বাংলা ছুদাছুদি দেখুন



তোমার ভিতরে এখনো অনেক টাইট। আমি একটু


করলে আর পারবো না। তোমার ভিতরে এত গরম


কেন? আমার এটা তো পুড়ে যাবে। তোমার ভিতরে


কি পানি ছেড়ে দিব? আমি জানতাম না যে আমার


ভাইয়ের সাথে এমন সবকিছু করার সুযোগ পাব।


আমার নাম প্রিয়াঙ্কা। আমার বয়স এক নয়


বছর এবং আমি এখন কলেজের প্রথম বর্ষে


পড়ছি। আমার প্রিয় বিষয় হলো রসায়ন। আমি


রসায়ন এতটাই পছন্দ করি যে যখনই আমি কিছু


নতুন শিখি তখন একটা অদ্ভুত উৎসাহ অনুভব


করি। এই কারণেই আমি আমার ভবিষ্যৎকেও এই


বিষয়ের সাথে যুক্ত করতে চাই। আমার


পরিবারে আমার মা, আমার বড় ভাই অর্জুন এবং


আমি থাকি। অর্জুন ভাইয়ের বয়স দুই এক


বছর। তিনি আমার একই বিশ্ববিদ্যালয়ে


পড়েন। যদিও আমরা দুজনেই রসায়নের ছাত্র


নই। তার আগ্রহ ইঞ্জিনিয়ারিং এ। আমাদের


বাড়িতে সকালের সময় সবসময় তারাহুডো ভরা


থাকে সকাল 9:00 টায় আমাদের ক্লাস শুরু


হয় আর সময়মতো পৌঁছানোর জন্য আমাদের আট


তিন শূন্য এর মধ্যে বাড়ি থেকে বেরোতে হয়


আমার বাবা-মা আমাদের সুবিধার জন্য কিছুদিন


আগে একটা মোটরসাইকেল কিনেছিলেন। অর্জুন


ভাই এটা চালান আর আমি তার পিছনে বসে


বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই। অর্জুন ভাই আমার সৎ


ভাই। এটা প্রথমবার শুনলে হয়তো একটু


অদ্ভুত লাগতে পারে। কিন্তু এটা সত্যি।


আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার মা দ্বিতীয়


বিয়ে করেছিলেন। তিনি অর্জুন ভাইয়ের


বাবার সাথে বিয়ে করেছিলেন। এই বিয়ের পর


আমাদের পরিবারে অনেক কিছু বদলে গেছে।


কিন্তু আমি কখনোই অনুভব করিনি যে আমি


অর্জুন ভাইয়ের সৎ বোন। বন্ধুরা আমি


জানতাম না যে আমার সৎ ভাইয়ের সাথে এমন


সবকিছু করার সুযোগ পাব। সকাল আটটায়


মা-বাবা অফিসের জন্য বেরিয়ে যান। তারা


চলে গেলে বাড়িতে শুধু আমি আর অর্জুন ভাই


থাকি। আমাদের সম্পর্ক একটা অনন্য ধরনের।


যদিও তিনি আমার সৎ ভাই তিনি আমাকে কখনো তা


অনুভব করতে দেননি। আমরা দুজন একই


বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি আর এটাই আমাদের


দৈনন্দিন জীবনকে আরো বিশেষ করে তোলে।


আমাদের বাড়িতে একটাই কমন বাথরুম আছে তাই


সকালের সময়টাকে একটু সংগঠিত রাখতে হয়।


সাধারণত আমি আগে স্নান করি আর প্রস্তুত


হই। কারণ মেয়েদের প্রস্তুত হতে একটু বেশি


সময় লাগতে পারে। আমি প্রস্তুত হয়ে গেলে


অর্জুন ভাই বাথরুমে যান। প্রতিদিন সকালে


এই ক্রম বিনা বাধায় চলে প্রস্তুত হয়ে


আমরা দুজন একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই


যেহেতু মা-বাবা অফিসে চলে যান তাই বাড়িতে


তালা লাগানোর দায়িত্ব আমাদের বাড়ির মূল


গেটের চাবি আমাদের দুজনের কাছে থাকে


আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা প্রতিদিন


নতুন আসা আর স্বপ্নে ভরা থাকে ক্লাস সকাল


9:00 টায় শুরু হয় এবং দুপুর 2 তিন শূন্য


এ শেষ হয় সারাদিনের পড়াশোনার পর যখন


আমরা বাড়ি ফিরি তখন বিকেল তিনটে বাজে


বাড়ি পৌঁছে তালা খুলেই আমরা দুজন নিজ নিজ


কাজে লেগে যাই। অর্জুন ভাই কখনো বইয়ে


ডুবে যান আর আমির হোসাইনের নোট লিখতে শুরু


করি। বিকেল পাঁচটার দিকে বাবা-মা বাড়ি


ফিরে আসেন। আমরা সবাই একসঙ্গে বসে চা খাই


আর দিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেই। আমার জীবন


এভাবেই শান্ত ও সংগঠিতভাবে চলছিল। কিন্তু


একটা ঘটনা আমার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিল।


এখন এটাকে দুর্ঘটনা বলুন বা ইচ্ছাকৃত সেই


সকালটাও সাধারণ মনে হচ্ছিল আমাদের পরিবার


বাবা মা ভাই অর্জুন এবং আমি সবসময়ের মতো


একসঙ্গে বসে নাস্তা করছিলাম এই সময়টা


আমার জন্য বিশেষ কারণ ব্যস্ত দিনের শুরুটা


পরিবারের সাথে একসঙ্গে করার আনন্দই আলাদা


বাবা-মা তাদের সরকারি চাকরির জন্য


প্রস্তুত হচ্ছিলেন। সকাল আটটায় তাদের


অফিস শুরু হয়। তাই নাস্তার পর তারা


তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তারা


চলে গেলে বাড়িতে শুধু আমি আর অর্জুন ভাই


থাকি আমাদের দৈনন্দিন রুটিনও সংগঠিত ছিল


আমাকে প্রস্তুত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে


হতো আর ভাইকেও যেমনটা প্রতিদিন হয় আমি


আগে স্নান করতে বাথরুমে গেলাম বাথরুমে


ঢুকেই আমি দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিলাম


এই অভ্যাস আমাকে নিরাপত্তা আর আরাম দেয়


সেদিনও সবকিছু স্বাভাবিক ছিল আমি আমার


কাপড় খুলে পাশে রাখলাম আর শাওয়ার চালু


করলাম জলের জলের ঠান্ডা ফোঁটা যখন শরীরে


পড়লো তখন মনে হলো যেন সব টেনশন ধুয়ে


গেল। কিন্তু তখনই আমি বাথরুমের দরজার নিচে


একটা ছায়া দেখলাম। ছায়াটা দেখে আমার মন


একটু বিচলিত হলো। আমি ভাবলাম হয়তো এটা


আমার ভ্রম। মাঝেমধ্যে আলোর কারণে এমন মনে


হয় আর আমি নিজেকে বোঝাই যে এমন কিছু নেই।


কিন্তু এবার ছায়াটা স্থির ছিল না। মনে


হলো যেন কেউ দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে আর


নড়ছে। আমার হৃদস্পন্দন তীব্র হয়ে গেল।


আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করলাম।


হয়তো এটা আমার ভ্রম। আমি নিজেকে এই বলে


সান্ত্বনা দিলাম আর শাওয়ার চালিয়ে


রাখলাম। মুখে সাবান লাগানোর সময় আমার চোখ


আবার দরজার দিকে গেল। আর এবার আমি দেখলাম


যে ছায়াটা সত্যিই নড়ছে। আমার ভেতরে ভয়


আর রাগের এক অদ্ভুত মিশ্রণ জন্ম নীল। কেউ


কি আমাকে দেখছে? কিন্তু বাড়িতে তো শুধু


আমি আর অর্জুন ভাই আছি। এটা কি সম্ভব যে


তিনি আমার সাথে এমন কিছু করছেন? এই ভাবনা


আমাকে ভেতর থেকে কাঁপিয়ে দিল। আমি নিজেকে


শান্ত করার চেষ্টা করলাম ভেবে যে এটা


হয়তো আলোর কারণে হচ্ছে। কিন্তু এই চিন্তা


আমার মনকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারলো


না। আমি তাড়াতাড়ি স্নান শেষ করলাম আর


বাইরে বেরিয়ে এলাম। বাইরে এসে আমি কাপড়


পড়ে নিলাম আর যেই আমার ওড়না তুললাম


দেখলাম দরজার নিচে ছায়াটা আবার নডল। এবার


আমার সন্দেহ আরো গভীর হল। আমি সোজা আমার


ঘরে গেলাম। আমার মন বিধায় ছিল এটা কি সব


আমার ভ্রম ছিল নাকি সত্যিই কেউ ছিল যে


আমার গোপনীয়তার লঙ্ঘন করছিল আমি অর্জুন


ভাইদের সম্পর্কে এমন কখনো ভাবিনি তিনি


আমার কাছে সবসময় একজন বড় ভাইয়ের মতো


ছিলেন যিনি আমাকে নিরাপত্তা আর সাহায্য


দিয়েছেন। কিন্তু সেই ছায়াটা আমার মনের


সন্দেহের বীজ বপন করেছিল। এদিকে ভাই


কিছুক্ষণ পর প্রস্তুত হয়ে আমাকে


বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যাওয়ার জন্য ডাকলেন


আমি আর আমার ভাই বাড়ির দরজা বন্ধ করে


বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বেরিয়ে গেলাম


সাধারণত প্রতিদিন আমি মোটরসাইকেলে আমার


ভাইয়ের পিছনে বসি আর আমার ব্যাগটা তার আর


আমার মাঝে রাখি কিন্তু সেদিন আমি আমার


ব্যাগ আমার পিছনে রেখেছিলাম হয়তো সেদিন


আমি একটা অন্য জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম


সেদিনের অনুভূতি এমন ছিল যে তার শব্দে


প্রকাশ করা যায় না পরের দিন সকাল থেকে


আমি ভাবতে লাগলাম কিভাবে নিশ্চিত হবো যে


আমার ভাই আমাকে বাথরুমের দরজা থেকে স্নান


করতে দেখেছেন কিনা অনেক ভেবে আমার একটা


আইডিয়া এলো আমার বাবা মা অফিসে চলে


যাওয়ার পর আমি আমার মোবাইল ক্যামেরায়


ভিডিও রেকর্ডিং চালু করলাম এবং সেটা


বাথরুমের বাইরে এমন জায়গা রাখলাম যেখানে


যদি কেউ আমাকে বাথরুমের দরজার বাইরে থেকে


স্নান করতে দেখে তবে তার রেকর্ডিং হয়ে


যাবে ক্যামেরাটা সেখানে রেখে আমি স্নান


করতে বাথরুমে গেলাম এবং দরজা ভেতর থেকে


বন্ধ করে দিলাম। দরজার দিকে তাকাতেই আমি


আবার একটা ছায়া দেখলাম। ছায়াটা দেখেই


আমি বুঝলাম যে যেই হোক সে ক্যামেরায় ধরা


পড়েছে। এটা ভাবতে ভাবতে আমি স্নান


করছিলাম। স্নান শেষ করে যখন বাথরুম থেকে


বেরিয়ে এলাম এবং আমার মোবাইল ফোনটা নিয়ে


আমার ঘরে গেলাম আমি ভিডিওটা চালু করলাম।


দেখলাম আমি যেই বাথরুমে ঢুকেছি আর দরজা


বন্ধ করেছি তার কিছুক্ষণ পরে। আমি যা


দেখলাম তা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না আমি


ভাবছিলাম এটা কিভাবে সম্ভব এরপর আমি আর


আমার ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বেরিয়ে


পড়লাম আমি মোটরসাইকেলের পিছনে বসে আমার


ভাইকে জড়িয়ে ধরলাম এবং ভাবতে লাগলাম


কিভাবে ভাইকে আমার ভিডিওটা দেখাব তখন ভাই


বললেন বাইক পড়ে যাবে কি তুমি আমাকে এত


জোরে ধরে রেখেছো কেন আমি বললাম জানিনা কেন


ভাই আজ আমার কেমন যেন ভয় লাগছে খুব


পুরোদিন পড়াশোনার পর আমি দুপুরে বাড়ি


ফিরলাম


আমার মন সারাদিন এদিক ওদিক ঘুরছিল আমি


বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমার ভাইকে সেই


ভিডিওটা দেখাব রাত এক শূন্য টার দিকে আমি


বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছিলাম ঘুম আমার চোখ


থেকে কষু দূরে ছিল মনে একটা অদ্ভুত


অস্থিরতা ছিল যেন কিছু আমাকে ভেতর থেকে


খেয়ে ফেলছে আমি আমার ফোনটা হাতে নিলাম


এবং সেই ভিডিওটা আবার খুললাম যেটা আমি


কিছুক্ষণ আগে রেকর্ড করেছিলাম ভিডিওতে


আমার সব আবেগ লুকিয়েছিল এটা যেন আমার


আত্মার একটা অংশ হয়ে গিয়েছিল। অনেক সাহস


সঞ্চয় করে আমি সেই ভিডিওটা আমার ভাই


অর্জুনের মোবাইলে পাঠিয়ে দিলাম। এই


পদক্ষেপ আমাকে ভেতর থেকে একটু হালকা অনুভব


করাল কিন্তু সাথে ভয়ও ছিল। সে কি এটা


দেখেছে? তার প্রতিক্রিয়া কি হবে? আমি


বারবার ফোনের স্ক্রিনে চোখ বুলাচ্ছিলাম


দেখছিলাম ভিডিওটা কখন দেখা হবে। কিন্তু


প্রায় এক-চ মিনিট পার হয়ে গেলেও ভিডিওটা


দেখা হয়নি। এখন প্রশ্ন ছিল অর্জুন কি


ঘুমিয়ে পড়েছে নাকি সে জেনে বুঝে ভিডিওটা


দেখছে না সময় যেন থেমে গিয়েছিল আমি


অপেক্ষা করতে করতে এক ঘন্টা পার হয়ে গেল


কিন্তু তবুও ভিডিও দেখার কোন লক্ষণ ছিল না


আমার অস্থিরতা বাড়তে লাগলো রাতের সময়


ছিল সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল তবুও আমি সেই


ভিডিও আর অর্জুনের উত্তরের অপেক্ষায়


ছিলাম পরের দিন সকালে রবিবার ছিল রবিবারে


সবাই বাড়িতে থাকে মা বাবা অর্জুন এবং আমি


আমরা সবাই একসঙ্গে নাস্তা করলাম। কিন্তু


আমি অর্জুনের মুখে এমন কিছু দেখলাম না যে


সে ভিডিওটা নিয়ে ভাবছে বা তার


প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে। আমার মনে হলো যে সে


হয়তো এখনো ভিডিওটা দেখেনি। সকাল এক শূন্য


টার দিকে আমি আমার ঘরে একা বসে ছিলাম।


হঠাৎ আমার ফোন বেজে উঠলো দেখলাম অর্জুনের


মেসেজ এসেছে। মেসেজটা খুলতেই আমার


হৃদস্পন্দন তীব্র হয়ে গেল। তাতে লেখা ছিল


তুমি যে ভিডিওটা পাঠিয়েছো আমি দেখেছি।


প্রথমে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে আমি


কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু সেই


মেসেজের পর আর কিছু এলো না। এটা কি শুধু


একটা সাধারণ প্রতিক্রিয়া ছিল নাকি আরো


কিছু ছিল? দুপুর পর্যন্ত আমি অপেক্ষা


করলাম কিন্তু কোন উত্তর পেলাম না। আমি


বুঝতে পারছিলাম না অর্জুনের আচরণ কিভাবে


বদলে গেছে। দুপুরে আমরা সবাই একসঙ্গে


খাওয়া খেলাম। কিন্তু অর্জুন খুব চুপচাপ


ছিল। সে কিছু না বলে খাওয়া শেষ করে তার


ঘরে চলে গেল। আমি বুঝলাম যে সে কিছু বলতে


চাইছে না আমি ধীরে ধীরে বাবা-মাকে বললাম


ভাই আমি একটু পরে তোমার ঘরে এসে কিছু


বোঝাতে চাই ও অর্জুন কিছু না বলে খাওয়া


শেষ করে ঘরে চলে গেল সবার খাওয়া শেষ


হওয়ার পর আমি বাবা-মার সাথে টেবিল


পরিষ্কার করলাম এবং তারপর সোজা অর্জুনের


ঘরে গেলাম যখন আমি তার ঘরে গেলাম দেখলাম


সে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে যেন কিছু


ভাবার চেষ্টা করছে আমি ধীরে ধীরে দরজা


বন্ধ করলাম এবং তার কাছে গেলাম ভাই ভাই


আমি বললাম তুমি যে ভিডিওটা পাঠিয়েছিলে


তুমি কি সেটা দেখেছো সে আমার দিকে তাকালো


তার চোখে অশ্রু ছিল। সে চুপ ছিল যেন কিছু


বলতে চায় কিন্তু বলতে পারছে না। তার


কন্ঠে একটা নীরবতা ছিল যা তার মনের


অস্থিরতাকে প্রকাশ করছিল। দুঃখিত সে ধীরে


বলল এটা দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছে।


কিন্তু আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। ভাই আমি


ধীরে বললাম এই বয়সে এমন ভুল হয়ে যায়।


কোন ব্যাপার না। তাছাড়া আমরা তো সৎ


ভাইবোন আমার কথা শুনে সে অবাক হয়ে আমার


দিকে তাকালো এবং বলল কিন্তু আমরা তো


ভাইবোনই তাই না? আমাদের এটা ভুলে যাওয়া


উচিত নয়। আমাদের নিজেদের মর্যাদায় থাকা


উচিত তখন আমি তাকে খোঁচা দিয়ে বললাম ওহো


এখন মর্যাদার কথা মনে পড়ছে। তখন মনে


পড়েনি যখন তুমি আমাকে স্নান করতে


দেখছিলে। তখন তোমার মর্যাদা কোথায়


গিয়েছিল? তারপর আমি বললাম এ নিয়ে চিন্তা


করো না ভাই। তুমি সবসময় আমার বড় ভাই


থাকবে আর আমি সবসময় তোমার ছোট বোন থাকবো


তারপর আমি একটা চোখ টিপে বললাম ভাই একবার


চেষ্টা করলে কিছু যায় আসে না আমি কাল


সন্ধ্যায় তোমার অপেক্ষা করব কি এটা বলে


আমি হাসতে হাসতে তার ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম


আর সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল


সেই রাতে খাবার খাওয়ার সময় আমার


বাবা-মার সামনে আমার ভাই বললেন কাল


বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন খেলার আয়োজন হচ্ছে


তাই আমি কাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব না কি


তখন আমার মা বললেন তাহলে প্রিয়াঙ্কারও


যাওয়ার দর দরকার নেই কি বাবা বললেন


অর্জুন তোমার কি কোন খেলায় আগ্রহ নেই


অর্জুন ভাই বললেন জি বাবা আমার


ব্যাডমিন্টনে আগ্রহ আছে কিন্তু সেখানে


ব্যাডমিন্টনের আয়োজন হচ্ছে না কিছু


প্লেয়ার আছে যারা ছোট ছোট স্কুল থেকে এসে


বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের প্র্যাকটিসের জন্য


এসেছে কি তখন বাবা বললেন ঠিক আছে তাহলে


কাল তোমরা দুজনেই বাড়িতে থাকো আমি অর্জুন


ভাইয়ের দিকে তাকালাম এবং হালকা হাসি


দিলাম পরের দিন আমার বাবা মা অফিসে চলে


যাওয়ার পর আমি অর্জুন ভাইয়ের ঘরে গেলাম


এবং তাকে কে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখলাম।


আমি বললাম, ভাই, তুমি আজ ক্লাসে না গিয়ে


সারাদিন বাড়িতে থাকার প্ল্যান কেন করলে?


সারাদিন আমার সাথে কি করবে? তুমি কি কোন


প্ল্যান করছো? তখন অর্জুন ভাই বললেন, কাল


তুমি বলেছিলে না যে একবার চেষ্টা করলে


কিছু যায় আসে না। ভুলে গেছো? তাই আমি


বাড়িতে। থাকতে চেয়েছিলাম কি? তখন আমি


হেসে আমার ভাইকে বললাম, বাহ ভাই তুমি তো


বেশ স্মার্ট। কাল তো মগর মাছের অস্ত্র


ফেলে মর্যাদার বটবট কথা বলছিলে কি এটা বলে


আমি তাকে খোঁচাতে লাগলাম তখন সে দৌড়ে


আমার পিছনে এল এবং আমাকে ধরে ফেলব বলল


তুমি ঠিকই বলেছিলে প্রিয়াঙ্কা তাছাড়া


আমরা তো সৎ ভাইবোন একবার চেষ্টা করলে কিছু


যায় আসে না কি এটা বলে ভাই আমাকে ধরে তার


বেডরুমে নিয়ে গেলেন এবং তারপর সব মর্যাদা


ভুলে গেলেন। আমি একটু অস্বস্তিতে পড়ে


গেলাম। আমি হাসতে হাসতে পরিবেশ হালকা করার


চেষ্টা করলাম কিন্তু অর্জুনের চোখে যে


গভীরতা ছিল তা আমাকে অন্য কোথাও টেনে


নিয়ে যাচ্ছিল তার কথা তার দৃষ্টি সবকিছু


আলাদা ছিল আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল এটা


কি শুধু বন্ধুত্ব ছিল নাকি আরো কিছু আমি


বুঝতে পারছিলাম না অর্জুন আমার কাছে এসে


বলল প্রিয়াঙ্কা যদি বন্ধুত্ব এতটাই গভীর


হয় যে তা মর্যাদা কেও ভালোবাসায় পরিণত


করে তাতে কি ভুল তার কথায় যে সত্যতা ছিল


তা আমাকে ভেতর থেকে ছুঁয়ে গেল আমার মন


বিধায় ছিল হৃদয় বলছিল যে সে হয়তো ঠিক


বলছে কিন্তু আমার মন বারবার আমাকে থামিয়ে


দিচ্ছিল আমি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম


অর্জুন আমরা বন্ধু আমাদের বন্ধুত্বের একটা


সীমা আছে তুমি এই সীমা লঙ্ঘন করতে পারো না


অর্জুনের মুখে তখনো হাসি ছিল কিন্তু তার


চোখে একটা গভীরতা ছিল সে বলল প্রিয়াঙ্কা


আমি কখনো কারো প্রতি এমন অনুভব করিনি যখন


থেকে তুমি তুমি আমার কাছাকাছি এসেছো। আমার


মনে হয় আমি সম্পূর্ণ। যদি তুমি মনে করো


আমি ভুল তাহলে আমি তোমার সব কথা মেনে নেব।


শুধু আমাকে বলো তোমার হৃদয়ে আমার জন্য কি


আছে? আমার মনে হলো যেন আমার হৃদস্পন্দন এক


মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। আমি তার চোখের


দিকে তাকালাম এবং হঠাৎ বুঝলাম যে এটা শুধু


বন্ধুত্ব নয়। আমার হৃদয়ের কোন গভীর কোণে


আমিও এটাই অনুভব করছিলাম। কিন্তু ভয় ছিল।


আমরা কি এটা করতে পারি? আমার চোখে অশ্রু


ছিল আমি ধীরে বললাম অর্জুন আমার ভয় করছে


যদি আমরা এই পদক্ষেপ নিই তাহলে সবকিছু


বদলে যাবে আমাদের সম্পর্ক আমাদের বন্ধুত্ব


সবকিছু অর্জুন আমার কাছে এসে আমার হাত ধরে


বলল প্রিয়াঙ্কা পরিবর্তনের ভয় পাওয়ার


দরকার নেই যদি আমাদের সম্পর্ক সত্যি হয়


তাহলে এই পরিবর্তন আমাদের কিছু নতুন এবং


সুন্দর দেবে আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দেবে না


এটা আমার প্রতিশ্রুতি কি তার কথায় এতটাই


বিশ্বাস ছিল যে আমি নিজেকে থামাতে পারলাম


না। আমি হালকা হাসির সাথে বললাম, তাহলে


তুমি কি সত্যিই আমাদের সম্পর্ককে এতটা


গুরুত্ব দাও? অর্জুন আমার চোখে চোখ রেখে


বলল, তোমার বিনা আমার জীবন অসম্পূর্ণ কু


আমি গভীর শ্বাস নিলাম এবং অনুভব করলাম যে


আমার হৃদয় তার কথাগুলো পুরোপুরি গ্রহণ


করেছে। আমরা দুজন আমাদের হৃদয়ের আবেগ একে


অপরের সাথে ভাগ করে নিলাম এবং তারপর একে


অপরকে জড়িয়ে ধরলাম। সেই মুহূর্ত আমার


জন্য বিশেষ ছিল কারণ আমরা আর শুধু বন্ধু


ছিলাম না। আমরা একটা নতুন যাত্রা শুরু


করছিলাম যেখানে ভালোবাসা এবং বিশ্বাস


আমাদের পথ প্রদর্শক ছিল। কিন্তু এই


যাত্রায় একটা গোপনীয়তা ছিল। আমরা জানতাম


যে এখনই এটা পৃথিবীর কাছে বলা ঠিক হবে না।


পরের দিন সকালে যখন আমি উঠলাম তখন একটু


অস্বস্তি অনুভব করছিলাম। আমার চিন্তায়


দ্বিধা ছিল। আমরা কি ঠিক করেছি? আমরা কি


আমাদের আবেগ এভাবে প্রকাশ করতে পারি?


অর্জুন আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে


প্রিয়াঙ্কা? কিছু ভুল লাগছে? আমি মাথা


নিচু করে বললাম, অর্জুন সবকিছু খুব


তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। আমি বুঝতে পারছি না


এরপর কি হবে? আমাদের সম্পর্কে সমাজ আর


পরিবার কখনো বুঝবে না যে অর্জুন আমার কাছে


এসে বলল, প্রিয়াঙ্কা যখন আমাদের ভালোবাসা


সত্যি তখন আমাদের কারো ভয় পাওয়ার দরকার


নেই। কিন্তু তুমি যদি চাও আমরা এটা গোপন


রাখতে পারি যতক্ষণ না সঠিক সময় আসে আমি


তার দিকে তাকিয়ে বললাম আমি শুধু এটাই চাই


যে আমরা একে অপরকে বুঝি এবং সমর্থন করি


যদি আমাদের মধ্যে ভরসা থাকে তাহলে আমরা সব


মুশকিল পার করতে পারব খুব কিছুদিন সবকিছু


ঠিকঠাক চল আমরা দুজন ঠিক করলাম যে আমাদের


আবেগকে আমরা আমাদের পড়াশোনা এবং


ক্যারিয়ারের উপর হাবি হতে দেবো না কিন্তু


ভালোবাসা এমন একটা জিনিস যা লুকিয়ে রাখা


কখনো সহজ নয় আজ কলেজ ক্যান্টিনে অর্জুন


আর আমি চুপি স্যারের কথা বলছিলাম। আমাদের


মধ্যে কিছু বিশেষ ছিল যা আমরা শব্দে বলতে


পারছিলাম না কিন্তু আমাদের চোখে তা স্পষ্ট


প্রতিফলিত হচ্ছিল। তখনই আমাদের ক্লাসমেট


রিমা আমাদের দেখে ফেল। তার প্রশ্নটা একটু


হালকা মেজাজে ছিল। কিন্তু সে যে প্রশ্ন


করছিল তা আমার হৃদয়কে একটু নাডা দিচ্ছিল।


আরে কি চলছে তোমাদের মধ্যে? কিছু গড়বড়


লাগছে। রিমা হাসতে হাসতে বলল। আমরা দুজন


হকচকিয়ে গেলাম এবং কোন সঠিক উত্তর না


দিয়ে শুধু বললাম আরে কিছু না শুধু এমনিই


কথা বলছিলাম কি আমার মনে হচ্ছিল রিমার


কিছু সন্দেহ হয়েছে কিন্তু আমি কিছু বলতে


পারলাম না তার মনোযোগ এখন আমাদের কথার উপর


ছিল আমি বুঝতে পারছিলাম না এখন কি করা


উচিত সন্ধ্যায় যখন আমি একা বাড়িতে ছিলাম


তখন হঠাৎ অর্জুনের ফোন এলো প্রিয়াঙ্কা


আমার তোমার সাথে দেখা করতে হবে একটা জরুরি


কথা আছে কু আমি ঘাবড়ে জিজ্ঞেস করলাম কি


হয়েছে? সব ঠিক আছে তো। অর্জুনের কন্ঠে


একটা নতুনত্ব ছিল যেন কিছু বর ঘটতে চলেছে।


সে বলল, তুমি ছাদে এসেও কিছুটা অদ্ভুত


লাগলেও আমি ছাদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।


সেখানে পৌঁছাতেই অর্জুন আমাকে দেখে


দাঁড়িয়েছিল তার হাতে একটা গোলাপ ফুল।


আমি ঘাবড়ে তার দিকে তাকালাম। সে আমাকে


দেখেই বলল, প্রিয়াঙ্কা আমি তোমার বিনা এক


মুহূর্ত ভাবতে পারি না। পৃথিবীর থেকে


লুকিয়ে রাখবো। কিন্তু এখন আমার মনে হয়


এটা আর লুকিয়ে রাখার দরকার নেই আমি সবার


সামনে বলতে চাই যে আমি তোমাকে ভালোবাসি ইও


আমি চুপ হয়ে গেলাম সে কি সত্যিই এটা বলছে


আমার হৃদয়ে একটা ঝড় উঠল তার কথাগুলো


এতটাই সৎ এবং সত্য ছিল যে আমার বুঝতে সময়


লাগলো তার কথাগুলো আমাকে শিহরণ অনুভব করাল


কিন্তু সাথে ভয়ও লাগছিল আমি ধীরে বললাম


অর্জুন তুমি কি জানো এর মানে কি হবে


পরিবার বন্ধু সমাজ সবাই আমাদের প্রশ্নের


মুখে ফেলবে কুশে আমাকে গভীর দৃষ্টিতে দেখে


বলল আমার কিছু যায় আসে না প্রিয়াঙ্কা


আমার শুধু তোমার সঙ্গ চাই তুমি আমার সাথে


থাকলে আমি সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে


পারি তার চোখে ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের


গভীরতা ছিল যা আমি অনুভব করছিলাম আমার


ভেতরের ভয় কিছুক্ষণের জন্য কমে গেল আমার


চোখে অশ্রু ছিল এবং আমি কিছু না বলে তার


দিকে এগিয়ে গিয়ে গোলাপটা নিলাম ধীরে


বললাম যদি তোমার ভালোবাসা এতটাই মজবুত


তাহলে আমিও সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য


প্রস্তুত। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিমত্তার


সাথে এগোতে হবে আমরা দুজন একে অপরকে


জড়িয়ে ধরলাম। সেই মুহূর্তে আমি অনুভব


করলাম যে আমাদের সম্পর্ক এখন আর শুধু


বন্ধুত্ব নয়। এটা একটা আবেগ ছিল যা


আমাদের জীবনকে একটা নতুন মোড় দিতে পারে।


এখন আমরা শুধু আমাদের সম্পর্ক নিয়ে


ভাবতাম অন্য কারো কথা ভাবতাম না। আমরা


জানতাম যে আমাদের এটা পৃথিবীর থেকে


লুকিয়ে রাখতে হবে। কিন্তু আমাদের আবেগ


এখন সত্য ছিল।


সেই দিনটা একটা নতুন যাত্রার শুরু ছিল।


আমাদের মধ্যে ভালোবাসা ছিল, বিশ্বাস ছিল


এবং একে অপরের সঙ্গ ছিল। আমরা দুজন ঠিক


করেছিলাম যে আমরা কখন এটা সবার সামনে আনব


কিন্তু এখন আমরা শুধু আমাদের সম্পর্কে


বিশ্বাস করতে চাইতাম। একদিন যখন আমরা দুজন


কলেজের কাছে একটা ক্যাফেতে বসেছিলাম। আমি


অর্জুনকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কি সত্যিই


মনে করো আমাদের সম্পর্ক মজবুত থাকবে? তুমি


কি কখনো ভেবেছো যে আমাদের সম্পর্ক যদি


আমাদের পরিবার আর বন্ধুদের উপর প্রভাব


ফেলে? অর্জুন হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বলল


প্রিয়াঙ্কা ভালোবাসা যেকোনো কঠিনায় এর


থেকে বড়। যদি আমরা একে অপরের সাথে থাকি


তাহলে আমাদের যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবেলার


জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি জানি আমাদের


অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। কিন্তু


আমি তোমার সাথে আছি। আর এটাই আমাকে শক্তি


দেয়া সেই দিন আমি অনুভব করলাম যে আমাদের


সম্পর্ক শুধু একটা তরুণ জুটির ভালোবাসা


নয়। বরং এটা একটা সংগীত ছিল। আমরা দুজন


ঠিক করলাম যে আমরা আমাদের সম্পর্ককে সময়


দেব যাতে আমরা এটা ভালোভাবে বুঝতে পারি।


আমাদের দুজনের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল


যে আমরা। আমাদের সম্পর্ককে শুধু আবেগ


দিয়ে নয়, দায়িত্ব এবং বোঝাপড়া দিয়েও


নির্ধারণ করব। কলেজের সময় আমরা দুজন অনেক


কিছু শিখলাম। একে অপরের সাথে কাটানোর সময়


আমাদের শুধু ভালোবাসাই নয় বিশ্বাস সম্মান


এবং বোঝাপড়ার মূল্য শিখিয়েছে। আমাদের


বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা এখন একে অপরের


সমর্থন এবং উৎসাহে পরিণত হয়েছে। আমরা


জানতাম যে পৃথিবী যেভাবেই দেখুক আমাদের


মধ্যে এই সম্পর্কটাই সবচেয়ে বিশেষ ছিল


এবং এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে


গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা দুজন একে অপরের


সাথে মিলে এই শিক্ষা পেয়েছি যে ভালোবাসা


শুধু শব্দে নয় বরং বোঝাপড়া সম্মান এবং


ভর্ষায় থাকে। এটাই সেই শক্তি ছিল যা


আমাদের এই সম্পর্ক নিভিয়ে নেওয়ার


প্রেরণা দিয়েছে। তো বন্ধুরা এই গল্প


তোমাদের কেমন লাগলো? কমেন্ট করে অবশ্যই


জানাও। পরের গল্পে আবার দেখা হবে। ততক্ষণ


নিজের খেয়াল রাখো। ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো