বিধবা মা বলল আর সহ্য হচ্ছে না জলদি ঢুকা


বন্ধুরা আজকের এই গল্পে আপনাদের স্বাগতম।


আমি ঈশান আমাদের পরিবারে ছিল মা বাবা আর


আমি। আগে আমাদের সাথে আমার দিদিও থাকতো।


কিন্তু দিদির বিয়ের পর বাড়িতে আমরা


তিনজনই থাকতাম। আমাদের আবাসনটি ছিল একটি


ব্যস্ত এলাকায়। তবে পরে বিভিন্ন কারণে


লোকসংখ্যা কমে যায়। যদিও করোনার সময় ছিল


তখন। তাই অনেকেই বাড়ি থেকে কাজ করতো।


এজন্য অনেকে গ্রামে চলে যায়। তবে


সালের পরে ধীরে ধীরে আমাদের সোসাইটি আবার


চঞ্চল হয়ে ওঠে। বিভিন্ন উৎসব পুনরায়


উদযাপন হতে শুরু করে। আমার মায়ের নাম ছিল


মাধুরী। তিনি তার নামের মতই সুন্দর এবং


মুক্ত চিন্তার অধিকারী ছিলেন। মায়ের এক


অসাধারণ গুণ ছিল। তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে


সঠিক সুযোগের সৎব্যবহার করতে পারতেন। তার


বুদ্ধি ও কথার ভঙ্গি ছিল অতুলনীয়।


কিছুদিন আগেই একটি ঘটনা ঘটেছিল যা আমার


জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। আমাদের


সোসাইটিতে একটি বড় পার্টির পরিকল্পনা


চলছিল। আমাদের সোসাইটিতে মোট 10টি বিল্ডিং


ছিল। আর সবাই মিলে একসঙ্গে এই উৎসবটি


উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উৎসবটি


ছিল নতুন বছর উপলক্ষে। পার্টির দিন মা


একটি উজ্জ্বল লাল রঙের শাড়ি আর স্টাইলিশ


ব্লাউজ পড়ে বের হলেন। তাকে অসম্ভব সুন্দর


দেখাচ্ছিল। করোনার সময় মায়ের


জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসে। তিনি তার


শরীর ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ


দিতে শুরু করেন। প্রতিদিন সকালে তিনি


হালকা পোশাক পড়ে ঘরে বসে যোগ ব্যায়াম ও


প্রাণায়াম করতেন। আমি মুগ্ধ হয়ে মাঝে


মাঝে দূর থেকে লুকিয়ে মায়ের এই অনুশীলন


দেখতাম। অনুশীলন এর সময় মাকে অনেক সুন্দর


আর আকর্ষণীয় লাগতো। যা আমার মনকে অনেক


প্রভাবিত করতো। পার্টির দিন মা ও আমি


একসঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাই। আমাদের


সোসাইটির সবাই সেখানে আনন্দে মেতে উঠেছিল।


মা ছিলেন খুবই প্রাণবন্ত ও হাসিখুশি।


তিনি এই উৎসবের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠেন।


কারণ মা সবার থেকে অনেক সুন্দর আর


আকর্ষণীয় ছিল সেখানে। আর সাজগোজ করায়


তাকে আরো সুন্দর লাগছিল। যতক্ষণ না লোকজন


আসতে শুরু করল। পার্টির পরিবেশ ধীরে ধীরে


আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছিল। অন্য মহিলারাও


দারুণভাবে সেজে গুজে এসেছিলেন। পুরো


জায়গাটা আলো আর আনন্দে ভরে উঠেছিল।


কিছুক্ষণ পর ডান্স প্রোগ্রাম শুরু হয়।


সবাই একের পর এক মঞ্চে উঠে নাচতে শুরু


করল। আমিও নিজের মত করে পার্টির মাঝে ঢুকে


পড়লাম। পার্টির এক কোণে গিয়ে আমি এক


বোতল পানিও তুলে নিই। লুকিয়ে লুকিয়ে পান


করতে থাকি। এদিকে নাচের মধ্যে একটা মেয়ের


সঙ্গে আমার আলাপ হয়। তার নাম ছিল নেহা।


তার হাসি আর কন্ঠে যেন কিছু আলাদা আকর্ষণ


ছিল। সে আমার কাছে এসে কথা বলল এবং এক


পর্যায়ে আমাকে প্রস্তাব দেয়। নেহা আমাকে


বলল, চলো আমার বাড়ি। আমি তোমার পাশে কিছু


সময় থাকতে চাই। আমি তখন এমন অবস্থায়


ছিলাম যেখানে আমার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ


ছিল না। মন চাইছিল কোন কিছু নতুন করার।


আমরা ঠিক পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে যাব। এমন


সময় আমার মা সেখানে এসে পৌঁছালেন। মা


বুঝতে পেরেছিলেন যে আমি কোথাও লুকিয়ে


আছি। আর তিনি আমাকে খুঁজতে খুঁজতে ঠিক


সেখানে চলে এলেন। মা আমাকে দেখতে পেয়ে


থমকে গেলেন। তার চোখে উদ্বেগ আর কষ্টের


ছাপ ছিল। তিনি আমার হাত ধরে বললেন, তুমি


কি জানো তুমি কি করতে যাচ্ছ? এই পথে হেটো


না। জীবনকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখো।


মায়ের কথাগুলো যেন আমার ভিতর গভীর ছাপ


ফেলল। পার্টির এক কোণে যখন আমি লুকিয়ে


পানীয় পান করছিলাম তখন হঠাৎ মায়ের গলা


শুনতে পেলাম। মা আমাকে খুঁজে পেয়ে ডাক


দিলেন। আমি হতবাক হয়ে গেলাম। আর নেহা ভয়


পেয়ে চুপচাপ সেখান থেকে চলে গেল। আমি


মায়ের দিকে এগিয়ে গেলাম। মা আমাকে দেখে


বললেন, এটা কি তোমার পার্টি করার স্টাইল?


আমি কিছু বলার আগে মা আমার মুখের দিকে


তাকিয়ে বললেন, তুমি কি পান করেছ? তোমার


মুখ থেকে তো পানির গন্ধ আসছে। লজ্জা করে


না তোমার? আমি মাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম।


বললাম, মা এটাই আমার প্রথমবার। বছরের এই


দিনটা একটু আনন্দ করতে চেয়েছিলাম। মা


আমার কথা শুনে শান্ত স্বরে বললেন, আনন্দ


করো। কিন্তু এমন গোপনে নয়। যদি কেউ দেখে


ফেলে বা জানতে পারে। তবে তোমার বাবার


মানসম্মান কি হবে? নিজের কাজের জন্য


পরিবারের মান মর্যাদা নষ্ট করো না। আমি


প্রতিশ্রুতি দিলাম। মা, আমি আর কখনো এমন


করবো না। সবকিছু তোমাকে জানিয়ে করব। মা


আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, সত্যি বলতে


সমস্যা আনন্দে নয়। সমস্যা তখন হয় যখন


তুমি লুকিয়ে কিছু করো। যা করছো তা সঠিক


পথে করো। আর বাইরের কারো কাছে এমন কিছু


করো না যাতে তারা তোমার বা আমাদের সম্মান


নিয়ে কথা বলতে পারে। এরপর আমি মায়ের হাত


ধরে বললাম, মা আজকের দিনটা নষ্ট করো না।


তুমি এসো। আমাদের সঙ্গে পার্টিতে যোগ দাও।


মা আমার কথায় রাজি হয়ে গেলেন। আমরা আবার


পার্টিতে ফিরে গেলাম। মা ধীরে ধীরে


স্বাভাবিক হয়ে উঠলেন এবং অন্যদের সঙ্গে


কথা বলতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পরে লোকজন


পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে শুরু করল। কারণ


ড্রিংকস শেষ হয়ে গিয়েছিল। তখন মা আমাকে


একটি টেবিলের কাছে নিয়ে গিয়ে বসলেন।


হঠাৎ মা বললেন, আমিও একটা পানিও চেখে


দেখতে চাই। যাও সেই কোন থেকে একটি বোতল


নিয়ে এসো যেখানে তুমি আগে ছিলে। আমি


মায়ের কথা শুনে অবাক হলাম। আমি বিস্মিত


হলেও বোতল নিয়ে এলাম। মা নিজেই দুটি


গ্লাসে পানিও ঢাললেন এবং বললেন, এই সময়ে


আনন্দের মাঝেও দায়িত্বশীল হতে শেখা উচিত।


আনন্দ করো। তবে কখনো এমন কিছু করো না যাতে


নিজের কিংবা পরিবারের সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ


হয়। মায়ের কথাগুলো আমার মনে গভীর দাগ


কাটলো। সেই দিনটি শুধু একটা পার্টি ছিল


না। বরং জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা


পেলাম সেই রাতে। মায়ের অনুরোধে আমি পানি


আর দুটি গ্লাস তৈরি করলাম। মা জানতে


চাইলেন দুটি কেন? আমি মৃদু হেসে বললাম,


একটি তোমার জন্য এবং একটি আমার জন্য। মা


প্রথমে রাগ করে আমার দিকে তাকালেন। তবে


আমার হাসি দেখে শান্ত হলেন। আমরা চেয়ারস


করলাম। আর মা দ্রুত নিজের গ্লাস শেষ


করলেন। এরপর তিনি আমার গ্লাসটি নিয়ে


সিটিও পান করতে শুরু করলেন। আমি অবাক হয়ে


তাকিয়ে রইলাম। দুটি চুমুক পর আমি মায়ের


হাত থেকে গ্লাসটি নিলাম এবং বললাম আমি


আরেকটি নিয়ে আসি মা হেসে বললেন তাহলে


তাড়াতাড়ি যাও আমি আরেকটি ছোট বোতল নিয়ে


এলাম এবারও দুটি গ্লাস তৈরি করলাম একটি


মায়ের জন্য এবং একটি আমার জন্য মজার


ব্যাপার হলো আমি তখনো আমার গ্লাস শেষ


করিনি কিন্তু মা ইতিমধ্যে নিজেরটি শেষ করে


বোতল থেকেই পান করতে শুরু করলেন মা


পুরোপুরি মাতাল হয়ে গেলেন আর আমি একদিকে


হাসতে হাসতে তাদের সামলানোর চেষ্টা


করছিলাম এরপর আমি মাকে ধরে সোফায় বসালাম।


সময় তখন রাত 11টা পাঁচ মিনিট। একে একে


সবাই ছাদে চলে গেলেন নতুন বছরের শুভেচ্ছা


জানাতে। কিন্তু আমি এবং মা নিচে রইলাম


কারণ তিনি তখন কিছুটা অসুস্থ অনুভব


করছিলেন। আমি মায়ের পাশে বসে নিউ ইয়ার


কাউন্টটা শুরু করলাম। ঘড়ির কাটা বোটা


ছুতেই আমি মাকে জড়িয়ে ধরলাম। এবং নতুন


বছরের শুভেচ্ছা জানালাম। এটি ছিল আমার


জীবনের প্রথমবার যখন আমি মায়ের সঙ্গে এত


আপন মুহূর্ত ভাগ করলাম। মায়ের গালে


পাউডার আর মেকাপের মিষ্টি সুগন্ধ তখনও


আমার মনে গভীর দাগ কাটলো। এই রাতটি শুধুই


একটি নতুন বছর উদযাপনের জন্য ছিল না। এটি


ছিল মায়ের সঙ্গে আমার জীবনের এক নতুন


অধ্যায়ের শুরু। মা সেদিন একটু অসুস্থ বোধ


করছিলেন।


তিনি বললেন, আমার এক হাত ঠিকমতো কাজ করছে


না এবং এক হাতে শরীরে চুল কাটছিলেন। আমি


দেখে বুঝতে পারলাম তিনি হয়তো একটু


অস্বস্তিতে আছেন। আমি তার কাছে গিয়ে


বললাম, মা একটু বসো। আমি তোমাকে সাহায্য


করছি। হঠাৎ আমার হাত তার গায়ে লেগে গেল।


মা বললেন, কি হচ্ছে? একটু সাবধানে থাকো।


আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, সরি মা এটা


একেবারেই ভুল করে হয়েছে। মা মৃত হেসে


বললেন, ঠিক আছে এমন ছোটখাটো ব্যাপারে


চিন্তা করো না। এরপর আমি তাকে আরাম দেয়ার


জন্য পাশে বসে তার সাথে কথা বলতে শুরু


করলাম। তারপর তিনি বললেন, আমি তখন থেকেই


তোমাকে লক্ষ্য করছি। আমার শরীর চুল


কাঁদছিল তাই আমি চুলকিয়েছি। কিন্তু তোমার


দৃষ্টি সেদিকে চলে গেছে। তখন আমি আবার


ক্ষমা চাইলাম এবং বললাম, এটা আর কখনো হবে


না। তিনি বললেন, আমি তোমাকে ক্ষমা করছি


না। শুধু একটু রাগ হচ্ছিল। তারপর তিনি


আমাকে ঠাট্টা করে বললেন আমার ছেলে ভয়


পেয়ে গেছে আমার ছেলে ভয় পেয়ে গেছে তিনি


ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছিলেন তারপর আবার


ঠাট্টা করে বললেন এখন কেমন লাগছে আমি


বললাম খুব ভালো লাগছে এরপর তিনি আমাকে


সোফায় ঠেলে দিলেন এবং বললেন এখন দেখো


আমাকে কেমন লাগছে আমি মাকে দেখে বললাম মা


তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে মা মজা করে


পোজ দিয়ে বললেন আমাকে দেখো আমি কি মডেলের


মতো লাগছি আমি হাসি থামিয়ে নিয়ে বললাম


মডেল তো নয় তার থেকেও বেশি সুন্দর লাগছে।


তখন মা ঠাট্টা করে বললেন তাহলে কি আমি সেই


মেয়েটির থেকেও সুন্দর যার সঙ্গে তুমি তখন


গল্প করছিলে। আমি লাজুকভাবে হেসে বললাম,


মা তুমি সবার থেকে আলাদা তোমার তুলনা হয়


না। মা হেসে বললেন, ভালো করে বল। সত্যি


কথাই বলছো তো? আমরা দুজনই হেসে উঠলাম এবং


সেই মুহূর্তটা খুব আনন্দময় হয়ে উঠলো।


আমি মাকে বললাম মা তোমার তুলনা কারো


সঙ্গেই করা যায় না মা মজা করে বললেন


তাহলে বল সেখানে কি এত পছন্দ করেছিলে আমি


হেসে উত্তর দিলাম কিছু না মা শুধু মজার


ছোলেই কথা বলছিলাম মা হাসি দিয়ে বললেন সব


ঠিক আছে আজ রাতটা একটু ভিন্নভাবে শুরু করি


নতুন বছরের আনন্দে মেতে উঠি তখন আমি মজার


ছোলে বললাম তুমি কি প্রস্তুত মা মজা করে


বললেন আর যদি প্রস্তুত না থাকি আমরা


দুজনেই হেসে উঠলাম এবং সেই মুহূর্তটা


হাসিট্টায় ভরে গেল। রাতে মা বললেন, তুমি


কি সত্যি আমাকে সারারাত এভাবে ধরে রাখবে?


আমি মজা করে বললাম, হ্যাঁ। কেন নয়? তিনি


হেসে আমার গালে মৃদু চিমটি কেটে বললেন,


তোমার তো সবসময় তাড়াহুড়ো থাকে। আমি


তাকে সান্ত্বনা দিয়ে তার ঘরের দিকে নিয়ে


যেতে শুরু করলাম। তিনি হেসে নামমাত্র বাধা


দেওয়ার ভান করলেন কিন্তু তা ছিল মজার


ছোলে। ঘরে পৌঁছে আলো জ্বালিয়ে তিনি


বললেন, এখন কি করবো বল? আমি মজার ছলে


বললাম। আরাম করে ঘুমানোর সময় হয়েছে মা।


তিনি একটু চিন্তিত ভঙ্গিতে বললেন, তবুও এত


দেরি করে ঘুমানো কি ঠিক হলো? আমি হাসি


মুখে বললাম, আজকের রাতটা বিশেষ মা। একটু


মজা করলে ক্ষতি নেই। আমরা দুজনেই হেসে


উঠলাম। আর সেই মুহূর্তটা আনন্দে ভরে উঠলো।


তখন সে বলল, কিন্তু আমার তো জানা থাকবে।


পরে যদি খারাপ লাগে। এখন হয়তো ভালো


লাগছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এই সম্পর্কের


দিকটা হয়তো বদলে যাবে। আমি বললাম তোমার


প্রতি আমার অনুভূতি সত্যি। আমি অনেকদিন


ধরে তোমার পাশে আছি। একজন ভালো বন্ধুর


মতো। কিন্তু যদি আজ আমরা এই মুহূর্তটাকে


হারিয়ে ফেলি তাহলে হয়তো সবকিছু বদলে


যাবে। সে এক মুহূর্ত ভাবলো তারপর বলল ঠিক


আছে। কিন্তু একটাই শর্ত আজকের পর আর কখনো


কিছু আশা করো না আমি খুশি মনে বললাম ঠিক


আছে। আমি তোমার শর্ত মেনে নিচ্ছি। তারপর


সে আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল তুমি


এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছো কেন আমি বললাম কিছু


না তখন মা বলল তাহলে যাও যদি তুমি না চাও


আমি বললাম তোমার ইচ্ছা যদি না থাকে তাহলে


আমি চলে যাই আমি বিছানায় বসেছিলাম তখনই


সে আমার হাত ধরে টেনে বলল তুমি এত গম্ভীর


কেন সবকিছু এত সিরিয়াস ভাবে নিও না আমি


অবাক হয়ে বললাম তাহলে তুমি চোখ বন্ধ করে


আগে শুয়েছিলে কেন সে হাসতে হাসতে বলল


আলোটা আমার চোখে পড়ছিল তাই চোখ বন্ধ


করেছিলাম। আমি আলো বন্ধ করে আবার শুয়ে


পড়লাম। সেই রাতে পার্টির পরে আমরা


প্রথমবার এতটা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছিলাম।


তখনই সে উঠে গেল। আলোটা জ্বালালো এবং


বাথরুমে চলে গেল। ফিরে এসে আবার বিছানায়


শুয়ে পড়ল। আমি তাকে দেখে বললাম, মা তুমি


খুব সুন্দর লাগছো। সে হাসি দিয়ে বলল, এখন


তো আমি আগের থেকে অনেকটাই রোগা হয়েছি।


তাও কি তোমার কাছে ভালো লাগি? আমি বললাম,


তুমি যেভাবেই হও। সবসময় আমার কাছে


সুন্দর। আমি মাকে বললাম, তুমি সবসময়


সুন্দর লাগো। মা মুচকি হেসে বললেন, আজ


তোমার বাবা আসছে না। আমরা দুজনে একসঙ্গে


সময় কাটাবো। দরজাটা বন্ধ করে দাও। আর


বাইরে যাওয়ার দরকার নেই। আমি বললাম, মা


তুমি তো অনেক স্মার্ট। আমি ভেবেছিলাম তুমি


পুরনো ধাঁচের মানুষ। মা হেসে বললেন, আমি


এমন নই। আমি নিজের মত করে চলি। তোমার যদি


কিছু মনে হয় নির্দ্বিধায় আমাকে বলো। আমি


বললাম আমার তোমাকে নাম ধরে ডাকতে ইচ্ছা


করছে মা বললেন দেখো আমি প্রথমবার তাকে তার


নাম ধরে ডাকলাম আর আমরা দুজনে হেসে উঠলাম


হাসতে হাসতে আমি বললাম মা তোমার আর বাবার


কথাবার্তা এখন খুব একটা হয় না তাই না মা


হেসে বললেন হ্যাঁ এখন খুব কম হয় মাসে


এক-দুইবার তাও সময় বের করা মুশকিল আমি


বললাম সত্যি মা মাথা নেড়ে বললেন হ্যাঁ


সত্যি আমরা আবার হেসে উঠলাম কিছুক্ষণ পর


আমি মাকে জিজ্ঞাসা করলাম মা তোমার কি


প্রয়োজন মা মুচকি হেসে বললেন তুই আমার


ছেলে আমি তোকে সবকিছু বলতে পারি আমি বললাম


তাহলে আজকের রাত শুধু আমাদের জন্য আমরা


একে অপরের মুখোমুখি বসে গল্প করতে শুরু


করলাম মা আমাকে তারুণ্যের দিনগুলোর কথা


বললেন কিভাবে তিনি অনেক কঠিন সময় পার


করেছেন এবং সবকিছু সামলেছেন। আমি তার কথা


শুনলাম এবং আমার মনের কথাগুলো তাকে


জানালাম। আমি মাকে এমন কিছু কথা বললাম। যা


আগে কখনো কাউকে বলিনি মা গভীরভাবে আমার


কথা শুনলেন এবং তারপর বললেন তুই জানিস আমি


তোর জন্য কত গর্বিত তুই সবসময় আমার পাশে


থেকেছিস আজ আমরা শুধু একে অপরের সাথে সময়


কাটাবো আমি মাকে জড়িয়ে ধরে বললাম মা


তুমি পৃথিবীর সেরা তারপর আমরা দুজনে


একসাথে বসে গল্প করলাম পুরনো দিনের কথা


স্মরণ করলাম একসঙ্গে হাসলাম আর মন খুলে


কথা বললাম কিছুক্ষণ পরে মা বললেন এবার চল


ঘুমানোর সময় হয়ে গেছে আমি মাকে বিছানায়


শুয়ে দিলাম এবং পাশে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।


আমরা দুজনের চোখ বন্ধ করলাম এবং একে অপরের


সান্নিধ্যের উষ্ণতা অনুভব করলাম। সেই


রাতের গভীর নিস্তব্ধতায় আমি অনুভব করলাম


আমার জীবনে মায়ের গুরুত্ব ঠিক কতটা সে


সবসময় আমাকে কাছে রাখে। যেন আমি তার


জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি জানি


তার জন্য আমি ঠিক কি মাঝে মাঝে আরো


ভালোভাবে বুঝতে চাই। পরের দিন সকালে যখন


আমার ঘুম ভাঙলো। আমি দেখলাম মা এখনো গভীর


ঘুমে তার মুখে এক ধরনের প্রশান্তি ছিল যা


দেখলে যে কারো মন শান্ত হয়ে যাবে আমি


ধীরে ধীরে উঠে বিছানার চাদর ঠিক করে দিলাম


যেন সে আরাম করে ঘুমাতে পারে রান্নাঘরে


গিয়ে আমি তার জন্য চা বানাতে শুরু করলাম


চায়ের কাপের ভাপ উঠছিল আর তার সাথে আমার


মনে হচ্ছিল আজকের দিনটা তার জন্য একটু


বিশেষ করে তুলি যখন সে ঘুম থেকে যাব আমি


চা নিয়ে তার ঘরে ঢুকলাম মৃদু হাসি দিয়ে


বলল গুড মর্নিং মা। চা নিয়ে এসেছি তোমার


জন্য। মা একটু অবাক হয়েও আনন্দিত হলেন।


তিনি হাসি মুখে বললেন, গুড মর্নিং আমার


লক্ষী ছেলে। তুমি এভাবে আমার জন্য চা


বানিয়েছো। এটা তো চমৎকার শুরু। আমরা


একসঙ্গে বসে চা খেলাম। সেইদিন থেকেই


আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর হতে শুরু করল।


আমরা প্রতিদিন একে অপরের সঙ্গে আরো বেশি


সময় কাটানোর চেষ্টা করতাম।


ছোট ছোট বিষয় থেকে শুরু করে বড়


চিন্তাভাবনা


সবকিছু আমরা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে


লাগলাম সেই রাত যে রাতে আমরা একসঙ্গে এতটা


সময় কাটিয়েছিলাম আমাদের জীবনে এক নতুন


অধ্যায়ের সূচনা করল আমরা দুজনেই একে


অপরকে আরো ভালোভাবে জানতে এবং বুঝতে


পারলাম সেই মুহূর্তগুলো আমাদের সম্পর্ককে


আরো দীঢ করে তুলল তো বন্ধুরা এটাই ছিল


আজকের ছোট্ট গল্প এমন আরো গল্প শুনতে


চাইলে কমেন্টে জানাও গল্পটি আপনাদের কেমন


লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আর


যদি গল্পটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই


লাইক করুন এবং আপনার বন্ধুদের সঙ্গে


শেয়ার করুন। এমন আরো আকর্ষণীয় গল্পের


জন্য আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন


এবং বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবেন না।


যাতে আমাদের কোন গল্প মিস না হয়।


ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো