউজিক] ছিল না। আমার কলার ধরে আমাকে
টেনে তুললেন। টেনে আমাকে সিডির কাছে নিয়ে
এলেন। আমার অবস্থা খারাপ দেখে আমাকে
ধাক্কা দিয়ে চলে যেতে ইশারা করলেন। আর
নিজে ঘরের দরজা থাবড়াতে [মিউজিক] লাগলেন।
আমার তো বুক ধরফোট করা শুরু করল। আজ কি
হবে? সব শেষ মান সম্মান আর রইল না এ
পাড়াতে আমার মাকে সবাই খারাপ হিসেবে
চিনবে। এসব ভাবতে ভাবতে আমি সিডি [মিউজিক]
দিয়ে নিচে নেমেও নামতে পারলাম না। সিডির
মাঝখানে গিয়ে ঘটনা কোথায় যায় তা দেখতে
থাকলাম। আন্টি দরজা থাপড়ানো [মিউজিক]
থামিয়ে জানালোর পাশে গিয়ে রহিম আঙ্কেল
আর মাকে একসাথে দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস
করতে পারলেন না। নিজেকে সামলাতে না পেরে
তিনি চেঁচিয়ে ওঠেন। আর বললেন, এসব কি
হচ্ছে? আজ তোর একদিন কি আমার? একদিন এমন
সময় আঙ্কেল ঘরের দরজা খুলে আন্টিকে
[মিউজিক] ঘরে ঢুকিয়ে আবার দরজা বন্ধ করে
দিলেন। আঙ্কেল বললেন, শোনো এমন করো না।
লক্ষ্মীটি বোঝার চেষ্টা করো প্লিজ। এদিকে
আমি আবার ঘরের পাশের জানালায় গিয়ে চোখ
রাখতেই তাদের আলাপ শুনতে। পেলাম। মা তো
পুরো ভয়ে নিজেকে সামলাতে না পেরে বিছানার
চাদর [মিউজিক] টেনে গায়ে জড়িয়ে ঘরের এক
কোণে দাঁড়িয়ে আছে। আর অঝরে কান্না করছে
মা। শুধু রহিম আঙ্কেল কে বলল, এ তুমি আমার
কি সর্বনাশ করলে? আন্টির আগের মাথায় মাকে
যা তা বললেন, মা বলল, আমার কোন দোষ নেই।
হাবি আপনার জামাই আমাকে নষ্ট করতে
চেয়েছে। আমি অনেক চেষ্টা [মিউজিক] করেছি
নিজেকে সংজ্ঞাত করার। কিন্তু সে সবজি আর
পারিনি। আন্টি বলল, আমার জামাইকে কোন দোষ
দিবি না। আজই তোর বরকে সব বলে তোর এই
কর্মকাণ্ডের কথা জানাবো। আমি দেখতে পেলাম
মায়ের চোখ ছলছল করে অঝরে জল পড়ছে আর
রহিম আঙ্কেলের দিকে তাকিয়ে [মিউজিক] আছে
রহিম আঙ্কেল তার বুকে বোঝানোর আপ্রাণ
চেষ্টা করছে কিন্তু কে শোনে কার কথা সে তো
জানেই তার বর কেমন লোক আন্টিমাকে উদ্দেশ্য
করে বলে এখনই বেরিয়ে যায় আমার ঘর থেকে
মা কোনমতে ছায়াটা তুলে মুখে চাদরটা কাম
দিয়ে পড়তে শুরু করল আমি তাড়াতাড়ি করে
তখন সেখান থেকে চলে এসে ড্রইং রুমের
সোফায় বসে মোবাইল টিপছি কিছুক্ষণ পরই
দেখি মা ঘরে প্রবেশ করে আর [মিউজিক] তার
চোখে মুখে অনেক ধকলের ছাপ ফুটে উঠছে।
মাকার রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিল আর
শাওয়ার [মিউজিক] নিতে বাথরুমে ঢুকে গেল।
স্বভাবতই বাথরুম ইকো করায় আমি শুনতে
পাচ্ছিলাম। মা ওঝরে কান্না করছিল। আমি
রিয়াকে উপরে উঠতে দেখে নিজে উঠে বাড়ির
দরজা বন্ধ করে নিজের রুমে গিয়ে এতক্ষণ কি
কি হলো সেটা চিন্তা করতে থাকলাম। সত্যিই
কি আন্টি বাবাকে [মিউজিক] সব বলে দেবেন।
আম্মু কি ঘর ছাড়া হবে? আন্টি কি সত্যি
সত্যি এসব এলাকায় রুটিয়ে বেড়াবেন? আমার
মায়ের আজ এ দশা দেখে একটু হলেও খারাপ
লেগেছিল। কিন্তু পরক্ষণেই [মিউজিক]
মনে একটা রোমাঞ্চকর অনুভূতি খেলে গেল
আমাদের জীবন বদলে যাবে সেটা ভেবে রহিম
আঙ্কেল। আর মায়ের সেই দৃশ্যগুলো এখনো
চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব চিন্তা
করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছে বুঝতে
পারিনি। ঘুম থেকে উঠি মা বাবার বাঘবিতন্ডা
শুনে রাজ তখন বাজে [মিউজিক] নয়টা। আমি
আমার রুমের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াই। আর
তাদের ঘরের দিকে তাকাতেই দেখি রুমে শুধু
মা বাবাই নয় আন্টি ও [মিউজিক] আছেন তিনি
একাই এসেছেন নালিশ করতে বাবা জিজ্ঞাসা করল
কি হয়েছে তোমার এসব আমি কি শুনছি তোমার
এই অবস্থা [মিউজিক] আমি জীবনেও কল্পনা
করিনি তোমার আমাকে দিয়ে হয় না আন্টি
বললেন আপনার বউ এসব খুবই খারাপ কাজ করেছে
সে আমার হাসব্যান্ডের [মিউজিক] দিকে নজর
দিল মা অঝরে কাঁদছে আর বাবাকে বলছে তুমি
আমাকে ভুল বুঝছো আমি এসব নিজে থেকে কিছুই
করিনি সব দোষী রহিমের বাবা আন্টিকে কিছু
না বলে রাগী কন্ঠে বললেন, তুমি নিজেকে
সংজ্ঞাত করতে পারলে না। মা বলল, সত্যি
বলতো তুমি কবে আমার দিকে ঠিকভাবে
তাকিয়েছিলে? আমি কতদিনের একা তুমি নিজেকে
প্রশ্ন করো? তুমি কবে আমাকে সময় [মিউজিক]
দিয়েছিলে? তোমার কি মনে পড়ে বাবা মায়ের
কথাগুলো শুনে আসলেই ভাবতে বসে কি হয়েছে?
আর কি করেছে [মিউজিক] তার সাথে বাবা বুঝে
উঠতে পারে না। মাকে কি বলে তার এই কাজকে
ভুল প্রমাণিত করবে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য
বাবার মুখ বন্ধ থাকতে দেখে এবার আন্টি
বাবার পক্ষ হয়ে মাকে কথার বেত্রাঘাত করতে
আসে। আন্টি বলল, আমার জামাইকে কেন আপনার
এই মোহের জালে ফেললেন? এ বলে আন্টি বাবার
সামনে এসে মাকে একটি উদাহরণ। চেষ্টা করেন
যেটা দেখে আমি মা বাবার সবাই পুরোথম মেরে
[মিউজিক] যাই। আন্টি মাকে বললেন, দেখুন
এখন আমি যদি আপনার জায়গা থেকে আপনার বরের
সাথে এসব করি তখন কেমন লাগে আন্টি কথাগুলো
বলেই বাবার সাথে আত্মতিকর কাজ করতে থাকেন।
ঘরের মুহূর্তটা কিছুক্ষণের জন্য
পিনপয়েন্ট সাইলেন্সে পরিণত হয়। সাথে
সাথে আন্টি বলে ওঠেন কি হলো এবার কি
হয়েছে বুঝলেন তো আমার কেমন লেগেছে তা মা
কিছু বলে না শুধু বাবার কোন প্রতিউত্তর না
দেখে বাবার দিকে এক অপলক আশ্চর্যসূচক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে [মিউজিক] থাকে বাবা
আন্টির দিকে তাকিয়ে আছে আন্টি দেখি বাবার
তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিচ্ছেন আর নিজের
[মিউজিক] রুম থেকে বের হয়ে চলে যেতে
থাকেন আমি তাকাতেই দেখি আন্টি দরজা খুলে
বের হয়ে গেলেন। এদিকে বাবা তাকিয়ে আছেন
[মিউজিক] মায়ের দিকে। আর মা অভিমানে
একগাদা প্রশ্ন মনে নিয়ে বাবার দিকে
তাকিয়ে আছে। একে হয়তো বলে মেয়ে মানুষ
নিজে দোষ করলেও সমস্যা নেই। পার্টনারের
দোষ অনেক বট বিষয়। সে রাতে কেউ তেমন আর
কথা বলেনি। এক কথায় নিস্তব্ধতার মাঝেই
খেয়ে দেয়ে চলে এলাম ঘুমোতে। হয়তো আমি
ছিলাম বলেই বেশি কিছু হয়নি। আমি না
[মিউজিক] থাকলেই হয়তো ভাল হতো কে জানে
আরো কত কি কি হতো। বন্ধুরা YouTube এর
গল্পগুলো শুনে মজা না পেলে আমার
ওয়েবসাইটে [মিউজিক] দেওয়া গল্পগুলো
শুনতে পারো। সেখানে প্রতিদিন খোলামেলা
গল্প আপলোড করা হয়। কমেন্টে [মিউজিক] এ
ওয়েবসাইটে লিংক দেওয়া আছে।
Comments
Post a Comment