দুজন ছেলে মিলে আমার কচি বোদা চুদে ব্যাথা করে দিলো উফ



আমি ঘুমের ভান করে রইলাম। কিন্তু শাকিবের


দুষ্টামি কিছুতেই থামছে না। ও ছোট


[মিউজিক] তো এসব ব্যাপারে একদম কাঁচা অনেক


চেষ্টা করেও ঠিকমতো কিছু করতে পারছিল না।


আমি চুপচাপ [মিউজিক] শুয়ে থাকলেও মনে


হচ্ছিল আর বেশিক্ষণ নিজেকে সামলে রাখতে


পারবো না। মাথার ভেতর এক গাদা প্রশ্ন


ঘুরপাক খাচ্ছিল। আমি কি উঠে বসে ওর চোখে


চোখ রেখে সবটা মেনে নেব নাকি ভান করে


চুপচাপ থেকে যেটুকু হচ্ছে সেটা সেভাবেই


শেষ হতে দেব। ও তো এসব বোঝে না ঠিকঠাক


[মিউজিক] তাই ওর কানে কানে বললাম তুই এখন


একটু বিশ্রাম নে বাকি কাজ আমি করছি তারপর


যা হলো সেটা কেউ বিশ্বাস করলেও করতো না


আমার নাম নীলা বয়স 21 আমি আমাদের ভাই


বোনদের মধ্যে সবচেয়ে [মিউজিক] বড় তিন বোন


এক ভাইয়ের মধ্যে আমি সবার আগে জন্মেছি


বাবা একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী তাই ছোট


থেকেই অভাব কষ্টের মুখ দেখি [মিউজিক] নাই


যা চাই তাই পেয়েছি আমার বিয়ে হয়েছে তবে


এখনো [মিউজিক] সন্তান হয়নি এটাই একমাত্র


অপূর্ণতা স্বামী শ্বশুর শাশুড়ি সবাই ভালো


কিন্তু বিয়ের তিন [মিউজিক] মাস পরেই


স্বামীর ছুটি ফুরিয়ে যায় আর ও আবার


সিঙ্গাপুরে ফিরে যায় তারপর [মিউজিক] থেকে


আমার জীবনের মোট ঘুরে যায় মন সব সময়


খারাপ থাকতো সময় [মিউজিক] কাটতো না ও


দিনে একবার দুবার ফোন দিত তাও খুব কম


[মিউজিক] সময় কথা বলতো আমি একা একা ঘরে


বসে থাকতাম একটা অজানা [মিউজিক]


অস্থিরতায় দিন কাটাত একদিন YouTube এ


ভিডিও দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা চ্যানেলে চোখ


পড়ে নানা সম্পর্ক ভিত্তিক নাটকীয় গল্প।


মায়ের সঙ্গে ছেলে [মিউজিক] মামির সঙ্গে


ভাগ্নে এরকম নানা সম্পর্ক নিয়ে বানানো


গল্প। প্রথমদিকে শুনে অস্বস্তি লাগলেও


[মিউজিক] কেমন জেন মজাও পেতে থাকি। ধীরে


ধীরে ওই চ্যানেলে নিয়মিত দর্শক হয়ে উঠি।


সারাদিন ঘরের কাজ শ্বশুর শাশুড়ি


দেখাশোনা। স্বামীর সঙ্গে নিয়ম করে কথা


বলা। সবশেষে রাতে বিছানায় শুয়ে ওই


গল্পগুলো শুনে মনটা হালকা করতাম। মাঝে


মাঝে মনে হতো ইস যদি কেউ থাকতো পাশে যার


সঙ্গে কিছু করা যেত ঠিক তখনই জীবনে আসে


সাকিব ও সহজ সরল ব্যবহার আর মজার কথা


শুনতে শুনতে কখন যে আমি ভেতরে ভেতরে বদলে


যাচ্ছি সেটা নিজেই [মিউজিক] টের পাইনি আমি


এমন রক্ষণশীল পরিবেশে বর হয়েছি অথচ


অজান্তেই এক অদ্ভুত টান অনুভব করতে শুরু


করি সাকিব আমার স্বামীর বর বোনের ছেলে


মানের সম্পর্কের দিক থেকে আমার ভাগ্নে


বিয়ের সময় একবার দেখা হয়েছিল ওর সঙ্গে


কিন্তু তেমন কথা হয়নি


তখন সাকিব এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে


ব্যস্ত ছিল। এরপর ওর বাড়ি থেকে কলেজ অনেক


দূর হওয়ায় [মিউজিক] পরীক্ষার পর সে


আমাদের বাড়িতে থেকে কলেজে যাতায়াত করতে


শুরু করে। আমাদের বাড়ি থেকে ওর কলেজ


মাত্র [মিউজিক] 10 মিনিট দূর। প্রতিদিন


সাইকেল চালিয়ে ক্লাসে যেত। সাকিব আমাদের


শ্বশুরবাড়িতে ঘরের সংখ্যা খুব বেশি না।


শুধু একটা বড় ঘর ছিল। সাকিব [মিউজিক]


যেহেতু পড়াশোনা করবে তাই শ্বশুরমশায় বট


ঘরের পাশেই একটা ছোট ঘর তৈরি করে দিলেন ওর


জন্য। সেখানে টেবিল চেয়ার আর একটা


খাটিয়া রাখা ছিল। তবে রাতের বেলায় সাকিব


মূল বাড়ির ভেতরের একটা ফাঁকা রুমে ঘুমাত


আমাদের বর ঘরটায় তিনটা রুমে ভাগ করা


একটাই আমি থাকি। আর একটাই শ্বশুর শাশুড়ি


মাঝখানের ঘরটা আগে ফাঁকা ছিল। সাকিব আসার


[মিউজিক] পর ওখানে একটা খাক বসানো হয়। আর


এখন সে সেখানেই রাতে ঘুমায়। পড়া শেষ করে


রাত 10:00 টার পর ঘরে [মিউজিক] ফিরে ও


মাঝখানের ঘরে শুয়ে পড়ে সাকিব বেশ ভালো


ছাত্র সইতে [মিউজিক] এ প্লাস পেয়েছে


কথাবার্তাও খুব কম বলে না আছে বন্ধুদের


সাথে আড্ডা না আছে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে


খাতির এমনকি ওর নানা নানীকেও ঠিকমতো কিছু


বলে [মিউজিক] না আর আমার সঙ্গে তো চোখ


তুলে তাকায় না খুব লাজুক [মিউজিক] আর


চুপচাপ স্বভাবের ছেলে আমার শ্বশুর শাশুড়ি


দুজনেই বয়সে অনেকটা বট শ্বশুর উমশায়


চোখে কম দেখেন তাই বাইরে কম বের হন


শাশুড়ি আবার এমন মোটা যে হাটা চলারই


উপায় নেই। সারাক্ষণ বিছানায় শুয়ে থাকেন


আর পান খান। শ্বশুর মাঝে মাঝে উঠনে বা উঠন


পেরিয়ে বারান্দায় যান। কিন্তু শাশুড়িকে


[মিউজিক] আজ পর্যন্ত বাইরে পা রাখতে দেখি


নাই। যাই হোক সাকিব আমাদের বাড়িতে এসেছে।


প্রায় এক মাস হলো এই কদিনে ও আমার সঙ্গে


ঠিকমত কথাও বলেনি। বুঝতে পারি আমার সামনে


একটু [মিউজিক] লজ্জা পাই। আমরা একসাথে


খাই। কারণ শ্বশুর শাশুড়িকে তো বিছানায়


বসেই খাওয়াতে [মিউজিক] হয়। আমি ওদের


খাবার দিয়ে আসি। তারপর সাকিব আর আমি


একসাথে খেয়ে নিই। সাকিব আসার পর আমার


একটা সমস্যা হয়েছে। রাতের বেলা আর গল্প


শোনা হয় না। আগের মতো ইউটিউ এ গল্প চালু


করলে মনে হয় কখন না সাকিব দরজায়


[মিউজিক] এসে ডাকে মাম দরজা খোলো। প্রায়


গল্প ছেড়ে বসে থাকি। কখনো ফিরে আসবে


[মিউজিক] অনেক রাত পর্যন্ত পরেও 10টা 11


টা। এমনকি কখনো কখনো বোটাও বাজে। আমার


[মিউজিক] প্রায় ঘুম চলে আসে। শাকিব যদি


সামনের দরজায় ডেকে না পায় তখন ঘরের পাশে


রান্নাঘরের দরজার দিকে গিয়ে ডাকে। কারণ


আমার রুমটা ওই পাশেই আমি তখন চট করে উঠে


গিয়ে দরজা খুলে দিই। একদিন এমনই ঘটল


[মিউজিক] সেদিন রাত প্রায় সাড়েটা বাজে


আমি ঘুমে ঢুলে পড়েছি। সাকিব দরজায় 10 15


মিনিট ডেকে কোন সাড়া না পেয়ে রান্নাঘর


থেকে একটা মাছ ধরার ছিপ এনে জানালার ফাঁক


দিয়ে হালকা গুতা মারল ঘুম ভেঙে লাফ দিয়ে


উঠলাম। গিয়ে দরজা খুললাম। আমি বললাম তুই


খা আমি বাসন ধুয়ে নিই ও বলল মাম আমি আজ


খাবো না আপনি ঘুমান আমি অবাক হয়ে বললাম


কেন খাবি না কেউ কি না খেয়ে [মিউজিক]


ঘুমায় সাকিব হেসে বলল আপনার চোখে ঘুম রোজ


আপনাকে বিরক্ত করি আজ অনেক রাত [মিউজিক]


হয়ে গেছে আপনি শুয়ে পড়ুন আমি সকালে উঠে


খেয়ে নেব আমি বললাম আমার কোন কষ্ট হয় না


তুই যখন ইচ্ছা [মিউজিক] তখন এসে খেয়ে নিস


মাঝে মাঝে একটু ঘুম ধরে যায় আর কি তখন


সাকিব একটু থেমে বলল আপনার জন্য আমি থাকি


[মিউজিক] আর আপনি রোজ রাত জেগে থাকেন এটা


ঠিক না মাম কাল থেকে আমি পড়ার ঘরেই


থাকবো। আর দাদু ঠাকুমার সঙ্গে [মিউজিক]


খাবার দিলে আমাকেও ডেকে নিও একসাথে খেয়ে


নেব। আমি বললাম সন্ধ্যায় খেলে তো রাত


জেগে পড়তে গিয়ে আবার ক্ষুধা পাবে। তখন


কি খাবি? আর এত বড় ঘর [মিউজিক] থাকতে কেন


ছোট ঘরে শুতে যাবি? আমি তো কখনো বলিনি।


তোর জন্য আমার সমস্যা হয়। তুই কি বাইরের


কেউ তুই তো আমাদেরই ঘরের ছেলে তোকে তো


এইটুকু করতে পারতেই পারি। সাকিব বলল, ঠিক


আছে মাম অনেক রাত হয়ে গেছে এবার ঘুমাও


সকালে তোমার সাথে আলাপ করব। এটা বলেই ও


সোজা গিয়ে ওর ঘরে শুয়ে পড়ল। আমি উঠে


এসে নিজের রুমে চলে এলাম। তবে যাই


[মিউজিক] হোক আজ প্রথম সাকিব এতটা কথা বলল


আমার সাথে। অথচ একবারের জন্য চোখ তুলে


[মিউজিক] তাকায়নি। এখন সকাল আটটা বাজে।


সাকিব এখনো ঘুমায়। কাল অনেক রাতে


ঘুমিয়েছে তো তাই একটু বেশি ঘুমাচ্ছে।


যদিও সাধারণত ছোটায় উঠে উঠুনে একটু হাটে।


তবে ওকে সকালে কখনো পড়তে বসতে [মিউজিক]


দেখি না। যাই হোক আজ তোর 10:00 টার ক্লাস


ডেকে দিতে হবে। আমি ডাক দিলাম সাকিব সাকিব


আটটা বাজে কলেজ যাবে না। সাকিব তখন ঘুম


জড়ানো গলায় বলল কত বাজে আমি বললাম আটটা


বাজে। এই কথা শুনে ও এক লাফে উঠে বসে পড়ল


তাড়াতাড়ি গোসল ছেড়ে নাস্তা খেয়ে


কলেজের [মিউজিক] দিকে রওনা দিল একটু


তাড়াহুড়ো হলেও 10:00 টা। আগে পৌঁছে


যাবে। হয়তো দুপুর [মিউজিক] থেকে দুটায় ও


বাসায় ফিরে এল। তবে কখনো কখনো 12:00 টার


দিকেও আসে বিশেষ ক্লাস [মিউজিক] কম থাকলে।


পড়ার ঘরে বই খাতা রেখে মুখ হাত ধুতে গেল।


আমি ইতিমধ্যে দুপুরের খাবার সাজিয়ে


রেখেছি ও ঘরে ফিরে এল। তারপর আমরা


[মিউজিক] একসাথে খেলাম খাওয়ার সময় খুব


একটা কথা হয়নি। আমি শুধু জিজ্ঞেস করলাম


কলেজে ঠিকমতো ক্লাস হয়তো সে বাচ্চাদের মত


মাথা নেড়ে শুধু হ্যাঁ বলল। আর কিছু না


খাওয়ার পর ও নিজের ঘরে [মিউজিক] চলে গেল।


সাধারণত দিনে ওই মাঝখানে ঘরে ঘুমায়


সন্ধ্যা হয়ে এল। কিন্তু সাকিব উঠছে


[মিউজিক] না। আমি পড়ার ঘরে গিয়ে ডাক


দিলাম। ডাক শুনে [মিউজিক] সাকিব ঘুম থেকে


উঠে বসল চোখ কচরাতে কচরাতে বলল, কি হয়েছে


ডাকছো কেন মাম? আমি বললাম [মিউজিক] না


কিছু না সন্ধ্যা হয়ে গেছে। তুমি এখনো


ঘুমাচ্ছো পড়তে বসবে না। সাকিব বলল,


[মিউজিক] সন্ধ্যা নাকি দেখি কত বাজে বলে ও


টেবিলে রাখা হাত ঘুড়ির দিকে তাকাল। তারপর


উঠে গিয়ে মুখ হাত ধুতে গেল। আমি তখন ওর


পড়ার ঘরে চুপচাপ বসে আছি। শাকিব মুখ ধুয়ে


ফিরে এসে বলল, তুমি এখনো এখানে বসে আছো।


রান্নার কাজ শেষ। আমি হেসে বললাম, সে তো


অনেক [মিউজিক] আগেই শেষ করেছি। ক্ষুধা


লাগছে নাকি? সে বলল, আরে না এমন সন্ধ্যার


সময় ক্ষুধা লাগে নাকি? তবে একটা চা হলে


ভালো লাগতো। আমি বললাম, চাপাতা মনে হয় শেষ


হয়ে গেছে। কালকে এনে দেব। সে বলল, ঠিক


আছে। তারপর বলল, এখন যাও আমি পড়তে বসো।


আমি বললাম আচ্ছা বাবা ভালো করে মনোযোগ


দিয়ে পড়ো বলেই আমি বর ঘরে চলে এলাম


ঘন্টা দুয়ে পরে শ্বশুর শাশুড়িকে রাতের


খাবার [মিউজিক] দিলাম তারা খাচ্ছেন আমি


পাশে বসে আছি হঠাৎ শ্বশুর বললেন বৌমা


সাকিব ঠিকমত [মিউজিক] পড়াশোনা করছে তো


তুমি একটু খেয়াল রেখো আমি বললাম বাবা


আপনি একদম চিন্তা [মিউজিক] করবেন না সাকিব


খুব ভদ্র ছেলে তাকে পড়তে বলার দরকার পড়ে


না নিজে থেকেই পড়ে নাই শ্বশুর বললেন তা


জানি বটে কিন্তু [মিউজিক] দায়িত্ব তো


আমাদেরও এরও কিছু আছে। আমি হেসে বললাম,


চিন্তা করবেন না বাবা। আমি ওর পাশে থাকি


সবসময়। আর হ্যাঁ কাল সকালে চা পাতা


আনবেন। তো আজ সন্ধ্যায় সাকিব [মিউজিক] চা


খেতে চাইছিল। শাশুড়ি তখন বলল, শাকিবদের


বাড়িতে সবাই চা খায়। আমিও ভাবছিলাম


তোমাকে বলব কিন্তু বলার কথা ভুলেই গেছি।


আর তোমার শ্বশুরের দরকার নেই বাজারে


যাওয়ার। এখন থেকে যা লাগবে সাকিবকে দিয়ে


আনাবে। আমি সকালে ওকে বলে দেব। আর বৌমা


তুমি নাস্তার সময় আমাকে মনে করিয়ে দিও


আমি ওর সাথে কথা বলব। আমি বললাম ঠিক আছে


মা তারপর ওরা খাওয়া শেষ করা পর্যন্ত আমি


পাশে বসে রইলাম। খাওয়া শেষে বাসনপত্র


গুছিয়ে নিজের রুমে এলাম। একটু পর মায়ের


সাথে ফোনে কথা বলছিলাম। কথায় কথায় রাত


10:00 টা বেজে গেল। ভাবলাম দেখি সাকিব কি


করছে। [মিউজিক] দরজা খুলে পড়ার ঘরের কাছে


গেলাম। কাছে যেতেই ওর পড়ার আওয়াজ পেলাম।


ওর মনোযোগ নষ্ট না হয় এই ভেবে আর ঢুকলাম


না বর ঘরে ফিরে এলাম রাত প্রায় 11 টা


বাজে তবু সাকিব [মিউজিক] এখনো খেতে আসেনি


আমি একা একা জেগে আছি পড়ার ঘরে যাব


কিন্তু সাহস পাচ্ছি না অন্ধকারে ভীষণ ভয়


পাই তার বাইরে না গিয়ে জানালা খুলে


[মিউজিক] চুপচাপ বসে থাকলাম অপেক্ষা করতে


করতে কখন যে সাড়েটা গেল টেরি পেলাম না


তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি নিজেও জানিনা


সকালে উঠে শাশুড়িকে জিজ্ঞেস করলাম মা


[মিউজিক] সাকিব রাতে ঘরে আসেনি


শাশুড়ি বলল নারে বৌমা কেন কি হয়েছে? আমি


বললাম [মিউজিক] না কিছু না মা বর ঘরে


আসেনি। পড়ার ঘরে ঘুমিয়েছে। মনে হয় আমি


অনেক রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম। তারপর


কখন যে ঘুমিয়ে গেছি শাশুড়ি অবাক হয়ে


বলল, কি বল ও পড়ার ঘরে ঘুমাবে কেন? এই


ঘরে ওর কি সমস্যা? আমি বললাম, [মিউজিক]


জানিনা মা সারাক্ষণই তোর খেয়াল রাখি।


আমার মনে হয় ও আমাকে লজ্জা পায়। শাশুড়ি


বলল লজ্জা পাবে কেন তুমি তো ওকে কত যত্ন


করো আমি নিজেই দেখি তুমি কেমন খাচ্ছো কেমন


মায়া করো সাকিব তো আমাদেরই ছেলে লেখাপড়া


করবে কিছু লাগলে তোমাকে বলবে না হলে


আমাদের বলবে তুমি তো আমার [মিউজিক] লক্ষী


বৌমার সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছো


তারপর বলল চলো ডাকো ওকে কলেজে যাওয়ার


সময় হয়ে যাচ্ছে আমি বললাম [মিউজিক] ঠিক


আছে মা কদিন যাক লজ্জায় এমনি চলে যাবে


ঘড়ি দেখে দেখি আটটার বেশি বাজে আমি


সরাসরি সাকিবের পড়ার ঘরে গেলাম দরজা এখনো


বন্ধ। তার মানে এখনো ঘুমাচ্ছে। আমি দরজায়


টোকা দিলাম সাকিব। [মিউজিক] সাকিব বারবার


ডেকেও কোন সাড়া নেই। অনেকক্ষণ ধরে ডাকছি


তাও কোন শব্দ নেই। ঘরটায় আবার জানালাও


নেই যে পাশ দিয়ে কিছু বলা যাবে। পড়ার


ঘরটায় একটাই [মিউজিক] দরজা জানালাও নেই।


জোরে জোরে দরজায় থাপ্পড় মারতে লাগলাম।


প্রায় 15 কুড় মিনিট। ডাকাডাকির পর শাকিব


দরজা খুলল। কিন্তু কিছু না বলেই আবার


বিছানায় শুয়ে পড়ল। আমি ঘরে ঢুকে ওর


মাথায় হাত রাখতেই বুঝলাম ওর শরীরে জ্বর


শরীরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। তড়িঘড়ি করে বর


ঘরে গিয়ে শাশুড়িকে বললাম, শাশুড়ি চলতে


পারেন না। বললেন, বৌমা ভেজা কাপড়ের


শরীরটা মুছে দাও। কপালে জলপট্টি দাও। আমি


তৎক্ষণাৎ [মিউজিক] পানি এনে ওর শরীর মুছে


দিলাম। কপালে জলপট্টি দিলাম। প্রায় এক


ঘন্টা পাশে বসে থাকলাম। ধীরে ধীরে


[মিউজিক] সাকিব চোখ খুল ওকে ধরে বসালাম।


সাকিব বলল রাতে জ্বরের সময় তোমাকে ডাকতে


গিয়েছিলাম কিন্তু তুমি ঘুমিয়ে গেছো দেখে


আর ডাকিনি আমি বললাম এটা কোন কথা হলো তুমি


অসুস্থ আমাকে জোরে ডাকতে জানালায় ধাক্কা


দিতে [মিউজিক] পারতে দরজায় লাথি মারতে


একা একা কষ্ট পেয়ে থেকেছো কেন কিছুক্ষণ


চুপ করে রইল তারপর উঠে হাত মুখ ধুয়ে


[মিউজিক] বর ঘরে গেল আমি ওর জন্য নাস্তা


নিয়ে এলাম নাস্তা করতে করতে জ্বর কিছুটা


কোমল শরীর ঠিক ছিল না তাই ও আজ কলেজে গেল


না বাড়িতেই হাটাহাটি করছিল আমি রান্না


রান্না [মিউজিক] করছিলাম। হঠাৎ দেখি সাকিব


পেছনে দাঁড়িয়ে আমি বললাম কি ব্যাপার


রান্না শিখবে নাকি? সাকিব হেসে বলল না


ভাবছিলাম [মিউজিক] তুমি একা একা কত কাজ


করো। সবাইকে কত খেয়াল রাখো। সত্যি তুমি


খুব ভালো জানো কেন যে তোমার সাথে [মিউজিক]


এতদিন কথা বলেনি। আসলে তোমাকে লজ্জা পেতাম


মেয়েদের সামনে সহজ হতে পারি না। আমি


বললাম [মিউজিক] মেয়েরা কি বাঘ ভালুক যে


দূরে থাকবে? সাকিব হেসে বলল, তুমিও দেখি


কলেজের মেয়েদের মত কথা বলো। আমি বললাম,


তোমার কলেজে কি কোন মেয়ে বন্ধু আছে? সে


বলল একটা মেয়ে গায়ে পড়ে কথা বলে খুব


বিরক্তিকর নামও জানিনা আর জানতেও চাই না


গায়ে পড়ে কথা বললে আমার রাগ হয় আমি


হেসে বললাম তাহলে তো আমাকেও পছন্দ করো না


আমিও তো তোমার সাথে গায়ে পড়ে কথা বলি


সাকিব একদমে বলল তুমি আমার আপন মানুষ তুমি


চাইলে যত খুশি কথা বলতে পারো বরং তোমার


সঙ্গে কথা না বলে আমি ভুল করেছি সাকিব বলল


তোমার জায়গায় অন্য কেউ হলে এতটা খেয়াল


রাখতো না তুমি সত্যিই খুব ভালো আমি হেসে


বললাম হয়েছে [মিউজিক] আর হাওয়া দিতে হবে


না এবার যাও মাকে ফোন দাও। ও বলল আমি


বলিনি কিন্তু নানী [মিউজিক] জানে আমি


বললাম এই নানীকে নিয়ে আর পারি না।


সবকিছুতেই বাড়াবাড়ি করে শাকিব রুমে চলে


গেল। আমি রান্না [মিউজিক] শেষে গোসল ছেড়ে


শ্বশুর শাশুড়িকে খাওয়ালাম। তারপর


সাকিবের সাথে [মিউজিক] খেয়ে দেখি সে আবার


পড়ার ঘরে গেছে। আমি গিয়ে বললাম, এই ঘরে


ঘুমাইজো না। বর ঘরে এসো আবার অসুস্থ হলে


কি হবে? সাকিব আমার কথা শুনে বর ঘরে এল।


আমি বললাম, তুমি চাইলে আমার রুমে ঘুমাও।


আমি ঘুমাই না দুপুরে সে আমার রুমে গিয়ে


শুয়ে পড়ল। এদিকে শাশুড়ি পান খেতে গিয়ে


চুলের কৌটা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। বুটা দিতে


গিয়ে বললেন, সাকিব কোথায়? আমি বললাম,


আমার রুমে ঘুমাচ্ছে। ও পড়ার ঘরে


শুয়েছিল। কিন্তু শরীর খারাপ হতে পারে


ভেবে আমি নিয়ে এসেছি। শাশুড়ি বললেন,


ভালো করেছো মাঝের ঘরটা ভালো না। সাকিবকে


বল পড়া শেষ করে এখন থেকে তোমার সাথে


ঘুমাক। তুমি [মিউজিক] তো তার যত্ন করছো সে


শুনবে। আমি বললাম আজ অনেক কথা বলেছে।


এতদিন তো [মিউজিক] লজ্জায় কিছু বলতো না।


শাশুড়ি হেসে বললেন, আমি বলেছিলাম কিছুদিন


গেলে ঠিক হয়ে যাবে। তুমি যে খেয়াল রাখো ওর


মা হলেও এতটা করতো না। আমি বললাম কি যে


বলেন মাশাকিব তো আমাদের ছেলের মতো তার


মামা। ওকে খুব ভালোবাসে প্রতিদিন ফোনে


খোঁজ নেয়। শাশুড়ি চোখে জল এনে বললেন, তোর


মত বু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। আমি হেসে


চলে এলাম রুমে দেখি সাকিব [মিউজিক]


ঘুমায়নি। মোবাইলে গেম খেলছে। আমি বললাম


গেমস বন্ধ করো। রাতে ঘুম করোনি। এখন


ঘুমাও। শাকিব বলল, তুমি ঘুমাবে না। আমি


বললাম, না ঘুমালেও তোমার পেছনে শুয়ে পড়বো।


সাকিব বলল, আমি তো কারো সাথে ঘুমাই না।


ঘুমের মধ্যে হাত পা নড়ে। আমি হেসে বললাম,


হাত পা গেলেও তো এই ঘরের বাইরে যাবে না।


সাকিব হেসে বলল, তুমি খুব মজার মানুষ।


মনটা অনেক ভালো। আমি বললাম, এই ভালো ভালো


বলা লাগবে না। সন্ধ্যার দিকে আমি সাকিবকে


ঘুমাতে বললাম সে বলল তুমি অনেক কাজ করো


একটু বিশ্রাম নাও আমি তোমার মোবাইলে গেমস


খেলি আমি ঘুমিয়ে পড়লাম জেগে দেখি সাকিব


ঘরে নেই উঠানে হাঁটছে আমি রান্নাঘরে গিয়ে


ওর জন্য নুডলস বানালাম খেয়ে খুব খুশি হলো


তারপর পড়তে বসো কিছুক্ষণ পর আমি গিয়ে


বললাম আজ আর পড়তে হবে না শরীর ঠিক হলে


কাল থেকে পড়া শুরু করো ও আমার সঙ্গে ঘরে


এলো রাতে খাওয়ার পর শাশুড়ি শাকিবকে


[মিউজিক] বলল ছোট ঘরটা শুধু পড়ার জন্য


ঘুমানোর হলে মাঝে রুমে অথবা মামির সঙ্গে


ঘুমাও। সাকিব বলল, আচ্ছা নানী রাতে হঠাৎ


[মিউজিক] করে সাকিবের জ্বর বেড়ে গেল।


আমাকে ডেকে বলল, মামর শরীরটা কাপছে। আমি


ভেজা কাপড়ে ওর শরীর মুছে দিলাম। ওষুধ


খাইয়ে কম্বলে মুড়িয়ে দিলাম। পাশে শুয়ে


মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম। ধীরে ধীরে ও


শান্ত হলো। একটু ঘুমিয়ে পড়ল। আমি ঘুমের


ভান [মিউজিক] করে রইলাম। কিন্তু সাকিবের


দুষ্টামি শুরু করল। অত ছোট এসব ব্যাপারে


[মিউজিক] একদম কাঁচা অনেক চেষ্টা করেও


ঠিকমতো কিছু করতে পারছিল না। আমি চুপচাপ


[মিউজিক] শুয়ে থাকলেও মনে হচ্ছিল আর


বেশিক্ষণ নিজেকে সামলে রাখতে পারবো না।


মাথার ভেতর এক গাদা প্রশ্ন ঘুরপাক


খাচ্ছিল। আমি কি উঠে [মিউজিক] বসে ওর চোখে


চোখ রেখে সবটা মেনে নেব নাকি ভান করে


চুপচাপ থেকে যেটুকু হচ্ছে সেটা সেভাবেই


শেষ হতে দেব। কিছুক্ষণের মধ্যে এমনভাবে


সারাদিল আমি [মিউজিক] আর থাকতেই পারলাম


না। তখন সাকিবকে হালকা করে সরিয়ে দিতে


হল। মতো এসব বোঝে না ঠিকঠাক [মিউজিক] তাই


ওর কানে কানে বললাম তুই এখন একটু বিশ্রাম


নে আমার হয়ে গেছে তারপর আমিও [মিউজিক]


কখন জেন ঘুমিয়ে পড়লাম সকালে জ্বর কিছুটা


কমেছে আমি নাস্তা তৈরি করলাম ওকে আবার


পড়তে বসলো মাঝেমধ্যে রান্নাঘরে এসে


দুষ্টুমি করতে চাই আমি বললাম প্রযোজনের


বেশি কোন কিছু ভালো না দিনের বেলায় কখনো


কল্পনাও করো না যদি কখনো কারো চোখে পড়ে


বা কোন প্রকার সন্দেহ হয় তাহলে তোমার


আমার দুজনের জীবনই [মিউজিক] নষ্ট হয়ে


যাবে। আমি যা বলি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন


করবা। তা না হলে জীবন [মিউজিক] নষ্ট হয়ে


যাবে। সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না বুঝতে


পারছো। তারপর সে মাথা না দিয়ে হ্যাঁ বলল।


তারপর থেকে [মিউজিক] সাকিব আর কোনদিন


দিনের বেলা করার জন্য বায়না ধরেনি। আর


আমার কথার বাইরেও যায়নি। আর আমি তখন থেকে


নিয়মিত ওষুধ খেতে থাকলাম। সাকিব আমার


পরিবারের একজন তার যত্ন নেওয়া আমার


কর্তব্য। আমাদের সম্পর্ক সম্মান ও


ভালোবাসা ভিত্তিক যার মধ্যে অসমঙ্গতি নেই।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো