মাল আউট করতে চাইলে দেখুন




 আজ আমি আমার বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলাম


কিছুক্ষণ পর আমার বন্ধু আমাকে তার মায়ের


সাথে রেখে বাইরে গেল সে তার প্রেমিকার


সাথে দেখা করতে গিয়েছিল বাড়িতে তখন শুধু


আমি আর আমার বন্ধুর মা যাকে আমি আন্টি বলে


ডাকি আমরা দুজনেই ছিলাম হঠাৎ আন্টি আমাকে


তার ঘরে ডাকলেন সেখানে যাওয়ার পর আমি


তাকে কিছুটা অন্যরকম ভাবে দেখলাম আমি অবাক


হয়ে গেলাম কারণ সেই মুহূর্তে তার আচরণ


কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল। তিনি আমাকে তার


কাছে আসতে বললেন আর তার কথাগুলো আমাকে আরো


বেশি বিস্মিত করলো। তিনি হেসে বললেন এখন


আমরা তো একা আছি। আমার ছেলে তার প্রেমিকার


সাথে দেখা করতে গেছে। আমাদের এই সময়টা


কিভাবে কাটানো উচিত তার কথা শুনে আমি


কিছুটা বিস্মিত হলাম। কথাগুলো শোনার পর


আমার মনে নানা ভাবনা উঁকি দিতে লাগল।


আন্টি নিজেই আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন।


তাই আমি কিভাবে না করতে পারি? তাই আমি


আন্টির পাশে বসলাম। তারপর আমি আন্টিকে


বন্ধুরা আজকের গল্পটা অনেক বেশি স্পেশাল


তাই কেউ মিস করো না আর দয়া করে গল্পগুলো


ভালো লাগলে ভিডিওটি লাইক শেয়ার এবং


চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করো প্লিজ আমার নাম


সুনীল সম্প্রতি আমি একটি ডিগ্রি কলেজে


ভর্তি হয়েছি সেখানে আমার পরিচয় হয়েছিল


কুনাালের সাথে ডিগ্রি কলেজে কুনাালই ছিল


আমার প্রথম বন্ধু ভর্তি হওয়ার দিনেই তার


সাথে দেখা হয় এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই


আমাদের গভীর বন্ধুত্ব হয়ে যায়। কুনাাল


খুবই আকর্ষণীয় আর আমি বেশ শান্ত স্বভাবের


ছিলাম। কুনাালের মত একজন আকর্ষণীয় ছেলের


সাথে বন্ধুত্ব হওয়া আমার জন্য একটি বিশেষ


ব্যাপার ছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা


ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম। কলেজ শুরু হওয়ার


এক মাস পরের কথা। সেদিন ছিল কুনাালের


জন্মদিন। যখন সে কলেজে এল আমি তাকে আমার


সাথে মন্দিরে নিয়ে গেলাম। এরপর ক্লাস শেষ


হলে কুনাাল বলল আজ বিকেলে আমি তোমায় নিতে


আসব। আমার জন্মদিন উপলক্ষে মা বাড়িতে


অনেক সুস্বাদু খাবার তৈরি করেছেন তাই আজ


আমার বাড়িতে খেতে আসতেই হবে আমার অনেক


বন্ধু আছে কিন্তু তোমার মত বিশ্বস্ত কেউ


নেই তাই আমি চাই তুমি অবশ্যই আমার বাড়িতে


এসো কুনাালের কথাগুলো শুনে আমি তার


প্রস্তাবে রাজি হলাম কারণ বন্ধুত্বের এই


টান আমার মন ছুয়ে গিয়েছিল তুমি তো


সবসময় বাইরের খাবার খাও বাড়ির খাবারের


স্বাদ পাও না আমার মায়ের রান্নায় খুবই


স্বাদ কুনাাল তার মায়ের হাতের রান্নার


প্রশংসা করছিল ছিল। সে আগেও অনেকবার তার


জীবনের নানা কথা আমার সঙ্গে শেয়ার করেছে।


তাই তার সম্পর্কে আমার অনেক কিছু জানা


ছিল। তার বাবা ছিলেন না তার মা একাই তাকে


বট করেছেন। এসব কথাও কুনাাল এর মুখেই


প্রথম শুনেছিলাম।


সেদিন সন্ধ্যায় কুনাাল আমাকে নিতে এল।


আমি তৈরি হয়ে তার বাড়ির দিকে রওনা দিলাম


তার জন্মদিনের উপলক্ষে তার মায়ের হাতে


তৈরি সুস্বাদু খাবার খেতে। বাড়িতে ঢুকতেই


আমি একটি মেয়ে দেখতে পেলাম সে পানির


গ্লাস হাতে দাঁড়িয়েছিল তাকে দেখে আমি


অবাক হয়ে কুনাালকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি তো


বলেছিলে তুমি আর তোমার মা একাই থাকো তোমার


তো আর কেউ নেই তাহলে এই মেয়ে কে তোমার


বোন নাকি কুনাাল আর তার সাথে মেয়েটি হেসে


উঠলো কুনাাল আমার কাঁধে হাত রেখে বলল


বন্ধু এ আমার বোন না এ আমার মা আমার


জীবনের সেরা মা তিনি একাই আমাকে অনেক কষ্ট


করে মানুষ করেছেন


তুমি যেটা ভেবেছো সেটা অনেকের ভাবনায়


আসে। যখনই মা আমাকে নিয়ে মার্কেটে যান


অনেকেই আমাদের ভাইবোন মনে করে কেউই


বিশ্বাস করতে চায় না যে মার এত বড় ছেলে


হতে পারে কারণ তিনি নিজেকে খুব ভালোভাবে


মেইনটেইন করেছেন। তিনি যোগ ব্যায়ামের বড়


ভক্ত প্রতিদিন ভোর চারটায় উঠে কোনদিন বাদ


না দিয়ে এক ঘন্টা ধরে যোগ ব্যায়াম করেন।


এটাই আমার মায়ের তারুণ্যের রহস্য কুনাাল


তার মায়ের প্রশংসায় মগ্ন ছিল। সে এসব


বলছিল আর ঠিক তখনই তার মা বললেন কুনাাল


তোমার বন্ধুকে এখানে বাইরে দাঁড় করিয়ে


গল্প শোনাচ্ছো ওকে ভেতরে ডেকে বসতে বল


তারপর আন্টি আমাকে পানি দিলেন কিছুক্ষণ পর


আমরা খাবারের জন্য বসে পড়লাম সত্যি বলতে


আন্টির হাতের রান্নায় অদ্ভুত স্বাদ ছিল


তিনি কুনাালের জন্মদিন উপলক্ষে শাহী পনির


হালুয়া কচুরি সহ আরো অনেক পথ তৈরি


করেছিলেন। যখন আমি তাদের বানানো শাহী পনির


খেলাম তখনই মনে মনে ঠিক করে ফেলেছিলাম আজ


আমি আদ্রসটা পুরী তো খেয়েই ছাড়বো আমি


খুব আনন্দ নিয়ে খাচ্ছিলাম


আর কুনাালও আমার পাশেই বসে ছিল হঠাৎ


কুনাালের ফোন বেজে উঠল তার কিছু বন্ধুরা


তাকে কেক কাটার জন্য ডেকে সে সঙ্গে সঙ্গেই


যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিল এবং বলল আমি


বেশি সময় নেব না একটু কেক কেটে ফিরে আসছি


ততক্ষণ তুমি আরাম করে খাও আন্টিও বললেন


আগে ভালো করে খেয়ে নাও


খাওয়া শেষ করে যাও বলে কুনাাল গাড়ির


চাবি নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল। এরপর আন্টি


এসে আমার পাশে বসলেন। বসার সঙ্গে সঙ্গে


তিনি আমার থালা আরেকটা পুরি তুলে দিলেন।


আমি লক্ষ্য করলাম আন্টি আমাকে এক


অন্যরকমভাবে দেখছিলেন এবং মাঝে মাঝে মুচকি


হাসছিলেন। খাওয়া শেষ হলে আমি তাকে ডাইনিং


টেবিলের বাসনপত্র তুলতে সাহায্য করতে শুরু


করি। আমার কাজ দেখে আন্টি বললেন, তুমি তো


একেবারে নিখুঁত ছেলে। কুনাালের মুখে তোমার


নাম অনেকবার শুনেছি আমার ড্যাসিং কুনাাল


এর মত একজন ছেলে তোমার মত সরল ও সাধারণ


বন্ধু পেয়ে খুবই সৌভাগ্যবান


আমি বিশ্বাস করি তোমার সংস্পর্শে থেকে


কুনাালও তোমার মত হবে আন্টির কথা শুনে আমি


হেসে দিলাম এরপর তিনি আমার পরিবারের কথা


জিজ্ঞেস করলেন আমি তাকে জানালাম আমার


পরিবার গ্রামে থাকে এবং আমি পড়াশোনার


জন্য শহরে একা থাকি আমরা কথাবার্তা


চালিয়ে যাচ্ছিলাম ঠিক তখনই কুনাাল ফিরে


এল আমাদের কথা বলতে দেখে কুনাাল হাসতে


হাসতে বলল সুনীল মা তোমাকে খুব পছন্দ


করেছে আমি কখনো দেখিনি মা আমার কোন বন্ধুর


সাথে এত কথা বলছে সাধারণত মা কাউকে বাড়ির


দরজা পর্যন্ত আসতে দেয় না কুনাাল কথা বলে


যাচ্ছিল আর আমি ঘড়িতে সময় দেখে মনে মনে


ভাবছিলাম যে আমার যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে


আমি কুনাালকে বললাম ভাই অনেক রাত হয়েছে


এবার আমাকে আমার রুমে ছেড়ে দাও রওনা


হওয়ার সময় আন্টি বললেন সুনীল আবার এসো


আর পরের বার একটু বেশি সময় নিয়ে আসো। এই


বাড়িকে নিজের বাড়ি ভাবো। তারপর আন্টি


আমাকে আলিঙ্গন করলেন। আমি বুঝলাম তার আচরণ


একটু আলাদা ছিল। তাকে বিদায় জানিয়ে রুমে


চলে গেলাম। পরের দিন কলেজে কুনাালের সঙ্গে


দেখা হল। সে হাসতে হাসতে বলল, সুনীল মা


তোমার প্রশংসা করেই সারারাত কাটিয়েছেন।


এত প্রশংসা তো আমাকে নিয়েও করেন না। আমি


হেসে বললাম। কুনাাল সময়ের সঙ্গে সবকিছু


বদলায়। তুমিও হয়তো একদিন আমার মত হয়ে


যাবে। দিনের পর দিন আমাদের বন্ধুত্ব আরো


গভীর হচ্ছিল একদিন কুনাাল আমাকে বলল মাকে


বিকেলে বাজারে নিয়ে যেতে হবে কাল তার


অফিসে একটা ফাংশন আছে তার জন্য কিছু


কেনাকাটা করতে হবে বিকেল চার টায় তুমি


আমাদের বাড়িতে এসো মাকে বাজারে নিয়ে যেও


কারণ আমি একটু ব্যস্ত আছি কুনাালের কলেজের


এক মেয়ের সঙ্গে নতুন বন্ধুত্ব হয়েছিল


এবং সে মেয়েটিকে ডেটে নিয়ে যেতে


চেয়েছিল তাই সে আমাকে তার মায়ের


দায়িত্ব দিয়েছে কুনাাল তার মায়ের


সাহায্য করার জন্য আমাকে পাঠিয়েছে


কলেজে আমি সাধারণত বিকেল চারটায় ক্লাস


শেষ করতাম আর সেদিনও তাই হয়েছিল চারটায়


আমার রুমে গিয়ে আমি কিছুক্ষণ বিশ্রাম


নিয়েছিলাম এবং তারপর তৈরি হয়ে কুনাাল এর


বাড়ির দিকে রওনা দিলাম কুনাাল আমাকে তার


বাড়ির দ্বিতীয় চাবি দিয়েছিল সে বলেছিল


যদি মা বাড়িতে না থাকেন তবে বাইরে


অপেক্ষা না করে তুমি চাবি দিয়ে দরজা খুলে


ভেতরে ঢুকে বসে থেকো আমি তার বাড়িতে


পৌঁছে দরজায় কড়া নাড়ালাম এবং কয়েকবার


ডোরবেল বাজালাম কিন্তু ভেতর থেকে কোন


সাড়া পেলাম


এমনকি মনে হলো ডোরবেলটাও ঠিকমত কাজ করছে


না। তখন আমি কুনাাল এর দেওয়া দ্বিতীয়


চাবি দিয়ে দরজার তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ


করলাম। ঘরে ঢুকে দেখলাম কেউ নেই। কিন্তু


হঠাৎই একটা ঘর থেকে পানির শব্দ শোনা গেল।


আমার মনে হলো যে হয়তো ঘরের কোন নলের পানি


অনবরত পড়ছে। পানির অপচয় যেন না হয়। তাই


শব্দের উচ খুঁজতে এগিয়ে গেলাম। শব্দের


পিছু করতে করতে আমি একটি ঘরের সামনে এসে


দাঁড়ালাম। বাথরুমের দিক থেকে হালকা পানির


শব্দ শোনা যাচ্ছিল। দরজার কাছে এসে হাত


বাড়াতেই দরজাটি খুলে গেল। সামনে তাকাতেই


দেখি কুনাালের মা দাঁড়িয়ে আছেন তিনি


পুরোপুরি ভেজা। তার ভেজা পোশাক এবং চুল


থেকে জল গড়িয়ে পড়ছিল। আমি যখন তার দিকে


তাকালাম তার সৌন্দর্যে এতটাই মুগ্ধ হয়ে


পড়েছিলাম। হঠাৎ দরজার বন্ধ হওয়ার শব্দে


আমি বাস্তবতায় ফিরে এলাম। বুঝতে পারলাম


কুনাালের মা আমাকে দেখে আবার বাথরুমের


দরজা বন্ধ করেছেন। আমি ধীরে ধীরে হেঁটে


ঘরের দিকে গিয়ে বসলাম। কিছুক্ষণ পরে তিনি


ঘরে এলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন সুনীল তুমি


এই সময় এখানে কিভাবে আমি তাকে সব কথা


খুলে বললাম এবং ক্ষমা চাইলাম। তিনি বললেন


এতে কিছুই হয়নি। আমি মোটেই বিরক্ত হইনি


তার কথা শুনে আমি কিছুটা বিব্রত হলাম।


তিনি বললেন তুমি এখানে কয়েক মিনিট


অপেক্ষা করো। আমি একটু রেডি হয়ে আসছি।


এরপর তিনি নিজের ঘরে গেলেন এবং কিছুক্ষণ


পর সাধারণ পোশাকে ফিরে এলেন তবুও তিনি এত


সুন্দর লাগছিলেন যে আমার চোখ ফেরাতে


পারছিলাম না তিনি এসে আমার কাছে বসলেন এবং


আমার চুলে হাত বুলিয়ে বললেন সুনীল তুমি


এত কি ভাবছো


তিনি বললেন চলো তাড়াতাড়ি করো সন্ধ্যায়


ফিরে এসে আমাকে রান্না করতে হবে ওনার কথা


শুনে আমি নিজেকে সামলে নিলাম এবং তার সাথে


বাজারে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়লাম বাইকে


ওনার উঠার পর তিনি দু হাতে আমার কাঁধে ধরে


বসলেন। আন্টি যেখানেই যেতে চেয়েছিলেন আমি


তাকে সেখানে নিয়ে যাচ্ছিলাম। বাজার থেকে


বাড়ি ফিরে তিনি বললেন আজ থেকে যদি আমাকে


বাজারে যেতে হয় আমি তোমাকেই নিয়ে যাব।


কারণ তুমি কোন আপত্তি করো না। যেখানে আমি


বলি তুমি সেখানে নিয়ে যাও। এতে আমার কাজ


দ্রুত হয়ে যায়। না হলে তোমার বন্ধু


কুনাাল আমাকে একটা দোকানে নামিয়ে রেখে


নিজে বসে থাকে। আর আমি পায়ে হেঁটে বাকিটা


বাজার করতে হয়। কিন্তু তুমি তো সব ব্যাগও


নিয়েছো। আমাকে গাড়িতে নিয়ে গেছো এতে


আমার অনেক সময় বেঁচে গেছে তারপর তিনি


মৃদু হেসে আমার গালে স্পর্শ করলেন এবং


আমাকে প্রশংসা করলেন। সেটা তিনি


স্বাভাবিকভাবে করেছিলেন নাকি তার মনে অন্য


কিছু ছিল সেটা বোঝা আমার পক্ষে সম্ভব


হয়নি। তবে ঘটনাটি আমার মনে গভীরভাবে দাগ


কাটতে শুরু করল। আমি সেই ভাবনায় মগ্ন


ছিলাম। এদিকে তিনি নতুন শাড়ি পড়ে এসে


আমার সামনে দাঁড়ালেন। আন্টি আমাকে


জিজ্ঞেস করলেন, এই শাড়িতে আমি কেমন


লাগছি? আমি বললাম আন্টি আপনি তো দারুন


লাগছেন। তবে শাড়ির সামান্য একটা অংশ একটু


ঢিলা মনে হচ্ছে আমার কথা শুনে তিনি বললেন


সম্ভবত পিছনে ফিতে বাধা হয়নি। সুনীল তুমি


কি একটু সাহায্য করবে আমি তাকে ফিতে


বাঁধতে সাহায্য করলাম। কাজ শেষ করে সামনে


দাঁড়িয়ে দেখলাম তিনি চোখ বন্ধ করে একদম


শান্তভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি ডাকতেই


তিনি চোখ খুলে মুচকি হেসে বললেন কেমন


লাগছে? আমি উত্তরে বললাম আপনি সাধারণতই


সুন্দর দেখতে তবে এই শাড়িতে আপনার


সৌন্দর্য আরো বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে


আমার মুখ থেকে প্রশংসা শুনে তিনি লজ্জা


পেয়ে তার ঘরে চলে গেলেন। ঠিক তখনই


কুনাালের ফোন এলো। কুনাাল বলল যে সে আজ


রাতে তার বান্ধবীর সাথে বাইরে থাকবে এবং


তার মাকে একা রাখতে চায় না। সে আমাকে বলল


তুমি যদি মায়ের সাথে থাকো তবে মা আমাকে


ফোন করে বিরক্ত করবেন না। তুমি সবকিছু


যেমন সুন্দরভাবে সামলে নিয়েছো।


আজ রাতেও তেমনভাবেই সামলিয়ে নিও। ফোন


রেখে দিল কুনাাল। কিছুক্ষণ পরে আন্টি


শাড়ি বদলে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন


কুনাালের কি খবর? বন্ধুত্বের খাতিরে আমাকে


আন্টিকে একটা ছোট্ট মিথ্যা বলতে হল। আমি


বললাম, কুনাাল আমাদের স্যারের খুব প্রিয়


ছাত্র। স্যারের কিছু কাজ ছিল তাই তাকে আজ


রাতে স্যারের বাড়িতে থাকতে হবে। সে আজ


ফিরবে না। আমার কথা শুনে আন্টির মুখে একটা


মৃদু হাসি ফুটে উঠল।


তিনি বললেন আমি তো একা বাড়িতে থাকতে পারি


না। তাই আজ রাতে তোমাকে এখানেই থাকতে হবে।


এটা কুনাাল আগেই আমাকে জানিয়ে দিয়েছিল।


বন্ধুত্বের জন্য মাঝে মাঝে এমন মিথ্যে


বলতেই হয়। আর আমার অবস্থা তখন এমনই ছিল।


আমি আন্টির সাথে থেকে যাওয়ার জন্য সম্মতি


দিলাম। তবে আমি বুঝতেও পারিনি সেই রাতে


আমার আর আন্টির মধ্যে কি হতে চলেছে। রাতের


খাবার শেষে আন্টি আমাকে তার ঘরে ডাকলেন।


আমরা অনেকক্ষণ কথা বললাম।


তিনি আমার পরিবার সম্পর্কে জানতে চাইলেন।


আমি বললাম আমার বাবা-মা গ্রামে কৃষি কাজ


করেন আর আমি শহরে পড়াশোনার জন্য একা


থাকি। শহরে আমার আর কেউ নেই। আমি কথা বলতে


বলতে হঠাৎ থেমে গেলাম। যখন আন্টি আমার


মুখের উপর হাত রাখলেন। তিনি বললেন, সুনীল


এমন কথা আর কখনো বলো না। মনে রেখো এখানে


তুমি একা নও। আমি আছি তোমার পাশে। তুমি


কখনো একা নও। আন্টির কথাই জেনে একটু


দ্বিধা ছিল।


তিনি কিছু বলার আগে হঠাৎ কুনাালের নাম


উল্লেখ করলেন তবে তার দৃষ্টিতে কিছুটা


অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করলাম বয়সের কারণে


আমি তার দৃষ্টির পরিবর্তন বুঝতে পারছিলাম


এই পরিস্থিতি এডাতে আমি মৃদু কাশির ভান


করলাম আমাকে কাসতে দেখে তিনি হাসলেন এবং


পানি এনে পাশে বসে পড়লেন। আমি বললাম


আন্টি রাতে জিন্স পড়ে ঘুমাতে একটু


অস্বস্তি হয় আমার। কুনাালের কোন


আরামদায়ক পোশাক থাকলে দিন। আমি সেটা পড়ে


ঘুমাতে চাই। তিনি বললেন কুনাালের ঘর থেকে


আলমারি খুলে নিজেই কাপড় নিয়ে নাও।


কুনাালের ঘরে গিয়ে আলমারি খোলার সাথে


সাথে সেখানে বিভিন্ন ধরনের পারফিউম,


ব্রেসলেট এবং আরো অনেক জিনিস দেখতে পেলাম।


কৌতূহল বুশ একটি ব্রেসলেট পড়ে নিলাম এবং


একটা রঙিন শার্টও গায়ে পড়লাম। তারপর আমি


চুলে জেল লাগিয়ে কুনাালের মত একটা স্টাইল


করার চেষ্টা করলাম। আয়নার সামনে


দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকাচ্ছিলাম।


ঠিক তখনই হঠাৎ আন্টি আমার পেছনে এসে


দাঁড়ালেন। কখন এসেছেন আমি টের পাইনি কারণ


আমি নিজের দিকে তাকিয়ে ব্যস্ত ছিলাম তিনি


আমাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে আমার চুল ঠিক


করলেন এবং ব্রেসলেটটি খুলে দিলেন তিনি


বললেন সুনীল তোমার কিছু বদলানোর দরকার নেই


তুমি যেমন তেমনটাই চমৎকার প্রথমবার দেখেই


তোমাকে ভালো লেগেছিল কথাগুলো বলার সময়


তিনি স্নেহ ভরে আমার পাশে এসে দাঁড়ালেন


আমি একটু অস্বস্তি বোধ করছিলাম তাই


বিনয়ের সাথে একটু দূরে সরার চেষ্টা করলাম


তিনি হেসে বললেন সুনীল এখন তো বাড়িতে


আমরা শুধু দুজনই আছি তুমি এতটা দূরে কেন


যাচ্ছো আমি তার কথা শুনে বিস্মিত হয়ে


বললাম আন্টি আপনি কি বলতে চাইছেন কিছুক্ষণ


চুপ থাকার পর মনে হলো তিনি কিছুটা


অস্বস্তি বোধ করছেন এবং দ্রুতই নিজের


অবস্থান পরিবর্তন করলেন। তার আচরণে আমি


কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করলাম।


তাই হঠাৎ করে তার হাত ধরলাম এবং তাকে


কুনাালের ঘর থেকে বাইরে নিয়ে গেলাম।


তিনি দরজায় কয়েকবার ধাক্কা দিলেন কিন্তু


আমি দরজা খুলিনি কারণ যা ঘটছিল তার জন্য


আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না তার


সৌন্দর্য আমার মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত


করেছিল তবে কিছু বিষয় ঠিক মনে হচ্ছিল না


সেই রাতে আমি দরজাটি বন্ধ রেখেই ঘুমাতে


গেলাম পরের দিন সকালে প্রায় ছয় টার দিকে


কুনাাল বাড়ি ফিরল আমি কুনাালের সঙ্গেই


তার বাড়ি থেকে তৈরি হয়ে কলেজ যাওয়ার


জন্য বেরিয়ে পড়লাম কলেজ যাওয়ার সময়


কুনাাল বাইকের পেছনে বসে আমি বললাম কুনাাল


তুমি তো তোমার জীবনের সঙ্গিনী খুঁজে


পেয়েছো। তবে তোমার মায়ের পুনরায় বিয়ের


কথা ভেবেছো কি? আমার এ কথা শুনেই কুনাাল


হঠাৎ করে মাঝপথে বাইক থামিয়ে দিল এবং


আমাকে নিচে নামিয়ে বলল, সুনীল তুমি আমার


সবচেয়ে ভালো বন্ধু। তাই তোমাকে বলছি আমি


মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের ঘোর বিরোধী। এই


বয়সে মায়ের জীবনসঙ্গীর প্রযোজন নেই। আমি


এখন বর হয়েছি এবং মায়ের পুনরায় বিয়ে


আমার কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার


করা প্রশ্নটি হয়তো কুনাাল এর পছন্দ


হয়নি। কারণ কুনাাল আমাকে রাগান্বিতভাবে


উত্তর দিয়েছিল তাই আমি তখন সেই বিশ্বাসটি


বন্ধ করে দিয়েছিলাম দেখতে দেখতে এক মাস


কেটে গেল এই এক মাসে আমি একবারও কুনাালের


বাড়িতে যাইনি এখন আমাদের কলেজে


অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার সময় চলে এসেছে


একদিন রাত আটটার দিকে কুনাাল আমার রুমে


এসে হাজির হয় সে আমাকে অনুরোধ করতে থাকে


যাতে আমি তার অ্যাসাইনমেন্টটি সম্পূর্ণ


করে দিই আমি সবসময় আমার কাজ সময় মতো করে


রাখি তাই আমার সব অ্যাসাইনমেন্ট আগেই শেষ


হয়ে গিয়েছিল। কুনাালের অ্যাসাইনমেন্টটি


শেষ করতে আমি রাজি হয়ে গেলাম। কিন্তু তখন


রুমে বিদ্যুৎ ছিল না। আধা ঘন্টা কেটে গেছে


তবু আলো ফিরে আসেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই


জানতে পারলাম যে পরবর্তী তিনদিন পর্যন্ত


বিদ্যুৎ আসবে না। কুনাাল আমাকে বলল, এখানে


বিদ্যুৎ নেই তো কি হয়েছে? আমার বাড়িতে


লাইট। ইনভার্টার সব আছে। প্লিজ আমার সাথে


বাড়িতে চলো। কুনাালের অনুরোধে আমি তার


সাথে তার বাড়ি যাওয়ার জন্য রাজি হলাম


বাড়িতে পৌঁছেই আমি কোন দিকে না তাকিয়ে


সরাসরি তার ঘরে চলে গেলাম এবং দরজা বন্ধ


করে দিলাম কুনাাল আমাকে অ্যাসাইনমেন্ট


লেখার জন্য দিয়ে নিজে তার গার্লফ্রেন্ডের


সাথে ফোনে কথা বলতে লাগলো তার


গার্লফ্রেন্ড একাই নিজের রুমে থাকে হঠাৎ


কুনাাল ফোনটি বন্ধ করে আমার দিকে ফিরে বলল


সুনীল আজ রাত তুমি এখানে সব সামলে নাও আমি


আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে


যাচ্ছি সম্ভবত সকালে ফিরব আর হ্যাঁ


অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য এখনো চার


দিন বাকি আছে তুমি চাইলে ঘুমাতে পারো আমি


কুনাালকে বাইরে যেতে নিষেধ করছিলাম কিন্তু


সে কথা না শুনে বেরিয়ে গেল প্রায় আধা


ঘন্টা পর আমি তার রুমে বসে অ্যাসাইনমেন্ট


লিখছিলাম তখন দরজায় টোকা পড়ল বাইরে


গিয়ে দেখলাম আন্টি দুটি গ্লাসে দুধ নিয়ে


এসেছেন। কুনাাল ঘরে নেই। এ বিষয়টি যেন


তিনি না বুঝতে পারেন তাই আমি তাকে ঘরে


ঢুকতে দিলাম না এবং বাইরে গিয়ে বললাম


কুনাাল ঘুমিয়ে পড়েছে তিনি আমাকে এক


গ্লাস দুধ দিয়ে তার ঘরে ফিরে গেলেন আমি


ডাইনিং রুমে বসে দুধ খেয়ে আবার কুনাাল এর


ঘরে ফিরে এলাম হঠাৎ আন্টির ঘর থেকে অদ্ভুত


শব্দ শুনে আমি আতঙ্কিত হয়ে তার ঘরের দিকে


ছুটলাম ঘরে ঢুকেই দেখি আন্টি নেই পেছনে


দরজা বন্ধের শব্দ হলো দেখলাম আন্টি দরজাটি


বন্ধ করেছেন আমি জিজ্ঞাসা করলাম আন্টি এটা


কি হচ্ছে তিনি হেসে আমার মাথায় হাত


বুলিয়ে বললেন তোমাকে এখানে আনতেই হতো তাই


এমনটা করেছি তুমি তো আমাকে ভালোবাসো তাহলে


এমন করতেছ কেন আমি বললাম আপনি আমার জন্য


মায়ের মতো আমি কিছু ভুল করতে পারিনা দয়া


করে আমাকে মাফ করুন তখন তিনি রেগে গিয়ে


আমার শার্টের বাটন এমনভাবে টানলেন যে


সেগুলো ছিড়ে মাটিতে পড়ে গেল আন্টি হঠাৎ


আমার গলার ধরে বললেন আমি তোমার মায়ের মতো


হতে পারি কিন্তু মা নই। এটা মনে রেখো তার


কথায় আমার চিন্তাধারায় একটা পরিবর্তন


আসলো। সত্যিই তিনি আমার মায়ের মত যত্নবান


ছিলেন কিন্তু মা ছিলেন না। তার কথা শুনে


আমি শান্ত হয়ে তাকে বললাম, যদি কখনো কোন


ভুল করে আপনাকে কষ্ট দিয়ে থাকি তার জন্য


ক্ষমা করবেন। কিন্তু আজ বুঝলাম আপনি আমাকে


কি বোঝাতে চেয়েছেন? আপনার ব্যক্তিত্ব এবং


সুন্দর মন আমাকে সবসময় মুগ্ধ করেছে। আমার


কথায় আন্টি খুবই খুশি হলেন। তার মুখে যেন


এক আলাদা রকমের খুশি ফুটে উঠলো। তিনি আমার


হাত ধরে বেশ কিছুক্ষণ রাখলেন। আমি তাকে


আমার পাশে বসতে বললাম। তিনি মুচকি হেসে


বললেন, আমি জানতাম একদিন তুমি আমার সঙ্গে


দেখা করতে আসবে। এবার আমাকে তোমার ঘরের


ঠিকানা দাও যাতে যখন কুনাাল বাড়িতে থাকবে


না। তখন আমি আসতে পারি। বলার সময় তিনি


তার মাথা আমার কাঁধে রাখলেন। আমি তার হাত


ধরে বললাম আপনি সবসময় আমার সম্মতি পাবেন।


আমি একটু হাসি দিয়ে বললাম আন্টি আমার


একটা প্রশ্ন আছে। আপনি আমার মধ্যে এমন কি


দেখলেন যে কয়েকদিনের মধ্যেই আমার প্রতি


আকৃষ্ট হলেন কুনাাল যখন আট বছরের ছিল। তখন


তার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। তারপর


থেকে আমি অনেক কষ্টে ওকে বড় করেছি। এখন


আমার আর্থিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি


হয়েছে। কিন্তু যখন কুনাাল কলেজে যেতে


শুরু করল তখন থেকে আমি ওকে তার বান্ধবীর


সঙ্গে কথা বলতে দেখতাম। তিনি আরো বললেন


আমারও কিছু বান্ধবী আছেন যারা তাদের


স্বামীদের সঙ্গেও এবং কিছু প্রেমিকের


সঙ্গেও খুব সুখী জীবন যাপন করেন। কখনো


কখনো তাদের দেখে আমারও একটু ইচ্ছা হতো।


কিন্তু সেদিন যখন তোমাকে দেখলাম তখনই


তোমার প্রতি আমার মনে অন্যরকম একটা


অনুভূতি জন্মালো। তারপর যখনই আমাদের দেখা


হয়েছে তুমি আমার মন জয় করেছো তুমি আমাকে


সবসময় সম্মানের সঙ্গে দেখেছো আর তোমার এই


আচরণে আমাকে তোমার প্রতি ভালোবাসা


জন্মিয়েছে


আমি শান্ত স্বরে বললাম আপনি আমাকে এত


প্রশংসা করলেন তার জন্য ধন্যবাদ তবে যদি


কুনাাল এটা জেনে যায় তখন কি করবেন আন্টি


মুচকি হেসে বললেন সেটা পরে দেখা যাবে এখন


আমি শুধু কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটাতে চাই


যার জন্য আমি বহুদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম


তিনি কাছে আসার চেষ্টা করছিলেন।


আমি শান্তভাবে বললাম আন্টি আপনি যা


খুঁজছেন তা সাময়িক শান্তি নয়। আপনার


কথাবার্তা থেকে বোঝা যাচ্ছে আপনি এমন


একজনকে খুঁজছেন যে আপনাকে সারাজীবন


ভালোবাসবে এবং যত্ন করবে। আমি আপনার


মঙ্গলের জন্য বলছি। তবে আপনি এ বিষয়টি


ভুলভাবে দেখছেন। আমি আরো বললাম, যদি আপনি


প্রকৃত ভালোবাসা এবং সাময়িক অনুভূতির


মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারেন, তাহলে নিজের


প্রযোজনগুলো আরো স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে


পারবেন। আমি আন্টির দিকে তাকিয়ে


শান্তভাবে বললাম, আপনি যদি সত্যিই বিষয়টি


বুঝতেন। তবে আপনি এমন সিদ্ধান্ত নিতেন না।


আপনার সৌন্দর্য আমার কাছেও দৃষ্টিগোচর।


কিন্তু কিছু সম্পর্কের সীমা আছে যা আমরা


কখনো অতিক্রম করতে পারি না। আপনাকে এটা


বুঝতে হবে যে আপনার কি প্রয়োজন। যদি আপনি


শুধু আবেগের বসে আমার সঙ্গে কিছুটা সময়


কাটান তাহলে পরে আপনাকে সেই মুহূর্তগুলোর


জন্য অনেক আফসোস হবে। কারণ এই ধরনের


সম্পর্ক কখনো সমাজে স্বীকৃত হতে পারে না।


আর আমাদের সম্পর্কেও কোন ভিন্ন নাম দেওয়া


যাবে না। আমার কথাগুলো শুনে আন্টির চোখে


এক ধরনের উপলব্ধির ছাপ পড়ল।


তিনি ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে মেনে নিলেন।


তারপর তিনি আমার কাছে ক্ষমা চাইলেন এবং


আমি যখন তার ঘর থেকে বেরিয়ে আসছিলাম তিনি


আমাকে আর থামানোর চেষ্টা করেননি। আমি


কুনাালের ঘরে ঢুকতেই দেখি কিছুক্ষণ পর


কুনাাল জানালা দিয়ে ভেতরে ঢুকল। তার হঠাৎ


ফিরে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই সে বলল,


আমার বান্ধবীর মাথায় একটু ব্যথা ছিল তাই


ওকে মেডিকেল থেকে ওষুধ এনে দিলাম। এজন্যই


ওর কাছে গিয়েছিলাম। কুনাালের কথা শুনে


হেসে বললাম কুনাাল কিছু মাস হলো তোমার ওর


সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে আর এত অল্প সময়ে


তোমার মধ্যে তার প্রতি এত টান কিন্তু


তোমার নিজের মায়ের কথা কি ভাবো তারও তো


একজন সঙ্গীর প্রয়োজন হতে পারে তাই না আমি


বললাম জীবনে সবারই সঙ্গীর প্রয়োজন হয়


তুমি তোমার নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে


পড়বে কিন্তু তোমার মায়েরও তো জীবনে একজন


সঙ্গী দরকার হতে পারে যিনি তার যত্ন নেবেন


একবার মায়ের কথা ভাবো এতদিন তিনি তোমার


জন্য বেঁচে থেকেছেন। এখন তারও একজন সঙ্গীর


প্রয়োজন হতে পারে। আমার কথাগুলো শুনে


কুনাাল বেশ ভেবে দেখল। সে একটাও শব্দ আমার


বিরুদ্ধে বলল না। পরের দিন যখন আমি তাদের


বাড়ি থেকে বেরচ্ছিলাম, কুনাাল তার মায়ের


সামনে এসে তাকে বিয়ের অনুমতি দিল।


কিছুদিনের মধ্যেই কুনাালের মা আবার বিয়ে


করলেন। আন্টি তখন 42 বছর বয়সী ছিলেন এবং


তার নিজের বয়সের একজন জীবনসঙ্গী খুঁজে


পেলেন। আমি যখন আন্টিকে নতুন জীবনের জন্য


শুভেচ্ছা জানাতে গেলাম তিনি আমার মাথায়


হাত বুলিয়ে বললেন, সুনীল আমি তোমার


মায়ের মতো নই। আমি তো তোমার মাই। তখন


আন্টির সেই কথা মনে পড়ে গেল। আর তিনি তার


নতুন স্বামীর সামনেই আমাকে ধন্যবাদ


জানালেন। তাদের সুখী দেখে আমিও খুব খুশি


হলাম। কুনাাল আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল তাই


তার সুখ আমার সুখের মতোই এরপর আমি আর


আন্টির বাড়িতে খুব বেশি যায়নি আমি


চেয়েছিলাম তাদের নতুন জীবনের শুরুটা


তাদের নিজের মত করে হোক তাই আমি অন্য শহরে


গিয়ে নিজের পড়াশোনা শেষ করি কুনাালের


সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব অটুট ছিল কিন্তু আমি


আর তাদের বাড়িতে যেতাম না যখনই আমাদের


দেখা করার দরকার হতো কুনাাল নিজেই আমার


কাছে চলে আসতো কিংবা আমরা কোন নির্দিষ্ট


জায়গায় দেখা করতাম গল্পটা কেমন লাগলো


জানাতে ভুলবে না। আরো মজার মজার রোমান্টিক


গল্প শুনতে চাইলে ভিডিওটি লাইক, শেয়ার


এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে এবং বেল


আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবে না। ধন্যবাদ।



Comments

Popular posts from this blog

ভাই বোনের ওপেন ছুদা-ছুদি

ভাই বোনের আপন ছোট ভাই আমাকে চুদলো

বৃষ্টির রাতে দুধ গুলো আপেলের মতো খাচ্ছিলো